Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৫

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- চতুর্থ কিস্তি।

ঋত্বিক ঘটকের ‘সুবর্ণরেখা’র মুখুজ্জেবাবুর মতোই জহর রায়ের আর এক কালজয়ী চরিত্র হাল্লা রাজ্যের ষড়যন্ত্রকারী মন্ত্রীমশাই। ধারে, ভারে, পপুলারিটিতে নিঃসন্দেহে কয়েক যোজন এগিয়ে। পরিচালক বলাই বাহুল্য, সত্যজিৎ রায়। কী সাংঘাতিক সে চরিত্র। ওঁর কাণ্ডকারখানা দেখে আমরা দর্শকরা যেমন হেসেছি বহুবার, কিন্তু সে তো আসলে ভয়ঙ্কর কুচক্রী একজন মানুষ। একমাত্র পূর্ণ ক্ষমতা ছাড়া তাঁর জগতের আর কোনও কিচ্ছুর দিকে লক্ষ্য নেই। অন্যদিকে ভাবুন,‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ ছোটদেরও কীরকম অসম্ভব প্রিয় একটা ছবি। জহর অভিনয়টাই এমন করলেন যে, মন্ত্রীমশাই একাধারে ভিলেন হলেও চোখে লাগার মতো ঘৃণ্য প্রতিপন্ন হলেন না। আবার পরতে পরতে যে হাসির উপাদান নেই, কার সাধ্য সে কথা বলে? বাচ্চাদের কাছে এই চরিত্র যেমন প্রিয়, তেমনই আবার বড়দের কাছেও একেবারেই ‘শিশুদের জন্য’ ঠেকে না। এরকম ব্যালান্স কি সকলে এত সহজে করতে পারেন!
রাজস্থানে আউটডোর শ্যুটিং চলছিল সত্যজিৎ রায়ের এই ‘গুগাবাবা’ ছবিরই। কলকাতায় অন্য শ্যুটিং পর্ব সেরে যোধপুর নেমে সেখান থেকে ট্যাক্সিতে করে রাত দশটায় জহর রায়ের জয়সলমির পৌঁছনোর কথা। ১১টা বাজে, ১২টা বাজে অথচ দেখা নেই জহরের। সকলকে উৎকণ্ঠায় রেখে শেষপর্যন্ত যখন পৌঁছলেন জহর রায়, ঘড়ির কাঁটা তখন প্রায় আড়াইটে ছুঁয়েছে। জানা গেল, যোধপুর থেকে যে গাড়িতে আসছিলেন তিনি, সেটি উল্টে গিয়েছিল মাঝপথে আর তাতেই বিপত্তি। নাকে ব্যান্ডেজ নিয়ে সত্যজিৎকে সেই ঘটনার বিবরণ দিতে বসলেন জহর। বললেন, ‘আরে মশাই— চাঁদনি রাত, ষাট মাইল স্পিডে দিব্যি গাড়ি চলছে। পিচ ঢালা সোজা রাস্তা, অন্য গাড়ির চলাচলও তেমন নেই। সর্দারজি ড্রাইভার বাঁ হাত নিজের কাঁধের পিছনে রেখে ডান হাতে আপেল ধরে তাতে কামড় বসাচ্ছেন। আর স্টিয়ারিংয়ে রেখেছেন নিজের ভুঁড়ি। সেই ভুঁড়ি একটু এদিক ওদিক করছেন, অমনি গাড়িও এদিক ওদিক ঘুরছে। কথা নেই বার্তা নেই এমন সময় রাস্তার মাঝে হুশ করে একটা খরগোশ এসে পড়ল। তাকে বাঁচাতে গিয়ে গাড়ি গেল উল্টে। আমার হুঁশ ছিল, দেখলাম আমি গড়াচ্ছি, আর আমার পাশ দিয়ে গড়াচ্ছে দুটো হোলডঅল। খটকা লাগল। সঙ্গে তো একটা হোলডঅল, দুটো এল কোত্থেকে? বুঝলাম ওটি হলেন আমাদের সর্দারজি।’
দুর্ঘটনার এমন বর্ণনা দেওয়া বোধহয় একমাত্র জহর রায়ের পক্ষেই সম্ভব। এ রকম রসবোধ ছিল বলেই সকলকে হাসিতে মজিয়ে রাখতে পারতেন জহর রায়। যাইহোক, দুর্ঘটনায় নাকে সামান্য চোট পাওয়া ছাড়া সে যাত্রায় আর বড় কিছু ঘটেনি। পরদিন থেকেই আবার সোৎসাহে শ্যুটিংয়ে নেমে পড়েন জহর রায়।
