Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

বন্ধুত্ব
তপনকুমার দাস 

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব। সংসারের পালা-গানে ঝালাপালা হতে হতে কখনও-সখনও যদি নিস্তার পাওয়া যেত তখন রিমার সঙ্গে গল্প জুড়তে ভুলত না দীনবন্ধু— জানো তো, মিহির পড়াশুনোয় কী ভালোই না ছিল, অথচ শেষ পর্যন্ত একটা চাকরি জোটাতে পারল না। কিংবা বলত, সিনেমার নায়ক হতে গিয়ে কী হেনস্তাই না হয়েছিল বিমল। মায়ের গয়না চুরি করে শেষ পর্যন্ত হাজতবাস করতে...। স্বামীর হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের প্রতি রিমার কোনও উৎসাহ না দেখে হতাশ হতো দীনবন্ধু। হতাশ হলেও সহজে ছাড়ত না রিমাকে। পাশের ফ্ল্যাটের ঘোষ-গিন্নির মতো গাওয়া ঘি রঙের জামদানি শাড়ি কিনে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে শোনাতে চাইত অজিতের বোন নন্দিতার গল্প। নন্দিতার ভুল বানানে ভরা প্রেমপত্র লেখার গল্প। দীনবন্ধুকে তিন-তিনটে চিঠি লিখেও যখন পাত্তা পায়নি, তখন পাকড়াও করেছিল ত্রিনাথকে। বলতে বলতে হেসে ঢলে পড়ত দীনবন্ধু। একটু হয়তো ছুঁয়েও দিত রিমাকে। আর তখনই সোফার পাশে বসা স্বামীকে ছেড়ে উঠে দাঁড়াত রিমা— তোমার বড্ড ঢলে পড়া স্বভাব। বড় বড় সব ছেলে-মেয়েরা ঘরে। দেখলে কী ভাববে বলো তো?
দীনবন্ধুর উত্তরের অপেক্ষা করত না রিমা। হেঁশেলে পালিয়ে নিস্তার পাওয়ার চেষ্টা করত স্বামীর স্মৃতিচারণের বহর থেকে। রিমা পালালেও দুঃখ পেত না দীনবন্ধু। স্মৃতি সতত সুখের। নিজের মনে নিজেই ডুবে যেত হারানো বন্ধুদের স্মৃতি মন্থনের সমুদ্রে। স্মৃতির ঢেউয়ে ভেসে যেত। আছড়ে পড়ত। আবার ভাসত। আছাড় খেত। সুখ-দুঃখ, দুঃখ-সুখের স্মৃতি মানুষের জীবনের হৃদস্পন্দন। বেঁচে থাকার, এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। সুতরাং রিমা এড়িয়ে গেলেও বুঁদ হয়ে থাকতে ভালোবাসত দীনবন্ধু। মনে মনে রিমার উদ্দেশে বলত— মেয়েরা বন্ধুত্বের কী বোঝে? হিংসা আর পরশ্রীকাতরতার অসুখে ভুগলে কি আর বন্ধুত্ব করা যায়?
বলবে না কেন? রিমার মুখে কোনও দিন তার কোনও বন্ধুর গল্প এমনকী নামও শোনেনি দীনবন্ধু। কৌতূহল চাপতে না পেরে প্রশ্নটা একদিন করেই ফেলেছিল ছেলে-মেয়েদের আড়ালে— তোমার কোনও বন্ধু নেই? কই তাদের কথা তো কোনও দিন বলো না? স্বামীর প্রশ্নের উত্তরে একগাল রহস্যের হাসি ছড়িয়েছিল রিমা— থাকবে না কেন? খুউব আছে। তবে তারা তোমার বন্ধুদের মতো গেলাসের বন্ধু নয়।
ওঃ, উত্তর শুনে একটু দমে গেছিল দীনবন্ধু। বলেছিল— আমাদের সমাজে মেয়েদের হাতে গেলাসটা এখনও তেমনভাবে ওঠেনি, তাই বলতে পারলে। উঠলে তো সন্ধের পর সংসারটা ভরত-নাট্যমের স্টেজ হয়ে যেত।
