Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

গীতা

গীতায় অষ্টাদশ অধ্যায়ে পাওয়া যায় যে সর্বভূতে হৃদয় প্রদেশে ঈশ্বর বিরাজ করেন এবং সেখান হইতে মায়ারজ্জুর দ্বারা সর্বভূতকে সঞ্চালন করেন। এই স্থলে ‘হৃদয়’ শব্দের কি তাৎপর্য এবং সেখানে ঈশ্বরের অবস্থান কি প্রকার জানিতে ইচ্ছা হয়। সাধকের সাধনপথে হৃদয়ের জ্ঞান কতটা আবশ্যক তাহা আমার জিজ্ঞাস্য। এই হৃদয়ে যে স্থূলদেহের heart শব্দের প্রতিপাদ্য তাহা মনে হয় না। এই হৃদয়বিজ্ঞান অনেকদিন হইতে আয়ত্ত করিতে ইচ্ছা রহিয়াছে কিন্তু ইহার রহস্য ঠিক বুঝিতে পারিতেছি না।
তোমার এই প্রশ্ন অতি উত্তম। প্রতি সাধকের পক্ষে হৃদয়ের জ্ঞান অত্যাবশ্যক। ইহা সকলেই জানে যে, লৌকিক মনুষ্যের জীবনেও হৃদয়কে জানিবার প্রয়োজন আছে। কারণ, সাধারণতঃ জাগ্রৎ, স্বপ্ন ও সুষুপ্তি বুঝিতে হইলে হৃদয়কে বোঝা অত্যন্ত আবশ্যক। কারণ হৃদয় হইতেই নাড়ীজাল প্রসৃত হইয়া সমস্ত দেহে ব্যাপ্ত হইয়াছে। জাগ্রৎ অবস্থায় কতকগুলি নাড়ী হৃদয় হইতে প্রসৃত হইয়া অন্নময় কোষে ইন্দ্রিয়দ্বার পর্যন্ত সঞ্চালিত রহিয়াছে। এই সকল নাড়ীর দ্বারা ইন্দ্রিয়সকল ক্রিয়াশীল হয় এবং রূপরসাদি বাহ্যজগতের সকল বিষয় গ্রহণ করে। অন্নময় কোষ এই প্রকারে হৃদয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
প্রাণময় কোষও তাহাই। মনোময় কোষ স্বপ্নদর্শনের সহিত সংশ্লিষ্ট। সেখানে হৃদয় অজ্ঞানে আবৃত, কিন্তু মনোবহা নাড়ীর দ্বারা পূর্ণরূপে অধিগত। স্বপ্নজগৎ ইহার অতি সংশ্লিষ্ট। কিন্তু সুষুপ্তিকালে নাড়ীর ক্রিয়া থাকে না। মন হৃদয়ে ডুবিয়া যায়। হৃদয় তখন অজ্ঞানে আচ্ছন্ন। ইহার পর যাহাদের জ্ঞানের কিঞ্চিৎ মাত্র উদয় হইয়াছে তাহাদের ঊর্ধ্ব-মার্গের সহিত সম্বন্ধ ঘটে। তখন হৃদয় হইতে সঞ্চালিত ঊর্ধ্বনাড়ীর দ্বারা তাহারা চালিত হইতে আরম্ভ করে। তখন দেহাত্মবোধ কাটিতে থাকে। তখন সুষুম্নার ক্রিয়া স্পষ্ট ভাবে অনুভূত হইতে থাকে। ভৌতিক আকাশ ও চিত্তাকাশ ভেদ হইয়া যায়। ক্রমশঃ চিদাকাশে প্রবেশ হয়। সাধক তখন মনোময় কোষ হইতে উত্তীর্ণ হইয়া ক্রমশ বিজ্ঞানময় কোষ অধিকার করে। চিদাকোশে অখণ্ড সত্তা অনন্ত রূপে ভাসিতে থাকে। দিব্যরূপ, দিব্যগন্ধ প্রভৃতি প্রকাশ পায়। দেশকালের সীমা