Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিজেপির অহঙ্কারের পতন
হিমাংশু সিংহ

সবকিছুর একটা সীমা আছে। সেই সীমা অতিক্রম করলে অহঙ্কার আর দম্ভের পতন অনিবার্য। সভ্যতার ইতিহাস বারবার এই শিক্ষাই দিয়ে এসেছে। আজও দিচ্ছে। তবু ক্ষমতার চূড়ায় বসে অধিকাংশ শাসক ও তার সাঙ্গপাঙ্গ এই আপ্তবাক্যটা প্রায়শই ভুলে যায়। ঔদ্ধত্য থেকে চরম আত্মতুষ্টি। আর তার থেকেই ক্রমে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারের পাঁকে জড়িয়ে পড়া। কথায় আছে ‘অ্যাবসলিউট পাওয়ার করাপ্টস অ্যাবসলিউটলি’। আর সেই থেকেই ধীরে ধীরে পতনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার শুরু। গত দু’সপ্তাহের মহারাষ্ট্র রাজনীতির উত্থান-পতন ও পশ্চিমবঙ্গের তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপির শূন্যপ্রাপ্তি আবারও সেই অমোঘ সত্যটাকেই পুনঃপ্রতিষ্ঠা করল।
বিগত লোকসভা নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে মাত্র ১৮টি আসন জিতেই বিজেপি নেতাকর্মীরা এমন একটা ভাব দেখাচ্ছিলেন যেন এরাজ্যে ক্ষমতা দখল নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। যা নিয়ে ভিন রাজ্যের কিছু অবাঙালি নেতার দাপাদাপি বড্ড দৃষ্টিকটুও লাগছিল। যাঁদের বাংলার শিক্ষা সংস্কৃতির সঙ্গেই তেমন যোগ নেই, তাঁরা প্রতি সপ্তাহে একবার বিমানবন্দরে নেমে শহরে ঢুকেই জননেত্রীকে আস্তিন গুটিয়ে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছেন। আবার অনুষ্ঠান ফুরোলেই লোটাকম্বল নিয়ে পগার পার। এঁদের হাতে রাজ্যের ভবিষ্যৎ? সেইসঙ্গে চলছিল টাকা আর নানা প্রলোভন ছড়িয়ে তৃণমূল ভাঙার হীন চক্রান্ত। কিছু কাউন্সিলারকে ম্যানেজ করে পুরসভা দখল। বিকেল হতেই দিল্লিতে ঘটা করে সাংবাদিক সম্মেলন। তারপরই কলকাতায় ফিরে আবার পুরনো দলে খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন! তবু আয়োজনের কোথাও কোনও অভাব ছিল না। কিন্তু, বৃহস্পতিবার রাজ্যের তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফল এক নিমেষে সব আস্ফালনকেই থামিয়ে দিয়েছে। এরও আগে বারাকপুর সাবডিভিশনের অধীন একের পর এক পুরসভা পুনরুদ্ধার চলছিল। নৈহাটি, হালিশহর, গারুলিয়া সর্বত্রই ভুল বুঝতে পেরে কাউন্সিলাররা দলে দলে ফিরছিলেন তৃণমূলে। আর সদ্য প্রকাশিত উপনির্বাচনের ফল রাজ্য রাজনীতির অভিমুখটাকেই যেন ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে দিল। ফলে সাড়ে তিনদশক টানা সিপিএমের হার্মাদদের চোখে চোখ রেখে লড়াই করা এক অবিসংবাদিত নেত্রীকে একুশের ভোটে ঘায়েল করার গৈরিক স্বপ্ন আপাতত দুঃস্বপ্ন হয়েই রয়ে গেল। বাংলার মানুষ লোকসভা ভোটের পর প্রথম পরীক্ষাতে তিন কেন্দ্রেই বিজেপিকে হারিয়ে মোক্ষম জবাব দিয়েছে। লোকসভা ভোটের পাশা উল্টে দিয়ে উপনির্বাচনে কালিয়াগঞ্জে বিরাট জয় পেয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী তপন দেব সিংহ। ২০১১ সালের ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ভোটেও কালিয়াগঞ্জ জিততে পারেনি জোড়াফুল। আর বিগত লোকসভা ভোটের নিরিখে ওই কেন্দ্রে তৃণমূল ৫৭ হাজার ভোটে পিছিয়ে ছিল। আত্মসন্তুষ্টি আর অহঙ্কারে বিভোর বিজেপি স্বপ্নেও ভাবেনি এত দ্রুত ওই লিড টপকে তৃণমূল আসনটি ছিনিয়ে নিতে পারবে। তার উপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও তাঁর লোক-লস্কর সব নামিয়ে জয় নিশ্চিত করার পথে কোনও ত্রুটি রাখেনি গেরুয়া দল।
