শরীর ও স্বাস্থ্য

ভোটের উত্তেজনার মধ্যে কীভাবে ‘কুল’ থাকবেন সুগার, প্রেশারের রোগীরা?

ভোটের পরিমণ্ডল। বরফের মতো মাথাঠান্ডা মানুষেরও উত্তেজিত হওয়ার উপকরণ হাজির। কিন্তু, প্রেশার, সুগার ও স্ট্রোকের রোগীরা মাথা গরম করলে যে বিপদই বিপদ! ভোটের বাজারেও কীভাবে থাকবেন ‘কুল’? পরামর্শে রুবি জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ তীর্থপ্রতীম পুরকাইত।
 
লোকসভা ভোটের হওয়া গরম। আরও দু’দফা নির্বাচন এখনও বাকি। তারপরেই ৪ জুন ভোটের হাইভোল্টেজ রেজাল্ট! এই মরশুমে কমবেশি সকলের মুখেই রাজনীতির কথা বেশি ঘোরাফেরা করছে। এমন সময়ে নিজের মতাদর্শ ও নিজের সমর্থিত দল নিয়ে আড্ডা যেমন হয়, তেমনই বিরূপ মত বা মনোভাব কোথাও বিচলিত করে। মন-মেজাজ সবসময় আয়ত্তে রাখতে না পেরে অনেকেই জড়িয়ে পড়েন বাক-বিতণ্ডায়। হাই প্রেশার, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস ইত্যাদি থাকলে এইসব টেনশন ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি শরীরে কুপ্রভাব ফেলে। 

ভোটের বহু প্রার্থী থেকে শুরু করে সমর্থক বা সাধারণ ভোটার, অনেকেরই বয়স ৬০ পেরিয়েছে। তাঁদের মধ্যে অনেকেই বেশ কয়েক বছর ধরে হাইপ্রেশার ও ডায়াবেটিসে ভুগছেন। রাজনৈতিক উত্তেজনা থেকে এই প্রেশার ও ডায়াবেটিস বৃদ্ধি পাওয়া অসম্ভব কিছু নয়। তাই এইসব উত্তেজনা থেকে দূরে থাকাই বাঞ্ছনীয়। তবে দূরে থাকতে চাইলেই তা সবসময় পারা যায় না। খবরের কাগজ থেকে নানা সংবাদ মাধ্যম, রাস্তাঘাট, চায়ের ঠেক, বন্ধু বা আত্মীয়দের মধ্যে আড্ডা,  সব জায়গাতেই রাজনীতি নিয়ে এই সময় একটু বেশিই আলোচনা চলে। আর সরাসরি কোনও দলের কর্মী-সমর্থক হলে বা সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ নিলে তো ঝুঁকি প্রতি মুহূর্তে থাকে। তাই কিছু নিয়ম মেনে চলুন। এতে রাজনৈতিক সরগরম পরিস্থিতিতেও নিজেকে সুস্থ রাখে যায়। 

কী কী করব?
১. প্রেশার, ডায়াবেটিস, স্ট্রোক এগুলি সবই লাইফস্টাইল ডিজিজ। তাই মন ও শরীর দুটোকেই ফিট রেখে এই সমস্যাগুলোর সঙ্গে লড়তে হবে। ভোটের এই মরশুমে রোজ দিনে অন্তত ১ ঘণ্টা শারীরিক পরিশ্রম করুন। এতে মন প্রফুল্ল থাকে, মস্তিস্ক থেকে গুড হরমোন বা ডোপামিন ক্ষরিত হয়। সারাদিন মন যেমন ভালো থাকে, তেমনই মেজাজ-মরজি নিজের আয়ত্তে থাকে।
২. রোজ নিজের ওষুধ নিয়ম মেনে খান। অনেকেই মাঝে মাঝে প্রেশারের ওষুধ খেতে ভুলে যান। এতে রক্তচাপ ওঠানামা করে, হার্টের ক্ষতি হয়। দরকারি সব চেক আপ নিয়ম মেনে করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৩. পাতে সবুজ শাকসব্জি বেশি করে রাখুন। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। 
৪. নিয়ম করে মেডিটেশন বা ধ্যান করুন। দিনের মধ্যে অন্তত ১৫ মিনিট মেডিটেশন করলে সারাদিন মনঃসংযোগ বাড়ে, উত্তেজনা প্রশমিত হয়।  মন শান্ত হয়। তাই ভোটের সময় নিয়ম মেনে মেডিটেশন করলে উত্তেজনার হাত থেকে সহজেই নিস্তার মেলে। বহু খেলোয়াড় বড় টুর্নামেন্টের আগে আলাদা করে মেডিটেশনের সেশন নিয়ে থাকেন। তাই মেডিটেশন সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি।
৫. যে আলোচনা অপ্রয়োজনীয়, শুধুই মনের উপর চাপ বাড়ায়, তা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। যে কোনও একটা শখের গোড়ায় জল দিন। ভোটের প্রচার থেকে ফলাফল সবকিছুর মধ্যেও হাতে যেন নিজের জন্য কিছুটা সময় থাকে। সেই সময় নিজের শখের চর্চা করুন। নিজের মনকে আয়ত্তে রাখতে এই ‘মি টাইম’ খুব গুরুত্বপূর্ণ। 
৬. খুব ধারেকাছে হলেও মাঝেমধ্যেই বেরিয়ে পড়ুন। ঘুরে আসুন সপরিবার। এতে মন অনেক স্বচ্ছ হয়। একঘেয়েমি কাটে। হার্ট ভালো থাকে। যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে মস্তিষ্ক তাজা অক্সিজেন  পায়।  
লিখেছেন মনীষা মুখোপাধ্যায়
ছবি : মুকুল রহমান ও তামিম ইসলাম
28d ago
কলকাতা
রাজ্য
দেশ
বিদেশ
খেলা
বিনোদন
ব্ল্যাকবোর্ড
বিশেষ নিবন্ধ
সিনেমা
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
আজকের দিনে
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
mesh

উচ্চশিক্ষায় নামী স্বদেশি/ বিদেশি প্রতিষ্ঠানে সুযোগ পেতে পারেন। স্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ে চিন্তা। কর্মে অগ্রগতি।...

বিশদ...

এখনকার দর
ক্রয়মূল্যবিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৫৬ টাকা৮৪.৩০ টাকা
পাউন্ড১০৪.৩৩ টাকা১০৭.৮১ টাকা
ইউরো৮৮.০৪ টাকা৯১.১৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
*১০ লক্ষ টাকা কম লেনদেনের ক্ষেত্রে
দিন পঞ্জিকা