Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৩

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- দ্বিতীয় কিস্তি।

পূর্ববঙ্গের বরিশালে জন্ম হলেও জহর রায় কিন্তু গড়গড় করে বাঙাল ভাষায় কথা বলতে পারতেন না। একথা তাঁকে কেউ বললে তিনি হেসে বলতেন, আমি বাঙাল ভাষা বলতে না পারায় একদিক থেকে ভালোই হয়েছে। কারণ আমি যদি গড়গড়িয়ে বাঙাল ভাষা বলতাম, তাহলে তো ভেনোর ভাত মারা যেত। ওকে আর করে খেতে হতো না। বিখ্যাত কমেডিয়ান ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি ভেনো বলে ডাকতেন।
যাইহোক, অভিনয় শুরুর গল্পে ফিরি। ‘পূর্বরাগ’ ছবিতে দুরন্ত অভিনয় করলেও জহর রায়ের হাতে অনেকদিন পর্যন্ত কোনও কাজ ছিল না। কাজের সন্ধানে এ দরজা থেকে ও দরজায় ঘুরেছেন। বিমল রায় সেইসময় অসম্ভব বিখ্যাত হয়ে উঠেছেন ‘উদয়ের পথে’ ছবিটি পরিচালনা করে। বিমল রায়ের জহুরির চোখ জহরকে চিনতে ভুল করল না। নিউ থিয়েটার্সের ‘অঞ্জনগড়’ ছবিতে সুযোগ পেলেন জহর। আর এই ‘অঞ্জনগড়’ ছবিটাই দর্শকদের সুযোগ করে দেয় তুলসী চক্রবর্তীর পাশাপাশি এই অভিনেতাকে আলাদা করে চিনে নিতে।
জীবনের একটা পর্যায়ে কোন দিকে যাওয়া উচিত সেটা নিয়ে হয়তো একটু দ্বিধায় ছিলেন জহর। তখন তিনি মঞ্চে ছোট ছোট কমিক স্কেচ করছেন। একদিন সাধন সরকারকে জিজ্ঞেস করলেন,‘সাধন, কোন পথে যাব, সিরিয়াস না কমেডি?’ সাধনবাবু তাঁকে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, ‘জহর, কমেডি তোমার সহজাত। ঈশ্বরপ্রদত্ত ক্ষমতাকে তোমার দ্বিধাহীনভাবে ব্যবহার করাই উচিত।’ এই উপদেশটা যে শুনেছিলেন জহর, তার জন্য বাংলা ছবির দর্শকরাও ভাগ্যবান।
স্টেজ বা অভিনয়ে জহরের দাপট ছিলই। ভয় ছিল একটা বিষয়েই। দারিদ্র্যে।
তাঁকে নায়ক করে বেশ কয়েকটি ছবি হয়েছে ঠিকই। কিন্তু জহর রায়ের একপ্রকার মন্দ ভাগ্য বলা যায় যে, তিনি ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় বা তুলসী চক্রবর্তীর মতো একটা বা দুটো অথর ব্যাকড চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ কোনওদিন পাননি। আসলে তাঁর অভিনয়ের মজাটাই এমন ছিল যে, তিনি একটু সুযোগ পেলেই চরিত্রটিকে নিজের মতো করে গড়ে নিতেন। হাত পা নাড়িয়ে অভিনয় করাটা একরকম। আর আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ একটা চরিত্রকে ছোট ছোট ডিটেল মারফত উল্লেখযোগ্য করে নেওয়া সম্পূর্ণ অন্যরকম একটা আর্ট। সেই ‘আর্ট’-এ জহর রায় ছিলেন ‘মাস্টার’।
সত্যজিতের ‘পরশ পাথর’ ছবিটার কথা ভাবুন। তুলসী চক্রবর্তীর বাড়িতে কাজের লোকের ভূমিকায় ব্রজহরি। কী ছোট্ট একটা রোল। খুচরো ওই সিন পেয়ে কী কাণ্ডটাই না করলেন জহর। তুলসী উঠে পায়চারি করছেন পাথরটা নিয়ে। আর ‘সোনা’, ‘সোনা’ বলে আপনমনে হেসে উঠছেন। তুলসী খুব গোপনে দেখতে চাইছেন পাথরটার ছোঁয়ায় লোহা আসলে সত্যিই সোনা হয় কি না। তিনি পরীক্ষাটা করতে যাবেন এমন সময় ঘরে ব্রজহরির প্রবেশ। দর্শকের চোখ তুলসী চক্রবর্তীর দিকে, কেমন করে তিনি তাঁর