Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মুছে যাচ্ছে বাঙালির ব্যাঙ্ক-ব্যবসার উজ্জ্বল স্মৃতি
হারাধন চৌধুরী

গত অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকে (জানুয়ারি-মার্চ, ২০১৯) আয়কর জমার নিরিখে সেরাদের একটি তালিকা তৈরি করেছে আয়কর দপ্তর। তাতে বাংলার মাত্র চারজনের নাম রয়েছে। বলা বাহুল্য যে, তাঁদের কেউই বাঙালি নন। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের আয়কর (কর্পোরেট এবং ব্যক্তিগত) চিত্রেও বাংলার রং ভীষণ অনুজ্জ্বল। কর্পোরেট আয়কর জমার ক্ষেত্রে আইটিসি এবং আরও দু-চারটির নাম ছাড়া উল্লেখ করার মতো কিছু নেই। তাদের কোনোটিই বাঙালি প্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাত নয়। আর, পশ্চিমবঙ্গের ভিতরে ব্যক্তিগত আয়কর প্রদানকারী সেরা ১০০ জনের মধ্যেও বাঙালি মাত্র ২০ জন। এবং, তাঁদের কেউই এই তালিকায় শীর্ষস্থানাধিকারী নন, এমনকী তাঁরা গোড়ার দিকেও জায়গা পাননি।
এই আক্ষেপ অবশ্য আমাদের নতুন নয়। প্রতি বছর এই ধরনের একাধিক সরকারি বেসরকারি সমীক্ষা চিত্র প্রকাশ পায়। সেখানেই প্রকট হয় আর্থিক ক্ষেত্রে বাংলার ও বাঙালির ক্রমান্বয় পিছু হঠার করুণ বাস্তব। তার মধ্যেও আমরা সান্ত্বনা খুঁজতাম বাংলার বা কলকাতার কিছু ঐতিহ্যকে আঁকড়ে। কিন্তু দ্রুত বদলে যেতে থাকা বিশ্ব অর্থনীতির ঝাপটায় বেসামাল আমরা সান্ত্বনার সম্বলটুকুকেও প্রোটেক্ট করতে ব্যর্থ হচ্ছি। আমাদের এই ব্যর্থতা যেন অপ্রতিরোধ্য! তার একটি ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের সর্বশেষ সংস্কার পদক্ষেপ।
ব্যাঙ্কিং সেক্টরের হাল দিন দিন খারাপ হচ্ছে। তার মধ্যে সবচেয়ে করুণ দশা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কিং সেক্টরের। সঙ্কটে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও। ক্রমশ যে-অতলে যাচ্ছে তা থেকে পরিত্রাণের গ্রাহ্য নীতি কী এই সরকারের অন্তত জানা নেই। তবে, সরকার অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গত বছর ছয় যাবৎ কিছু পদক্ষেপ করেছে, তার ফল যা-ই হোক না কেন। তার মধ্যে একটি হল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সংখ্যা কমিয়ে আনা। কিছু আয়তনে ছোট এবং অলাভজনক ব্যাঙ্ককে অপেক্ষাকৃত একটি বড় ব্যাঙ্কের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। তার ফলে, ছোট ব্যাঙ্কগুলির নাম ও অস্তিত্ব লোপ পাচ্ছে। যাবতীয় শাখাসহ সেই ব্যাঙ্কগুলি সংযুক্ত বড় ব্যাঙ্কের পরিচয়ে পরিচিত হচ্ছে। এই সংস্কারকে বলা হচ্ছে সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়া। যেমন ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (ইউবিআই) এবং ওরিয়েন্টাল ব্যাঙ্ক অফ কমার্স (ওবিসি) মিশে যাচ্ছে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের (পিএনবি) সঙ্গে। এর ফলে প্রথম দুটি ব্যাঙ্কের নাম অস্তিত্ব কিছুই থাকবে না। পুরোটারই নতুন পরিচয় হবে পিএনবি। একইভাবে এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক মিশে যাচ্ছে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের সঙ্গে। এই পঙ্‌঩ক্তিতে আরও কয়েকটি ব্যাঙ্ক আছে। এই দফায় দশটি ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণের মাধ্যমে চারটি ব্যাঙ্কে পরিণত হচ্ছে। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (এসবিআই) সহযোগী ব্যাঙ্কগুলি এবং আরও একাধিক ছোট ব্যাঙ্কের সংযুক্তির পর ২০১৭ সালে সারা দেশে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৭। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের আমলে সেই সংখ্যাটি আরও ছোট হয়ে যাচ্ছে—১২। এর ফলে, ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্র কতটা প্রাণবায়ু পাবে কিংবা দেশের অর্থনীতির চেহারায় কী ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটতে পারে তা বলবেন অর্থনীতির পণ্ডিতরা। এই নিবন্ধে তা নিয়ে আলোচনার অবকাশ নেই।
আমাদের আক্ষেপ হল, সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে বাংলার গুরুত্ব আরও কমে গেল। একসময় রিজার্ভ ব্যাঙ্কেরও (আরবিআই) হেড কোয়ার্টার্স কলকাতায় ছিল। ১৯৩৭ সালে সেটা মুম্বইতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। উপ মহাদেশের একটি অত্যন্ত প্রাচীন ব্যাঙ্ক হল ব্যাঙ্ক অফ ক্যালকাটা (১৮০৬)। সে আর নেই। ১৮০৯ সালে নাম পাল্টে এটাই হয়ে যায় ব্যাঙ্ক অফ বেঙ্গল। ১৯২১ সালে ব্যাঙ্ক অফ বোম্বাই এবং ব্যাঙ্ক অফ মাদ্রাজ নামে দুটি প্রেসিডেন্সি ব্যাঙ্কের সংযুক্তিকরণ ঘটে যায় ব্যাঙ্ক অফ বেঙ্গলের সঙ্গে। আর এইভাবেই গড়ে ওঠে ইম্পিরিয়াল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। স্বাধীন ভারতে ইম্পিরিয়াল ব্যাঙ্ক অধিগ্রহণের মাধ্যমে গড়ে ওঠে আজকের স্টেট ব্যাঙ্ক (এসবিআই)। দেশের প্রধান এই বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের সদর দপ্তর এখন মুম্বই। হারিয়ে গিয়েছে ইউনাইটেড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যাঙ্ক, প্রবর্তক ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক অফ বাঁকুড়া, মেট্রোপলিটন ব্যাঙ্ক, সাদার্ন ব্যাঙ্কসহ অনেক ব্যাঙ্ক, যেগুলি ছিল বাংলার একেবারে নিজস্ব।
অতএব আমরা দেখতে পাচ্ছি, জাতীয় ক্ষেত্রে বাংলা তথা কলকাতার গুরুত্ব ক্রমান্বয়ে কমছে। রাজধানী, সুপ্রিম কোর্ট আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কলকাতা থেকে। একে একে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অনেক বৃহৎ শিল্প বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর। কোনোক্রমে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীয় কার্যালয় কলকাতায় আছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল—ইউবিআই, এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক ও ইউকো ব্যাঙ্ক। কলকাতার এই গৌরবটুকুও ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিতে চলেছে। প্রথমোক্ত দুটি ব্যাঙ্কের মধ্যে ইউবিআই বাংলার একেবারে নিজস্ব ব্যাঙ্ক। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির মধ্যে এটাই বাঙালির শিল্প এবং বাণিজ্যবুদ্ধির সাক্ষ্য বহন করে চলেছে।
এই প্রসঙ্গে ইউবিআই বৃত্তান্তে একবার চোখ রাখাটা অপ্রাসঙ্গিক হবে না।