কিন্তু, বৃহস্পতিবার ভোটের গণনা কিছু দূর এগতেই সব হিসেবনিকেশ উল্টে গেল। দেখা গেল, সব হিসেবকে মিথ্যা প্রমাণ করে জোড়াফুলই ফুটেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরই আস্থা রেখেছে উত্তর দিনাজপুরের এই ছোট্ট জনপদের মানুষ। ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কমল সরকার হতাশ মুখে নিজেই জানালেন, এনআরসি ইস্যুতে এলাকার মানুষ অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। অনেক চেষ্টা করেও বিজেপি স্থানীয় মানুষকে এনআরসির আসল উদ্দেশ্য নাকি বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছে। আসলে গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়েই দিলীপ ঘোষ, অমিত শাহদের এনআরসি-হুঙ্কার প্রচণ্ড ভয়ভীতি ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। যে উত্তরবঙ্গের মানুষ গেরুয়া দলকে বিকল্প ভেবে গত লোকসভা নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিল তাঁদের কয়েক মাসেই মোহভঙ্গ হয়ে গিয়েছে। এনআরসির নামে স্থানীয় মানুষকে নিজ ভূমে পরবাসী করে রাখার পরিকল্পনা যে দীর্ঘমেয়াদে সফল হতে পারে না কালিয়াগঞ্জের ফল তারই অকাট্য প্রমাণ। একদিকে মমতার উন্নয়ন আর অন্যদিকে এনআরসির ভয়াবহ আতঙ্ক। মানুষে মানুষে, সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে বিভেদ সৃষ্টির রাজনীতি বাংলায় পরাজিত হতে বাধ্য, হচ্ছেও তাই।
ওই যে বললাম, ২০১১ ও ২০১৬ সালে যখন তৃণমূলের অত্যন্ত সুসময় তখনও কালিয়াগঞ্জে তূণমূল কিন্তু দাঁত ফোটাতে পারেনি। জয়ী হয়েছিল কংগ্রেস। আজ দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে উত্তর দিনাজপুরের এই গুরুত্বপূর্ণ আসনটি তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে এল। সেইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের রাজনীতির সামনে হার মানল বিজেপির বিভেদকামী এনআরসি-রাজনীতি। প্রশ্ন উঠেছে, এনআরসি দিয়ে ঠিক কোন উদ্দেশ্যটা চরিতার্থ করতে চাইছে কেন্দ্রের শাসক দল? ধর্ম, সম্প্রদায় ও শরণার্থী বনাম অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে বিভাজন ঘটিয়ে ভোটের বাক্সে লাভ তোলার সঙ্কীর্ণ রাজনীতি দীর্ঘমেয়াদে কখনওই সফল হতে পারে না। কালিয়াগঞ্জের ফল আবার সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। লোকসভা নির্বাচনের বিশাল ভোটের ব্যবধান ঘুচিয়ে কালিয়াগঞ্জে ২৪১৪ ভোটে তৃণমূল প্রার্থীর জয়লাভ তাই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
কালিয়াগঞ্জ একদিকে যেমন এরাজ্যে বিজেপির গ্রহণযোগ্যতাকে তলানিতে ঠেলে দিয়েছে, তেমনি খড়্গপুরে তৃণমূলের জয় আরও বড় তাৎপর্যকে সামনে এনেছে। খড়্গপুরে বেশকিছুদিন ধরেই রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ জমিয়ে বসেছিলেন। এমনও শোনা যাচ্ছিল, আর চাচা নয়, খড়গপুর এখন দিলীপবাবুরই খাসতালুক। বিধানসভায় জিতেছিলেন, গত লোকসভা ভোটেও বিরাট জয় পেয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। উপরন্তু এই সময়ে খড়্গপুর শহরে অবাঙালিদের আধিপত্যও দ্রুত বেড়েছে। বৃহৎ রেল স্টেশন ও নানা কর্মকাণ্ডের দৌলতে সেখানে নানা ভাষা ও সম্প্রদায়ের মানুষ ভিড় জমিয়েছেন। সেই অবাঙালি প্রধান ‘কসমোপলিটন’ খড়্গপুরেও ৪৪ হাজার ভোটের ব্যবধান ঘুচিয়ে তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকারের জয়লাভ নিশ্চিতভাবে গেরুয়া শিবিরের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস, ঔদ্ধত্য আর অহঙ্কারেরই উচিত জবাব। রাজনীতিতে নম্র হওয়াই যে কোনও ক্ষমতাসীন দল ও তার নেতাদের আদর্শ হওয়া উচিত। তার অন্যথা হলে জনগণের আদালতে চরম ধাক্কা খেতেই হবে। আজ নয় কাল মানুষ সবক শেখাবেই। গণতন্ত্রের এটাই সার কথা। যুগে যুগে ভোটের জয় পরাজয়ের অঙ্ক এই কঠিন শিক্ষাই দিয়েছে। তবু দোর্দণ্ডপ্রতাপ শাসকের হুঁশ ফেরেনি।
