Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন। চলছে উত্তর-পূর্বের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে একের পর এক বৈঠক। বৈঠকের উদ্দেশ্য নাগরিকত্ব বিল এনে সারা দেশে এনআরসি চালু করার পটভূমি রচনা করা।
রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব—দিলীপ ঘোষ থেকে বিজয় বর্গীয় সকলেই এই বিপর্যয়ের কারণ বুঝলেও এনআরসি নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে পারছেন না। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে বিরোধিতা করার মতন জায়গায় তাঁরা নেই। তাই দিলীপ ঘোষদের বলতে হচ্ছে, এনআরসি নিয়ে তাঁরা মানুষকে বোঝাতে পারেননি। উল্টো দিকে তাঁদের বক্তব্য, তৃণমূল এনআরসি নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি এমন পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল, যার প্রভাবে মানুষ বিজেপির থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। রাজ্যে বিজেপি নেতৃবর্গ এনআরসি ইস্যুকে এইভাবে আড়াল করলেও বাস্তবে এনআরসির প্রভাবকে ‘শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যাবে না’। কালিয়াগঞ্জে বিজেপির পরাজিত প্রার্থী কমলকুমার সরকার ভোটের ফল প্রকাশের পর প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, এনআরসির জন্যই তাঁকে পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছে।
তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের বুথভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট  ধরা পড়ে, কেন এই উপনির্বাচনে এনআরসি বিজেপির পরাজয়ের পিছনে মূল কারণ ছিল। অসমের অভিজ্ঞতা তো আছেই, বাংলার মানুষ এনআরসির হয়রানি কেবল প্রচারে শুনেছেন তা নয়, মিডিয়ার দৌলতে তা প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করতে পারছেন। এনআরসিতে নাম নথিভুক্তকরণের জন্য প্রতিনিয়ত অসমের মানুষকে একদিকে যেমন দুশ্চিন্তায় ও হয়রানিতে রেখেছে, তেমনি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর ১২  লক্ষ হিন্দুর নাম বাদ পড়ায় হিন্দু ভোটারদের মনেও আতঙ্ক গ্রাস করেছে। অসম থেকে প্রতিনিয়ত খবর সামাজিক মাধ্যমের দৌলতে প্রত্যন্ত বাংলার গ্রামের মানুষের কাছে পৌঁছচ্ছে, তাঁরাও এনআরসি সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে পারছেন।
অসমে এনআরসি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই মোদি-অমিত শাহ-রা সারা দেশে এনআরসি চালু করার কথা ঘোষণা করেন। এনআরসি নিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের ঘোষণার পর বাংলার ঘরে ঘরে নাগরিকত্ব প্রমাণের নথি খোঁজার হিড়িক পড়ে যায়। আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন ওপার বাংলা থেকে আসা হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে কোটি কোটি মানুষ। বিগত দু-তিন মাস ধরে গ্রাম-শহরের সর্বত্র মানুষ নাগরিকত্বের সপক্ষে প্রমাণ খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য মানুষের দীর্ঘ লাইন দিয়ে অপেক্ষা করার ছবি সমস্ত ধরনের সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। আতঙ্ক অনেকগুণ বেশি লক্ষ করা গেছে রাজ্যের মুসলমান বহু মানুষের মধ্যে। ওপার বাংলা থেকে আসা হিন্দুদের মধ্যেও এনআরসি নিয়ে আতঙ্ক গ্রাস করেছে। ভোটার তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়ার নতুন করে নাম তোলা, আধারের সঙ্গে ভোটার কার্ডের সংযোগ, ডিজিটাল রেশন কার্ড পাওয়ার বিষয়ে গ্রামের মানুষ মরিয়া হয়ে উঠেছেন। আট ঘণ্টা, দশ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ানোর পর ভোটার-আধার কার্ডের সংযোগ, নথি যাচাইয়ের কাজ করতে গিয়ে মানুষের যে হয়রানি হয়েছে, সেই হয়রানিকে ন্যূনতম বোঝার চেষ্টা রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব কখনওই করেননি। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস তো মানুষের এই হয়রানি নিয়ে প্রশ্ন তুলবে, এটাই স্বাভাবিক।