মোটেও না। ওই সব ছাইপাঁশ গিলে বন্ধুত্ব করার চেয়ে নির্বান্ধব থাকা অনেক ভালো— হাতের কাজ সারতে সারতে নিজের মনে নিজেকে বলার মতো করে বলেছিল রিমা।
মাসে ক’দিন আমার হাতে গেলাস উঠতে দেখেছ? স্ত্রীর উপর অভিমান হয়েছিল দীনবন্ধুর— জানি জানি, তোমার বন্ধুদের সব খবর আমার জানা আছে।
তাই? কী জানো, একটু শোনাবে আমাকে? কান খাড়া করে বেঁকে দাঁড়িয়েছিল রিমা।
ওই তো বিট্টুর মা, দর্জিপাড়ার ধুমসো মহিলাটা, কী যেন নাম?
কল্পনা মোটেও আমার বন্ধু নয়। ওর ছেলে বাপ্পার সঙ্গে পড়ে। স্কুলের দুয়ারে দেখা হয়, ব্যস— আবার নিজের কাজে ফিরেছিল রিমা।
টুম্পার মা গীতা? তার সঙ্গে তো দিনে চোদ্দোবার কথা হয়। নারায়ণ পুজোর প্রসাদ খেতে যাও। রামমন্দিরে শাড়ি কিনতে যাও, নাছোড় দীনবন্ধু কিছুতেই ছাড়তে চায়নি রিমাকে। গীতাকে একটু বেশিই পছন্দ করে দীনবন্ধু। বিট্টুর মায়ের মতো থলথলে নয়, আবার সানুর মায়ের মতো প্যাঁকাটিও নয়। গায়ের রং শ্যামলা হলেও বেশ চিকচিকে। আর চোখ দুটো? সে তো একেবারে মদন বাণ।
—গীতা তো আমার চেয়েও তোমার বেশি বন্ধু। স্কুটারের পিছনে বসিয়ে ব্যাঙ্কে নিয়ে যাও—
—গীতা বলেছে বুঝি? গোপন কথাটি গোপন না থাকায় ফুঁসে উঠেছিল দীনবন্ধু— স্ট্যান্ডে একটাও রিকশ ছিল না। নিজেই যেচে এসে দু’কাঁধ ধরে পিছনে ঝুলে পড়ল।
জানি জানি। গীতা আমাকে সব বলেছে— হিংসে হিংসে স্বরে শুনিয়ে দিয়েছিল রিমা। তারপর সরাসরি জিজ্ঞাসা করেছিল, পরের বউকে স্কুটারের পিছনে বসিয়ে অত ঘন ঘন ব্রেক কষার কী হয়েছিল? ঘন ঘন ব্রেক কষেছি? আমি? গীতা বলেছে বুঝি?
না, ঠিক তা বলেনি। বলেছে, রিমা, তোর বরটা খুব ভিতু। স্কুটার চালানোর হাতটাও পোক্ত নয়। ওইটুকু রাস্তায় পঞ্চাশবার কেউ ব্রেক কষে? নিজের ঢঙে জবাব দিয়েছিল রিমা। চোখ রেখেছিল দীনবন্ধুর মুখের ক্যানভাসে। তারপর দীনবন্ধুর কোনও উত্তর শোনানোর আগেই ঘোষণা করেছিল রায়— আমি তো তোমাকে হাড়ে হাড়ে চিনি। ঘন ঘন ব্রেক কষার উদ্দেশ্যও বুঝি। গীতার ঢুলু ঢুলু স্বভাবকে ক্যাশ করতে চেয়েছিলে, তাই তো?
রিমার রায় শোনার পর বন্ধুত্ব নিয়ে আলোচনা আর এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়নি দীনবন্ধু। গীতার স্পর্শটুকু স্মৃতিতে রেখে ঘর ছেড়েছিল নিস্তার পেতে। বিট্টুর মা, গীতা আর শ্রীলেখার সঙ্গেই একটু যা মাখামাখি রিমার। তার বাইরে আর যারা আছে তারা তেমন উল্লেখযোগ্য কেউ নয়। কিন্তু দীনবন্ধু তো জানতে চেয়েছিল অন্য কথা। রিমার স্কুল কিংবা কলেজবেলার কোনও বন্ধুর কথা। ‘বন্ধু’ তার কারণ ‘বান্ধবী’ শব্দটাকে তেমন