বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
গল্পের পাতা
 

সাইকেল চোর
ধ্রুব মুখোপাধ্যায়

‘থাবড়িয়ে গাল লাল করে দেব নেতাই। সত্যিটা বল।’ সদাহাস্যপুর থানার দারোগা লাঠি পাকিয়ে, চোখ রাঙিয়ে বললেও নেতাই নির্বিকার। উল্টে, সামনের দাঁতবিহীন মাড়ির ফাঁকে জিভটাকে কিছুটা বের করে ফিক করে হেসে বলল, ‘মা কালীর দিব্যি, উ সাইকেলটোকে আমি চুরি করি লাই। উটোকে ভুল করে লিয়ে এসেছি গো।’ অগত্যা দারোগাকে লাঠিটা তুলে নীচের ঠোঁটটাকে দাঁতে চেপে মুখটাকে কিছুটা মহিষাসুরের মতো করেই বলতে হল, ‘আবার মিথ্যে কথা! চড়িয়ে বৃন্দাবন দেখিয়ে দেব নেতাই। সত্যিটা বল।’ কিন্তু নেতাই নেতাই-ই। ব্যাটা আবারও মশকরা করে বলল, ‘তা দেখিন দিলে তো ভালোই হয়। গেলবারে মথুরাটো দেখে লিন্‌ছি। তবে পয়সা শেষ হুন্‌গেল বলে বৃন্দাবনটা আর দেখা হয় লাই।’ 
‘তবে রে’ বলে এবারে একটা কিল বসিয়েই দিলেন দারোগা। নেতাইও ‘উইঃ বাপরে’ বলে কিলটা হজম করে দু’হাতে হাঁটু জড়িয়ে বসে পড়ল। তারপর কিছুক্ষণ লুঙ্গির খুঁটে কী একটা খুঁজে বেশ প্রসন্ন মনেই বলল, ‘একটো বিড়ি হবে? দম ফুরিন গেল।’ দারোগার তখন নাজেহাল অবস্থা। হাসবেন, না কাঁদবেন— বুঝতেই পারছেন না। পাশ থেকে একজন বিড়ি দিতে এলে তাকেই খানিক গালমন্দ করে কিছুটা উত্তেজনা কমালেন। তারপর নেতাইয়েরই মতো করে একেবারে ওর মুখের সামনে বসে বললেন, ‘হ্যাঁ রে। দারোগাকে মিথ্যে বলছিস! এর পরিণাম বুঝিস?’
‘মিছে লয় গো। বলছি তো আমার সাইকেলটোর জায়গায় ভুল করে ব্যাঙ্কের সামনে থেকে এইটোকে লিয়ে লিয়েছি। মানুষের ভুল হয় না বল...’ নেতাইয়ের কথাটা শেষও হয়নি, দারোগা লাফিয়ে উঠলেন। একে এই কমোড, জেট-স্প্রের যুগে ওভাবে বসে পা ঝিনঝিন করছিল তার উপর আবার নেতাইয়ের মুখের বিশ্রী গন্ধ! বিরক্তিতে রাগের পারদটা চড়চড়িয়ে উঠলে ‘আবার মিথ্যে বলিস’ বলে গিবগাব আরও দু’খান কিল বসিয়েই দিলেন দারোগা। আর নেতাইও আবার ‘উইঃ বাপরে’ বলে কিল দুটোকে হজম করে চুপচাপ বিড়ি টানতে লাগল। কিল দুটোতে কিছুটা হলেও রাগটা নামল দারোগার। তাই আবার শুরু করলেন, ‘ব্যাঙ্কের সামনে কী করতে গিয়েছিলি?’
—টেস্ট ডেরাইব দিতে।
—মানে?
—মানে, ওই একটো সাইকেল সারানছিলাম। তা সাইকেলটো ঠিকঠাক সারানলাম কি না দেখতে একবার চালাইছিলাম।
—তা তোর সাইকেলটা কই?