ইচ্ছেকে লুকিয়ে রাখেন। তাঁর হাতের দিকেই সকলের লক্ষ্য। এদিকে জহর ঢুকলেন গামছা কাঁধে এক হাতে ধুনো আর অন্য হাতে পাখার বাতাস করতে করতে। কোনও সংলাপ নেই। এ তো ধুনো দেবে, অতি সাধারণ ব্যাপার। কারও চোখ যাবেই না। আর এখানেই জহর রায়ের কৃতিত্ব যে কেউ তাঁকে আলাদা করে খেয়ালই করছেন না। জহর এমনভাবে ধুনো দিতে থাকলেন যেন এটা তাঁর রোজকার অভ্যেস। ধুনো দিতে দিতে একবার ভক্তি ভরে ঠাকুরের ছবির সামনে পেন্নাম ঠুকলেন। তারপর আবার ধুনো। তুলসী খানিক বিরক্ত ব্রজহরির উপস্থিতিতে। বললেন, ‘যা যা হয়েছে হয়েছে।’ বাবু তুলসীকে খানিক অস্বাভাবিক আচরণ করতে দেখে একটু ভ্রূ কোঁচকালেন জহর, মুখে ‘অ’। ওইটুকু সংলাপ। তারপর আবার ধুনো দিতে দিতে বেরিয়ে গেলেন।
সহজ দৃশ্য, প্রায় পুরোটাই তুলসী চক্রবর্তীর দৃশ্য, কিন্তু তবু চোখে পড়েন জহর। বা ওই ছবিরই আর একটি দৃশ্যর কথা মনে করুন। তুলসীবাবু বুঝতে পেরেছেন বস্তুটি আসলে পরশ পাথরই। আর মাটিতে স্ত্রীর কাছে বসে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছেন। এমনসময় হাতে বাবুর চায়ের কাপ নিয়ে পর্দা সরিয়ে ঢোকেন জহর। জানেন না বাবুর কী হয়েছে, কিন্তু বাবুকে ওরকমভাবে কাঁদতে দেখে তাঁরও যেন বুক ঠেলে কান্না আসে। ঠোঁট উল্টে তিনিও কাঁদতে থাকেন, হাতের কাপ থরথর করে কাঁপে। ছোট্ট একটা টাচ, কাপটা কাঁপানো। জহর দৃশ্যটাকে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেন সেখানেই।
এই ‘পরশ পাথর’ ছবির সেটেই জহর রায়ের কথা শুনে আকাশ ফাটানো হাসি হেসেছিলেন সত্যজিৎ রায়। শ্যুটিংয়ের ব্রেকে নির্ভেজাল আড্ডা চলছিল। সবাই বেশ খোশমেজাজে। শিল্পী, কলাকুশলীরা সব ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে। রয়েছেন পরিচালক সত্যজিৎও। বয়স নিয়ে কথা উঠল। কার কত বয়স এই নিয়ে সকলে হিসেব কষতে বসলেন।
কথায় কথায় জানা গেল, সত্যজিৎ রায়ের থেকে বছর দু’য়েকের বড় জহর রায়। জহর জন্মেছেন ১৯১৯ সালে, আর সত্যজিতের জন্মসাল ১৯২১।
তাই শুনে তো সত্যজিৎ অবাক। বলে ওঠেন, ‘এ কী কথা জহরবাবু, আপনি তো দেখছি আমার থেকে দু’বছরের বড়। তাহলে আমাকে মানিকদা বলে ডাকেন কেন?’ জহর সঙ্গে সঙ্গে বলেন, ‘ঠিক কথা। আমি আপনার থেকে এজে বড়। কিন্তু আপনি আমার থেকে ইমেজে অনেক অনেক বড়। তাইতো আপনাকে মানিকদা বলি।’ জহরের মুখে এইরকম পানিং শুনে হা হা করে হেসে উঠেছিলেন সত্যজিৎ।
‘অঞ্জনগড়’ ছবিটায় সুযোগ পাওয়ার আগে জহরের এমনও দিন গিয়েছে যে, দুবেলা পেট পুরে খেতে পাননি। একবেলা খেয়ে কাজের সন্ধানে বেরতে হয়েছে। একটা সময় ঠিক করে ফেলেছিলেন, অনেক হয়েছে আবার সব ছেড়েছুড়ে পাটনাতেই ফিরে দর্জির দোকানে বসবেন। ঠিক তখনই মির্জাপুর স্ট্রিটে এক চায়ের দোকানে তাঁর সঙ্গে নরেনবাবুর আলাপ হয়। আর এই নরেনবাবুর ভরসাতেই মত বদলান জহর। কলকাতায় থেকে যাওয়াটাই মনস্থির করেন। (ক্রমশ)
 ‘পরশ পাথর’ ছবির একটি দৃশ্যে তুলসী চক্রবর্তী ও জহর রায়।
 অলঙ্করণ: চন্দন পাল  
23rd  February, 2020
 অথৈ সাগর
পর্ব ১৭

