Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে। ১৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর কাছে একটি আবেদন রাখলেন। এই সবগুলিরই প্রয়োজন ছিল। তবে প্রশ্নও রয়ে যাচ্ছে, এটাই কি যথেষ্ট?
আমি একটি সংখ্যার উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছি: ভারত সরকারের দেওয়া রিপোর্ট অনুসারে কতজন মানুষের কোভিড-১৯ পরীক্ষার রেজাল্ট পজিটিভ হল। গত ১ মার্চ, রবিবার সংখ্যাটি ছিল ২। এক সপ্তাহ বাদে গত ৮ মার্চ সংখ্যাটি লাফিয়ে হয়ে গেল ৩২। আরও লম্বা লাফ দিয়ে সেই সংখ্যাটাই ১১১-তে পৌঁছে গেল তার মাত্র এক সপ্তাহ পর, ১৫ মার্চ। ২০ মার্চ এই লেখা যখন তৈরি করছি তখন সংখ্যাটি ২৩৬। করোনা পরীক্ষার পজিটিভ রেজাল্টের বৃদ্ধি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
দ্বিধা কেন?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) তরফে গোড়া থেকে যথেষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, এখনও তা দেওয়া হচ্ছে। তার পুনরাবৃত্তি করেছেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ এবং মহামারী বিশেষজ্ঞদের অনেকেও। এই প্রতিটি হুঁশিয়ারির এক ও একমাত্র বক্তব্য ছিল—‘কঠিন, কষ্টদায়ক ও অপ্রিয়’ পদক্ষেপ করতে না-পারলে সংক্রামিত মানুষের সংখ্যার যে বৃদ্ধিটা হবে তা চিন্তার বাইরে।
প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন করাটা আমার কর্তব্য এবং আমি তা করেও যাব। এই ভয়ঙ্কর শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য মানুষকে নৈতিক হাতিয়ার নিয়ে নামতে বলেছেন তিনি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি যে, ক্লেমেন্ট এটলির যেমন উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ ছিল, করোনা ভাইরাসের তো সেটা নেই। আমি স্থির নিশ্চিত যে আগামী কিছুদিনের ভিতরেই প্রধানমন্ত্রী কঠোরতর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ করতে বাধ্য হবেন।
দেশের সমস্ত নগর ও শহর দুই থেকে চার সপ্তাহের জন্য সাময়িক ‘লকডাউন’ করার পক্ষে আমার সওয়াল রইল। সমান উদ্বেগের অন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল অর্থনীতির উপর কোভিড-এর যে বিরূপ প্রভাব পড়বে সেটা। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য দেশের হালফিল অতি মন্দার পরিস্থিতিকে কোভিডের প্রভাবের সঙ্গে গুলিয়ে দিতে চাইছেন। তবে, তা সত্যি নয়। আগের উপর্যুপরি সাতটি ত্রৈমাসিকেই তো আর্থিক বৃদ্ধির হার ধাক্কা খেয়েছিল। জানুয়ারি-মার্চের যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতেও শ্রীবৃদ্ধির সামান্যতম লক্ষণ নেই। সাধারণ বুদ্ধি বলে যে জানুয়ারি-মার্চ ২০২০ কোয়ার্টারেও (যদি আরও খারাপ অবস্থা না-হয় তবে) পূর্ববর্তী কোয়ার্টগুলির মতোই খারাপ ফল মিলবে।
উদ্যত সঙ্কট
আজ পরিস্থিতি যা দেখছি তাতে এটাই স্বাভাবিক অনুমান যে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য মার খাবে। বড় বড় কারখানাগুলি তাদের শ্রমিকদের কাজের বহর কমিয়ে সপ্তাহে তিন-চার দিনের করে দিয়েছে। ক্যাজুয়াল এবং অস্থায়ী বহু চাকরি ছেঁটে দেওয়া হয়েছে। কোনও কোনও জায়গায় এটা না-হয়ে থাকলে ভবিষ্যতে কিন্তু হবে। বড় বড় ম্যানুফ্যাকচারারদের তরফে সাপ্লায়ারদের কাছে জিনিসপত্র সরবরাহের যেসব বরাত দেওয়া হয়েছিল সেসবও পরিস্থিতি অনুযায়ী কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। অপেক্ষাকৃত ছোট উৎপাদকরা নগদ জোগানের সমস্যায় জর্জরিত হয়েছেন। কাঁচামালের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ঋণদান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যে-অর্থনীতির দ্রুত পতন ঘটছে তার ক্ষেত্রে এগুলি অত্যন্ত স্বাভাবিক পরিণতি। নীতিনির্ধারণে সরকারের ব্যর্থতা এবং অর্থনীতির পতন রোধে সঠিক পদক্ষেপ করতে না-পারার জন্য আমি সরকারকেই দায়ী করেছি। আমার এই সমালোচনা এখনও প্রাসঙ্গিক রয়েছে। কিন্তু, করোনা ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের জন্য সরকারকে দায়ী করা যায় না।
