বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দেশ
 

বাংলায় সংগঠন বিস্তারে খামতি নেতৃত্বের অভাবের কথা মানছে সঙ্ঘ

সমৃদ্ধ দত্ত, নাগপুর: আপাত নিস্তরঙ্গ একটি পাড়ার কেন্দ্রস্থলে হঠাৎ এরকম মহারাষ্ট্র পুলিশের গার্ডরেল দিয়ে ঘেরা কেন এই বাড়ি? বাইরে বড় বড় স্যান্ডব্যাগ উঁচু করে রাখা। চারজন নীল সাফারির পুলিশ প্রহরায়। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং ম্যানপ্যাক্টের মাধ্যমে ভিতর থেকে অনুমোদন এলেই প্রবেশ সম্ভব। ভিতরে প্রবেশ করার পর একটি রাস্তা সোজা গিয়ে ধাক্কা মারছে যে গেটে, তার আগেই বাঁদিকে ঢুকে কয়েকটি সিঁড়ি টপকে রিসেপশন। এটাই সংঘ কার্যালয়। জংলা ছাপ ইউনিফর্ম এবং অ্যাসল্ট কালাশনিকভের আধা সামরিক বাহিনী ডিউটি বদল করে দিনে কয়েকবার। অতিথিগৃহ। মন্দির। সংগ্রহশালা। সংগ্রহশালা অর্থাৎ মিউজিয়মে প্রবেশ করা হলে সর্বাগ্রে চোখ পড়বে স্বামী বিবেকানন্দ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মুর্তি এবং তাঁদের স্মরণীয় বাণী। ‘উত্তিষ্ঠিত  জাগ্রত’ থেকে ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য’। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ‘অখন্ড ভারত’ কিংবা লোকমান্য তিলকের ‘স্বাধীনতা আমার জন্মগত অধিকার’। এবং রামকৃষ্ণদেব। সংগ্রহশালা জুড়ে স্বামীজির স্মারক, মুর্তি, ১৯৫২ সালে চন্ডীগড়ে গোহত্যা নিবারণী সমিতির সভায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবি। সবই রয়েছে।  এই হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের প্রধান কার্যালয়। নাগপুরের শিড়কে রোড এলাকার নিরীহ দর্শন পাড়ার সবথেকে হাই প্রোফাইল এবং হাই সিকিউরিটি ভবন। প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার কিংবা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সংঘ অথবা হিন্দু মহাসভা কিংবা জনসংঘ। বাংলার সঙ্গে জোরালো যোগসূত্র। অথচ স্বাধীনতার পর অন্য রাজ্যে যেভাবে সংঘের কাজ সম্প্রসারিত হয়েছে সেরকম হল না কেন? নেতৃত্বের অভাব? কার্যালয় প্রমুখ অজয় জলতাড়ে উড়িয়ে দিলেন না। বললেন, নেতৃত্বশক্তির অভাব তো ছিলই। পাশাপাশি একসঙ্গে অনেক আদর্শ বাংলা ও বাঙালির মধ্যে জারিত হয়েছে। কংগ্রেস ছিল, কমিউনিস্ট ছিল। কিন্তু দেরিতে হলেও এখন বেশ কিছু বছর ধরে যে বাংলাজুড়ে সম্প্রসারিত তথা জাগ্রত হয়েছে সংঘের আদর্শ ও লক্ষ্য, সেটাও লক্ষ্যণীয়। আর এই যে উত্থান ও অগ্রগতি শুরু হয়েছে, আর থামবে না।  এবার দ্রুত সম্প্রসারণের সময়। সংঘের লক্ষ্য বাংলাই। 
আগামী বছর রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের শতবর্ষ। এখন থেকেই প্রস্তুতি তুঙ্গে।  সবথেকে বেশি জোর দেওয়া হবে যে রাজ্যগুলিতে সংঘের আদর্শ নিয়ে উৎসাহ এবং সংগঠন বৃদ্ধির প্রবণতা এখনও আশাব্যঞ্জক নয়। সেই তালিকায় শীর্ষে কোন রাজ্য? বাংলা! বাংলার মন বদল রাতারাতি এখনই হয়ে যাবে? সেরকম মনে করছে না সংঘ। সময় লাগবে আরও। কিন্তু হবে! স্থির বিশ্বাস রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের। শাখা বাড়ছে! সংগঠন বাড়ছে! সংঘ বাড়ছে!  দাবি সেরকমই! 

17th     April,   2024
 
 
অক্ষয় তৃতীয়া ১৪৩১
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