তখন আর তাহার দৃষ্টিকে আবদ্ধ করে না। এই ক্রমিক ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে অবস্থাবিশেষে উপর হইতে এক অধোগতির সংযোগ হয়। তখন ইন্দ্রিয়ের ক্রিয়া থাকে না এবং বাহ্য বিষয়ের গ্রহণ হয় না। কিন্তু প্রাণের ক্রিয়া থাকে এবং জীব স্বপ্নজগতে সঞ্চলন করে। জাগ্রত অবস্থার ন্যায় স্বপ্ন অবস্থানেও নাড়ীর ক্রিয়া বহিয়াছে। এই সকল নাড়ী প্রাণময় কোষের সহিত সংশ্লিষ্ট। প্রাণময় কোষ স্বপ্নাবস্থায় ক্রীয়াশীল থাকে। জাগ্রৎ অবস্থায় যেমন ইন্দ্রিয়ের দ্বারা স্থূলজগতের গ্রহণ হয় স্বপ্ন অবস্থায় তেমনি সূক্ষ্মজগতের গ্রহণ হইয়া থাকে। এই উভয় কার্যই নাড়ীর সঞ্চালনমূলক। কিন্তু সুষুপ্তি অবস্থায় মন নাড়ীপথে সঞ্চরণ করে না কিন্তু হৃদয়ে নিষ্ক্রিয়ভাবে সুপ্ত থাকে। তাই ঐ অবস্থায় বাহ্য জগতের বোধ হয় না, আভ্যন্তরীণ জগতেরও বোধ হয় না—কোন বোধই হয় না।
ঐ অবস্থায় মন হৃদয়ে সুপ্ত থাকে। এটি মনের নিষ্ক্রিয় অবস্থা। এখানে অবিদ্যার সম্পূর্ণ প্রভাব। তাহার পর জীবন—যোনিপ্রযত্নের দ্বারা জীবের সুষুপ্তি ভঙ্গ হয়। এইভাবে জাগ্রৎ, স্বপ্ন ও সুষুপ্তির মধ্য দিয়া সংসারচক্র আবর্ত্তিত হয়। কিন্তু যদি কোন ভাগ্যবান পুরুষ জ্ঞানের সন্ধান পাইয়া থাকেন তাহা হইলে বুঝিতে হইবে যে তিনি ঐ জ্ঞানের আলোকে হৃদয়ের অন্ধকার দূর করিতে পারিয়াছেন। এই অবস্থায় মন সুষুপ্ত থাকে না ও জাগ্রৎ হইয়া হৃদয় ভেদ করিয়া ঊর্ধ্বমুখে উত্থিত হয়। শাস্ত্র বলিয়াছেন, ‘শতং চ এক চ হৃদয়স্য নাড্যঃ’—অর্থাৎ হৃদয় হইতে অসংখ্য নাড়ী (শত শব্দের অর্থ অসংখ্য) নিম্নদিকে— চারিদিকে ব্যাপ্ত হইয়াছে। এই সকল নাড়ীর দ্বারা জাগ্রৎ ও স্বপ্ন অবস্থায় জীবনের কার্য নির্বাহ হয়। ইহা অজ্ঞানীর সংসার অবস্থার কথা।
কিন্তু যে ভাগ্যবান পুরুষ জ্ঞানপ্রাপ্ত হইয়াছেন তিনি এই সকল আবর্তে পতিত হন না। তিন ঊর্ধ্বমুখে সুষুম্নার সাহায্যে গতিশীল হন। এই যে বলা হইয়াছে ‘শতং চ একা চ’ এই এক নাড়ীটি হইল ব্রহ্মনাড়ী, ইহার নাম সুষুম্না। ইহা ঊর্ধ্বদিকে অনন্তভাবে ব্যাপ্ত রহিয়াছে। এই নাড়ীর দ্বারা বিজ্ঞানময় কোষ ও আনন্দময় কোষে গতি ও স্থিতি লাভ হয়।
গোপীনাথ কবিরাজের ‘সাধনা ও সিদ্ধি’ থেকে
22nd  March, 2020
 ভাল দিন-খারাপ দিন

