Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

দোল
অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী

এই বাড়িটা তোমার? এত সুন্দর! পথে আসতে-আসতে এর কথাই তুমি বলছিলে আমায়? এই কথা বলে ফেলিনি ঘুরে ঘুরে বাড়িটি দেখতে থাকল।
আহামরি কিছু নয়। খুব সামান্য এক মাটির বাড়ি। ট্যারাবাঁকা। মাথায় টালিখোলা। এদিক-ওদিক ভাঙা-ফাটা। বাড়ির সামনে একটু ফাঁকা জমিন, সেখানে প্রাচীন এক কদমগাছ। ওদিকে ছোট এক বাঁশঝাড় আর আকাশ— এইসব নিয়েই শ্যামারানির বাড়ি।
ফেলিনির কথায় একটা শ্বাস ফেলে সে বলে, এ আর কী বাড়ি হল, সই! একখানা চালা বইতো নয়।
প্রায় মাটির সঙ্গে মিশে থাকা নিচু দুয়ার। সেখানে বসে যেন দম নিল ফেলিনি। অনেকটা পথ হাঁটতে হয়েছে তাকে। স্টেশন থেকে বাস, তার পর এই হাঁটা।
বসে সে বলে, একে তুমি চালাঘর বলছ? এ যে সুন্দর এক কুটির গো— শ্রীরাধার কুটির— আর তুমি সেই কুটিরে বাস করো।
একগাল হেসে শ্যামারানি বলে, তুমি যে কী বলো! কোথায় তিনি রাজা বৃষভানুর কন্যা, আর কোথায় আমি!
শ্যামারানির হাঁটার কষ্ট নেই। অভ্যেস হয়ে গিয়েছে। ট্রেনে চেপে সে গিয়েছিল ছোট মেয়ের বাড়ি। এখন ডাউন চেপে ফিরছে। ফেরার পথেই তো দেখা হল ফেলিনির সঙ্গে। তারপর কথা হতে থাকল। কথা হতে হতে সে বলে, তবে চলো আমার বাড়ি।
ফেলিনিও বলে, চলো তবে। এজন্মে যখন দেখা হল আবার— ক’দিন না হয় থেকেই যাই তোমার ভিটেতে। কতদূর তোমার বাড়ি?
একটা বাস, একটু হাঁটা— যেতে পারবে তো, সই?
পারব পারব— হয়তো এই জন্যেই গোবিন্দ আমায় টেরেন ফসকালেন— তোমার সঙ্গে দেখা হবে বলে, তোমার কুটিরে রাত্রিবাস করব বলে। এখানে চাঁদ ওঠে সই?
কত চাঁদ চাই তোমার? বলে শ্যামারানি ঘরের তালা খোলে। বলে, এসো সই। হাতে-মুখে জল দাও। তারপর দেখি, তোমায় কী সেবা করতে পারি।
সেবা করার আছেটা কী? তোমার ঘরে খুদকুঁড়ো যা আছে— তাই দিও। আর কাল সকালেই আমাকে বৃন্দাবনের টেরেনে তুলে দিও।
সেখানে যাবার এত তাড়া কেন তোমার? ক’দিন না হয় থেকেই গেলে।
তাড়া থাকবে না? কৃষ্ণকে ফেলে এসেছি যে!
সত্যিই ফেলে এসেছ তো? নাকি তাঁকে নিয়ে এসেছ সঙ্গে করে?
তেমন কপাল কি আমার আছে? বৃন্দাবনের অনেকেই বলে, তারা নাকি তাঁর স্পর্শ পেয়েছে, শ্বাসের গন্ধ নিয়েছে। কই, আমার তো তেমন কোনও অনুভূতি নেই! জীবনটাই বৃথা হয়ে গেল।
আজ সারারাত কেবল বৃন্দাবনের কথা শুনব সই। আমি কিন্তু প্রথমেই গোপিনীদের কথা শুনব। তারা স্নানের কলস মাথায় নিয়ে চলেছে যমুনায়। কলকাকলিতে তারা মত্ত। এই সময় ঝোপের আড়াল থেকে বেরিয়ে এলেন কৃষ্ণ। হাতের রং ছুঁড়ে দিলেন গোপিনীদের দিকে। শুরু হয়ে গেল রং খেলা— তাই না? বৃন্দাবনে এমনই তো হয়?
তুমি দেখি সব গড়গড় করে বলে গেলে। আমার বলার মতো কিছু আর রাখলে কোথায়? এমনি করে তুমি কথাগুলি বললে, মনে হল তুমিই ছিলে গোপিনী। কী? কোনও কথা বলছ না যে? সত্যিকারের পরিচয় তুমি দাও সই, না হলে অনর্থ হয়ে যাবে— এই কথা সাফ বলে দিই।