এই জয়সলমিরেই শ্যুট হয়েছিল হাল্লা রাজার সেনার দৃশ্য। হাজার হাজার উট সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে। জয়সলমিরের রাজার ভাই কুমার বাহাদুর উট জোগাড় করে দিয়েছিলেন। জয়সলমির শ্যুটিং লোকেশন হিসেবে চূড়ান্ত হওয়ার আগে ঠিক হয়েছিল হাল্লা সেনারা হবে অশ্বারোহী। জয়সলমিরে এসে সত্যজিৎ দেখলেন, এদেশে ঘোড়া নেই, চারিদিকে শুধু উট আর উট।
ফলে বদলাতে হল চিত্রনাট্য, সেইসঙ্গে বদলে গেল সৈন্যদের সাজ-সরঞ্জামও। মুম্বই থেকে আনা উদ্ভট রঙের পোশাক শুরুতে গায়েই ওঠাতে চাইছিলেন না উটের সওয়ারিরা। ওই পোশাক দেখে কেউ হাসে, তো কেউ ছুঁড়ে ফেলে দেয়। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে, বুঝিয়ে-সুঝিয়ে গায়ে ওঠানো হল সৈন্যদের পোশাক। নানা অ্যাঙ্গেলে বসানো হল একাধিক ক্যামেরা। সারে চার মিনিটের গানের দৃশ্যের জন্য চল্লিশটার মতো শট নিতে হল। সে যুগের বাংলা ছবির জন্য এলাহি কাণ্ড বৈকি!
‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’-এ সন্তোষ দত্ত শান্তিপ্রিয় হাল্লারাজা। সাদা কাগজ কেটে কেটে পাখি তৈরি করছেন। সেইসময় হৃষ্টপুষ্ট বপু নিয়ে হাঁসফাঁস করতে করতে হাল্লার মন্ত্রীমশাই ওরফে জহর রায় বলে চলেন, ‘হেঁ হেঁ শুধু বসে বসে খেলা করলে লোকেরা যে ছ্যা ছ্যা করবে, সেটা কি ভালো হবে? আজ বাদে কাল যুদ্ধু হবে!’
জহর রায়ের কথার পৃষ্ঠে সন্তোষ দত্তর নাবালক প্রশ্ন, ‘কে যুদ্ধ করবে?’ তখন ছেলেভুলনো কণ্ঠস্বরে জহর বলে ওঠেন,‘এই দেখো! আবার খোকা খোকা কথা বলে...।’
আমরা হাসিতে মেতে উঠি। সত্যজিৎ কী আর সাধে বলতেন, ‘জহর রায় অভিনয়ে না এলে গুগাবাবাই কোনওদিন হতো না।’
জহর রায় এমনই মানুষ। দু-তিন সিনের সামান্য সুযোগেই আলো কেড়ে নিতে জানতেন তিনি। আবার অন্যদের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টা করে তাঁদের ঝামেলায় ফেলতে পারলেই যেন তিনি স্বর্গসুখ অনুভব করতেন।
পঞ্চাশের দশকে জহর রায়ের কমিক স্কেচের দারুণ খ্যাতি। ‘ন্যাপাসুর বধ’ তখন স্টেজে বিপুল হিট। দিনে তিনটে চারটে করে শো, সবই হাউসফুল। সেইসময় এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ‘ন্যাপাসুর বধ’ পালায় জহরের একক অভিনয় দেখে হাসিতে ফেটে পড়েছিলেন সত্যজিৎ রায়। তিনি এমনভাবে হেসে উঠেছিলেন যে, ওই মুহূর্তে তোলা এক ফোটোগ্রাফারের ক্যামেরায় সেই দুর্লভ মুহূর্তের ছবি ধরা পড়েছিল। সহাস্য সত্যজিৎ রায়ের আলজিভটাও সেই ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। ওই ফোটো অমিয় নিবাসে রেখে পরিচিতদের ডেকে ডেকে দেখাতেন জহর রায়। লোকজনদের আমন্ত্রণ জানাতেন এই বলে যে, তাঁরা যদি জহরের বাড়িতে আসেন তাহলে তাঁরা দেখতে পাবেন, তাঁর বাড়িতে সত্যজিৎ রায়ের আলজিভ কীরকম সযত্নে রাখা আছে!
(ক্রমশ)
 ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ ছবিতে রবি ঘোষ, জহর রায় ও তপেন চট্টোপাধ্যায়।
 অলঙ্করণ: চন্দন পাল                                                                      
08th  March, 2020
 অথৈ সাগর
পর্ব ১৭