রাজ্যের তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে সীমান্তবর্তী কেন্দ্র করিমপুরের ফল। করিমপুরের যে বুথে বিজেপি প্রার্থী জয়প্রকাশ মজুমদারের উপর হামলা হয়েছিল, তিনি নিগ্রহের শিকার হয়েছিলেন সেই বুথে বিজেপি মাত্র দুটি ভোট পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এককালে সীমান্তবর্তী নদীয়ায় বিজেপির ভোট বাড়ছে বলে একটা প্রচার ছিল। কিন্তু উপনির্বাচনে জয়প্রকাশবাবুকে দাঁড় করিয়েও আসনটি ছিনিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়েছে বিজেপি। ফলে তিনটি কেন্দ্রেই উপনির্বাচনে বিজেপি কার্যত ধরাশায়ী হয়েছে। সেইসঙ্গে এই উপনির্বাচনের ফল আগামী ২০২১-এর বিধানসভা ভোটে তৃতীয় বার জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারের প্রত্যাবর্তনকেও অনেকটাই নিশ্চিত করে দিয়েছে। যদি তৃণমূলের নীচের তলার নেতানেত্রীরা আগামী দেড় বছর সংযত থেকে মানুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মা-মাটি-মানুষের দৈনন্দিন জীবনযুদ্ধে নিজেদের মিশিয়ে দিতে পারেন তাহলে আর একবার রাজ্যে জোড়াফুল যে ফুটবেই তা বলতে আর দ্বিধা নেই। তৃতীয়বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য বাংলা শাসনের সিংহাসন তাই কার্যত প্রস্তুত।
লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত ক্যারিশমা ও হিন্দু জাতীয়তাবাদের প্রচার উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের একটা বৃহৎ অংশে কাজ করেছিল। হিন্দু জাতীয়তাবাদের নামে সবাইকে দেশের শত্রু বা পাকিস্তানি বলে দেগে দেওয়ার রাজনীতি বিধানসভা ভোটে আর কোনও ইস্যু হতে পারে না। সেখানে সরাসরি লড়াই মমতার সঙ্গে। তার উপর এ রাজ্যে বিজেপি এখনও ষোলো আনা বাংলা ও বাঙালিয়ানার দল বলে নিজেদের তুলে ধরতে পারেনি। উল্টে মাত্র ১৮টা আসন জিতেই ঔদ্ধত্য আর অহঙ্কারের চূড়ায় গিয়ে বসেছে। মানুষের সব সমস্যার সমাধান করতে না পারলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারংবার প্রমাণ করেছেন উন্নয়নের রাজনীতিতে তিনি কোনও রকম আপস করতে রাজি নন। পাশাপাশি ধারে ও ভারে এখনও এই বঙ্গে তাঁকে ছাড়িয়ে যেতে পারে এমন নেতা বা নেত্রী নেই। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ সর্বত্র মানুষ যেভাবে ডিটেনশন ক্যাম্পের অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়ার ভয় পাচ্ছেন তাতে বিজেপির উপর মোহভঙ্গ হওয়া স্বাভাবিক। সুপ্রিম কোর্টই অসমে এনআরসি করতে নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু অমিত শাহরা বিশেষ উদ্দেশে তা সারা দেশে কার্যকর করতে মরিয়া। গত বৃহস্পতিবার যখন রাজ্যে দলের ভরাডুবির খবর আসছে তখনও একটি সাক্ষাৎকারে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি তথা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, গোটা দেশে তো বটেই, পশ্চিমবঙ্গেও এনআরসি হবেই। বিজেপির এই হুঙ্কার ও গোটা দেশকে ডিটেনশন ক্যাম্পে পরিণত করার চেষ্টার বিরুদ্ধে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হতে চাইছে। অনুপ্রবেশকারী ও শরণার্থীর বিভেদ করে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি করতে সেই কারণে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আনার চেষ্টাও চলছে সংসদের চলতি শীতকালীন অধিবেশনেই। এই অনিশ্চয়তা থেকে রাজ্যের আপামর জনসাধারণকে মুক্তি দিতে পারেন, বাঁচাতে পারেন একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। বাংলার মানুষের গত তিন দশকের প্রতিদিনের লড়াইয়ে তিনি সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়ে