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

22nd  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব ১৭

 বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- ষষ্ঠ কিস্তি। বিশদ

22nd  March, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- পঞ্চম কিস্তি। 
বিশদ

15th  March, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

15th  March, 2020
আশীর্বাদ অনন্ত
তপনকুমার দাস

‘মা তুমি?’ দরজা খুলেই সামনে দাঁড়ানো পরমাকে দেখে চমকে ওঠে অভিজাত। প্রায় দেড় বছর পরে বাড়ির দরজায় দাঁড়ানো মাকে দেখলে অবাক না হয়ে উপায় কী?  বিশদ

15th  March, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৫
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

08th  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৫

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- চতুর্থ কিস্তি। 
বিশদ

08th  March, 2020
দোল
অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী

এই বাড়িটা তোমার? এত সুন্দর! পথে আসতে-আসতে এর কথাই তুমি বলছিলে আমায়? এই কথা বলে ফেলিনি ঘুরে ঘুরে বাড়িটি দেখতে থাকল।
আহামরি কিছু নয়। খুব সামান্য এক মাটির বাড়ি। ট্যারাবাঁকা। মাথায় টালিখোলা। এদিক-ওদিক ভাঙা-ফাটা। বাড়ির সামনে একটু ফাঁকা জমিন, সেখানে প্রাচীন এক কদমগাছ।   বিশদ

08th  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৪

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- তৃতীয় কিস্তি।  বিশদ

01st  March, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৪
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।  বিশদ

01st  March, 2020
সংবর্ধনা
বিপুল মজুমদার

‘আমাদের ক্লাবের একটা নিয়ম আছে দাদা। প্রত্যেক বছর ক্লাবের বার্ষিক অনুষ্ঠানে দু’জনকে আমরা সংবর্ধিত করি। একজন আপনার মতো প্রথিতযশা কেউ, অন্যজন আমাদের এই সুজনপুরের কোনও কৃতী সন্তান। এ বছর উত্তম মণ্ডলকে আমরা বেছে নিয়েছি। ওই কোণের দিকে হলদে জামা পরা যে মানুষটিকে দেখছেন ওই হল উত্তম। 
বিশদ

01st  March, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৩
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

23rd  February, 2020
গায়ক চারা
সসীমকুমার বাড়ৈ

—স্যার, ও এসেছে।
—কে? মন্দার ফাইল থেকে মুখ তুলে জিজ্ঞেস করল।  বিশদ

23rd  February, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- প্রথম কিস্তি।
বিশদ

