Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ব্যাঙ্কিং নয়, বরং দস্যুবৃত্তি
পি চিদম্বরম

একটি ব্যাঙ্কের তহবিল গড়ে ওঠে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট, সেভিংস অ্যাকাউন্ট এবং স্থায়ী আমানতে (ফিক্সড ডিপোজিট) অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে। এরপর তার উপর ব্যাঙ্ক সুদ দেয় (কস্ট অফ ফান্ডস বা তহবিলের দাম হিসেবে)। সংগৃহীত জমার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ‘রিজার্ভ’ হিসেবে রেখে দিতে হয়, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের শর্ত মেনে। কেবলমাত্র বাদবাকি অর্থরাশি থেকেই ব্যাঙ্ক অন্যদের ঋণ দিতে পারে। বিনিময়ে প্রদত্ত ঋণের উপর ব্যাঙ্ক সুদ নিয়ে থাকে, এটাই ব্যাঙ্কের সুদ বাবদ আয় (ইন্টারেস্ট ইনকাম)। এমনকী, এই যে ঋণ ব্যাঙ্ক দেয় তারও একটি ঊর্ধ্বসীমা আছে। আর্থিক বাজারের ভাষায় এটাকে বলে সিআরএআর বা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের অনুপাতে পুঁজি [ক্যাপিটাল টু রিস্ক (ওয়েটেড) অ্যাসেটস রেশিও]। বিষয়টি ক্যাপিটাল অ্যাডিকোয়েন্সি রেশিও নামেই বেশি পরিচিত। ইন্টারেস্ট ইনকাম এবং কস্ট অফ ফান্ডস-এর ব্যবধানকে নিট ইন্টারেস্ট মার্জিন (এনআইএম) বলা হয়। এটাই হল ব্যাঙ্কের মুনাফা (প্রফিট)। যেহেতু এনআইএম সবসময়ই একটি ধনাত্মক (পজিটিভ) রাশি, তাই সাধারণভাবে ব্যাঙ্কের মুনাফা হওয়াই উচিত।
ঋণদাতা ব্যাঙ্কের কর্তব্য ঋণগ্রহীতার অ্যাকাউন্টের উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা। ব্যাঙ্কের হিসেব রাখা দরকার: প্রদত্ত ঋণের উপর গ্রহীতা নিয়ম মেনে সুদ মেটাচ্ছেন তো? মূল ঋণ অঙ্কের কিস্তি তিনি নির্দিষ্ট দিনে পরিশোধ করছেন তো? ব্যালান্সশিট এবং লাভ ও ক্ষতির হিসাবের (প্রফিট অ্যান্ড লস স্টেটমেন্ট) অডিট নিয়মমতো করা হচ্ছে তো? এই যে অডিটের কথা বলা হল তাতে সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতা বা খাতকের প্রকৃত আর্থিক চিত্রটির প্রতিফলন থাকছে তো?
বহু স্তরীয় নজরদারি
ব্যাঙ্কগুলির উপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের অনেকগুলি স্তর রয়েছে। প্রথমটি ব্যাঙ্কের ফিনান্স কমিটি। দ্বিতীয়টি হল বোর্ড অফ ডিরেক্টর্স। তিন নম্বরে রয়েছে ইন্টারনাল অডিটর। চতুর্থ হল এক্সটার্নাল কনকারেন্ট অডিটর। পাঁচে আসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অনুমোদিত স্ট্যাটুটরি অডিটরের কথা। ষষ্ঠ ধাপে রয়েছে শেয়ারহোল্ডারদের বার্ষিক সাধারণ সভা। সাত নম্বরটি হল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ভিতরে ডিপার্টমেন্ট অফ ব্যাঙ্কিং অপারেশনস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ডিবিওডি)। শেষধাপে থাকেন তীক্ষ্ণদৃষ্টিসম্পন্ন বিশ্লেষকরা। আর এই সবকিছুর উপরে রয়েছে অদৃশ্য বাজার, যে পুরস্কৃত করে