—উটোকে সুরজ এনেছে।
—কে সুরজ?
—আমার দোকানের ছেলেটো গো। কাজ শিখছে।
—তা যে সাইকেলটা ফেলে এসেছিলি সেটার কী হল?
—বললেম তো। সুরজকে দিয়ে আনাইলাম।
‘তা ওটাকে আনালি আর এটাকে ফেরত দিলি না? চুরি করেছিস সত্যিটা বলতে কী হয়?’ বলে আবারও একটা কিল মারলেন দারোগা। তবে এবার আর আওয়াজ করল না নেতাই। উল্টে বিড়িটা টিপ করে ছুড়ে, দু’হাতে মুখটাকে রগড়ে, উঠে দাঁড়িয়ে, একেবারে বীরের মতো বলল, ‘তোমাদের প্যাটে দেখছি সত্তিটো হজম হয় না। তবে শোনো, মিছেটোই বলি, সাইকেলটোতে তালা নাই দেখে আমি আর লুভ সামলাইতে পারলাম না। দু’মিনিট সাইকেলটোর পাশে দাঁড়িনে ফচাং করে সিটে চেপে টুক করে পা চালিন দিলাম। আর চালাতেই কে যেন চেনটোকে খুলে দিলে। মাথাটোকে হ্যান্ডেলে এমন জোরে ঠুকে দিলে যে সামনের দাঁতকটা হরকে বেরিন গেল। মুখ থুবড়ে পড়লাম আর দেবু তুমাদিকে খবর দিলে। উ খবর দিলে কারণ উর সাইকেলের দোকানটোর থিকে আমারটো ভালো চলে। হিংসায় মরছে।’ 
এবারে দারোগা যেন কিছুটা শান্ত হলেন, ‘এটা আগে বললেই পারতিস। এত ঝামেলা হতো না।’        
—যাঃ বাবা। তুমিই তো তখন সত্তিটো বলতে বলছিলে। সেইলিগেই তো কথাটা পরে বললাম। এটো মিথ্যে গো।
নেতাই আবার মিথ্যা বললেও দারোগা আর কথা বাড়াতে চাইছিলেন না। ‘এই নিয়ে দুবার হল। আর রেহাই পাবি না কিন্তু। আর সাইকেলটা যার তাকে ফিরিয়ে দিস।’ বলে চলেই যাচ্ছিলেন কিন্তু নেতাই-ই আটকাল, ‘উ আমি পারব না।’
—পারবি না মানে?
—মানে কার বটে খুঁজব কোথা?
 —কেন? যেখানে উঠিয়েছিস সেখানেই খোঁজ কর।
—কী যে বল। তুমি দারোগা, সাইকেলের খবরটো তো লুকে তুমার কাছেই করবে, তখন দিন দিও! ই আপদ আমি লিতে পারব না বাপু। তাতে তোমরা আমাকে জেলেই পুরে দাও। ক’দিন মামার বাড়ির খেচুরি খেয়ে শরীরটোকে খানিক বাগাই।
নেতাইয়ের কথায় আবার মাথাটা গরম হয়ে গেল দারোগার। তবে ‘চড়িয়ে বৃন্দাবন...’-টা আর বললেন না। বললেন, ‘থাবড়িয়ে গাল লাল করে দেব। যেটা বলেছি সেটা কর। সাইকেলটা নিয়ে যা। আর যার জিনিস তাকে ফিরিয়ে দিস।’
—উ আমি পারব না।
—কেন?