প্রাধান্য দিতে চায় না দীনবন্ধু। দিতে ইচ্ছে করে না। কেমন যেন প্রাণহীন, ছাড়া ছাড়া মনে হয়। চাকরি পাওয়ার পর দপ্তরে পেয়েছিল অনুরাধাকে। বয়সে দু-তিন বছরের বড় হলেও ‘দিদি’, ‘দিদি’ চেহারা ছিল না অনুরাধার। রিমা তখনও দীনবন্ধুর জীবনে চৌকাঠ পেরয়নি। তাই অনুরাধাকে বান্ধবীর মর্যাদা দিয়ে মনে মনে তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে রূপকথার দেশে বেড়াতে যেতে ভালোই লাগত। অনুরাধাও সাড়া দিত শনিবারের ইভিনিং শো-এ সিনেমা-থিয়েটারে যাওয়ার প্রস্তাবে। পুরনো বন্ধুদের কাছে বুক ঠুকে গর্ব করত দীনবন্ধু— তোরা ওই এক নন্দিতাতেই মেতে আছিস। আছে তোদের কোনও বান্ধবী? অনুরাধার মতো?
না নেই— ঠাস করে মুখের উপর বলে দিয়েছিল বিমল। বান্ধবী না অন্য কিছু? ইয়ে, মানে বিয়ে করে ফেল তোর ওই পরমাণুকে। অজিত জ্ঞান দিয়েছিল— বান্ধবী জুটিয়েছিস তো! পকেট সেলাই করে রাখিস। গেলাসে শেষ চুমুক দিয়ে টেবিল ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছিল ত্রিনাথ— মাসিমা জানেন? না কি নারদের ভূমিকাটা আমিই পালন করে আসব?
রিমার কাছে গীতার খোঁটা খেয়ে পালিয়ে এসেও নিস্তার নেই দীনবন্ধুর। থাকবে কেমন করে? মানুষের মতো তো কখনও ফাঁকা থাকে না। মানুষ তো কখনও চুপ করে থাকতে পারে না। মনের ভাবনা, মনের কথোপকথন মনে মনেই চলতে থাকে। ত্রিনাথের কথা মনে পড়তেই তাই মনে মনে হেসে ফেলে দীনবন্ধু। প্রস্তাবটা অনুরাধার কানে পাড়তে গিয়েও পাড়তে পারেনি। ভিতু প্রেমিকের স্বভাব। বলি বলি করতে করতেই প্রেম পালিয়ে যায় চলি চলি বলে। তবে অনুরাধা নেমন্তন্ন করেছিল। ভাইফোঁটায়। বলেছিল, আমার ভাই নেই। তোমারও বোনের অভাব। চলে এসো। প্রস্তাব শুনে ভিরমি খাওয়ার দশা হয়েছিল দীনবন্ধুর— কিন্তু বন্ধুত্ব? ওমা, ভাই-বোনের কি বন্ধুত্ব হয় না? বলতে বলতে অফিসের মধ্যেই অনুরাধা নিজের কমললতা দুই হাত মালা করে জড়িয়ে ধরেছিল দীনবন্ধুর গলা। ক্যামেরা থাকলে তোদের ভাই-বোনদের একটা ছবি তুলে রাখতাম— পাশের টেবিল থেকে টিপ্পনি ছুঁড়ে দিয়েছিল সামন্তবাবু। বন্ধু আর বান্ধবীর জ্যাকেট খুলে সেই যে সেদিন দীনবন্ধু আর অনুরাধা ভাই-বোন হয়ে গেছিল, সে সম্পর্ক আজও অটুট হয়ে আছে। অনুরাধার মেয়ে অলকানন্দা তো মামা বলতে পাগল। প্রতি রবিবার শ্যামনগর থেকে ছুটে আসে শুধু মামির হাতে রান্না চিকেনকারি খেতে। কিন্তু দীনবন্ধুর অবচেতন মন এখনও মাঝেমধ্যে কামনা করে অনুরাধাকে। একান্তে রিমার চেহারায় গুলিয়ে নেয় অনুরাধাকে।
আমার প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে/ তাই হেরি তায় সকল খানে...