মানুষ যখন হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তখন রাজ্য বিজেপি নেতৃবর্গের মধ্যে দিলীপ ঘোষ হুংকার দিচ্ছেন—লাশের উপর দিয়ে আমরা এনআরসি করব। আবার রাজ্য স্তরের অনেক নেতাই বলছেন, মুসলমানদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ওপার বাংলায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে। বিজেপি নেতৃত্বের এই অমানবিক হুংকার ও উদ্ধত আচরণ মানুষ যে পছন্দ করেনি তার ভোটের বুথভিত্তিক ফলাফল থেকে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। এনআরসি নিয়ে বিজেপি নেতৃবর্গ যত হুংকার ছুড়েছেন ততই বিজেপিকে ঠেকাতে সংখ্যালঘু মুসলমান ভোটারদের অনেকে অন্য সমস্ত রাজনৈতিক দল ছেড়ে তৃণমূলকেই একমাত্র ভরসাস্থল বলে মনে করেছেন।
এই উপনির্বাচনের তিনটি কেন্দ্রেই বাম-কংগ্রেসের অবশিষ্ট সংখ্যালঘু কর্মী সমর্থকরাও পুরোপুরিভাবে তৃণমূলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। একদিকে সংখালঘু ভোটের পূর্ণ মেরুকরণ তৃণমূলের পক্ষে যেমন হয়েছে, অন্যদিকে ওপার বাংলা থেকে আসা উদ্বাস্তুরাও এবার বিজেপিকে ছেড়ে তৃণমূলকে সমর্থন জানিয়েছে। কালিয়াগঞ্জ এবং করিমপুরের ফলাফলে স্পষ্ট ধরা পড়েছে উদ্বাস্তু মানুষের রায় এবার বিজেপির পক্ষে ছিল না।
এনআরসি কিন্তু বিজেপির জন্য ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও গলার কাঁটা হয়ে রইল। এমন এক কাঁটা, যা বিজেপি না পারবে গিলতে আবার না পারবে উগরে দিতে। বিজেপি নেতৃত্ব যদি এখন গলায় গামছা দিয়ে করজোড়ে এনআরসি থেকে সরে আসার কথাও বলে, তৃণমূল কিন্তু তার পরেও বিজেপির এই ঘোষণার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকবে। আবার যতই নাগরিকত্ব বিল সামনে আনা হোক না কেন এনআরসিকে কেন্দ্র করে মুসলমান এবং উদ্বাস্তু হিন্দুদের মধ্যে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তাতে আগামীদিনে মুসলমান ভোটারদের একাংশের সমর্থন পাওয়ার যেমন  বিজেপির পক্ষে সম্ভাবনা থাকছে না, তেমনি উদ্বাস্তু হিন্দুদের মন জয় করাও বিজেপির পক্ষে কঠিন হবে বলে মনে হয়।
সংখ্যালঘু ভোটারদের কোনও একটি দলের পক্ষে মেরুকরণ সবসময়ই নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ১৩০টি বিধানসভা কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোটারদের মেরুকরণ এই তিনটি উপনির্বাচনের মতন ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও যদি তৃণমূলের পক্ষে থাকে, তবে ২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের থেকেও আরও অনেক বেশি আসন নিয়ে তৃতীয় বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারে।
রাজ্যে যত দিন এনআরসির খাঁড়া ঝুলতে থাকবে, ততদিন সংখ্যালঘু মুসলমানদের ভোট শাসক তৃণমূলের পক্ষেই থাকবে। হিন্দু ভোটারদের তরফ থেকেও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, এনআরসিতে নাম তুলতে গিয়ে একজন নাগরিককে কেন লাইনে দাঁড়াতে হবে? কেন প্রমাণপত্র নিয়ে রাষ্ট্রের দরজায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হবে নাগরিক তালিকায় নাম ওঠানোর জন্য? যাঁদের পূর্বপুরুষ হাজার বছর ধরে এই বাংলা তথা ভারতে বাস করছেন তাঁদের এনআরসির ইস্যু কিন্তু আত্মসম্মানের ইস্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত। আর যাঁরা ওপার বাংলা থেকে ভিটেমাটি ছেড়ে উদ্বাস্তু হয়ে এসেছেন, তাঁরাও পারবেন তো সঠিক সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে সরকারি আধিকারিকদের সঠিক নথি দিতে?
আপাতত পুরনো ট্রাঙ্ক থেকে বাড়ির দলিল বের করে বার বার চোখ বুলাচ্ছেন অনেকেই। কেউ আবার পঞ্চাশ,ষাট, সত্তরের দশকের ভোটার তালিকা খুঁজতে ব্যস্ত। আর রাষ্ট্র যখন নাগরিকত্ব বিল নিয়ে মুসলমান এবং অবশিষ্ট নাগরিকদের মধ্যে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন টানে, তখন মুসলমান কৌমের মানসিক অবস্থা কোন পর্যায়ে যায় তার নতুন কোনও ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের সুযোগ ছিল বর্তমান সরকারের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যর্থতার কারণগুলিকে সামনে রেখে বিকল্প সরকার দেবার। কিন্তু এনআরসি আপাতত বিজেপির অগ্রগতির পথে কাঁটা হয়ে রইল বলা যায়।
 লেখক  রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক 
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বিজেপির অহঙ্কারের পতন
হিমাংশু সিংহ