—বড় অপয়া বটে ই। চাপতেই দাঁত ক’টা ছাড়িন দিলে। আবার কী না কী উড়িন দেয়। তার থেকে আপদটোকে তোমাদের কাছেই রাখ বাপু।
‘আপদ’ শব্দটা যেন বুকটাকে নাড়িয়ে দিল দারোগার। তবে মুখে কিছু বললেন না। এমনকী নেতাইকেও কিছু বলতে দিলেন না। শুধু লাঠিটা দরজার দিকে দেখিয়ে চুপচাপ ঢুকে গেলেন থানার ভিতরে। 
‘চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা যদি না পড় ধরা’ নেতাই জানে এবং মনেপ্রাণে মানেও। আর সেজন্যই সাইকেল চুরিটা নেতাই বেশ মন দিয়েই করে। নেতাইয়ের দোকানে কেউ নতুন তালা লাগালে সেই সাইকেলটি মায়ের ভোগে যাবেই যাবে। তিনটে চাবির একটাকে সরিয়ে রেখে মাস ছয়েক সাইকেলটাকে ফলো করে অষ্টমীর সন্ধিক্ষণের মতো শুভক্ষণটা বুঝলেই কেল্লাফতে। মাল আনার নামে দোকান বন্ধ রেখে সেইদিনই বাজারে, ব্যাঙ্কের সামনে কিংবা অন্য কোথাও একাকী, মনমরা সাইকেলটার চাবিটা ঘুরিয়ে একেবারে ভ্যানিস করে দেয় নেতাই। আহাঃ! সে এক অপার্থিব সুখ! কিন্তু নতুন তালা আর ক’জনই বা লাগায়! তাই একটা রড কাটার মেশিনও কিনেছে। নিরিবিলিতে, মাঠে কিংবা ভোরে সাইকেলে চড়ে দৌড়াতে যাবার লোকগুলোকেও নেতাই তাই মাঝেমধ্যেই টার্গেট করে। আর টার্গেট ফিক্সড হয়ে গেলে বাকি পদ্ধতিটা সেই একই। অষ্টমীর সন্ধিক্ষণ, দোকান বন্ধ আর সবশেষে তালাটা কেটে টুক করে হাওয়া। চুরির সাইকেলটাকে ঘরে ঢুকিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খুলে ফেলে নেতাই। স্পোক থেকে প্রত্যেকটা নাট-বল্টু গুছিয়ে, আলাদা আলাদা প্যাকেটে ভরে কাটতে শুরু করে মাঝের তিনকোনা কিংবা এককোনা রডটাকে। ওটাকে মেশিন দিয়ে টুকরো টুকরো করলেও নেতাই বড় সাবধানী। সিটের নীচে, রডটার যেখানে সাইকেলের নম্বর লেখা থাকে সেটাকে সাবধানে কেটে আলাদা রাখে। ওটাই নাকি সাইকেলের আত্মা। এমনকী, সাইকেলের পরলোক প্রাপ্তিতেও কসরতে খামতি রাখে না নেতাই। ভাসানের ঠাকুর দেখলেই প্রতিমার নীচে টুক করে রেখে দেয় সাইকেলের আত্মাটাকে। মাঝেমধ্যে আবার ভাসানের ঘটে। একবার তো চড়কের শিব ঠাকুরের হাতেও খয়েরি রং করে কলকে বলে গুঁজে দিয়েছিল। যাইহোক চুরির ব্যাপারে নেতাই সত্যিই বেশ পাকা। শুরুতে একবার ধরা পড়লেও এখন কারও বাপের সাধ্য নেই যে, তাকে ধরে। কিন্তু এই সাইকেলটা একেবারে প্রেস্টিজটা পাংচার করে দিল। তারপর আবার ফেরত দেওয়ার ঝামেলা! ব্যাঙ্কের সামনে সাইকেলটার খোঁজে কেও আসেই না। চুরিটা ঠিক জমল না। বেশ অস্বস্তি হচ্ছিল। বিশেষ করে ঘরে, সাইকেলটা দাঁড়িয়ে থাকলে হাতগুলোকে যেন আর স্থির রাখা যাচ্ছিল না। সাইকেলটার গুষ্টির ষষ্ঠীপুজো করতে ভিতরটা কেঁপেকেঁপে উঠছিল নেতাইয়ের। দিন পাঁচেকেও যখন কিচ্ছুটি হদিশ হল না, শেষমেশ তখন দারোগার কাছেই গেল নেতাই। ‘মালিককে খুঁজে পেছি না। ইকে বাপু তুমরাই রেখে দাও।’ বলে, কাকুতিমিনতি করতে সামান্য হলেও কাজ হল। ‘তা বেশ তো। তোর কাছেই রেখে দে। মাঝে মধ্যে চালাস।’ দারোগা বললেও প্রস্তাবটা ঠিক মনে ধরল না নেতাইয়ের। কিছুটা ঘ্যানঘ্যান করেই বলল, ‘কার না কার সাইকেল। ই বাপু আমি চালাইতে পারব না। চাও তো ইকেবারে দিন দাও।’
—একেবারে দিলে কী করবি?