ধুস! আজকাল এই এক জ্বালা হয়েছে। মোবাইল ফোন। একটু যে মন দিয়ে মনের কথা ভাববে, সে উপায় নেই। অথচ যখন থাকার দরকার ছিল তখন ছিল না। থাকলে কত বন্ধু হতো। বান্ধবী জুটত। এসএমএস পাঠিয়ে মনের কথা ফোনের পর্দায় নিবেদন করা যেত। এখন এই অবেলার পড়ন্ত রোদে মোবাইলের চাকচিক্য তেমন ভালো লাগে না দীনবন্ধুর। অনুরাধা সবে উঠে আসছিল এক পা এক পা করে। ঠিক তখনই বেজে উঠতে হল যন্ত্রটাকে?
তুমি কি চা খাবে না স্নানে যাবে?
আমার প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে/ তাই হেরি তায় সকল খানে...।
হ্যালো, মিহির। বল... রান্নাঘর থেকে উড়ে আসা রিমার প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয় না। আজই সকালে খুঁজে পাওয়া হারানো ছোটবেলার বন্ধুর সঙ্গে ফোনালাপে ব্যস্ত হয় দীনবন্ধু। তবে বেশিক্ষণ নয়, মাত্র দু’মিনিট ষোলো সেকেন্ড। মিহির ছিল চিরপ্রেমিক। যাকে দেখত তাকেই পছন্দ হয়ে যেত। মনে মনে ভালোবেসে খুশি হতো। একতরফা হলেও বুক চিতিয়ে বলত, পারবি তোরা এমন নিঃস্বার্থ প্রেমিক হতে?
না, আজ আর অফিস যাওয়া হবে না। তুমি চা দাও, ঝট করে বাজার থেকে একটু ঘুরে আসি— ফোন ছেড়ে রান্নাঘরে রিমার পাশে এসে দাঁড়ায় দীনবন্ধু। খবরটা ঢেলে দেয় স্ত্রীর কানে, মিহির আসবে। একটু মাটন নিয়ে আসি। মিহিরকে মনে আছে তো? সেই যে আমার সঙ্গে তোমাদের বাড়ি গেছিল কনে দেখতে?
দীনবন্ধুর কথা শুনে বুকের ভিতরটা ছ্যাঁৎ করে ওঠে রিমার। কিন্তু মুখে প্রকাশ করে না। মেয়েদের চিরন্তন স্বভাবে বুক ফাটলেও মুখ ফোটে না। চায়ের বাটি চাপিয়ে দেয় ওভেনে।
মিহিরের খুব পছন্দ ছিল তোমাকে— রিমার সাড়া না পেয়ে ডাইনিং স্পেসে ফিরে আসে দীনবন্ধু।
জানি, মুখ ফস্কে এক শব্দের উত্তরটা প্রায় বাতাসে ছুঁড়ে দিয়েছিল রিমা। কিন্তু না, মুখ ফস্কাতে দেয় না। ভারী সুন্দর সহজাত ভঙ্গিতে সামলে নেয়। ফুটন্ত চায়ের বাটিতে চামচ নাড়তে নাড়তে শুনিয়ে দেয় হক কথা— গেলাস পেতে গিলতে বসো না।
তোমার ওই এক দোষ। এক স্বভাব। ঠাকুমা দিদিমার যুগে পড়ে থাকার স্বভাব। এতদিন বাদে পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হবে, একটু সেলিব্রেট করব না?
না, করবে না। ঘরের ভেতর বেলেল্লাপনা আমি সহ্য করব না। ফোন করলেই বাপ্পা জিজ্ঞাসা করে, মা, বাবা ঠিক আছে তো? আজকালকার ছেলে। হোস্টেলে থাকে। একটা সিগারেট পর্যন্ত...
মায়ের স্বভাব পেয়েছে— খুশি হয় দীনবন্ধু। তোষামোদ করে রিমাকে— অতটা সেকেলেপনাও ঠিক নয়। একটু স্মার্টনেস দরকার।
স্মার্টনেস? বলো ভলেন্টারি ম্যাডনেস। ইচ্ছে করে পাগল হওয়া। তোমার কাছেই তো শুনেছি তোমার বন্ধুর গল্প। চার চুমুক পেটে পড়তে না পড়তেই মাতলামির সীমা ছাড়িয়ে ফেলে। তুমিই তো বলেছ, সৈকতদার বাড়িতে রীনাদিকে জড়িয়ে ধরে...।