হি হি করে হেসে শ্যামারানি বলে, রাতে বাঁশি শুনবে?
তুমি বুঝি বাঁশি বাজাতেও পার?
আমি? তা কেন।
কে বাঁশি বাজায় তবে?
কে- না বাঁশি বাজায় এ গোঠ-গোকুলে।
মানে?
কী নামে ডাকলে, কে-যেন আসত সেই যমুনাতীরে? ফুলের রেণু মাখিয়ে ও মেখে কে বলত ভালোবাসি তোমায়? সেখানে আজও খঞ্জনি বাজে, শ্রীখোল বাজে।
বিস্মিত নয়নে ফেলিনি বসে, কে-সে?
বাঁশি যার বাজাবার কথা তিনিই বাজাবেন।
উত্তেজনায় উঠে বসে ফেলিনি। বলে, কী কথা বলছ তুমি!
তখন তুমি ওই চাঁদ ওঠার কথা বলছিলে না? চাঁদ উঠলে তিনি আসেন— বাঁশি বাজান— ওই কদমগাছের নীচে। যেদিন আসেন, সারারাত বাঁশি বাজান— দুয়ারে গলবস্ত্র হয়ে আমি রাতভরে সেই বাঁশি শুনি। তারপর ভোর আসে। কদমের নীচে আমি গড়াগড়ি দিই।
ফেলিনি জড়িয়ে ধরে শ্যামারানিকে। বলে, সাধে কি আর এই ঘর দেখে বলেছিলাম, এ হল আমাদের রাধারানির কুটির। দেখেছ তো, আমি ভুল কিছু বলিনি।
বলে সে শ্যামারানির গালে শব্দ করে চুমু খায়। শ্যামারানি একগাল হেসে নিজেকে ছাড়িয়ে নেয়। বলে, সে বাঁশি শোনার জন্য কিছুদিন থাকতে হবে তোমায়— চাঁদ উঠলে— তবেই...।
সে- বাঁশি শোনার জন্যই তো জন্ম-জন্মান্তর ধরে অপেক্ষা করছি সখি। কটা দিন কী আর বেশি হল?
আজও চাঁদ উঠবে— দোল চলে গেছে বটে— দোলপূর্ণিমাও নেই— তবে বাঁকাচাঁদ তো থাকবে আকাশে। আজ আমরা অপেক্ষা করি না কেন, সই?
শ্যামারানি দাসী আর ফেলিনিবালা মণ্ডল। দু’জনের কেউই জানে না তাদের ঠিক বয়স, সঠিক জন্মসাল। তাই একে-অপরের থেকে কতটা তফাৎ— তাই ধরতেও পারে না।
ফেলিনি দীর্ঘদিন বৃন্দাবন প্রবাসে থাকতে থাকতে নবদ্বীপের দোল দেখতে এসেছে। সেখানে ছিল সাত দিন, দলের সঙ্গে। খুব আনন্দ করেছে সে। একসময় দোল মিটল। এবার ফেরার পালা। গোলমালটা হল তখনই। ধাত্রীগ্রাম-বাঘনাপাড়া’র মধ্যে লাইনে কাজ হতে থাকায় ডাউন কাটোয়া-হাওড়া লোকাল ছাড়ছে কালনা থেকে। আপ-লোকাল ছাড়ছে সমুদ্রগড় থেকে। তাই বাসে চেপে তারা নবদ্বীপ থেকে কালনা এল। মুশকিল হল ফেলিনি’র চলন নিয়ে। সে প্রায় হাঁটতেই পারে না। অনেকটা সময় নিয়ে সে খুঁড়িয়ে হাঁটে। ফলে কালনা বাস স্ট্যান্ড থেকে স্টেশন আসতে অন্যদের সাত-আট মিনিট লাগলেও ফেলিনির লাগল পাক্কা পনেরো মিনিট। ততক্ষণে তার সঙ্গিনীরা সব ট্রেনে উঠে পড়েছে আর ট্রেন ছেড়েও দিয়েছে। ফেলিনি যখন হাঁপাতে হাঁপাতে কালনা স্টেশনে এল, ট্রেন হাওয়া। স্টেশনে একটাও লোক নেই। চা-দোকানি, ঘুগনিওয়ালারা টাকা গুনছে, খাবার রেডি করে রাখছে। একজন মাঝবয়সি লোক, মাথার চুলে টেরি, তার হন্তদন্ত হাবভাব দেখে গুটকার প্যাকেট সামনের দড়িতে ঝোলাতে ঝোলাতে বলল, এই তো গেল টেরেন। আর পাঁচটা মিনিট আগে এসতে পারলে না?
পরের ট্রেন তবে কয়টায়?
ফেলিনি তার দোকানের সামনে রাখা বেঞ্চে ধপ করে বসে প্রশ্ন করে। বুক ভরে দমের বাতাস নেয়।
সে অনেক দেরি। এখন তো টেরেনের কোনও টাইম নেই— সবই ইস্পিশাল টেরেন— বুঝলে কিনা। লাইনের কাজ হচ্ছে— তাই। লাইনের কাজ— টেরেনের কোনও ঠিক-ঠিকানা নেই— আমাদের ব্যবসা চৌ-পাট। টানা তিন মাস ধরে লাগাতার হয় এদিকে— নয় ওদিকের লাইন বন্ধ করে মাঝে মাঝেই কাজ হচ্ছে আর লোকজন সাফার করছে। আমাদের বেচাকেনা নেই। তা তুমি যাবে কোথায়?