সফল আইনজীবী ছিলেন পূর্ববঙ্গের কুমিল্লার নরেন দত্ত। সত্যনিষ্ঠ পথে উপার্জনের ভাবনায় তিনি আইন পেশা ছেড়ে দেন। ১৯১৪ সালে প্রতিষ্ঠা করলেন কুমিল্লা ব্যাঙ্কিং কর্পোরেশন। যাত্রা শুরু হল ৪০০০ টাকার মূলধন (পেড-আপ ক্যাপিটাল) নিয়ে। আমানত বা ডিপোজিট পাওয়া গেল ২৫০০ টাকা। এই পুরো টাকার মধ্যে দত্ত মশায়ের ব্যক্তিগত শেয়ার ছিল ১৫০০ টাকার। স্বাধীনতা সংগ্রামের উল্লেখযোগ্য কেন্দ্র কুমিল্লার খ্যাতি ছিল ‘এ টাউন অফ ব্যাঙ্কস অ্যান্ড ট্যাঙ্কস’ হিসেবে। কারণ, বাংলার আরও দুটি প্রথম সারির ব্যাঙ্কের সদর দপ্তর ছিল এই শহর। ব্যাঙ্ক দুটি হল ইন্দুভূষণ দত্তের কুমিল্লা ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক এবং অখিলচন্দ্র দত্তের পাইওনিয়ার ব্যাঙ্ক। কুমিল্লা ব্যাঙ্কিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করে নরেন দত্ত প্রতিজ্ঞা করলেন, নিজে বঞ্চিত হলেও পুঁজি অক্ষুণ্ণ রেখে উচ্চমানের পরিচালনার জন্য মরিয়া থাকবেন। নিজেকে দেওয়া কথা নরেনবাবু তাঁর দীর্ঘ জীবনে কীভাবে রেখেছিলেন সে এক বিরলপ্রায় ইতিহাস। নরেনবাবুর মৃত্যু হয় ১৯৬২-তে। তার আগে তিনি তৈরি করে নিয়েছিলেন তাঁর সুযোগ্য পুত্র বটকৃষ্ণ দত্তকে, যিনি বি কে দত্ত নামে বিখ্যাত হয়েছিলেন।
কলকাতা থেকে কমার্স গ্রাজুয়েট হয়ে কুমিল্লা ফিরে গিয়ে বটকৃষ্ণবাবু বাবার ব্যাঙ্কে শিক্ষানবিশি শুরু করেন। শিক্ষানবিশি সাফল্যের সঙ্গে শেষ করার পর ২১ বর্ষীয় বটকৃষ্ণবাবু স্বাধীনভাবে ব্যবসা শুরু করলেন। এবং, সেটাও ব্যাঙ্ক ব্যবসা। নাম দিলেন দ্য নিউ স্ট্যান্ডার্ড ব্যাঙ্ক। হেড অফিস খোলা হল একটি ছোট গাড়ির গ্যারাজ ভাড়ায় নিয়ে। ব্যবসার দ্রুত প্রসারের কৌশল হিসেবে বটুবাবু মোবাইল ব্যাঙ্কিং চালু করলেন—ব্যাঙ্কই চলে যাবে সোজা কাস্টমারের কাছে! এই অভিনব উদ্যোগটি কেমন? সকাল ৮-১০টা পর্যন্ত ব্যাঙ্ক। তারপর ব্যাঙ্কের ঝাঁপ বন্ধ। ব্যাঙ্কের এমডি স্বয়ং দুজন কর্মচারীকে নিয়ে এরপর সাইকেলে চেপে হাজির হতেন জেলা কোর্ট চত্বরে। হিসেবের খাতা, চেকবই, নগদ টাকা সমেত। কাস্টমার তালিকায় থাকতেন চাষি থেকে জোতদার, কোর্টের উকিল, মোক্তার, কর্মচারী থেকে মামলার বাদি বিবাদি, এমনকী ধনী মুসলিম পরিবারের মহিলারাও। অতি দ্রুত জনপ্রিয় হল সেই উদ্যোগ। কোর্ট চত্বরে সাড়ে তিন টাকায় একটি পান গুমটি ভাড়ায় নিয়ে খোলা হল ব্যাঙ্কের প্রথম শাখা। কিন্তু সম্ভ্রান্ত নাগরিকরা ব্যাপারটিকে ভালোভাবে নিলেন না। শেষমেশ মান রাখতে নরেনবাবু কোর্ট চত্বরে একটি টিনের চালার ঘর খাড়া করে দিলেন। সেখানেই উঠে এল দ্য নিউ স্ট্যান্ডার্ড ব্যাঙ্কের হেড অফিসসহ নতুন ব্রাঞ্চ।
বিশ্বযুদ্ধোত্তর পর্বে বিশ্বজুড়ে আর্থিক মন্দা। ভারতেও তা আছড়ে পড়ল। নবগঠিত রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর চিন্তামন দেশমুখ গ্রাহকস্বার্থরক্ষার যুক্তিতে ছোট ছোট ব্যাঙ্কগুলিকে কোনও একটি বড় ছাতার তলায় সংযুক্ত হতে পরামর্শ দিলেন। বটুবাবুর তা মনে ধরল। ১৯৪৬ সালে কুমিল্লা ব্যাঙ্কিং কর্পোরেশন এবং দ্য নিউ স্ট্যান্ডার্ড ব্যাঙ্ক একসঙ্গে মিশে গেল। সংযুক্ত কুমিল্লা ব্যাঙ্কিং কর্পোরেশনের ডেপুটি এমডি নির্বাচিত হলেন বি কে দত্ত। দাঙ্গা, দেশভাগের ঘটনা বাঙালির ব্যাঙ্কগুলিকে পঙ্গু করে দিচ্ছিল। তবু যেসব ছোট ব্যাঙ্ক রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পরামর্শ গ্রাহ্য করেনি তাদের অনেকে বেশ ভুগেছিল। যেমন ১৯৫০-এ ধসে গিয়েছিল নাথ ব্যাঙ্ক একটি উল্লেখযোগ্য ব্যাঙ্ক। একরাশ উদ্বেগ নিয়ে দ্রুত কলকাতায় ছুটে এসেছিলেন আরবিআই ডেপুটি গভর্নর মিস্টার মেখরি। বাঙালি ব্যাঙ্কগুলির চারজন নামী কর্তাকে একটি বৈঠকে ডেকে পাঠালেন। বললেন, বঙ্গদেশের ব্যাঙ্কগুলিকে বাঁচাবার পথ কী বলুন। উপস্থিত বাঙালি ব্যাঙ্কারদের মধ্যে বয়োকনিষ্ঠ ছিলেন বি কে দত্ত। তবু তাঁর প্রস্তাব মেনে সবাই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করলেন যে কুমিল্লা ব্যাঙ্কিং কর্পোরেশন, কুমিল্লা ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক, বেঙ্গল সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক এবং হুগলি ব্যাঙ্ক সংযুক্ত হয়ে যাবে।
বাঙালির চারটি নামী ব্যাঙ্কের অ্যামালগামেশনের মাধ্যমেই জন্ম নিয়েছিল ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। মাত্র ১২ কোটি টাকার পুঁজি আর ২৭ কোটি টাকার আমানত নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল ইউবিআই। পরে একাধিক দফায় এই ব্যাঙ্কের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছিল কটক ব্যাঙ্ক, তেজপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যাঙ্ক, হিন্দুস্থান মার্কেনটাইল ব্যাঙ্ক এবং নারাং ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। ১৯৬৯ সালে দেশের প্রধান আরও ১৩টি ব্যাঙ্কের সঙ্গে ‘রাষ্ট্রায়ত্ত’ হিসেবে ঘোষিত হয় ইউবিআই। দেশের অগ্রণী ব্যাঙ্কেরই তকমা পেয়েছিল ব্যাঙ্কটি। যদিও সেই কৌলীন্য দীর্ঘ দিন ধরে রাখতে পারেনি। রুগ্ন হয়ে পড়ছিল। অনেক ঝড় ঝাপটা পেরিয়ে বাঙালির এই ব্যাঙ্ক সম্প্রতি লাভের মুখও দেখতে শুরু করেছিল। তার মধ্যে ফের রূপান্তরের পরীক্ষায় বসছে বাঙালির বাণিজ্য-ভাগ্য। জানি না, এর ফল বাংলার বা দেশের পক্ষে কতটা ভালো হবে।
বাঙালির ব্যবসা বুদ্ধি নেই। এই অপবাদ বার বার দেওয়া হলেও ইতিহাস কিন্তু অন্য সাক্ষ্য দেয়। উনবিংশ শতকের গোড়ার দিকে এই কলকাতায় সাহেবদের বাণিজ্যেরও শরিক ছিলেন বাঙালিরা। ইংরেজরা নিজেদের ভুলে সেইসব ব্যবসায় একে একে লালবাতি জ্বালিয়েছিল। ১৮২০-২৩ সালের ভিতর জলে গিয়েছিল প্রায় ২ কোটি পাউন্ড! দেউলিয়া ইংরেজ ব্যবসায়ীরা চুপিসারে ভারত থেকে ভেগে যায়। আর সাহেবদের দেনার দায়ে জেল খেটে মরেন কিছু বাঙালি ব্যবসায়ী। তখন ব্যবসার ঝুঁকি ছেড়ে ধনী বাঙালিদের একাংশ জমিদারি কিনে সুখী হওয়ার সহজ পথ নিয়েছিলেন। কিন্তু আজ বাঙালি কোন পথে যাবে? আজকের পরস্থিতির পুরো দায় কি বাঙালির? এর উত্তর বাঙালির জানা নেই। মোদি সরকারের অর্থনীতির পণ্ডিতরা বাতলে দেবেন দয়া করে? 
03rd  September, 2019
রাষ্ট্রহীনতার যন্ত্রণা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভিক্টর নাভরস্কি নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের লাইনে দাঁড়িয়ে আবিষ্কার করলেন, তিনি আচমকাই ‘রাষ্ট্রহীন’ হয়ে পড়েছেন। কারণ, তাঁর দেশ ক্রাকোজিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলির কাছে মানবিকতার নিরিখে ক্রাকোজিয়ার আর কোনও ‘অস্তিত্ব’ নেই।
বিশদ