বন্ধুর বউয়ের সঙ্গে ওটুকু ইন্টু-মিন্টু হতেই পারে— চায়ের কাপ হাতে তুলে যুক্তির দেওয়াল খাড়া করে দীনবন্ধু।
তোমার বউয়ের সঙ্গে করলে তুমি মেনে নিতে পারবে তো? বিরক্ত হয় রিমা।
কী যা তা বলছ? এই বয়সে মানুষ অনেক ম্যাচিওর হয়। স্থান-কাল-পাত্র বুঝতে পারে। তাছাড়া মিহিরের অনেক পরিবর্তন হয়েছে শুনেছি— রিমাকে বোঝানোর চেষ্টা করে দীনবন্ধু।
হাজারবার সাবান মাখালেও কয়লা কখনও ফর্সা হয় না, দৃঢ় স্বরে জানিয়ে দেয় রিমা— তাছাড়া ওই মানুষটা কী করে যে তোমার বন্ধু হল বুঝতে পারি না বাপু।
আমিও বুঝতে পারি না মিহিরকে চিরকাল তুমি কেন অপছন্দ করো? বিরক্ত দীনবন্ধুর মনে ক্ষোভের উত্তরে হাওয়া বইতে থাকে।
তার যথেষ্ট কারণ আছে।
কী কারণ? কাপে শেষ চুমুকটা সেরে নিয়ে উঠে দাঁড়ায় দীনবন্ধু।
বিয়ের আগে থেকেই বিরক্ত করত। ছুঁক ছুঁক করত। এমনকী বাবার কাছেও—
বিয়ের আগেই মিহিরকে যে চিনত সে কথা তো বলনি কোনও দিন— রিমাকে থামিয়ে অবাক হয় দীনবন্ধু। বসে পড়ে চেয়ারে, ওকে নিয়ে তোমাকে যেদিন দেখতে গেছিলাম সেদিনও তো মিহির কিছু বলেনি।
তারপর থেকেই শুরু করেছিল আসা-যাওয়া। তোমার পাঠানো নববর্ষের কার্ড পৌঁছে দিতে দাঁড়িয়েছিল ইউনিভার্সিটির গেটে। রাগ হয়েছিল তোমার উপর— রান্নাঘরের দিকে পিছন ফেরে রিমা।
নববর্ষের কার্ড? আমি পাঠিয়েছিলাম? অবাক হওয়ার সীমা ছাড়ায় দীনবন্ধু।
শুধু কী নববর্ষের কার্ড? রবীন্দ্রনাথের কবিতা লেখা চিঠি? ঘুরে দাঁড়ায় রিমা— তোমার ওই বন্ধু বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছিল বাবার কাছে। বিয়ের পরেও নানান অছিলায় বিরক্ত করার চেষ্টা করেছে। সে সব খবর কি তুমি জানো? আমিও জানতে দিইনি। প্রাণের বন্ধুর স্বভাব জানতে পারলে দুঃখ পাবে তাই।
মজা করেছিল হয়তো। তবে ওর মনে কোনও পাপ...।
চুপ করো। ছেলেদের কোনটা মজা, কোনটা পাপ, কোনটা পুণ্য মেয়েরা বেশ বুঝতে পারে। শান্তির প্রয়োজনে শাক দিয়ে আমরা মাছ ঢেকে রাখি তাই কিছু টের পাও না— ঋজু রিমার গলার স্বরের এমন দৃঢ়তা আগে দেখেনি দীনবন্ধু।
মোবাইল হাতে তুলে রিং ব্যাক করে শান্ত দীনবন্ধু— শোন মিহির, আমাকে অফিস যেতেই হবে। বড়সাহেব ফোন করেছিলেন। রিমাও বাড়ি থাকবে না। তুই তো এখন কয়েকদিন কলকাতায় আছিস। পরে যোগাযোগ করে নেব, কেমন!
ফোন ছেড়ে রিমার চোখে চোখ রাখে দীনবন্ধু। বন্ধু আর বন্ধুত্বের সব অহঙ্কার যে অন্ধকারে মিশিয়ে দিয়েছে রিমা।
অলংকরণ : সোমনাথ পাল
03rd  February, 2019
বন্ধুত্ব 
তপনকুমার দাস