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

22nd  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব ১৭

 বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- ষষ্ঠ কিস্তি। বিশদ

22nd  March, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- পঞ্চম কিস্তি। 
বিশদ

15th  March, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

15th  March, 2020
আশীর্বাদ অনন্ত
তপনকুমার দাস

‘মা তুমি?’ দরজা খুলেই সামনে দাঁড়ানো পরমাকে দেখে চমকে ওঠে অভিজাত। প্রায় দেড় বছর পরে বাড়ির দরজায় দাঁড়ানো মাকে দেখলে অবাক না হয়ে উপায় কী?  বিশদ

15th  March, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৫
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

08th  March, 2020
দোল
অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী

এই বাড়িটা তোমার? এত সুন্দর! পথে আসতে-আসতে এর কথাই তুমি বলছিলে আমায়? এই কথা বলে ফেলিনি ঘুরে ঘুরে বাড়িটি দেখতে থাকল।
আহামরি কিছু নয়। খুব সামান্য এক মাটির বাড়ি। ট্যারাবাঁকা। মাথায় টালিখোলা। এদিক-ওদিক ভাঙা-ফাটা। বাড়ির সামনে একটু ফাঁকা জমিন, সেখানে প্রাচীন এক কদমগাছ।   বিশদ

08th  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৪

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- তৃতীয় কিস্তি।  বিশদ

01st  March, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৪
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।  বিশদ

01st  March, 2020
সংবর্ধনা
বিপুল মজুমদার

‘আমাদের ক্লাবের একটা নিয়ম আছে দাদা। প্রত্যেক বছর ক্লাবের বার্ষিক অনুষ্ঠানে দু’জনকে আমরা সংবর্ধিত করি। একজন আপনার মতো প্রথিতযশা কেউ, অন্যজন আমাদের এই সুজনপুরের কোনও কৃতী সন্তান। এ বছর উত্তম মণ্ডলকে আমরা বেছে নিয়েছি। ওই কোণের দিকে হলদে জামা পরা যে মানুষটিকে দেখছেন ওই হল উত্তম। 
বিশদ

01st  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৩

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- দ্বিতীয় কিস্তি। 
বিশদ

23rd  February, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৩
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

23rd  February, 2020
গায়ক চারা
সসীমকুমার বাড়ৈ

—স্যার, ও এসেছে।
—কে? মন্দার ফাইল থেকে মুখ তুলে জিজ্ঞেস করল।  বিশদ

23rd  February, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- প্রথম কিস্তি।
বিশদ