10th  September, 2019
জাতির গঠনে জাতীয় শিক্ষানীতি
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

 অভিধান অনুসরণ করে বলা যায়, পঠন-পাঠন ক্রিয়াসহ বিভিন্ন অভিজ্ঞতালব্ধ মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানোর প্রক্রিয়াই শিক্ষা। জ্ঞানকে বলা হচ্ছে অভিজ্ঞতালব্ধ প্রতীতি। শিক্ষা দ্বারা অর্জিত বিশেষ জ্ঞানকে আমরা বিদ্যা বলি। কালের কষ্টিপাথরে যাচাই করে মানুষ আবহমান কাল ধরে নিজ অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানরাশিকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পুস্তকের মধ্যে লিখে সঞ্চিত করে গেছে।
বিশদ

09th  September, 2019
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শতবর্ষে ভারত প্রান্তিক রাষ্ট্র থেকে প্রথম দশে, লক্ষ্য শীর্ষস্থান
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির মুখে উড্রো উইলসন সমেত বিশ্বের তাবড় নেতারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে শঙ্কিত হয়ে পড়েন। যুদ্ধের রাহুর গ্রাস থেকে এই সুন্দর পৃথিবীকে কীভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে তাঁরা চিন্তিত ছিলেন। উইলসন বুঝতে পেরেছিলেন মানুষের মগজে রয়েছে যুদ্ধের অভিলাষ। যুদ্ধভাবনা মুছে ফেলে শান্তিভাবনা প্রতিষ্ঠা করা দরকার।
বিশদ

09th  September, 2019
পুজোর মুখে বিপর্যয়: ঘরে বাইরে

 দুর্ঘটনা বিপর্যয় তো আর জানান দিয়ে আসে না! নেপালের ভূমিকম্প কি আমাদের আয়েলার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে কত মানুষ ঘর-সংসার সব হারিয়ে রাতারাতি সর্বস্বান্ত হয়েছেন, কত সংসার উজাড় হয়ে গেছে—শত চেষ্টাতেও সেই ক্ষত পুরোটা পূরণ করা গিয়েছে কি? যায়নি। এই বউবাজারে রশিদ জমানার সেই ভয়ানক বিস্ফোরণের পর কত লোকের কত সর্বনাশ হয়েছিল—কজন তার বিহিত পেয়েছিলেন? মেট্রো রেলের সুড়ঙ্গ কাটতে গিয়ে সেপ্টেম্বরের শুরুতে বউবাজারে বাড়ি ধসে যে ক্ষতি বাসিন্দাদের হল তাতে তাই ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ বললে কিছুমাত্র ভুল হয় না। বিশদ