সবকিছুর একটা সীমা আছে। সেই সীমা অতিক্রম করলে অহঙ্কার আর দম্ভের পতন অনিবার্য। সভ্যতার ইতিহাস বারবার এই শিক্ষাই দিয়ে এসেছে। আজও দিচ্ছে। তবু ক্ষমতার চূড়ায় বসে অধিকাংশ শাসক ও তার সাঙ্গপাঙ্গ এই আপ্তবাক্যটা প্রায়শই ভুলে যায়।  বিশদ

01st  December, 2019
উপনির্বাচনের ফল ও বঙ্গ রাজনীতির অভিমুখ
তন্ময় মল্লিক

জনতা জনার্দন। ফের প্রমাণ হয়ে গেল। মাত্র মাস ছয়েক আগে লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন দখল করে গেরুয়া শিবির মনে করেছিল, গোটা রাজ্যটাকেই তারা দখল করে নিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায় শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেই বঙ্গেই তিন বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে একেবারে উল্টো হওয়া বইয়ে দিল মানুষ।
বিশদ

30th  November, 2019
ওভার কনফিডেন্স
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের সব থেকে প্রিয় হবি হল পরিবর্তন। তাঁরা স্থিতাবস্থায় বিশ্বাস করেন না। তাঁরা বদলের বন্দনাকারী। পরিবর্তন কি খারাপ জিনিস? মোটেই নয়। বরং পরিবর্তনই তো সভ্যতার স্থাণু হয়ে না থেকে এগিয়ে চলার প্রতীক।   বিশদ

29th  November, 2019
উপনির্বাচনী ফল: বঙ্গজুড়ে পারদ চড়ছে কৌতূহলের
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ রাজ্যের তিন বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনী ফল বেরচ্ছে। কথায় বলে, ফলেই পরিচয়। ফলেন পরিচীয়তে। আজ সেই ফলের জন্য উদ্‌গ্রীব বাংলা, বাংলার রাজনৈতিকমহল। নানান জনের নানা প্রত্যাশা চতুর্দিকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অবশ্য সেজন্য আসমুদ্রহিমাচল বাংলা টানটান উত্তেজনায় কাঁপছে বললে হয়তো অত্যুক্তি হবে। বিশদ

28th  November, 2019
পাওয়ারের শক্তিপরীক্ষা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এখন সত্যিই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, বালাসাহেব থ্যাকারে বেঁচে থাকলে কী করতেন! আগের রাতে শুনে ঘুমাতে গেলেন, শিবসেনার জোট সরকার হচ্ছে এবং ছেলে উদ্ধব সেখানে মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু পরদিন সাতসকালে ঘুম ভেঙে দেখলেন, দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ফেলেছেন।
বিশদ