অথবা শাস্তির বন্দোবস্ত করে, যখন ব্যাঙ্কও একটি তালিকাবদ্ধ কোম্পানি হয়। অর্থমন্ত্রকের অধীনে ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস (ডিএফএস) নামেও একটি কর্তৃপক্ষ রয়েছে, যারা নির্দিষ্ট আয়তনের তফসিলভুক্ত প্রতিটি বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের উপর নজর রাখে। তাদের নজরে থাকে সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কও।
বহুস্তরীয় নজরদারি সত্ত্বেও প্রদত্ত ঋণের কিছুটা অনুৎপাদক (নন-পারফর্মিং) হয়ে যায়, ব্যবসা-বাণিজ্যের সত্যিকার লোকসানের কারণে। কোন ধরনের ঋণকে নন-পারফমিং অ্যাসেট (এনপিএ) বা অনুৎপাদক সম্পদের শ্রেণীতে ফেলা হবে সেটি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নিয়ম ও নির্দেশের ভিত্তিতে স্থির করা হয়। একবার এনপিএ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ হয়ে গেলে, সেই সম্পদের দরুন অনুমিত মুনাফার অঙ্কটা বাদ দিয়ে হিসেব প্রস্তুতের একটি ‘ব্যবস্থা’ সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কটিকেই করে নিতে হয়। এই ঘটনার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে সংস্থার ডিভিডেন্ড ঘোষণা অথবা আয়ের পুনর্বিনিয়োগের উপর। মোট অনুৎপাদক সম্পদের পরিমাণ বাড়তে থাকলে অ্যালার্ম বেল বাজিয়েই দেওয়া উচিত।
ইয়েস ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে যেটা মনে হয়, তারা নজরদারির সবক’টি স্তর কোনও কৌশলে পেরিয়ে গিয়েছে এবং প্রতিটি ত্রৈমাসিকে মুনাফাও ঘোষণা করেছে। ব্যাঙ্কটি প্রথমবার তাদের ত্রৈমাসিক ক্ষতির অঙ্ক ঘোষণা করেছিল ২০১৯-এর জানুয়ারি-মার্চে। এমনকী তখনও ডিবিওডি এবং ডিএফএস-এর তরফে হুঁশিয়ার করা হয়নি।
ঋণের পরিমাণ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে
২০১৪-র এপ্রিল থেকে ইয়েস ব্যাঙ্ক ঋণদান উপভোগ করে গিয়েছে। ব্যাঙ্কের ব্যালান্সশিট থেকে নীচের হিসেবটা দেওয়া গেল:
২০১৪-র মার্চ থেকে ২০১৯-এর মার্চের ভিতরে ঋণের অঙ্কটা কী দ্রুত বেড়েছে সেই হিসেবটির দিকে চোখ রাখুন: ঋণের হিসেবটা বছরে ৩৫ শতাংশ হারে বেড়েছে! বিমুদ্রাকরণের ঠিক পরবর্তী দু’বছরে (অর্থাৎ অর্থবর্ষ ২০১৬-১৭ ও অর্থবর্ষ ২০১৭-১৮) ঋণদান কী পরিমাণ বেড়েছিল খেয়াল করুন।
কিছু সংগত প্রশ্ন ওঠে: ২০১৪-র মার্চের পর কোন কমিটি অথবা কে ঋণমঞ্জুরিতে সিলমোহর দিয়েছিলেন? ইয়েস ব্যাঙ্ক যে যথেচ্ছ ঋণদান উপভোগ করছিল সেটি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকার অবগত ছিল না? প্রতি বছরের শেষে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকারের একজনও কি এই ব্যাঙ্কের ব্যালান্সশিট পড়ে দেখেননি? সিইও পরিবর্তন করার পর এবং ২০১৯-এর জানুয়ারিতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নতুন সিইও নিয়োগ করার পর এই অব্যবস্থার কিছুই বদল হয়নি কেন? ২০১৯-এর মে মাসে ইয়েস ব্যাঙ্কের বোর্ডে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের একজন প্রাক্তন গভর্নরকে নিয়োগ করা হয়েছিল। তার পরেও কেন কোনও কিছু পাল্টাল না? জানুয়ারি-মার্চ ২০১৯ ত্রৈমাসিকে ইয়েস ব্যাঙ্ক তাদের সর্বপ্রথম লোকসানের দুঃসংবাদ জানাল, তখনও কেন অ্যালার্ম বেলটা বাজানো হল না?