08th  September, 2019
বন্ধ হোক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পঞ্চায়েত দখল
তন্ময় মল্লিক

পঞ্চায়েত কারও চোখে স্থানীয় সরকার, কারও চোখে উন্নয়নের হাতিয়ার, কারও চোখে চোর তৈরির কারখানা। পঞ্চায়েত সম্পর্কে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হলেও একটা ব্যাপারে প্রায় সকলেই এক মত, পঞ্চায়েত আসলে মধুভাণ্ড। এই মধুভাণ্ডের নাগাল পাওয়া নিয়েই যত মারামারি, বোমাবাজি, খুনোখুনি। এই পঞ্চায়েতই নাকি এবার পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা ভোটে ওলট-পালটের নাটের গুরু।
বিশদ

07th  September, 2019
অজানা ভবিষ্যৎ
সমৃদ্ধ দত্ত

টাকা কোথায় গেল? একের পর এক গ্রামবাসীর টাকা উধাও। সকলে সেই অফিসে আবার গেলেন। তারা এবার ভালো করে কম্পিউটার চেক করে বললেন, তোমাদের আগে যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছিল সেটা তো চেঞ্জ হয়েছে। এখানে নতুন এক অ্যাকাউন্ট দেখাচ্ছে। ওখানেই গেছে টাকা। প্রমোদকুমাররা জানেই না কোথায় নতুন অ্যাকাউন্ট! এক সহৃদয় ব্যাঙ্ককর্মী আবিষ্কার করলেন মোবাইল সার্ভিস প্রভাইডার কোম্পানি পেমেন্ট ব্যাঙ্ক চালু করেছে। ওই যে ফোনে আধার নম্বর চাওয়া হল এবং প্রমোদকুমাররা গিয়ে লিংক করিয়ে এলেন, আসলে ওই আধার নম্বরের মাধ্যমে তাঁদের অজ্ঞাতেই তাঁদের নামে পেমেন্ট ব্যাঙ্ক ‌অ্যাকাউন্ট চালু হয়ে গিয়ে সেই অ্যাকাউন্টই শো করতে শুরু করেছে সরকারি দপ্তরে। আর সব টাকা সেখানে যাচ্ছে।
বিশদ

06th  September, 2019
নিজেকে জিজ্ঞেস করো, দেশের জন্য কী করতে পার
মৃণালকান্তি দাস

হোয়াইট হাউস-এর  পবিত্রতা নষ্ট করার দুর্নাম জুটেছিল কি না বেচারি বিল ক্লিন্টনের!‌ তখনও নাকি মার্কিন আম জনতা মুখ বেঁকিয়ে বলেছিল,  কোথায় মেরিলিন মনরো,  আর কোথায় মনিকা লিউইনস্কি!‌ তবে, মনরো–কেনেডির এই প্রেম রীতিমত ঢাক–ঢোল পিটিয়ে উদ্‌যাপিত হয়েছে মার্কিন গণজীবনে। ১৯ মে ১৯৬২। কেনেডির আসল জন্মদিনের ১০ দিন আগেই উৎসব হয়েছিল নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়্যার গার্ডেনে। ১৫ হাজার অতিথির তালিকায় তাবড় রাজনীতিক ও হলিউড সেলেবদের ছড়াছড়ি। বিরাট কনসার্টে মারিয়া কালাস,  এলা ফিটজেরাল্ড-এর মতো ডাকসাইটে শিল্পীদের পাশাপাশি মেরিলিন মনরো!‌ ইতিহাস হয়ে গিয়েছে সেই সন্ধ্যায় মনরোর গাওয়া  ‘হ্যাপি বার্থডে টু ইউ মিস্টার প্রেসিডেন্ট’।  
বিশদ