26th  November, 2019
মহারাষ্ট্রে টানটান সিরিয়ালের নায়ক কে
সন্দীপন বিশ্বাস

কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের অবসান হয়েছে। যুধিষ্টিরের অভিষেক পর্বও হয়ে গিয়েছে। রাজনীতি, রাজধর্ম নিয়ে শিক্ষা নিতে তিনি গেলেন শরশয্যায় শায়িত ভীষ্মের কাছে। ভীষ্ম তাঁকে সেদিন যে উপদেশ দিয়েছিলেন তা আদর্শ রাজধর্ম এবং রাজনীতি বলেই বিবেচিত হয়। কিন্তু আজকের যুগের স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতি দেখলে মনে হয় এই রাজনীতি যেমন নীতির রাজা নয়, তেমনই রাজার নীতিও নয়। 
বিশদ

25th  November, 2019
নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে সংঘাতে জড়িয়ে পড়া কি রাজভবনের দায়বদ্ধতা?
হিমাংশু সিংহ

 ভেবেছিলাম লিখব শুধু পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচিত সরকার ও রাজভবনের বিগত দু’মাসের অবাক করা ভূমিকা নিয়ে। কিন্তু শনিবার ভোর হতে না হতেই সুদূর মহারাষ্ট্রের রাজভবনের ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ স্পষ্ট করে প্রমাণ করল, আজকের রাজ্যপালরা কেন্দ্রের শাসক দলের হাতের পুতুল ছাড়া আর কিছুই নন। বিশদ

24th  November, 2019
তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন: মিলবে লোকসভা-উত্তর রাজ্য-রাজনীতির মতিগতি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে প্রথম তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ আগামী ২৫ নভেম্বর,ফলাফল ২৮ নভেম্বর। খড়্গপুর সদর করিমপুর এবং কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফল থেকে বিবাদমান রাজ্য-রাজনীতির একাধিক প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে। 
বিশদ

23rd  November, 2019
ব্যাঙ্কের রাহুমুক্তি কবে? তাকিয়ে দেশের মানুষ
মৃণালকান্তি দাস

 সাম্প্রতিক কালে দেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্কে একের পর এক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসার পরে অস্বস্তি বেড়েছে মোদি সরকারের। সেই অস্বস্তি আরও কয়েক দফা বাড়িয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বার্ষিক রিপোর্ট জানিয়েছে, গত অর্থবর্ষে বিভিন্ন ব্যাঙ্কে প্রতারণা-জালিয়াতির ঘটনা বেড়েছে আরও অনেকখানি। প্রায় ১৫ শতাংশ। শুধু তাই নয়, প্রতারণা সবচেয়ে বেশি হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতেই। জানা গিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ছ’মাসে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে ৯৫,৭০০ কোটি টাকার বেশি প্রতারণা হয়েছে। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতারণার ঘটনা ছুঁয়েছে ৫,৭৪৩টি। সম্প্রতি এই কথা জানিয়েছেন খোদ অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। যেখানে তার আগের বছর ২,৮৮৫টি ঘটনায় নয়ছয়ের অঙ্ক ছিল ৩৮,২৬০ কোটি। প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, কেন্দ্র বার বার নজরদারিতে জোর দেওয়ার কথা বললেও, প্রতারণা এতখানি বাড়ছে কী করে? কে বা কারা করছে এই প্রতারণা?
বিশদ

22nd  November, 2019
তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন: মিলবে লোকসভা-উত্তর রাজ্য-রাজনীতির মতিগতি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে প্রথম তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ আগামী ২৫ নভেম্বর,ফলাফল ২৮ নভেম্বর। খড়্গপুর সদর করিমপুর এবং কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফল থেকে বিবাদমান রাজ্য-রাজনীতির একাধিক প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে। বিশদ

21st  November, 2019
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ২ ডিসেম্বর (পিটিআই): কমিশন এজেন্টের কাছ থেকে ১০০ টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে ডাক বিভাগের সংশ্লিষ্ট অফিসারদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। ঘটনাটি উত্তপ্রদেশের প্রতাপগড় জেলার কুন্দা সাব পোস্ট অফিসের। ...