বলল, বেন্দাবন।
ওমা! সে তো অনেক রাস্তা! একা একা যাবে কী করে?
একা কেন? আমার দলে যে অনেক মেয়েমানুষ আছে—
ওই যে বুড়িদের দল— তারা?
ওরা দৌড়ে এসে টেরেনে উঠল আর টেরেন ছেড়ে দিল। যা বাব্বা! তুমি তাহলে ফাঁকিতে পড়ে গেলে? সত্যি তবে কেউ নেই?
সে তুমি নিজি-ই দেখে নাও না। লোক আছে একটাও? আবার সময় যাবে— লোক জমবে। সরকারি অফিসের বাবুরা এসবে।
সে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ল। কী করে ফিরবে সে? কোথা যাবে? শুনেছে তারা হাওড়া যাবে। সেখান থেকে বৃন্দাবনের টেরেন মেলে। কিন্তু সে কি কম ঝক্কি! একা-একা এখন কী করবে তবে?
এর পরই তার সঙ্গে দেখা হয় শ্যামারানির। সে তখন ট্রেন থেকে নেমে একটি পান দোকানে বসে বসে পান চিবুচ্ছে।
রাতের খাওয়া তারা সন্ধের পরই সেরে নিল। তারপর গল্প চলল। জীবনের আশকথা-পাশকথা সেসব। ফেলিনি বলল, তোমার তবে চলে কীসে, সই?
ওই একখানা গোরু আছে— দুধ-ঘুঁটে বেচি। নদী-নালা-খাল-বিল থেকে শাকপাতা তুলি। ডুমুরগাছ আছে এদিকে হাজার-হাজার। গেরামের লোক এসব খায় না। ভাগ্যি খায় না, নইলে কি আর ইচ্ছেমতো গাছ থেকে তুলে নিতে পারতুম? কচি-কচি ডুমুর ইস্কুলের দিদিমণিরা ফিরতি পথে দরদস্তুর করে কেনে। ওদের খুব অভাব জানো— আমার থেকেও বেশি। এই বলে সে হা হা করে হাসলে।
আর ছেলেপুলে? তাদের কথা বললে না তো?
দুটি মেয়ে। বিয়ে দিয়ে দিয়েছি, তারা তাদের নিয়ে থাকে।
ছেলে নাই?
আছে। সে বউ নিয়ে কোথায় থাকে আমি জানিনে। যোগাযোগ নেই।
আমার কথা এবার কই তোমায়। আমার বাড়ি বাংলাদেশে। স্বামী মরে গেল, ছেলে রাখলেনে, দিয়ে এলে বৃন্দাবনে। আমার নিজেরও আর সংসারে থাকতে ইচ্ছে করছিল না। বড্ড কলহ! ছেলে একবার এসেছিল। বললে, ওখানে বড্ড গোলমাল হচ্ছে। অনেকে বর্ডার পেরিয়ে চলে আসছে। ও-ও চলে আসবে একদিন।
চলে এসেছে?
যদি এসে থাকে, তবে পথ চলতে চলতে দেখা হয়ে যাবে একদিন। ছেলেদের কোনও বৃন্দাবন নেই, বউমাদের আছে।
যা বলেছ।
চলো দেখি, ঘরের কাজগুলি হাতে-হাতে সেরে ফেরিল এইবার।
এক যুগ ঘর ছাড়া তুমি— এখনও এত টান কেন?
টান ঘরের প্রতি নয় গো— মাটির প্রতি, হাওয়া-আলোবাতাসের প্রতি টান।
কথায়-কথায় রাত বাড়ে, চাঁদ ওঠে, শিয়াল ডাকে। ঘরের ভেতর ঘুরে যায় বাতাস। হালকা হিমের বাতাস, গায়ে জাড় জড়ায়। তখন শ্যামারানি বলে, সই চলো এবার, বাইরে চলো।
চলো চলো— আর তর সইছেনে।
তারা বাইরে এসে দেখে চাঁদটা একলাফে অনেকটা উপরে উঠে গিয়েছে। তারা যখন রাতের খাওয়া সারে, চাঁদের দেখা ছিল না আকাশে। এখন সে আকাশে এসেছে, জেপে বসেছে ওই কদমের মাথায়। যেন গাছের পাতারাই সেই চাঁদকে ধরে রেখেছে। শিরশির বাতাস দিচ্ছে। আঁচলটা জড়িয়ে বসে রইল দুইজনে। দুয়ারে মলিন একটি মাদুর পাতা। তাতেই বসেছে তারা। ঠেস দিয়েছে দেওয়ালে। সামনে চকচক করে উঠোনের বালি, আলো পড়ে থাকে গাছেদের পাতায়। মেঠো পোকারা ডাকছে এদিক-ওদিক থেকে। চাঁদের দূর দিয়ে মেঘ ভেসে যাচ্ছে।