06th  September, 2019
মানুষই কি মানুষের পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে দাঁড়াচ্ছে!
মেরুনীল দাশগুপ্ত

শেষের সেদিন কি আর খুব দূরে নয়? সাম্প্রতিককালে বিশ্বজুড়ে প্রকৃতির নজিরবিহীন খামখেয়াল, মানুষের লোভের আগুনে সবুজের নির্বিচার মৃত্যু এবং বহু বহু বছর ধরে সীমাহীন অপচয়ের ফলে ফুরিয়ে আসা পানীয় জলের ভাঁড়ার আমাদের মনে আজ এই ভয়ঙ্কর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
বিশদ

05th  September, 2019
ব্যবহার একবার, দূষণ লাগাতার 
রঞ্জন সেন

সিঙ্গল-ইউজ-প্লাস্টিক (এসইউপি) বা একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক এখন দেশের পরিবেশের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদ। খোদ প্রধানমন্ত্রীকে এর বিরুদ্ধে লালকেল্লা থেকে লড়াইয়ের ডাক দিতে হচ্ছে। নানা সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা সত্বেও এই প্লাস্টিককে কিছুতেই কব্জা করা যাচ্ছে না।  
বিশদ

03rd  September, 2019
ব্যবহার একবার, দূষণ লাগাতার 

রঞ্জন সেন: ঙ্গল-ইউজ-প্লাস্টিক (এসইউপি) বা একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক এখন দেশের পরিবেশের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদ। খোদ প্রধানমন্ত্রীকে এর বিরুদ্ধে লালকেল্লা থেকে লড়াইয়ের ডাক দিতে হচ্ছে। নানা সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা সত্বেও এই প্লাস্টিককে কিছুতেই কব্জা করা যাচ্ছে না।  বিশদ

02nd  September, 2019
নীতির অভাবে ডুবছে দেশের অর্থনীতি 

সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়: খুব কঠিন একটা পরিস্থিতির মুখে পড়েছে ভারতের অর্থনীতি। গত এক বছরের মধ্যে আর্থিক বৃদ্ধির হার কমেছে ৩ শতাংশ, যা অভূতপূর্ব ও অভাবনীয়। পরিস্থিতিটা এমনই যে গ্রামবাংলায় মানুষের বিস্কুট কেনার টাকাতেও টান পড়ছে।   বিশদ

02nd  September, 2019
পুজোর বাজারেও কি এবার মন্দার টান লাগল?
শুভা দত্ত

আর মাত্র মাসখানেকের অপেক্ষা। তারপরই সংবৎসরে মহাপার্বণ এসে পড়বে বাঙালির ঘরে ঘরে পাড়ায় মহল্লায়। মা দুর্গার আরাধনায় মেতে উঠবে আসমুদ্রহিমাচল বাংলা। সারা বছর যে চারটে মহার্ঘ দিনের জন্য চাতকের মতো অপেক্ষা করে থাকে বাঙালি, আজকের এই পয়লা সেপ্টেম্বর তিরিশে গড়ালেই কার্যত তাদের নাগালে পেয়ে যাবেন তাঁরা।  
বিশদ

01st  September, 2019
একনজরে
পাপ্পা গুহ, উলুবেড়িয়া: আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরেই বাঙালি মেতে উঠবে দুর্গোৎসবের আনন্দে। বাঙালিদের এই আনন্দ পরিপূর্ণ করতে ইতিমধ্যে সাজসাজ রব কুমোরটুলিতে। শুধু প্রতিমা তৈরি ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দুর্গাপুজো ও কালীপুজোর সময়ে যাত্রীদের বাড়তি ভিড় সামাল দিতে সাপ্তাহিক ১৩ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিল দক্ষিণ-পূর্ব রেল। তারা জানিয়েছে, সাঁতরাগাছি-চেন্নাই-সাঁতরাগাছি রুটে ট্রেনগুলি চালানো হবে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ডিসি (পোর্ট) সৈয়দ ওয়াকার রেজা। শুক্রবার থেকে স্কুল অব ট্রপিক্যাল মেডিসিন (এসটিএম)-এ টানা চিকিৎসা চলেছে তাঁর। ট্রপিক্যাল মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডাঃ বিভূতি সাহার অধীনে ভর্তি হন রেজা সাহেব। ...