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।  বিশদ

10th  February, 2019
বীরবল 
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

দাসোয়ান খুদকুশি করেছেন শুনে ‌কেল্লার বাইরে বিশাল জমায়েত। মাসুদ খাঁ বলল, হুজুর, দাওনা হয়ে গিয়েছিল তসবিরওয়ালা।
দাওনা, মানে পাগল! দাসোয়ানের কথা কিছু কানে এসেছিল বীরবরের।  বিশদ

10th  February, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাদশাহের মর্জিতেই তাকে নামানো হয়েছে লড়াইতে, কিন্তু তাকে কিছুতেই বাগ মানাতে পারছে না তার পিলবান। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে প্রতিদ্বন্দ্বী হাতিকে ছেড়ে তাড়া করল এক জওয়ান লেড়কা দর্শককে, সেই লেড়কা দ্রুত পালিয়ে ঢুকে গেল আম-আদমির ভিড়ের মধ্যে। হাতিটা তখন দূর থেকে দেখছে বীরবরের লাল বেনিয়ান পরা চেহারাটা।
বিশদ

03rd  February, 2019
মাঠরাখা
হামিরউদ্দিন মিদ্যা 

আলোটা ভাসতে ভাসতে আঁকড়গোড়ে, ভাড়ালগোড়ে, জিওল নালার মাঠ ঘুরে চক্কর দিয়ে মাঝের-দাঁড়ার মাঠে এসে মিলিয়ে গেল। মেঘগুলোকে নীচে ফেলে চাঁদটা অনেকটা ওপরে উঠে এসেছিল। 
বিশদ

20th  January, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫৪

সন্ধের নিরিবিলি সময়ে তসবিরখানা থেকে বেরিয়ে দাসোয়ান কোথায় চলেছেন কীরকম আলুথালু মুখে দেখে ধন্দে পড়লেন বীরবর।
বেশ কয়েকদিন ধরে খুব বেতাব দেখাচ্ছে তসবিওয়ালাকে। তসবিরখানায় বসে থাকেন চুপচাপ, তুলিতে রং মাখিয়েও তা খাগের কাগজে মাখাতে ভুলে যাচ্ছেন, কেউ গায়ে হাত দিয়ে নাড়া দিলে থতমত খেয়ে ঝুঁকে পড়ছেন কাগজের উপর। 
বিশদ

20th  January, 2019
কাকের বাসায় ভালোবাসা 
অমিত ভট্টাচার্য

যদিও গল্পটা পুষ্পদির মুখ থেকে পুরোপুরি শোনা হয়নি, তবে কিছুটা চাক্ষুষ দেখার সুযোগ হয়েছিল।
একদিন হঠাৎ সে হাজির হয়েছিল আমার বাড়ি। আমি তখন বাইরে।
স্ত্রীকে জিগ্যেস করে, ‘আচ্ছা বউদি, দাদা নাকি গপ্প নেকে?’
 
বিশদ

13th  January, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫৩

ফতেপুর সিক্রির কেল্লার উপর শামের অন্ধকার নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে গেল মগরিবের নামাজ-আস্‌সালাতো খয়রুম মিনন্‌ নওম— বীরবর যাচ্ছিলেন অনুপ তালাওয়ের দিকে, নামাজের আওয়াজ কানে আসার মুহূর্তে থেমে রইলেন যেখানে ছিলেন।  
বিশদ

13th  January, 2019
ছবি ও অস্কার গল্প
ঋষি গৌতম

ছবি ও অস্কা দুই বন্ধু। অস্কা ভাবুক। সে আকাশ-পাতাল অনেক কিছু ভেবে দেখে। ছবি অতশত ভাবে না। কী নিয়ে যে ভাববে সেটাই ভেবে পায় না। কিন্তু অস্কা ভাবে। অনেক রাতে আকাশে চাঁদ দেখলে অস্কার মনে হয় একখানা জিরো পাওয়ারের টুনিবাল্ব জ্বলছে। ভগবান সেই টুনিবাল্ব জ্বেলে ঘুমোচ্ছে।  
বিশদ

06th  January, 2019
বীরবল 
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫২