 প্রশ্ন: ভাল দিন আর খারাপ দিন কোন্‌টি?
উত্তর:‘যদচ্যুতকথালাপরসপীযূষবর্জিতম্‌।
তদ্দিনং দুর্দিনং মন্যে মেঘাচ্ছন্নৎ ন দুর্দিনম্‌।।’ —(শ্রীমদ্‌ভাগবতম্‌) বিশদ

25th  March, 2020
আলো 

মানুষের সূক্ষ্মদেহের হৃদয়ে সার্চ্চ লাইটের মত আলো আছে। ওই আলোতে সাধারণতঃ নীচের তিনটি পদ্ম আলোকিত থাকে। মূলাধার হতে যখন ওই আলো সংহরণ করা যায়, তখন তন্দ্রাবস্থা আসে; যখন স্বাধিষ্ঠানে আনা যায়, তখন স্বপ্নাবস্থা হয়; যখন মণিপুরে আসে সুষুপ্তি অবস্থা।  
বিশদ

23rd  March, 2020
দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুর যখন যেভাবে
ভবতারিণীর পূজা করিতেন

 অগ্রজের মৃত্যুর পর ঠাকুর শ্রীশ্রীজগদম্বার পূজায় অধিকতর মনোনিবেশ করিয়াছেন এবং তাঁহার দর্শনলাভের জন্য যাহাই অনুকূল বলিয়া বুঝিতেছেন তাহাই বিশ্বস্তচিত্তে ব্যগ্র হইয়া সম্পন্ন করিতেছেন। এই সময়ে যথারীতি পূজা সমাপনান্তে দেবীকে নিত্য রামপ্রসাদ প্রমুখ সিদ্ধ ভক্তদিগের রচিত সঙ্গীত সমূহ শ্রবণ করান তিনি পূজাঙ্গের অন্যতম বলিয়া ধারণা করিয়াছিলেন। বিশদ

21st  March, 2020
অমৃতকথা 

দিন যায়। জীবন তো নিরন্তর মরণ-সিন্ধুপানে ব’য়ে যায়। কিন্তু প্রভো! আজও তোমায় জীবনে বরণ ক’রে নিলাম কই? আন্তরিক প্রেম-প্রীতি-অনুরাগ, ভক্তি-শ্রদ্ধা-ব্যাকুলতা নিয়ে তোমার শ্রীচরণে আত্মসমর্পণ করলাম কোথায়?  বিশদ

20th  March, 2020
  কুণ্ডলীশক্তি

“মস্তিষ্ক-মধ্যগত ব্রহ্মরন্ধ্রস্থ অবকাশ বা আকাশে অখণ্ড-সচ্চিদানন্দস্বরূপ পরমাত্মার বা শ্রীভগবানের জ্ঞানস্বরূপে অবস্থান। তাঁহার প্রতি কুণ্ডলীশক্তির বিশেষ অনুরাগ, অথবা শ্রীভগবান তাঁহাকে নিরন্তর আকর্ষণ করিতেছেন।” এই আকর্ষণ কিরূপে বুঝিতে বা অনুভব করিতে পারা যায়? বিশদ

19th  March, 2020
আত্মকর্ম্ম

আত্মকর্ম্মের দ্বারা আত্মিক স্থিতির উৎকর্ষ-সাধন ঘটিয়া থাকে। তীব্রতা অনুসারে কর্ম্মকে তিন ভাগে বিভক্ত করা যাইতে পারে। আত্মকর্ম্ম ততক্ষণ পর্য্যন্ত সম্পন্ন হইতে পারে না যতক্ষণ পর্য্যন্ত দেহে চৈতন্য শক্তির উন্মেষ না হয়। প্রতি মনুষ্যদেহে এই শক্তি কুলকুণ্ডলিনী নামে নিহিত রহিয়াছে।
বিশদ

18th  March, 2020
 ব্রহ্ম

রামানুজ জগৎপ্রপঞ্চকে চিৎ (জীবাত্মা বা প্রাণী), অচিৎ (জড় প্রকৃতি) এবং ঈশ্বর—এই তিন ভাগে ভাগ করেছেন; অথবা চেতন, অবচেতন ও অধিচেতন—এই তিন ভাগ। শঙ্কর কিন্তু বলেন: (জীবাত্মা) চিৎ ও (পরমাত্মা) ঈশ্বর বা ব্রহ্ম এক বস্তু। ব্রহ্ম সত্যস্বরূপ, জ্ঞানস্বরূপ, অনন্তস্বরূপ; ঐ সত্য, জ্ঞান ও অনন্ত তাঁর গুণ নয়।
বিশদ

17th  March, 2020
ঈশ্বর 

রাতের আকাশে অগণিত নক্ষত্র দৃষ্টিগোচর হয়, আবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথেই অদৃশ্য হয়। তখন আর তোমরা তাদের দেখতে পাও না। এজন্য কি বলতে পারো দিনের বেলায় আকাশে নক্ষত্র নেই?  
বিশদ

16th  March, 2020
গীতায় গুরুবাদ

 উত্তরকালে গুরুগীতা প্রভৃতি গ্রন্থ প্রণয়ন করিয়া অধ্যাত্ম সাধনায় গুরুবাদ বলিয়া যে একটি স্বার্থপুষ্ট মতবাদ প্রচলিত হইয়াছে গীতাতে তাহা স্বীকৃত হয় নাই। গীতাতে ‘গুরু’ শব্দটি ২য় অধ্যায়ের ৫ম শ্লোকে, ৬ষ্ঠ অধ্যায়ের ২২শ শ্লোকে এবং ১৭শ অধ্যায়ের ১৪শ শ্লোকে ব্যবহৃত হইয়াছে। প্রথমটিতে ‘জ্যেষ্ঠ’ অর্থে, দ্বিতীয়টিতে ‘অধিক’ এবং তৃতীয়টিতে ‘আত্মাবৈ গরুরেকঃ’ বিশদ