কই, সই?
আসবে— আজ নিশ্চয় আসবে সে— তুমি এসেছ নবদ্বীপে, সব কাজ ফেলে সেও চলে এসেছে তোমার পিছুপিছু। আর এখানে তুমি থিতু হলে— সে বাঁশি না শুনিয়ে পারে? তাঁকে যে— বাজাতেই হবে।
বাঁশি কী বলে, সই?
ভালোবাসি....ভালোবাসি...
আহা...
দোর-পূর্ণিমার দিন কী যে-চাঁদ উঠেছিল আকাশে— এমনই মনে হয় যে-সে চাঁদ আমি কোনওদিন দেখিনি। আলো আর আলো— মনে হয় সারা জীবনেও আমার এত আলো কোনওদিন ছিল না— আজও নেই। আর তখনই বেজে উঠল বাঁশি। আহা, কী তার সুর— কী সেই বাঁশির প্রবাহ! হয়তো দোল ছিল বলেই বাঁশিতে এত টান-ছন্দ-সুর! মনে হল, কীসের দুঃখ, কীসের সুখ— তিনি আছেন আমরা আছি আর এই কদমগাছ আছে— আর কী চাই? বাকি সব মিথ্যে, ফাঁকি। এই সংসার, এই ঘরদোর, জীবনের কোলাহল— সব মিছে! মনে হয়, এই ভাঙা ঘর ছেড়ে, মায়া ছেড়ে মোহ ছেড়ে— বেরিয়ে পড়ি না বৃন্দাবনের পথে-পথে। এখানে ভিগ মেগে খাই, সেখানেও খাব— অসুবিধে কী? কিন্তু তাঁকে তো আপনার করে পাব, তাঁর ভূঁই-এ থাকব— আর কী চাই এ পোড়া জীবনে?
বাঁশি বাজে না কেন সখি?
একটু থমকে যায় শ্যামারানি। বলে, রাত কি অনেক হল?
হল তো।
আচ্ছা... আর একটু, তার পর—
তারা উঠোনে নামে। চাঁদের আলো আছে বটে, কিন্তু চাঁদ গিয়েছে ঘুমিয়ে। কম আলোয় গাছ হয়ে ওঠে কৃষ্ণবর্ণ। পায়ে পায়ে তারা গাছের কাছে যায়। গাছের গা-য় হাত বোলায়। একসময় দুইজনেই গাছ ধরে ধরে বসে পড়ে মাটিতে। গাছে ঠেস দেয়। দেখে সামনে একটি কলাপাতা। তাতে রাখা আছে অনেকটা আবির! শ্যামারানি আবির তুলে ফেলিনির গালে দেয়। ফেলিনি যেন ছিটকে ওঠে। বলে, এ কী করছ সই, আমি যে বিধবা— আমাদের দোল খেলতে নেই, রঙিন আবির মাখতে নেই! বৃন্দাবনে থেকেও আমরা রঙিন আবির মাখি না। আমরা ফুল খেলি। পাপ হল না আমাদের?
তাঁর কাছে পাপ কীসের? বিধবা তো আমিও। তাঁর সায় না থাকলে এই রং কি আমি তোমায় দিই না নিজে মাখি? আমার এই ঘর মাঠের একটেরে। এদিকে কে আসে যে- আমাদের জন্য কলাপাতায় রং সাজিয়ে যাবে? তিনি স্বয়ং এই আবির আজ আমাদের জন্য রেখে গিয়েছেন— বুঝছ না?
একটু নীরব থেকে ফেলিনি বলে, তুমি ঠিকই বলেছ, সই। বাঁশি এ-বার শুনলুম না বটে, তবে এক পরম পাওয়া হল। বাঁশি না-হয় পরের বারের জন্য তোলা রইল। না-হলে তারও পরেরবার। একজন্মে কী সব মেলে? মেলে না।
এই বলে সে নিজেই আবির তুলে মাখলে, শ্যামারানিকেও মাখালে। হতবাক হয়ে শ্যামারানি বলে, তার মানে? আমায় নিয়ে যাবে না তুমি? একা ফেলে চলে যাবে?
তার হাত ধরে ফেলিনি বলে, তুমি এখান থেকে কখনও চলে যেও না— শ্রীরাধা হয়ে এই কুটিরেই বাস কোরো। তুমি চলে গেলে পথ হারানো ললিতা-বিশাখা’রা কার ঘরে ঠাঁই নেবে? কার কাছে তারা রং মাখবে, বাঁশি শুনবে? তোমাকে যে-এই দুয়ার আটকে সারাজীবন পড়ে থাকতেই হবে, সই। একটা শ্বাস ফেলে শ্যামারানি বলে, আচ্ছা, তবে তাই হোক। অলংকরণ : সুব্রত মাজী
 