16th  February, 2020
একনজরে
উন্নাও, ২৫ মার্চ: মাথা, মুখ তোয়ালে দিয়ে মোড়া। দেখা যাচ্ছে শুধু চোখ দু’টো। পিঠে একটা ব্যাগ। তাতে কিছু বিস্কুটের প্যাকেট আর জলের বোতল। এটুকু সম্বল করেই চড়া রোদে শুনশান রাজপথ ধরে হেঁটে চলেছে ওরা। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লকডাউনের জেরে চরম সঙ্কটে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির গবেষণা। ক্যাম্পাস সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার কারণে নষ্ট হয়েছে বেশ কিছু দামি রাসায়নিক পদার্থ। বেশ কিছু প্রাণী রয়েছে, যাদের ওপর গবেষণা করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন অধ্যাপকরা, সেগুলিকে বাঁচিয়ে রাখা এখন চ্যালেঞ্জের মুখে। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: মঙ্গলবার টিভির পর্দায় প্রধানমন্ত্রী আগামী ২১ দিন লকডাউনের কথা ঘোষণা করা মাত্র রাতেই ভিড় শুরু হয়ে যায় পাড়ার মুদির দোকান ও ওষুধের দোকানগুলিতে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

খরচের চাপ এত বেশি থাকবে সে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। কর্মক্ষেত্রে নানান সমস্যা দেখা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৪: গিলেটিনের আবিষ্কর্তা জোসেফ ইগনেস গিলেটিনের মৃত্যু
১৮২৭: জার্মান সুরকার এবং পিয়ানো বাদক লুডউইগ ভ্যান বেইটোভেনের মৃত্যু
১৯৯৩: চিত্র পরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭১: স্বাধীনতা ঘোষণা করল বাংলাদেশ, শুরু হল মুক্তিযুদ্ধ
১৯৭৪: চিপকো আন্দোলনের সূচনা
১৯৯৯: সুরকার আনন্দশঙ্করের মৃত্যু
২০০৬: রাজনীতিবিদ অনিল বিশ্বাসের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.১৯ টাকা ৭৬.৯১ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৮১ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
ইউরো ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  March, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ চৈত্র ১৪২৬, ২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) প্রতিপদ ২৯/২৯ অপঃ ৫/২৭। রেবতী অহোরাত্র সূ উ ৫/৩৯/৪১, অ ৫/৪৫/৪৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/৪১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪২ গতে ১০/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৪২ গতে ৪/১১ মধ্যে।
১১ চৈত্র ১৪২৬, ২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, প্রতিপদ ২৬/১০/২১ অপরাহ্ন ৪/৯/৪৯। রেবতী ৬০/০/০ অহোরাত্র সূ উ ৫/৪১/৪১, অ ৫/৪৫/৪৯। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২২ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ গতে ১০/২৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/৪২/৪৩ গতে ১০/১৩/১৪ মধ্যে।
২৯ রজব

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তামিলনাড়ুতে আরও ৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস 

11:52:00 PM

আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রথম করোনা আক্রান্তের খোঁজ 

09:02:11 PM

দেশে একদিনে ৮৮ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস, মোট আক্রান্ত ৬৯৪: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

08:55:45 PM

কৃষ্ণনগরে করোনা আতঙ্কে আত্মহত্যা! 
হোম আইসোলেশনে থাকার নির্দেশ পাওয়ার পর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী ...বিশদ

08:34:13 PM

ভেন্টিলেশনে রাজ্যের দশম করোনা আক্রান্ত 
শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় বাধ্য হয়ে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হল ...বিশদ

08:24:08 PM

ক্রিকেট খেলা বন্ধ করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিস 
লকডাউন উপেক্ষা করে মাঠে ক্রিকেট খেলা বন্ধ করতে গিয়ে নন্দীগ্রামের ...বিশদ

07:58:08 PM