15th  March, 2020
মহাপুরুষদের আচরণের বিভিন্নতা

 শ্রীশ্রীবাবামণি বলিলেন,—এই দুইজন মহাপুরুষের মধ্যে যদি তুলনা শুরু করে, নিশ্চয় তোমার প্রবৃত্তি হবে প্রথমোক্ত মহাপুরুষকে ছোট এবং শেষোক্ত মহাপুরুষকে বড় বল্‌঩তে। যুক্তি দেখাবে—উনি হচ্ছেন, নাসিকা-কুঞ্চনকারী ছুৎমার্গ, আর ইনি হচ্ছেন, সর্ব্বজীবে সমদর্শী প্রেমিক। বিশদ

14th  March, 2020
 সাধনা

  বীণার সৌন্দর্যে বা উহা বাজাইবার নৈপুণ্য শ্রোতাদের আনন্দ উৎপাদনমাত্র হইতে পারে। ঐ সকল দ্বারা সাম্রাজ্য লাভ হয় না। বহু পুণ্যকর্ম এবং বীরত্বাদি অনেক সদ্‌গুণ থাকিলে তবে সাম্রাজ্যলাভ সম্ভব হয়। ব্রহ্মানুভূতিও এইরূপ বহু সাধনার ফলে মেলে। বিশদ

13th  March, 2020
  ‘সত্যং জ্ঞানমনন্তং ব্রহ্ম......’

 ‘সত্যং জ্ঞানমনন্তং ব্রহ্ম’। সত্য কী?—না, ঘটনাটা যা তার স্বীকৃত রূপটাকে বলে সত্য(Recognised status of veracity)। ইংরেজী veracity শব্দের আসল অর্থ হ’ল, বাস্তব ঘটনা। এখন জ্ঞানটা কী? দার্শনিক পরিভাষায় ‘জ্ঞান’ মানে পরাজ্ঞান, আত্মজ্ঞান। সাধারণ অর্থে জ্ঞান বলতে বোঝায় কর্মভাবের কর্ত্তৃভাবে রূপান্তরণ(Subjectivisation of external objectivity)। বিশদ

12th  March, 2020
অমৃতকথা 

অর্থাৎ যোগদৃষ্টি রেখে অনাসক্ত হয়ে কর্ম করা প্রয়োজন। যোগে অর্থাৎ ঈশ্বর-ভাবনায়, ঈশ্বর-চিন্তায় তাঁর স্মরণ-মনন সদা জাগ্রত রেখে যোগে স্থিত হয়ে সেই দৃষ্টিতে কাজ কর। সিদ্ধি অর্থাৎ কাজে সাফল্য এবং অসিদ্ধি বা কাজে ব্যর্থতা যাই আসুক না কেন সর্ব অবস্থাতেই অবিচলিত থাকাই হলো যোগ।   বিশদ

11th  March, 2020
জপ-ধ্যান 

প্রশ্ন: শ্রীগুরু তোমাদের জপ-ধ্যান দিলেন কেন?
উত্তর: জপের দ্বারা জীবনে চলার পথে নিয়ম-নীতি-আচরণের মাধ্যমে শৃঙ্খলাবোধ এনে গুরু প্রদত্ত সত্য বস্তুকে রক্ষা করা যায়, অর্থাৎ মনের কুলুষ বা আবিলতা নাশ হয় এবং দৃঢ়তা, একাগ্রতা ইত্যাদি বাড়তে থাকে। মন ক্রমশ অনিত্য বস্তুর প্রতি আসক্তি কাটিয়ে সত্যের অনুসন্ধানে তৎপর হয় এবং প্রকৃত সত্য বস্তুর সাথে তার মিলন ঘটে। 
বিশদ

09th  March, 2020
মহাপ্রভুর মহাজাতি গঠন 

মহাপ্রভুর অনবদ্যরূপ, অনুপম গুণ, সুচিশুদ্ধ চরিত্র ও অনির্বচনীয় মাধুর্যে সে যুগের প্রত্যেকটি মানুষ আকৃষ্ট হইয়াছিল। তাঁহার স্পর্শে ক্রূর শ্বাপদও হিংসা ভুলিয়াছিল। দুর্বৃত্ত, পাষণ্ড, দস্যু ও লম্পট বহু ব্যক্তি তাঁহার সংস্পর্শে ধর্মাত্মা হইল।  
বিশদ