সুবাহ্‌ কাল বাদশা আকবরের পছন্দের সময়। ফজরের আলো ফোটার আগে তিনি অলিন্দে গিয়ে ইন্তেজার করেন কখন আসমানের পুব কোণে উদয় হবে সূর্যের। আজও অপেক্ষা করছিলেন, অপেক্ষার শেষে চোখ মেলে দেখলেন লাল সূর্যের লাফিয়ে দিগন্তের সীমানা পার হয়ে উঠে আসা।
বিশদ

06th  January, 2019
ছায়া
সৌরভ মিত্র 

‘বসে বসে মরবে। ছুটে ছুটে মরবে। ধুঁকতে ধুঁকতে মরবে। লাফিয়ে লাফিয়ে মরবে।...মাত্র দু’টাকা প্যাকেট! ইঁদুরের বংশ নির্বংশ করুন...’
সাইকেলে বাঁধা করুণ লাউডস্পিকার থেকে করুণতর ভাষার বিজ্ঞাপন কানে আসে মনসুরের। 
বিশদ

30th  December, 2018
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫১

কাল অনেক রাত পর্যন্ত গানের মজলিশ বসেছিল অনুপ তালাওয়ে। শেষরাতে ঘুমোতে গিয়ে সকালে উঠতে বেশ দেরি করে ফেলেছেন বাদশাহ আকবর। এমনকী তখন শেষ হয়ে গেছে জোহরের নামাজও। দু-দুটো নামাজের সময় পেরিয়ে গেছে দেখে খুব আপশোস হল, চবুতরায় বেরিয়ে দেখলেন যোধাবাঈয়ের মহল থেকে ধীরপায়ে বেরিয়ে যাচ্ছে ফৈজি। 
বিশদ

30th  December, 2018
দুর্গার দয়ামায়া

প্রদীপ আচার্য : ‘এটা তুমি কী কল্লা দুগ্গা? কোথায় ব্যাকগিয়ার মারবা, তা না, গাড়ি একেবারে টপগিয়ারে! এখন মাঝপথে বেরেক ফেল হলে তুমি পারবা সামলাতে? আমার নিজেরই পান্তায় নুন জোটে না। সেই আমার মা বলে না? আপনা নাই জাগা, কুত্তা আনে বাঘা। জাগা নেই, বাসা নাই। একটা ঘরের মধ্যে শোয়াবো কোথায় আর গেলাবোই বা কী?’
বিশদ

23rd  December, 2018
বীরবল

তপন বন্দ্যোপাধ্যায় : কেল্লার ভিতরে গড়ে ওঠা দোতলা হাভেলিটির শানশওকত নিরিখ করছিলেন বীরবর। চবুতরার অনেক কোঠি আর হাভেলির মধ্যে এই হাভেলির যেন অন্য এক জেল্লা। সম্রাট আকবর এই হাভেলিটি তৈয়ার করেছেন বীরবরের জন্য। তার বাইরের ও ভিতরের কারুকাজ চোখ জুড়িয়ে দেয়।
বিশদ

23rd  December, 2018
যতীন মাস্টারের পাঠশালা
অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী 

এই বলে দাদু উপর দিকে হাত তুলল অমনি ইস্কুলবাড়ির টালির চাল থেকে শুকনো পাতারা খড়খড় করে চাল বেয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে নীচে পড়তে থাকল। ছাঁচতলা ভরে গেল। মুখ উঁচু করে দেখি, সেই তিনটি শালিক চালের মগডালে বসে আছে। ওদের যাবতীয় ঝগড়া রান্নাঘরের চালে। এখানে ওরা বন্ধু। 
বিশদ

16th  December, 2018
একনজরে
 বেজিং, ১১ ফেব্রুয়ারি (এএফপি): চীন এবং আমেরিকার বাণিজ্য বিরোধ না মিটলে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ঝড় বয়ে যাবে বলে রবিবারই সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার (আইএমএফ)। এরপরেই চীনের সঙ্গে বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা শুরু করল আমেরিকা। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল মানিকতলায়। সোমবার সকালে বাগমারি এলাকার নিজের বাড়ি থেকে ওই যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম রাজু দুয়ারি (৩২)। তাঁর ভাই খুনের অভিযোগ আনলেও পুলিস আত্মহত্যায় প্ররোচনা ...