সংবাদদাতা, মালবাজার: মাত্র দেড় মাসের মধ্যে একটি অপহরণের ঘটনায় বড়সড় সাফল্য পেল মাল থানার পুলিস। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ওপর ভিত্তি করে মাল পুলিসের একটি দল সুদূর পাঞ্জাব থেকে উদ্ধার করল অপহৃত নাবালিকাকে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ঝগড়া এড়িয়ে চলার প্রয়োজন। শরীর স্বাস্থ্য বিষয়ে অহেতুক চিন্তা করা নিষ্প্রয়োজন। আজ আশাহত হবেন না ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬২- মার্কিন ছোট গল্পকার ও হেনরির জন্ম
১৮৯৩- শিকাগোর ধর্ম সম্মেলনে স্বামী বিবেকানন্দ ঐতিহাসিক বক্তৃতা করেন
১৯০৮- বিপ্লবী বিনয় বসুর জন্ম
১৯১১- ক্রিকেটার লালা অমরনাথের জন্ম
২০০১- নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে এবং পেন্টাগনে বিমান হানায় অন্তত ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮৪ টাকা ৭২.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪২ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
ইউরো ৭৭.৫৭ টাকা ৮০.৫২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
10th  September, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,২৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ ভাদ্র ১৪২৬, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার, ত্রয়োদশী ৫৯/১৩ শেষ রাত্রি ৫/৭। শ্রবণা ২১/২৫ দিবা ১/৫৯। সূ উ ৫/২৫/৩১, অ ৫/৪১/৩৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ৯/৩০ গতে ১১/৮ মধ্যে পুনঃ ৩/১৩ গতে ৪/৫১ মধ্যে। রাত্রি ৬/২৮ মধ্যে পুনঃ ৮/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/১ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৩ গতে ১/৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩০ গতে ৩/৫৮ মধ্যে।
২৪ ভাদ্র ১৪২৬, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার, ত্রয়োদশী ৫৮/৩৭/১১শেষরাত্রি ৪/৫১/৫৭। শ্রবণা নক্ষত্র ২৪/৫৬/২৬ দিবা ৩/২৩/৩৯, সূ উ ৫/২৫/৫, অ ৫/৪৩/৪৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৯/৩১ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ৩/১৮ গতে ৪/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৩ গতে ৮/৫৩ মধ্যে ও ১/৩১ গতে ৫/২৫ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৪/২৫ গতে ১/৬/৪৫ মধ্যে, কালবেলা ৮/২৯/৪৫ গতে ১০/২/৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৯/৪৫ গতে ৩/৫৭/২৫ মধ্যে। 
 ১১ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের রাশিফল
মেষ: শরীর স্বাস্থ্য বিষয়ে অহেতুক চিন্তা করা নিষ্প্রয়োজন। বৃষ: পারিবারিক অশান্তির ...বিশদ

07:11:04 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৮৬২- মার্কিন ছোট গল্পকার ও হেনরির জন্ম১৮৯৩- শিকাগোর ধর্ম সম্মেলনে ...বিশদ

07:03:20 PM

রাজ্যে এখনই চালু হচ্ছে না নয়া মোটর ভেইকেলস আইন 
রাজ্যে এখনই চালু হচ্ছে না নয়া মোটর ভেইকেলস আইন। আজ ...বিশদ

06:41:55 PM

এবার রেল স্টেশনেও নিষিদ্ধ হচ্ছে প্লাস্টিক
এবার একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক নিয়ে আর প্রবেশ করা যাবে না ...বিশদ

04:56:20 PM

কৈখালিতে গাড়ির ধাক্কায় মৃত যুবক 

04:17:00 PM

কলেজে ভর্তিতে দুর্নীতি রুখতে জেলায় সাহায্য কেন্দ্র খুলবে সরকার 
ভর্তি প্রক্রিয়া বেশ কিছু বছর ধরে অনলাইনেই চলছে। তবুও দুর্নীতি ...বিশদ

03:56:24 PM