08th  March, 2020
পিতামাতার প্রতি কর্তব্য 

আমরা সকলেই আমাদের আদি পিতামাতার কর্ম করবার জন্য এবং তাঁদেরই কর্ম সাধন করবার জন্য এই মানব রূপ পরিগ্রহ করেছি। কিন্তু বিমাতার ভালবাসায় আমরা সকলে মোহগ্রস্ত হয়ে আমাদের আদি পিতামাতার কথা একেবারেই ভুলে গিয়েছি। এটাই আমাদের ভীষণ অপরাধ বলে গণ্য হয়ে গেছে। 
বিশদ

07th  March, 2020
একনজরে
 বিএনএ, বর্ধমান ও সংবাদদাতা: করোনার সংক্রমণ রুখতে সোমবার বিকেল ৫টা থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন। বাজারে এবং মুদির দোকানে গিয়ে ভিড় এড়ানোর জন্য নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লকডাউনের জেরে চরম সঙ্কটে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির গবেষণা। ক্যাম্পাস সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার কারণে নষ্ট হয়েছে বেশ কিছু দামি রাসায়নিক পদার্থ। বেশ কিছু প্রাণী রয়েছে, যাদের ওপর গবেষণা করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন অধ্যাপকরা, সেগুলিকে বাঁচিয়ে রাখা এখন চ্যালেঞ্জের মুখে। ...

উন্নাও, ২৫ মার্চ: মাথা, মুখ তোয়ালে দিয়ে মোড়া। দেখা যাচ্ছে শুধু চোখ দু’টো। পিঠে একটা ব্যাগ। তাতে কিছু বিস্কুটের প্যাকেট আর জলের বোতল। এটুকু সম্বল করেই চড়া রোদে শুনশান রাজপথ ধরে হেঁটে চলেছে ওরা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

খরচের চাপ এত বেশি থাকবে সে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। কর্মক্ষেত্রে নানান সমস্যা দেখা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৪: গিলেটিনের আবিষ্কর্তা জোসেফ ইগনেস গিলেটিনের মৃত্যু
১৮২৭: জার্মান সুরকার এবং পিয়ানো বাদক লুডউইগ ভ্যান বেইটোভেনের মৃত্যু
১৯৯৩: চিত্র পরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭১: স্বাধীনতা ঘোষণা করল বাংলাদেশ, শুরু হল মুক্তিযুদ্ধ
১৯৭৪: চিপকো আন্দোলনের সূচনা
১৯৯৯: সুরকার আনন্দশঙ্করের মৃত্যু
২০০৬: রাজনীতিবিদ অনিল বিশ্বাসের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.১৯ টাকা ৭৬.৯১ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৮১ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
ইউরো ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  March, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ চৈত্র ১৪২৬, ২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) প্রতিপদ ২৯/২৯ অপঃ ৫/২৭। রেবতী অহোরাত্র সূ উ ৫/৩৯/৪১, অ ৫/৪৫/৪৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/৪১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪২ গতে ১০/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৪২ গতে ৪/১১ মধ্যে।
১১ চৈত্র ১৪২৬, ২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, প্রতিপদ ২৬/১০/২১ অপরাহ্ন ৪/৯/৪৯। রেবতী ৬০/০/০ অহোরাত্র সূ উ ৫/৪১/৪১, অ ৫/৪৫/৪৯। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২২ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ গতে ১০/২৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/৪২/৪৩ গতে ১০/১৩/১৪ মধ্যে।
২৯ রজব

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তামিলনাড়ুতে আরও ৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস 

11:52:00 PM

আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রথম করোনা আক্রান্তের খোঁজ 

09:02:11 PM

দেশে একদিনে ৮৮ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস, মোট আক্রান্ত ৬৯৪: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

08:55:45 PM

কৃষ্ণনগরে করোনা আতঙ্কে আত্মহত্যা! 
হোম আইসোলেশনে থাকার নির্দেশ পাওয়ার পর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী ...বিশদ

08:34:13 PM

ভেন্টিলেশনে রাজ্যের দশম করোনা আক্রান্ত 
শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় বাধ্য হয়ে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হল ...বিশদ

08:24:08 PM

ক্রিকেট খেলা বন্ধ করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিস 
লকডাউন উপেক্ষা করে মাঠে ক্রিকেট খেলা বন্ধ করতে গিয়ে নন্দীগ্রামের ...বিশদ

07:58:08 PM