দায়বদ্ধ কে?
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকারের কাছে এইসব প্রশ্নের জবাব চাওয়া হল গত ৭ মার্চ। কিন্তু সেই থেকে তাদের তরফে কেউই কোনও জবাব দিলেন না। দেখেশুনে মনে হচ্ছে, সরকারের ইচ্ছে এই যে ইয়েস ব্যাঙ্ক কাহিনী মানুষের মন থেকে উবে যাবে। কিন্তু সেটা কোনও ভাবেই হবে না। এর জন্য আমি সোশ্যাল মিডিয়াকে ধন্যবাদ দিতে চাই। সংবাদপত্র এবং টেলিভিশন মাধ্যমের একাংশের অসৎ গপ্পো বিতরণ ছাড়া উপায় নেই।
জরুরি হল ইয়েস ব্যাঙ্ক এবং ডিবিওডি কর্তৃপক্ষের ভিতরে ব্যক্তিবিশেষের দায়বদ্ধতা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে চিহ্নিত করা। তার আগে সিবিআই এবং ইডি এই হইচইয়ের মধ্যে ঢুকে পড়লে আমি মোটেই খুশি হব না। ‘তদন্ত’ শেষ হওয়ার আগে ব্যক্তিবিশেষের দায়বদ্ধতা চিহ্নিত না-হওয়ার আশঙ্কাই আমি করছি। আশঙ্কা করছি যে কিছু ছেলেভোলানো তথ্য ফাঁস এবং মুখরোচক গপ্পো পরিবেশনে ব্যস্ত থাকবে সংবাদ মাধ্যম এবং দায়বদ্ধতা চিহ্নিতকরণের কাজটিকে অনিশ্চিত করে তোলা হবে।
যাদের জন্য ইয়েস ব্যাঙ্কের এই হাল হল সেই খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের নাম প্রকাশের দাবিতে দেশের মানুষ এবং সংসদ নিশ্চয় সরব হবে। বিশেষভাবে জানার আগ্রহ থাকবে রাঘব বোয়ালদের নাম। যেসব ব্যক্তি এবং কমিটি এই সমস্ত ঋণের অনুমোদন দিয়েছেন তাঁদের কাছেও এই কাণ্ডের ব্যাখ্যা দাবি করা হবে। পাশাপাশি ডিবিওডি এবং ডিএফএস-এর ভিতরে যেসব ব্যক্তির নজরদারির সরাসরি দায়িত্ব ছিল, তাঁদেরও চিহ্নিত করার দাবি জানানো উচিত আমাদের। এই ঘটনার ব্যাখ্যা তাঁদেরও দিতে হবে। আমার সন্দেহ, আমরা কেবলমাত্র অনিচ্ছাকৃত ত্রুটিই খুঁজে পাব না, বরং শাস্তিযোগ্য গাফিলতিও বেরিয়ে আসবে।
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকার একটি ‘রেসকিউ প্ল্যান’ রূপায়ণের চেষ্টা করছে যেটাকে শুধু উদ্ভটই বলা চলে। গত ১২ মার্চ ঘোষিত পরিকল্পনা অনুসারে, এসবিআই ৭,২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে, অন্যদের সঙ্গে, ইয়েস ব্যাঙ্কের পুনর্গঠিত মূলধনের ৪৯ শতাংশের মালিকানা গ্রহণের জন্য, ন্যূনতম ১০ টাকা দরের শেয়ারে—এমন একটি সময়ে যখন এই ব্যাঙ্কটির নিট মূল্য সম্ভবত শূন্য এবং শেয়ারগুলির কানাকড়িও মূল্য নেই! ‘ভালো টাকাগুলি’ ‘খারাপ টাকার’ পিছনে ছোড়ার আগে অন্য সম্ভাবনাগুলিও খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে। ইয়েস ব্যাঙ্ক কাহিনীর এটাই শেষ নয়।
 