16th  February, 2020
একনজরে
 বিএনএ, বর্ধমান ও সংবাদদাতা: করোনার সংক্রমণ রুখতে সোমবার বিকেল ৫টা থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন। বাজারে এবং মুদির দোকানে গিয়ে ভিড় এড়ানোর জন্য নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারি কর্মীরা প্রতিবারই মার্চ মাসের বেতন এপ্রিলে পান। এটাই হয়ে এসেছে। লকডাউন হওয়ার আগে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে স্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিতে নিযুক্ত কর্মীদের এপ্রিল মাসের বেতনের বিল পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ...

 প্যারিস, ২৫ মার্চ: গোটা বিশ্বে করোনা ভাইরাসের নাম করে আর্থিক প্রতারণা বাড়ছে। সতর্ক করে দিল আন্তর্জাতিক পুলিস সংগঠন ইন্টারপোল। বিশ্বের এই স্বাস্থ্য সঙ্কটের মুহূর্তে অনলাইনে কোনও চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার সময় ক্রেতাকে পুরোপুরি সতর্ক থাকার আহ্বান জানাল তারা। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা ভাইরাসের জেরে দেশবাসী গৃহবন্দি। মঙ্গলবারই আরও ২১ দিনের জন্য গোটা দেশে লক ডাউন করে রাখার ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাই ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

খরচের চাপ এত বেশি থাকবে সে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। কর্মক্ষেত্রে নানান সমস্যা দেখা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৪: গিলেটিনের আবিষ্কর্তা জোসেফ ইগনেস গিলেটিনের মৃত্যু
১৮২৭: জার্মান সুরকার এবং পিয়ানো বাদক লুডউইগ ভ্যান বেইটোভেনের মৃত্যু
১৯৯৩: চিত্র পরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭১: স্বাধীনতা ঘোষণা করল বাংলাদেশ, শুরু হল মুক্তিযুদ্ধ
১৯৭৪: চিপকো আন্দোলনের সূচনা
১৯৯৯: সুরকার আনন্দশঙ্করের মৃত্যু
২০০৬: রাজনীতিবিদ অনিল বিশ্বাসের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.১৯ টাকা ৭৬.৯১ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৮১ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
ইউরো ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  March, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ চৈত্র ১৪২৬, ২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) প্রতিপদ ২৯/২৯ অপঃ ৫/২৭। রেবতী অহোরাত্র সূ উ ৫/৩৯/৪১, অ ৫/৪৫/৪৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/৪১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪২ গতে ১০/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৪২ গতে ৪/১১ মধ্যে।
১১ চৈত্র ১৪২৬, ২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, প্রতিপদ ২৬/১০/২১ অপরাহ্ন ৪/৯/৪৯। রেবতী ৬০/০/০ অহোরাত্র সূ উ ৫/৪১/৪১, অ ৫/৪৫/৪৯। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২২ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ গতে ১০/২৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/৪২/৪৩ গতে ১০/১৩/১৪ মধ্যে।
২৯ রজব

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তামিলনাড়ুতে আরও ৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস 

11:52:00 PM

আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রথম করোনা আক্রান্তের খোঁজ 

09:02:11 PM

দেশে একদিনে ৮৮ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস, মোট আক্রান্ত ৬৯৪: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

08:55:45 PM

কৃষ্ণনগরে করোনা আতঙ্কে আত্মহত্যা! 
হোম আইসোলেশনে থাকার নির্দেশ পাওয়ার পর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী ...বিশদ

08:34:13 PM

ভেন্টিলেশনে রাজ্যের দশম করোনা আক্রান্ত 
শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় বাধ্য হয়ে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হল ...বিশদ

08:24:08 PM

ক্রিকেট খেলা বন্ধ করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিস 
লকডাউন উপেক্ষা করে মাঠে ক্রিকেট খেলা বন্ধ করতে গিয়ে নন্দীগ্রামের ...বিশদ

07:58:08 PM