বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দেশ
 

নকল ঠেকাতে ওষুধের প্যাকেটে
এবার বসছে কিউআর, বারকোড

নয়াদিল্লি: বাজারে ভুয়ো ওষুধের রমরমা। দেখে বোঝার উপায় নেই, কোনটা আসল আর কোনটা নকল। বিভিন্ন রাজ্যে পুলিস-এজেন্সির অভিযানে উদ্ধার হচ্ছে বস্তা বস্তা ভুয়ো জীবনদায়ী ওষুধ। এই অবস্থায় দেশবাসী যাতে আসল ওষুধ কিনতে পারে, সেজন্য অভিনব উদ্যোগ নিচ্ছে মোদি সরকার। সেইমতো খুব শীঘ্রই ওষুধের প্যাকেটে বসতে চলেছে বারকোড, কিউআর কোড। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তা চালু হতে পারে। সূত্র মারফত এমনই জানা গিয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রাথমিকভাবে ৩০০টি ওষুধ দিয়ে শুরু হতে পারে এই পাইলট প্রকল্প।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব বাজারে বিক্রি হওয়া ভুয়ো ওষুধের ৩৫ শতাংশই আসে ভারত থেকে। এনিয়ে ২০১৯ সালেই ভারতকে সতর্ক করেছিল আমেরিকা। ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ (ইউএসটিআর) তাদের বার্ষিক ‘স্পেশ্যাল ৩০১ রিপোর্ট’-এ বলেছিল, ভারতের বাজারে বিক্রি হওয়া ওষুধ ও ওষুধ সম্পর্কিত পণ্যের প্রায় ২০ শতাংশই জাল। ভারতে ফি বছর মাশরুমের মতো জন্ম নিচ্ছে নিত্যনতুন ফার্মা সংস্থা। এদেশেইে সবথেকে বেশি জেনেরিক ওষুধ তৈরি হয়। আবার গোটা বিশ্বকে সবথেকে বেশি ওষুধ, ইঞ্জেকশন সরবরাহ করে ভারতই। সেজন্য ভারত ‘ফার্মাসি টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ নামে পরিচিত। কিন্তু, আমেরিকা এবং হু’য়ের রিপোর্টে সেই সম্মান, মর্যাদা টোল খেয়েছে।
সেইমতো নকলের বদনাম ঘুচিয়ে ওষুধ সাম্রাজ্যে একাধিপত্য ধরে রাখতে উদ্যোগ নেয় কেন্দ্র। ২০১৬ সালেই ওষুধের স্ট্রিপে বারকোড বসানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। কিন্তু নানা টালবাহানা, জটিলতায় আটকে যায় তার রূপায়ণ। চলতি বছরে মার্চ মাসে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য ওষুধ নিয়ামক সংস্থা ডিসিজিআইকে ‘নকল ও নিম্নমানের ওষুধমুক্ত ভারত’ গড়ার নির্দেশ দেন। সেই প্রেক্ষিতেই বারকোড, কিউআর কোড নিয়ে এই তৎপরতা। অন্তত তেমনটাই মনে করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রথমে নির্দিষ্ট কিছু ওষুধে কোড বসানো হবে। তারপর ফার্মা ক্ষেত্রজুড়ে তা চালু হবে। সেইমতো প্রাথমিকভাবে ৩০০টি ওষুধের তালিকা তৈরি হয়েছে। সেগুলিতেই কিউআর বা বারকোড লাগানো হবে। অ্যালেগ্রা, ডোলো, অগমেন্টিন, স্যারিডন, ক্যালপল এবং থাইরোনর্মের মতো ওষুধে বারকোড লাগতে চলেছে। বিশেষ সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। ওই আধিকারিক আরও বলেন, সফলভাবে প্রথম পর্ব উত্তীর্ণ হয়ে গেলে আরও বেশি পরিমাণ ওষুধে কোড বসবে। এই প্রকল্পের জন্য একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারও তৈরি হচ্ছে। সিঙ্গল উইন্ডোর মাধ্যমে সেখান থেকে ফার্মা সেক্টরে বারকোড সরবরাহ করা হবে।

1st     October,   2022
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