বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দক্ষিণবঙ্গ
 

শরীর ভালো রাখতে শশা, ডাবের জল ভরসা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের

সংবাদদাতা, বহরমপুর: কয়েক দশক আগে টেলিভিশনে একটি জনপ্রিয় হেলথ্ ড্রিঙ্কসের বিজ্ঞাপনের ক্যাচলাইন ছিল, ‘আরে মশাই শরীরটাকে তো রাখতে হবে’। এই ঠাঠাপোড়া গরমে ভোটের প্রচার করতে গিয়ে প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতাদের অবস্থা এখন ওই বিজ্ঞাপনের ক্যাচলাইনের মতো। শরীরটাকে রাখতে কেউ খাচ্ছেন শশা, তো কেউ খাচ্ছেন ডাবের জল।    
প্রচারে বেরিয়ে সুযোগ পেলেই নেতারা গাছের ছায়ায় দু’ দণ্ড বসে নুন মাখিয়ে শশা খাচ্ছেন বা ডাবের জলে চুমুক দিচ্ছেন। কর্মী সমর্থকরাও তার ভাগ পাচ্ছেন। শরীরের ক্লান্তি দূর করতে কেউ কেউ পকেটে ওআরএসের (ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন) প্যাকেটও রাখছেন। কেউ আবার বাড়িতে তৈরি ছোলার ছাতুর শরবত সঙ্গে নিয়ে ঘুরছেন। তবে এই মূহূর্তে ডাব আর শশার চাহিদা তুঙ্গে উঠেছে। দিন কয়েক আগে শশা বিক্রি না হওয়ায় চাষিদের মাথায় হাত পড়েছিল। ফের সেই শশার দাম লাফিয়ে উপরে ওঠায় চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। রবিবার পাইকারি বাজারে শশা বিক্রি হয়েছে ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে। খুচরো বাজারে ৫০-৬০ টাকায় শশা বিকিয়েছে। শশা চাষি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, লাভ ভালো হচ্ছে। কিন্তু এই গরমে শশার গাছ টিকিয়ে রাখা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। 
মুর্শিদাবাদে শনিবার তাপমাত্রার পারদ ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছিল। এদিন সকাল থেকে রবিবাসরীয় প্রচারের উত্তাপের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে তাপমাত্রার পারদ। হাঁসফাঁস গরমেও সকাল থেকে সব দল প্রচারে ঝাঁপিয়েছিল। তবে সূর্য মাথার উপরে উঠতেই প্রচারের ময়দান ছেড়ে সবাই আম বাগানের ছায়া খুঁজতে শুরু করেন। গাছের ছায়ায় বসেই পলিথিন পেতে শশার ছাল ছাড়াতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন অনেকেই। এরপর বিট নুন ছড়াতেই তার উপর কার্যত সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়েন। হাতে হাতে নিমেষে সাবাড় নুন মাখানো শশার পাহাড়। বেলডাঙার আমবাগানে বসে বিজেপি নেতা গোবিন্দ মণ্ডল বলেন, নুন মাখানো শশা ওষুধের মতো কাজ করল। নিমেষে ক্লান্তি দূর হয়ে গেল।  দ্বিতীয় দফায় প্রচারে নামার শক্তি পেলাম। 
কাজিশাহ এলাকায় ডাব নিয়ে তৃণমূলের রোড শোয়ের অপেক্ষা করছিলেন ডাব বিক্রেতা ঈদ্রিশ শেখ। ইউসুফ পাঠানের রোড শো পাশ দিয়ে যেতে যেতেই হাতে হাতে উধাও শ’খানেক ডাব। দামাদামির কোনও সুযোগ নেই। ৬০-৭০ টাকা পিস দর, তাতেও কাড়াকাড়ি পড়ে গেল। মিছিল চলে যেতেই ঈদ্রিশের চোখে মুখে আফশোষ। বললেন, ১১৮ পিস ডাব ছিল। আরও কিছু আনতে পারলে আজ মোটা টাকা আয় হতো। তারকা ত্রিকেটার প্রার্থীর প্রচারের খবর আগেই চাউর হয়ে গিয়েছিল। আর এই খবরে অনেকেই অ্যালুমিনিয়ামের পতিলায় (স্থানীয় নাম) শশা ছাড়িয়ে ডাঁই করে রেখেছিলেন। খরিদ্দার আসতেই খোসা ছাড়ানো শশা ফালি করে নুন মাখিয়ে হাতে ধরিয়ে দিচ্ছেন। সাইজ অনুপাতে ৫-১০ টাকায় দেদার বিকোচ্ছে। কুলফি আইসক্রিমেও গলা ভেজাচ্ছেন অনেকে। তৃণমূল নেতা মহজ্জেম শেখ বলেন, রাজ্য সরকারের জনমুখী প্রকল্প আমাদের উদ্বুদ্ধ করেছে। শশা, ডাব আমাদের এনার্জি জোগাচ্ছে। 

22nd     April,   2024
 
 
অক্ষয় তৃতীয়া ১৪৩১
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