বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
খেলা
 

টিম গেমেই লখনউ বধ কেকেআরের

সুকান্ত বেরা, কলকাতা: একটা দল দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে। পর পর ম্যাচ জিতছে। পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে। কিন্তু সেই দলের কোনও ক্রিকেটার কমলা বা বেগুনি টুপি জেতার দৌড়ে নেই। প্রথম পাঁচের মধ্যেও খুঁজে পাওয়া গেল না কাউকে। অবিশ্বাস্য হলেও এটাই বাস্তব। আসলে ব্যক্তিগত নৈপুণ্য নয়, দলগত সংহতিই কলকাতা নাইট রাইডার্সের সাফল্যের চাবিকাঠি। যার উজ্জ্বল নিদর্শন ধরা পড়ছে এবারের আইপিএলে, যা জাগিয়ে তুলছে তৃতীয় খেতাব জয়ের স্বপ্নও। সেই মন্ত্রেই রবিবার পয়লা বৈশাখের ইডেনে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে দিল নাইট ব্রিগেড। ঝুলিতে পুরল আরও দু’টি মূল্যবান পয়েন্ট। উন্নত হল রান রেটও। সামনে আরও চারটি হোম ম্যাচ। সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকলে শাহরুখ খানের মুখের হাসি ক্রমশ চওড়া হবে। 
টস করার সময় শ্রেয়স আয়ারকে দেখা গেল কয়েনটা কপালে ছুঁয়ে শূন্যে ছুড়লেন। বোঝা যাচ্ছিল, টস জিততে কতটা উদগ্রীব তিনি। আসলে প্রতিপক্ষকে ব্যাট করতে পাঠানো ছিল কেকেআরের রণকৌশলেরই অঙ্গ। দুপুরে ম্যাচ, গনগনে রোদ, হাঁসফাঁস গরম। বল পিচে পড়ে কিছুটা মন্থর হচ্ছিল। এই অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে শট খেলতে যাওয়া মানে বিপদ ডেকে আনা। সেই ভুলটাই করলেন লখনউয়ের ব্যাটসম্যানরা। অধিনায়ক লোকেশ রাহুল (৩৯), বাদোনি (২৯) ও নিকোলাস পুরান (৪৫) ছাড়া বাকিরা পাতে দেওয়ার মতো নয়। ফলে ৭ উইকেটে ১৬১ রানেই থেমে যায় লখনউ। বলা ভালো, স্টার্ক (৪-০-২৮-৩) ও নারিনের (৪-০-১৭-১) পেস-স্পিনের যুগলবন্দিতে নাভিশ্বাস ওঠে বিপক্ষের। সেই সঙ্গে রামনদীপের দুরন্ত ফিল্ডিং। সবুজ-মেরুন জার্সিতে মাঠে নামা লোকেশদের দুর্দশা দেখে কপাল চাপড়াতে দেখা গেল কিছু সুপার জায়ান্টস সমর্থককে। জিততে গেলে দরকার তিন বিভাগেই সেরা পারফরম্যান্স। আর সেখানেই লখনউকে টেক্কা দিল কেকেআর।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে নাইটদের শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি। নারিন (৬) দ্রুত ফেরেন ডাগ-আউটে। তাঁকে অনুসরণ করেন রঘুবংশীও (৭)। দু’টি উইকেটই নেন মহসিন খান। তবে ত্রিশের ঘরে ফিল সল্টের ক্যাচ পড়াটাই হয়ে গেল ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। শুধু ক্যাচ ফেলাই নয়, বাউন্ডারির বাইরে বল পাঠিয়ে নাইট রাইডার্সকে ছক্কাও উপহার দিলেন লখনউয়ের ফিল্ডাররা। তুলে দিলেন ম্যাচটাও। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলকে জয়ের পথে ফেরালেন ফিল সল্ট ও অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। তাঁরা গড়েন ৭৬ বলে  অবিচ্ছিন্ন ১২০ রানের পার্টনারশিপ। ২৬ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে নাইট ব্রিগেড (১৬২-২)। সল্ট ৮৯ ও শ্রেয়স ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন। যার মধ্যে সল্ট ১৪টি চার ও তিনটি ছক্কা হাঁকান।
কেকেআরের জয়ের অন্যতম কারিগর মিচেল স্টার্কও। গত চারটি ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি এই অজি পেসার। তীব্র হচ্ছিল সমালোচনা। তবুও তাঁর প্রতি যে টিম ম্যানেজেমেন্টের আস্থা অটুট, তা ম্যাচের আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন গৌতম গম্ভীর। তার পূর্ণ মর্যাদা রাখলেন স্টার্ক। দুটো স্পেলেই গড়ে দিলেন বড় ফারাক। নিজের দিনে তিনি যে এখনও ত্রাস, সেটা ভালোই টের পেলেন নিকোলাস পুরানরা। অন্তিম ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে স্টার্ক ঝুলিতে পুরে নেন দু’টি উইকেট। চোটমুক্ত থাকতে পারলে ২৪.৭৫ কোটি কিন্তু সুদে-আসলেই মিটিয়ে দেবেন অজি তারকা।

15th     April,   2024
 
 
অক্ষয় তৃতীয়া ১৪৩১
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