তথাপি, করোনা ভাইরাসের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় প্রতিরোধ করার দায়িত্বটা সরকারেরই। সরকারের প্রথম করণীয় হল চাকরি এবং মজুরি/বেতন অক্ষুণ্ণ রাখা বা তার নিশ্চয়তা দেওয়া। সরকারকে দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে কোন কোন ক্ষেত্রের চাকরি নড়বড়ে হয়ে উঠেছে। এরপর ওই চাকরি ও মজুরি/বেতন যাতে বজায় থাকে সেইমতো পদক্ষেপ সরকারকেই করতে হবে। সরকার যে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে সেটা সমস্ত নিবন্ধীকৃত নিয়োগকর্তার উপর প্রযোজ্য হওয়া উচিত। অন্যদিকে, নিয়োগকর্তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থাও ভাবতে হবে সরকারকে। আর এই সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব করছাড় (ট্যাক্স ক্রেডিট), বিলম্বিত সুদ গ্রহণ অথবা প্রত্যক্ষ অনুদান ব্যবস্থার মাধ্যমে।
এর পরের ধাপে ভাবতে হবে অসংগঠিত ক্ষেত্রকে নিয়ে। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকার সংস্থান হয় নির্মাণ শিল্প এবং পরিষেবা ক্ষেত্র থেকে। পরিষেবা ক্ষেত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পরিবহণ, পর্যটন, রক্ষণাবেক্ষণ (মেনটেন্যান্স ও রিপেয়ার), হোম ডেলিভারি প্রভৃতি। কম সুদে ঋণদান, ট্যাক্স ক্রেডিট এবং অতিরিক্ত সরকারি ব্যয়ের (যেমন—কম খরচে আবাসন তৈরির বরাত দেওয়া) মাধ্যমে এই শ্রেণীর পাশে সরকার দাঁড়াতে পারে।
তার পরে ভাবতে হবে কৃষিক্ষেত্রের কথা। সৌভাগ্য এই যে, কৃষকরা চাষআবাদ আগের মতোই করতে পারবেন। তাঁরা যথারীতি বীজ বপণ করবেন, জমি নিড়ানি দেবেন, সেচ করবেন, সার ছড়াবেন ও ফসল কাটার কাজ করবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের পিএম-কিষান প্রকল্পের সুবিধা সীমিত সংখ্যক কৃষকদের কাছে পৌঁছায়। যে-সমস্ত কৃষকের জমির মালিকানা (অনুপস্থিত মালিক সমেত) আছে এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে তাঁদেরকেই। সরকারের তরফে সুবিধা দেওয়া শুরু করতে হবে ঠিক এখান থেকেই। পিএম-কিষান মারফত প্রদেয় টাকার পরিমাণটা দ্বিগুণ করে ১২ হাজার করা উচিত। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে প্রদেয় অর্থের যতটা এখনও বাকি রয়েছে সেটা অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়া উচিত। খাজনার বিনিময়ে অন্যের জমি কারা চাষ করেন (টেন্যান্ট ফার্মার্স) তার হিসাব রাজ্য সরকারগুলির কাছে রয়েছে। পিএম-কিষান স্কিমের আওতায় এনে এই পরিবারগুলিরও প্রত্যেকটিকে বছরে ১২ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া উচিত। জমির মালিকানাযুক্ত এবং অপরের জমিনির্ভর কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরই ভাবতে হবে খেতমজুরদের সুরক্ষার বিষয়টি।
কৃষিক্ষেত্রের বাইরেও রয়েছেন অসংখ্য দিনমজুর। শ্রমজীবী জনগণের ভিতরে এঁদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। এঁদের প্রত্যেকের নাম নথিভুক্ত করার জন্য দেশের প্রতিটি ব্লকে রেজিস্টার মেনটেন করা কর্তব্য। এর ভিত্তিতে সকলকেই মাসিক ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহারে যে ‘ন্যায়’ প্রকল্পের কথা বলা হয়েছিল এই ধারণাটি তার মধ্যে রয়েছে। এই ভাতা তিন থেকে ছ’মাসের জন্য দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। ‘বোঝা’ মনে হলেও দেশকে এটা অবশ্য করে স্বেচ্ছায় বহন করতে হবে।
একটি অর্থনৈতিক অনুজ্ঞা
স্বভাবতই এগুলির জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন। এই অর্থের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে যদি কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলি নীচের পদক্ষেপ করতে পারে: (১) অপচয়মূলক ব্যয়গুলিকে নির্দয়ভাবে ছেঁটে দিতে হবে এবং (২) সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে সমস্ত জাঁকজমকপূর্ণ এবং সেইসমস্ত দীর্ঘ মেয়াদি প্রকল্পের ব্যয়, যেগুলি থেকে কোটি টাকায় নামমাত্র কর্মসংস্থান হয়। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের যেমন ভূমিকা থাকে, অর্থনৈতিক সুস্থিতি ফেরাতেও তাকে সক্রিয় হতে হবে। এই যে পদক্ষেপ করার কথা বলা হল, এর জন্য ঠিক কত অর্থের প্রয়োজন তার এস্টিমেট এখনও পর্যন্ত নেই। বাজেট অনুসারে, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের মোট ব্যয় হবে ৩০,৪২,২৩০ কোটি টাকা। সব রাজ্য সরকার মিলে এই সময়ে খরচ করবে ৪০ থেকে ৪৫ লক্ষ কোটি টাকা। খরচের যে বহর দেখা গেল তাতে করে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আগামী ছ’মাসে ৫ লক্ষ কোটি টাকা খরচের প্রয়োজন হতে পারে। এটি একটি নৈতিক ও অর্থনৈতিক অনুজ্ঞা। আমরা অবশ্যই এই অর্থের সংস্থান করে নেব এবং তার সদ্ব্যবহারও করব।
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী  
23rd  March, 2020
পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। 
বিশদ