—কী আর করব। মাল-পত্তর গুলান ছাড়িনে বেচে দেব।  
দারোগাও যেন ঠিক এইটাই চাইছিলেন। মনের ফুরফুরানিটা তখন চোখেমুখে স্পষ্ট। ‘তাই কর গিয়ে। ও সাইকেল আজ থেকে তোর’ বলে অফিসে ঢুকে গেলেন। নেতাইও চুপচাপ ঘরে এসেই খানিকটা খুলতে শুরু করল সাইকেলটাকে। সাইকেলের কয়েকটা অংশ আলাদা করল। কিন্তু মনটা যেন কিছুতেই মানছিল না। মনে হচ্ছিল, চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা, কিন্তু ধরা তো পড়েই গেলাম। চারপাশে তখন নানান রঙের প্যাকেট আর সামনেই সাইকেলের আত্মা-ওয়ালা তিনকোনা রডটা। রড কাটার মেশিনটা দিয়ে ওটাকে কাটতে গিয়েও কেমন যেন বাধল নেতাইয়ের। হাতেই কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করছিল। আর ঠিক তক্ষুনি চোখে পড়ল কাগজটা। সাইকেলের আত্মার ভিতরেই যত্ন করে পলিথিনে মোড়া একটা কাগজ। কেউ যেন বেশ যত্নে গুঁজে রেখেছে। কাগজটাকে বের করতেই নিরক্ষর নেতাইয়ের বুদ্ধিটাও কিছুটা খেলল। ধড়ফড় করে, সাইকেলটাকে ফের সাইকেল বানিয়ে সিটে চেপে প্যাডেলে পা চালিয়ে দিল নেতাই। হাঁপাতে হাঁপাতে থানা গিয়ে ‘ইকবার দেখেন তো, বিল বটে কি না? আমি তো পড়তে পারি না। মালিকের নামটো থাকলে কাজ গুটিন যাবে’ বলে দারোগাকে কাগজটা দেখালে দারোগা কিছুটা অবাকই হলেন। বিস্ময়ের সঙ্গে ‘কোথায় পেলি’ বললে নেতাই সত্যিটাও বেশ স্পষ্ট করেই বলল। কিন্তু কাগজটা পড়তেই কোত্থেকে একরাশ মেঘ এসে ভিড় করল দারোগার মুখে। ‘কী হল গো’ বলে নেতাই জানতে চাইলেও দারোগা তখন অন্যমনস্ক। তারপর কিছুটা উদাস হয়েই থানার বাইরে দু’হাতে হাঁটু জড়িয়ে বসে পড়লেন মাটিতে। বললেন, ‘একটা বিড়ি আছে? দম ফুরিয়ে গেল।’ কথাটা শুনেই চিৎকার করে উঠল নেতাই, ‘খেপে গেলে নাকি গো!’ 