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ্যভাতা, সংশোধিত বেতনক্রম চালু সহ মোট ৯ দফা দাবিতে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সদস্যরা সোমবার বাঁকুড়া জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের অফিসে অবস্থান ও প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেন। এদিন সকাল ১০টা থেকে অফিসের সামনে শিক্ষকরা ধর্নায় বসেন। ...

সংবাদদাতা, গাজোল: শীত এখনও সেভাবে না পড়লেও মাল্টার জন্য এখন থেকেই অপেক্ষা শুরু হয়ে গিয়েছে মালদহে। অনেকটা কমলালেবুর মতোই দেখতে এই ফল বিগত দুয়েকবছর ধরে ...

 নয়াদিল্লি, ২ ডিসেম্বর (পিটিআই): পশ্চিম জর্ডনের খামারে একটি অস্থায়ী ধাতব বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আট শিশু সহ ১৩ জন পাকিস্তানির মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর জখম হয়েছে তিনজন। উদ্ধারকারীদের পক্ষে জানানো হয়েছে যে, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ শোনার (পশ্চিম আম্মান থেকে ৫০ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের সুফল আশা করতে পারেন। শেয়ার বা ফাটকায় চিন্তা করে বিনিয়োগ করুন। ব্যবসায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
১৮৮২: চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসুর জন্ম
১৮৮৯: বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর জন্ম
১৯৫৬: সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৭৯: হকির জাদুকর ধ্যানচাঁদের মৃত্যু
১৯৮২: কবি বিষ্ণু দে’র মৃত্যু
২০১১: অভিনেতা দেব আনন্দের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯১.০৫ টাকা ৯৪.৩৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৬১ টাকা ৮০.৬১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৪৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৫১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,০৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৩ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ৪২/৫৩ রাত্রি ১১/১৪। ধনিষ্ঠা ২০/২৯ দিবা ২/১৭। সূ উ ৬/৪/৫৩, অ ৪/৪৭/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৭/২৯ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৭ গতে ৮/২০ মধ্যে পুনঃ ৯/১৩ গতে ১১/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/৩৯ গতে ৩/২৫ মধ্যে পুনঃ ৫/৫২ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৩ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ৪২/৪৮/৩২ রাত্রি ১১/১৩/৪৯। ধনিষ্ঠা ২২/৪৯/২৩ দিবা ৩/১৪/৯, সূ উ ৬/৬/২৪, অ ৪/৪৭/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৭ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৭/১৯ গতে ২/৭/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৭/৪১ গতে ৮/৭/৩০ মধ্যে। 
৫ রবিয়স সানি  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শহরে এটিএম জালিয়াতি, আরও ১৪টি অভিযোগ দায়ের 
যাদবপুরের পর এবার চারু মার্কেট থানা এলাকা। শহরে ফের জাঁকিয়ে ...বিশদ

05:13:00 PM

বাংলায় এনআরসি হবে না, ধর্মের ভিত্তিতে ভাগাভাগি করা যাবে না: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

04:06:10 PM

বুলবুল: রাজ্যকে আর্থিক সাহায্য পাঠাল কেন্দ্র
বুলবুল-এ ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য হিসাবে পশ্চিমবঙ্গকে আর্থিক সাহায্য পাঠাল কেন্দ্র। রাজ্যকে ...বিশদ

03:42:00 PM

আগামী ২ দিন বসবে না বিধানসভা অধিবেশন
রাজভবনে আটকে রয়েছে বিল । সেখান থেকে বিল না আসায় ...বিশদ

03:36:00 PM

বাগুইআটি উড়ালপুলে ফাটল আতঙ্ক 
বাগুইআটি উড়ালপুলে একটি ফাঁককে ঘিরে আতঙ্ক। উড়ালপুলে ফাটল দেখা দিয়েছে ...বিশদ

02:56:51 PM

বাসন্তীতে তৃণমূল কর্মী খুন 
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে এক তৃণমূল কর্মীকে গুলি করে খুন ...বিশদ

02:13:31 PM