08th  March, 2020
 অথৈ সাগর
পর্ব ১৭

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

22nd  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব ১৭

 বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- ষষ্ঠ কিস্তি। বিশদ

22nd  March, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- পঞ্চম কিস্তি। 
বিশদ

15th  March, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

15th  March, 2020
আশীর্বাদ অনন্ত
তপনকুমার দাস

‘মা তুমি?’ দরজা খুলেই সামনে দাঁড়ানো পরমাকে দেখে চমকে ওঠে অভিজাত। প্রায় দেড় বছর পরে বাড়ির দরজায় দাঁড়ানো মাকে দেখলে অবাক না হয়ে উপায় কী?  বিশদ

15th  March, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৫
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

08th  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৫

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- চতুর্থ কিস্তি। 
বিশদ

08th  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৪

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- তৃতীয় কিস্তি।  বিশদ

01st  March, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৪
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।  বিশদ

01st  March, 2020
সংবর্ধনা
বিপুল মজুমদার

‘আমাদের ক্লাবের একটা নিয়ম আছে দাদা। প্রত্যেক বছর ক্লাবের বার্ষিক অনুষ্ঠানে দু’জনকে আমরা সংবর্ধিত করি। একজন আপনার মতো প্রথিতযশা কেউ, অন্যজন আমাদের এই সুজনপুরের কোনও কৃতী সন্তান। এ বছর উত্তম মণ্ডলকে আমরা বেছে নিয়েছি। ওই কোণের দিকে হলদে জামা পরা যে মানুষটিকে দেখছেন ওই হল উত্তম। 
বিশদ

01st  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৩

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- দ্বিতীয় কিস্তি। 
বিশদ

23rd  February, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৩
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