24th  March, 2020
মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
ভয় পাবেন না, গুজব ছড়াবেন না, জনতা কার্ফুতে ঘরে থাকুন, বিশ্বযুদ্ধে ভাইরাস পরাজিত হবেই
হিমাংশু সিংহ

 এক মারণ ভাইরাসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মহাযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের একদিকে করোনা আর অন্যদিকে গোটা মানবজাতির অস্তিত্ব। প্রবীণ মানুষরা বহু স্মৃতি ঘেঁটেও এমন নজির মনে করতে পারছেন না যেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটা রোগ ঘিরে এমন ত্রাস, আতঙ্ক দানা বেঁধেছে মানুষের মনে।
বিশদ

22nd  March, 2020
লড়াই
তন্ময় মল্লিক

 করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে।
বিশদ

21st  March, 2020
সময় এসেছে সিরিয়াস কিছু প্রশ্নের
সমৃদ্ধ দত্ত

তাহলে কিছুটা নিশ্চয়ই বোঝা গেল নিজের পাড়ায় দাঙ্গা এলে কী হবে? অতএব এটাও আশা করি আন্দাজ করা গেল যে, এনআরসি, সিএএ, এনপিআর, কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম, হিন্দু মুসলমান সবই হল নেহাত সাধারণ টাইমপাস।  বিশদ

20th  March, 2020
যুদ্ধপরিস্থিতি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 এ সবকিছুর জন্য দায়ী ওই চীন, বুঝলেন। চীনেরাই ওই করোনা তৈরি করেছে। করে সামলাতে পারেনি। কোনওভাবে সেটা ফাঁক গলে বেরিয়ে পড়েছে। এখন নিজেরাও মরছে, আমাদেরও বিপদে ফেলে দিয়েছে। কাগজে পড়ছি ফ্রান্স, ইতালি, ইরান, ইরাক, আমেরিকা সব নাকি ওই ভাইরাসের দাপটে একেবারে নাজেহাল। বিশদ