—না রে, খেপি নাই। কী জানিস, জীবনে অনেক আক্ষেপ আছে কিন্তু এত বড় আক্ষেপ থাকবে আমি স্বপ্নেও ভাবিনি।
—যাঃ বাবা! ইতে আবার আক্ষেপের কী হল? কী আছে গো কাগজটোতে? কীরকম খেপিন দিলে তুমাকে?
—লেখা আছে, ‘সাইকেলটিকে আমি আমার নাতি শ্রীনিখিল মুখোপাধ্যায়কে উপহার দিলাম। সাইকেল একটি স্বাধীনতা, নির্ভয়ে উদ্দাম গতিতে এগিয়ে যাওয়ার বাহক। একে তুমি কোনওদিনও হাতছাড়া কোরো না। ইতি— তোমার দাদু, শ্রীসত্যপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়।’
‘বাঁচাইলে দাদু। দাদু তুমার জয় হউক। নিখিল বা সত্তপসন্নকে পেলেই কেল্লাফতে। বাবা আপদটোকে ঘাড় থেকে নামিনে খানিক জিরোবো আমি,’ বলে নেতাই খুশিতে আরও বলল, ‘হ্যাঁ গো। তা ইতে তো খেপিন দিবার মতো কিছু লাই!’ কিন্তু দারোগা তখনও অন্যমনস্ক। আপন মনেই বলতে থাকলেন, ‘বাবা মারা গেলে পৈতৃক সম্পত্তিটাকে একেবারে চুলচেরা ভাগাভাগি করিয়েছিলাম আমি। দাদা সেসময় টুঁ শব্দটিও করেনি। তবে আমি সাইকেলটা ওকে না জানিয়েই নিয়ে নিয়েছিলাম। তাই দেখে শুধু বলেছিল, ওটা নাকি দাদু ওঁকে দিয়ে গিয়েছিল। তবে আমি মানিনি। মেজাজ দেখিয়ে রেখে দিয়েছিলাম সাইকেলটাকে। দাদা পরেও অনেকবার বলেছিল, একবার অন্তত দে। একটু চালাই। আমি সত্যি বলছি, দাদু বলেছিল আমাকে, এই সাইকেলটা তোর। কিন্তু আমি দিইনি।’ এতটা বলে দারোগা একটু থামতেই নেতাই একেবারে খেঁকিয়ে উঠল, ‘ইরকম মশকরা করাটো কিন্তু ঠিক হল না। সাইকেলটো তোমার, আর তুমি আমাকে মালিক খোঁজালে। যা খুশি তাই নাকি!’               
—না রে নেতাই, না। আসলে কয়েকমাস ধরে সাইকেলটার দিকে তাকালেই ওটা যেন আমাকে চোর বলছিল। সাইকেলটার দিকে তাকাতে পারছিলাম না। ওটাকে তাই ধূলিসাৎ করতেই তালাটা ছাড়িয়ে রেখে এসেছিলাম ব্যাঙ্কের সামনে। যে পারে নিক।
—লে হালুয়া! আর পড়বি তো পড় ব্যাটা আমার ঘাড়েই পড়ল। যাকগে তা সাইকেলটো নিয়ে যখন এত চিন্তা, তা সাইকেলটোকে দাদাকে দিন দিলেই তো পার।
—দাদা তো নেই রে।
—নেই মানে? কোথাও গেইছে নাকি?
—কোথায় আর যাবে? সেখানেই গিয়েছে যেখানে আমরা সবাই-ই একদিন যাব। আর কোনওদিনও ফিরব না। শুধু তুই নয় রে, আজ থেকে আমিও সাইকেল চোর।
দারোগার শেষের কথাটাতে নেতাইয়ের মুখটা যেন শুকিয়ে গেল। ‘চুরি করলে একদিন না একদিন ধরা পড়তেই হয়, বল? নিজের কাছে তো পড়তেই হয়।’ আর তারপরে ‘ধুর’ বলে চুপচাপ সাইকেলটাকে রেখে পা বাড়াল নিজের বাড়ির দিকে। 

4th     February,   2024
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