23rd  February, 2020
গায়ক চারা
সসীমকুমার বাড়ৈ

—স্যার, ও এসেছে।
—কে? মন্দার ফাইল থেকে মুখ তুলে জিজ্ঞেস করল।  বিশদ

23rd  February, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- প্রথম কিস্তি।
বিশদ

16th  February, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, পতিরাম: মঙ্গলবার টিভির পর্দায় প্রধানমন্ত্রী আগামী ২১ দিন লকডাউনের কথা ঘোষণা করা মাত্র রাতেই ভিড় শুরু হয়ে যায় পাড়ার মুদির দোকান ও ওষুধের দোকানগুলিতে। ...

 বিএনএ, বর্ধমান ও সংবাদদাতা: করোনার সংক্রমণ রুখতে সোমবার বিকেল ৫টা থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন। বাজারে এবং মুদির দোকানে গিয়ে ভিড় এড়ানোর জন্য নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারি কর্মীরা প্রতিবারই মার্চ মাসের বেতন এপ্রিলে পান। এটাই হয়ে এসেছে। লকডাউন হওয়ার আগে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে স্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিতে নিযুক্ত কর্মীদের এপ্রিল মাসের বেতনের বিল পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ...

উন্নাও, ২৫ মার্চ: মাথা, মুখ তোয়ালে দিয়ে মোড়া। দেখা যাচ্ছে শুধু চোখ দু’টো। পিঠে একটা ব্যাগ। তাতে কিছু বিস্কুটের প্যাকেট আর জলের বোতল। এটুকু সম্বল করেই চড়া রোদে শুনশান রাজপথ ধরে হেঁটে চলেছে ওরা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

খরচের চাপ এত বেশি থাকবে সে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। কর্মক্ষেত্রে নানান সমস্যা দেখা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৪: গিলেটিনের আবিষ্কর্তা জোসেফ ইগনেস গিলেটিনের মৃত্যু
১৮২৭: জার্মান সুরকার এবং পিয়ানো বাদক লুডউইগ ভ্যান বেইটোভেনের মৃত্যু
১৯৯৩: চিত্র পরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭১: স্বাধীনতা ঘোষণা করল বাংলাদেশ, শুরু হল মুক্তিযুদ্ধ
১৯৭৪: চিপকো আন্দোলনের সূচনা
১৯৯৯: সুরকার আনন্দশঙ্করের মৃত্যু
২০০৬: রাজনীতিবিদ অনিল বিশ্বাসের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.১৯ টাকা ৭৬.৯১ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৮১ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
ইউরো ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  March, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ চৈত্র ১৪২৬, ২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) প্রতিপদ ২৯/২৯ অপঃ ৫/২৭। রেবতী অহোরাত্র সূ উ ৫/৩৯/৪১, অ ৫/৪৫/৪৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/৪১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪২ গতে ১০/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৪২ গতে ৪/১১ মধ্যে।
১১ চৈত্র ১৪২৬, ২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, প্রতিপদ ২৬/১০/২১ অপরাহ্ন ৪/৯/৪৯। রেবতী ৬০/০/০ অহোরাত্র সূ উ ৫/৪১/৪১, অ ৫/৪৫/৪৯। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২২ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ গতে ১০/২৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/৪২/৪৩ গতে ১০/১৩/১৪ মধ্যে।
২৯ রজব

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তামিলনাড়ুতে আরও ৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস 

11:52:00 PM

আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রথম করোনা আক্রান্তের খোঁজ 

09:02:11 PM

দেশে একদিনে ৮৮ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস, মোট আক্রান্ত ৬৯৪: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

08:55:45 PM

কৃষ্ণনগরে করোনা আতঙ্কে আত্মহত্যা! 
হোম আইসোলেশনে থাকার নির্দেশ পাওয়ার পর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী ...বিশদ

08:34:13 PM

ভেন্টিলেশনে রাজ্যের দশম করোনা আক্রান্ত 
শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় বাধ্য হয়ে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হল ...বিশদ

08:24:08 PM

ক্রিকেট খেলা বন্ধ করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিস 
লকডাউন উপেক্ষা করে মাঠে ক্রিকেট খেলা বন্ধ করতে গিয়ে নন্দীগ্রামের ...বিশদ

07:58:08 PM