19th  March, 2020
করোনায় আতঙ্কে অর্থনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

অমিতাভ রায় এখনও লন্ডনে। সঙ্গে স্ত্রী, আর সাড়ে পাঁচ বছরের ছেলে। নামজাদা তথ্য-প্রযুক্তি কোম্পানির কর্মী অমিতাভ। পেশার চাপে দেশে আগে দেশে ফিরতে পারেননি। এই দফায় আর হলও না...। একবুক আতঙ্ক নিয়ে বিদেশের মাটিতে কাটছে প্রত্যেকটা মুহূর্ত। কিন্তু সেটাও কতদিন! জানেন না তিনি। হাড়ে হাড়ে বুঝছেন, বাজারটা খালি হয়ে যাচ্ছে।
বিশদ

17th  March, 2020
একে একে শুখাইছে ফুল, নিবিছে দেউটি
সন্দীপন বিশ্বাস

কয়েকদিন আগে মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদ বধ কাব্য’ আবার পড়ছিলাম। আমাদের আধুনিক মহাকাব্য। রেনেসাঁসের আলোয় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মাইকেল রামায়ণকে দেখেছিলেন। পড়তে পড়তে আমার দিব্যচক্ষু যেন খুলে গেল।   বিশদ

16th  March, 2020
ব্যাঙ্কিং নয়, বরং দস্যুবৃত্তি
পি চিদম্বরম

একটি ব্যাঙ্কের তহবিল গড়ে ওঠে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট, সেভিংস অ্যাকাউন্ট এবং স্থায়ী আমানতে (ফিক্সড ডিপোজিট) অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে। এরপর তার উপর ব্যাঙ্ক সুদ দেয় । সংগৃহীত জমার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ‘রিজার্ভ’ হিসেবে রেখে দিতে হয়, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের শর্ত মেনে। 
বিশদ

16th  March, 2020
একের পর এক ব্যাঙ্ক বিপর্যয়ের দায়
মোদি সরকার এড়াতে পারে না
হিমাংশু সিংহ

একের পর এক ব্যাঙ্ক বিপর্যয়ের লম্বা তালিকায় নবতম সংযোজন ‘ইয়েস ব্যাঙ্ক’। এর আগে মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে লাটে উঠেছিল পাঞ্জাব ও মহারাষ্ট্র সমবায় ব্যাঙ্ক। তা নিয়ে উত্তেজনাও কম হয়নি। এরও আগে একাধিক দুর্বল লোকসানে চলা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সংযুক্তি নিয়েও কম প্রশ্ন ওঠেনি। মোদি জমানায় ব্যাঙ্ক-সংযুক্তির সবক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক হস্তক্ষেপ করতে হয় অনেক বিলম্ব করেছে কিংবা সব দেখেও কোনও এক রহস্যজনক কারণে না দেখার ভান করেছে। নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক চাপও দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্কের উদাসীন থাকার আর একটা বড় কারণ।
বিশদ

15th  March, 2020
চীন, কমিউনিজম, জীবাণু ও সভ্যতার সঙ্কট
জিষ্ণু বসু

মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক-একটি রোগ মহামারী হিসাবে এসেছে। পবিত্র বাইবেলের দ্বিতীয় অধ্যায় এক্সোডাস বা গণপ্রস্থান। এখানে মিশরের সভ্যতা, ফারাওয়ের সাম্রাজ্য মহামারীতে ধ্বংসের কথা আছে। ১৩৪৭ সাল থেকে ১৩৫১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপের জনসংখ্যার অন্তত ৫০ শতাংশ মানুষের প্রাণ নিয়েছিল এক ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ—প্লেগ।
বিশদ

14th  March, 2020
আর্থিক উদারীকরণনীতির বাস্তবায়নের জন্যই ভারতের অর্থনীতির বহর বিশ্বে এখন পঞ্চম
দেবনারায়ণ সরকার

 শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘স্মৃতিকথা’য় লিখেছিলেন, ‘দীপের যে অংশটা শিখা হইয়া লোকের চোখে পড়ে, তাহার জ্বলার ব্যাপারে কেবল সেইটুকুই তাহার সমস্ত ইতিহাস নহে।’ ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে স্বনামধন্য মার্কিন ভিত্তিক স্বাধীন সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ তার প্রকাশিত রিপোর্টে জানাল যে, ২০১৯ সালে ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে পিছনে ফেলে ভারত পৃথিবীর মধ্যে সপ্তম থেকে পঞ্চম অর্থনৈতিকভাবে বৃহত্তম শক্তিশালী দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। বিশদ

14th  March, 2020
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লকডাউনের জেরে চরম সঙ্কটে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির গবেষণা। ক্যাম্পাস সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার কারণে নষ্ট হয়েছে বেশ কিছু দামি রাসায়নিক পদার্থ। বেশ কিছু প্রাণী রয়েছে, যাদের ওপর গবেষণা করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন অধ্যাপকরা, সেগুলিকে বাঁচিয়ে রাখা এখন চ্যালেঞ্জের মুখে। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারি কর্মীরা প্রতিবারই মার্চ মাসের বেতন এপ্রিলে পান। এটাই হয়ে এসেছে। লকডাউন হওয়ার আগে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে স্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিতে নিযুক্ত কর্মীদের এপ্রিল মাসের বেতনের বিল পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: মঙ্গলবার টিভির পর্দায় প্রধানমন্ত্রী আগামী ২১ দিন লকডাউনের কথা ঘোষণা করা মাত্র রাতেই ভিড় শুরু হয়ে যায় পাড়ার মুদির দোকান ও ওষুধের দোকানগুলিতে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

খরচের চাপ এত বেশি থাকবে সে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। কর্মক্ষেত্রে নানান সমস্যা দেখা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৪: গিলেটিনের আবিষ্কর্তা জোসেফ ইগনেস গিলেটিনের মৃত্যু
১৮২৭: জার্মান সুরকার এবং পিয়ানো বাদক লুডউইগ ভ্যান বেইটোভেনের মৃত্যু
১৯৯৩: চিত্র পরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭১: স্বাধীনতা ঘোষণা করল বাংলাদেশ, শুরু হল মুক্তিযুদ্ধ
১৯৭৪: চিপকো আন্দোলনের সূচনা
১৯৯৯: সুরকার আনন্দশঙ্করের মৃত্যু
২০০৬: রাজনীতিবিদ অনিল বিশ্বাসের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.১৯ টাকা ৭৬.৯১ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৮১ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
ইউরো ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  March, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ চৈত্র ১৪২৬, ২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) প্রতিপদ ২৯/২৯ অপঃ ৫/২৭। রেবতী অহোরাত্র সূ উ ৫/৩৯/৪১, অ ৫/৪৫/৪৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/৪১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪২ গতে ১০/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৪২ গতে ৪/১১ মধ্যে।
১১ চৈত্র ১৪২৬, ২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, প্রতিপদ ২৬/১০/২১ অপরাহ্ন ৪/৯/৪৯। রেবতী ৬০/০/০ অহোরাত্র সূ উ ৫/৪১/৪১, অ ৫/৪৫/৪৯। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২২ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ গতে ১০/২৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/৪২/৪৩ গতে ১০/১৩/১৪ মধ্যে।
২৯ রজব

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তামিলনাড়ুতে আরও ৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস 

11:52:00 PM

আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রথম করোনা আক্রান্তের খোঁজ 

09:02:11 PM

দেশে একদিনে ৮৮ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস, মোট আক্রান্ত ৬৯৪: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

08:55:45 PM

কৃষ্ণনগরে করোনা আতঙ্কে আত্মহত্যা! 
হোম আইসোলেশনে থাকার নির্দেশ পাওয়ার পর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী ...বিশদ

08:34:13 PM

ভেন্টিলেশনে রাজ্যের দশম করোনা আক্রান্ত 
শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় বাধ্য হয়ে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হল ...বিশদ

08:24:08 PM

ক্রিকেট খেলা বন্ধ করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিস 
লকডাউন উপেক্ষা করে মাঠে ক্রিকেট খেলা বন্ধ করতে গিয়ে নন্দীগ্রামের ...বিশদ

07:58:08 PM