 লখনউ, ১১ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): জাতীয় স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তা ‘চৌকিদারে’র জন্যই উপেক্ষিত হচ্ছে। রাফাল ইস্যুতে সোমবার প্রধানমন্ত্রীকে এভাবেই নিশানা করলেন বসপা সুপ্রিমো মায়াবতী। এক সর্বভারতীয় দৈনিকের রিপোর্টে ফ্রান্সের সঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের রাফাল চুক্তিতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের হস্তক্ষেপের বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। ...

সংবাদদাতা, মালবাজার: তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে বালি পাথর তোলার ফলে বিপন্ন বন্যপ্রাণ। পরিবেশ প্রেমীদের দাবি, বন্যপ্রাণ রক্ষার স্বার্থে দ্রুত তিস্তা নদী থেকে বালি পাথর তোলা বন্ধ করতে হবে। যদিও প্রশাসন দ্রুত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছে। প্রসঙ্গত, ডুয়ার্সের তিস্তা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার জন্য স্থান পরিবর্তন হতে পারে। গবেষণামূলক কাজে সাফল্য আসবে। কর্মপ্রার্থীরা কোনও শুভ সংবাদ পেতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ডারউইন দিবস
১৮০৯: বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইনের জন্ম
১৮০৯: আব্রাহাম লিংকনের জন্ম
১৮৭১: ভারতবন্ধু দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজের জন্ম
১৯১৯: কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯২০: অভিনেতা প্রাণের জন্ম
১৯৬১ - বাঙালি সাহিত্যিক এবং বিশিষ্ট আইনজীবী অতুলচন্দ্র গুপ্তর মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৪ টাকা ৭২.১৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৫২ টাকা ৯৩.৭৮ টাকা
ইউরো ৭৯.২৫ টাকা ৮২.২৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৪৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৭৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,২৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ মাঘ ১৪২৫, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ২৪/১১, দিবা ৩/৫৫। ভরণী ৩৯/৫০ রাত্রি ১০/১১। সূ উ ৬/১৪/৩৬, অ ৫/২৭/১৮, অমৃতযোগ দিবা, ৮/২৯ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৭ মধ্যে পুনঃ ৩/১২ গতে ৪/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৬/১৮ মধ্যে পুনঃ ৮/৫১ গতে ১১/২৫  মধ্যে পুনঃ ১/৫৮ গতে ৩/৪২  মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৮ গতে ৯/২  মধ্যে পুনঃ ১/১৫ গতে ২/৩৯, মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩ গতে ৮/৩৯ মধ্যে।
২৮ মাঘ ১৪২৫, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ১১/১৩/৪৭। ভরণীনক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/৫৫/২৩, সূ উ ৬/১৬/১, অ ৫/২৫/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ৮/২৯/৫৬ থেকে ১০/৪৩/৫০ মধ্যে ও ১২/৫৭/৪৫ থেকে ২/২৭/১ মধ্যে ও ৩/১১/৩৯ থেকে ৪/৪০/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৬/৫৬ মধ্যে ও ৮/৫১/১ থেকে ১১/২৫/৭ মধ্যে ও ১/৫৯/১২ থেকে ৩/৪১/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ৭/৩৯/৪৩ থেকে ৯/৩/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১৪/২৯ থেকে ২/৩৮/১১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১/৫২ থেকে ৮/৩৮/১১ মধ্যে।
৬ জমাদিয়স সানি
এই মুহূর্তে
চ্যানেল বাছাই: সময় বাড়ল ৩১ মার্চ পর্যন্ত
নতুন নিয়মে চ্যানেল বাছাইয়ের প্রক্রিয়া যাঁদের সম্পূর্ণ হয়নি, সেই দর্শকদের ...বিশদ

10:15:02 PM

পোখরানের কাছে ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার প্রশিক্ষণ প্রদানকারী মিগ-২৭ বিমান, অক্ষত পাইলট 

07:30:55 PM

নিউ টাউনে নাবালকের বিরুদ্ধে মাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ
নাবালক ছেলের বিরুদ্ধে মাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠল। গতকাল ...বিশদ

04:49:00 PM

বিজেপি অগণতান্ত্রিক দল: মমতা 
এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির ...বিশদ

04:34:14 PM

২৪১ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:53:39 PM

প্রয়াত ইংল্যান্ডের কিংবদন্তী গোলকিপার গর্ডন ব্যাঙ্কস 

03:51:00 PM