16th  March, 2020
পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। 
বিশদ

24th  March, 2020
মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
ভয় পাবেন না, গুজব ছড়াবেন না, জনতা কার্ফুতে ঘরে থাকুন, বিশ্বযুদ্ধে ভাইরাস পরাজিত হবেই
হিমাংশু সিংহ

 এক মারণ ভাইরাসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মহাযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের একদিকে করোনা আর অন্যদিকে গোটা মানবজাতির অস্তিত্ব। প্রবীণ মানুষরা বহু স্মৃতি ঘেঁটেও এমন নজির মনে করতে পারছেন না যেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটা রোগ ঘিরে এমন ত্রাস, আতঙ্ক দানা বেঁধেছে মানুষের মনে।
বিশদ

22nd  March, 2020
লড়াই
তন্ময় মল্লিক

 করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে।
বিশদ

21st  March, 2020
সময় এসেছে সিরিয়াস কিছু প্রশ্নের
সমৃদ্ধ দত্ত

তাহলে কিছুটা নিশ্চয়ই বোঝা গেল নিজের পাড়ায় দাঙ্গা এলে কী হবে? অতএব এটাও আশা করি আন্দাজ করা গেল যে, এনআরসি, সিএএ, এনপিআর, কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম, হিন্দু মুসলমান সবই হল নেহাত সাধারণ টাইমপাস।  বিশদ

20th  March, 2020
যুদ্ধপরিস্থিতি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 এ সবকিছুর জন্য দায়ী ওই চীন, বুঝলেন। চীনেরাই ওই করোনা তৈরি করেছে। করে সামলাতে পারেনি। কোনওভাবে সেটা ফাঁক গলে বেরিয়ে পড়েছে। এখন নিজেরাও মরছে, আমাদেরও বিপদে ফেলে দিয়েছে। কাগজে পড়ছি ফ্রান্স, ইতালি, ইরান, ইরাক, আমেরিকা সব নাকি ওই ভাইরাসের দাপটে একেবারে নাজেহাল। বিশদ

19th  March, 2020
করোনায় আতঙ্কে অর্থনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

অমিতাভ রায় এখনও লন্ডনে। সঙ্গে স্ত্রী, আর সাড়ে পাঁচ বছরের ছেলে। নামজাদা তথ্য-প্রযুক্তি কোম্পানির কর্মী অমিতাভ। পেশার চাপে দেশে আগে দেশে ফিরতে পারেননি। এই দফায় আর হলও না...। একবুক আতঙ্ক নিয়ে বিদেশের মাটিতে কাটছে প্রত্যেকটা মুহূর্ত। কিন্তু সেটাও কতদিন! জানেন না তিনি। হাড়ে হাড়ে বুঝছেন, বাজারটা খালি হয়ে যাচ্ছে।
বিশদ

17th  March, 2020
একে একে শুখাইছে ফুল, নিবিছে দেউটি
সন্দীপন বিশ্বাস

কয়েকদিন আগে মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদ বধ কাব্য’ আবার পড়ছিলাম। আমাদের আধুনিক মহাকাব্য। রেনেসাঁসের আলোয় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মাইকেল রামায়ণকে দেখেছিলেন। পড়তে পড়তে আমার দিব্যচক্ষু যেন খুলে গেল।   বিশদ

16th  March, 2020
একের পর এক ব্যাঙ্ক বিপর্যয়ের দায়
মোদি সরকার এড়াতে পারে না
হিমাংশু সিংহ

একের পর এক ব্যাঙ্ক বিপর্যয়ের লম্বা তালিকায় নবতম সংযোজন ‘ইয়েস ব্যাঙ্ক’। এর আগে মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে লাটে উঠেছিল পাঞ্জাব ও মহারাষ্ট্র সমবায় ব্যাঙ্ক। তা নিয়ে উত্তেজনাও কম হয়নি। এরও আগে একাধিক দুর্বল লোকসানে চলা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সংযুক্তি নিয়েও কম প্রশ্ন ওঠেনি। মোদি জমানায় ব্যাঙ্ক-সংযুক্তির সবক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক হস্তক্ষেপ করতে হয় অনেক বিলম্ব করেছে কিংবা সব দেখেও কোনও এক রহস্যজনক কারণে না দেখার ভান করেছে। নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক চাপও দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্কের উদাসীন থাকার আর একটা বড় কারণ।
বিশদ

15th  March, 2020
চীন, কমিউনিজম, জীবাণু ও সভ্যতার সঙ্কট
জিষ্ণু বসু

মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক-একটি রোগ মহামারী হিসাবে এসেছে। পবিত্র বাইবেলের দ্বিতীয় অধ্যায় এক্সোডাস বা গণপ্রস্থান। এখানে মিশরের সভ্যতা, ফারাওয়ের সাম্রাজ্য মহামারীতে ধ্বংসের কথা আছে। ১৩৪৭ সাল থেকে ১৩৫১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপের জনসংখ্যার অন্তত ৫০ শতাংশ মানুষের প্রাণ নিয়েছিল এক ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ—প্লেগ।
বিশদ

14th  March, 2020
আর্থিক উদারীকরণনীতির বাস্তবায়নের জন্যই ভারতের অর্থনীতির বহর বিশ্বে এখন পঞ্চম
দেবনারায়ণ সরকার

 শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘স্মৃতিকথা’য় লিখেছিলেন, ‘দীপের যে অংশটা শিখা হইয়া লোকের চোখে পড়ে, তাহার জ্বলার ব্যাপারে কেবল সেইটুকুই তাহার সমস্ত ইতিহাস নহে।’ ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে স্বনামধন্য মার্কিন ভিত্তিক স্বাধীন সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ তার প্রকাশিত রিপোর্টে জানাল যে, ২০১৯ সালে ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে পিছনে ফেলে ভারত পৃথিবীর মধ্যে সপ্তম থেকে পঞ্চম অর্থনৈতিকভাবে বৃহত্তম শক্তিশালী দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। বিশদ

14th  March, 2020
একনজরে
উন্নাও, ২৫ মার্চ: মাথা, মুখ তোয়ালে দিয়ে মোড়া। দেখা যাচ্ছে শুধু চোখ দু’টো। পিঠে একটা ব্যাগ। তাতে কিছু বিস্কুটের প্যাকেট আর জলের বোতল। এটুকু সম্বল করেই চড়া রোদে শুনশান রাজপথ ধরে হেঁটে চলেছে ওরা। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারি কর্মীরা প্রতিবারই মার্চ মাসের বেতন এপ্রিলে পান। এটাই হয়ে এসেছে। লকডাউন হওয়ার আগে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে স্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিতে নিযুক্ত কর্মীদের এপ্রিল মাসের বেতনের বিল পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: মঙ্গলবার টিভির পর্দায় প্রধানমন্ত্রী আগামী ২১ দিন লকডাউনের কথা ঘোষণা করা মাত্র রাতেই ভিড় শুরু হয়ে যায় পাড়ার মুদির দোকান ও ওষুধের দোকানগুলিতে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

খরচের চাপ এত বেশি থাকবে সে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। কর্মক্ষেত্রে নানান সমস্যা দেখা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৪: গিলেটিনের আবিষ্কর্তা জোসেফ ইগনেস গিলেটিনের মৃত্যু
১৮২৭: জার্মান সুরকার এবং পিয়ানো বাদক লুডউইগ ভ্যান বেইটোভেনের মৃত্যু
১৯৯৩: চিত্র পরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭১: স্বাধীনতা ঘোষণা করল বাংলাদেশ, শুরু হল মুক্তিযুদ্ধ
১৯৭৪: চিপকো আন্দোলনের সূচনা
১৯৯৯: সুরকার আনন্দশঙ্করের মৃত্যু
২০০৬: রাজনীতিবিদ অনিল বিশ্বাসের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.১৯ টাকা ৭৬.৯১ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৮১ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
ইউরো ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  March, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ চৈত্র ১৪২৬, ২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) প্রতিপদ ২৯/২৯ অপঃ ৫/২৭। রেবতী অহোরাত্র সূ উ ৫/৩৯/৪১, অ ৫/৪৫/৪৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/৪১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪২ গতে ১০/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৪২ গতে ৪/১১ মধ্যে।
১১ চৈত্র ১৪২৬, ২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, প্রতিপদ ২৬/১০/২১ অপরাহ্ন ৪/৯/৪৯। রেবতী ৬০/০/০ অহোরাত্র সূ উ ৫/৪১/৪১, অ ৫/৪৫/৪৯। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২২ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ গতে ১০/২৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/৪২/৪৩ গতে ১০/১৩/১৪ মধ্যে।
২৯ রজব

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তামিলনাড়ুতে আরও ৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস 

11:52:00 PM

আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রথম করোনা আক্রান্তের খোঁজ 

09:02:11 PM

দেশে একদিনে ৮৮ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস, মোট আক্রান্ত ৬৯৪: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

08:55:45 PM

কৃষ্ণনগরে করোনা আতঙ্কে আত্মহত্যা! 
হোম আইসোলেশনে থাকার নির্দেশ পাওয়ার পর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী ...বিশদ

08:34:13 PM

ভেন্টিলেশনে রাজ্যের দশম করোনা আক্রান্ত 
শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় বাধ্য হয়ে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হল ...বিশদ

08:24:08 PM

ক্রিকেট খেলা বন্ধ করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিস 
লকডাউন উপেক্ষা করে মাঠে ক্রিকেট খেলা বন্ধ করতে গিয়ে নন্দীগ্রামের ...বিশদ

07:58:08 PM