গিয়েছেন। এনআরসির বিরুদ্ধেও রুখে দাঁড়াতে গেলে সামনে জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই যে দরকার তা রাজ্যের মানুষ বিলক্ষণ জানেন। তিনি ইতিমধ্যেই সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলার একজনেরও গায়ে এনআরসির নাম করে হাত দেওয়া যাবে না। আপাতত তাঁর এই বরাভয়কে রাজ্যের মানুষ বিশ্বাস করছে, তার উপর আস্থা রাখছে। মানুষের এই আস্থাই নেত্রীর শক্তি। যা ২০২১ সালে ব্যাপক জনসমর্থন হয়ে নবান্নের সামনে লাল গালিচা বিছিয়ে দেবে।
বিজেপির এই হঠকারী রাজনীতি শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, গোটা দেশের মানুষকেই ক্রমশ খেপিয়ে তুলছে। কী দরকার ছিল প্রয়োজনীয় সমর্থন নেই জেনেও রাতের অন্ধকারে যাবতীয় সাংবিধানিক রীতিনীতিকে বিসর্জন দিয়ে ওইভাবে মহারাষ্ট্রে ৭২ ঘণ্টার জন্য একটা সরকারকে খাড়া করা? সংবিধানের ৭০ বছরের ইতিহাসে এমন কলঙ্কজনক ঘটনা তো খুব বেশি ঘটেনি। কথায় কথায় নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহরা যে কংগ্রেস আমলের অগণতান্ত্রিক কাজকর্মের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মহারাষ্ট্রের ঘটনা তাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। এমনিতে দেশের মানুষ আর্থিক সঙ্কট, মন্দা, জিএসটি এবং ২০১৬ সালের নোটবন্দির ক্ষতই এখনও সারিয়ে উঠতে পারেননি। তার উপর বিজেপির এই নেতিবাচক রাজনীতি এবং কথায় কথায় দেশপ্রেমের ধ্বজা উড়িয়ে শত্রুকে দেশদ্রোহী বলে দেগে দেওয়ার বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে। এই কারণেই গতবছর থেকে একের পর এক বড় রাজ্য হাতছাড়া হয়েছে অমিত শাহদের। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় যেমন হাতছাড়া হয়েছে তেমনি অতি সম্প্রতি মহারাষ্ট্রও গেরুয়া রং হটিয়ে নয়া জোটের হাতে পড়েছে। সামনে ঝাড়খণ্ডের নির্বাচন তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি ঝাড়খণ্ডেও বিজেপির সরকার গড়ার স্বপ্ন ধাক্কা খায় তাহলে ‘কংগ্রেস-মুক্ত’ ভারত গড়া তো দূরের কথা মোদি-অমিত শাহকে বড় রাজনৈতিক সঙ্কটের মুখোমুখি হতে হবে। এমনও শোনা যাচ্ছে, গোয়ার একটি বড় দলও নাকি শিবসেনার সঙ্গে যোগাযোগ করছে। নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকে লোকসভা ভোটের পর মনে হয়েছিল এককথায় অপ্রতিরোধ্য। কিন্তু গত কয়েক মাসের রাজনীতি প্রমাণ করছে, রাজনীতিতে শেষকথা বলে কিছু হয় না। জরুরি অবস্থার সময় ইন্দিরা গান্ধীও নিজেকে অপরাজেয় ভাবতে শুরু করেছিলেন। ’৭৭-এর নির্বাচনে দেশের মানুষ তার মোক্ষম জবাব দিয়েছিলেন। তাই সময় থাকতে মোদি-অমিত শাহেরও উচিত সাবধান হওয়া। সংবিধানের অবমাননা বন্ধ করা। 
01st  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
উপনির্বাচনের ফল ও বঙ্গ রাজনীতির অভিমুখ
তন্ময় মল্লিক

জনতা জনার্দন। ফের প্রমাণ হয়ে গেল। মাত্র মাস ছয়েক আগে লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন দখল করে গেরুয়া শিবির মনে করেছিল, গোটা রাজ্যটাকেই তারা দখল করে নিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায় শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেই বঙ্গেই তিন বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে একেবারে উল্টো হওয়া বইয়ে দিল মানুষ।
বিশদ

30th  November, 2019
ওভার কনফিডেন্স
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের সব থেকে প্রিয় হবি হল পরিবর্তন। তাঁরা স্থিতাবস্থায় বিশ্বাস করেন না। তাঁরা বদলের বন্দনাকারী। পরিবর্তন কি খারাপ জিনিস? মোটেই নয়। বরং পরিবর্তনই তো সভ্যতার স্থাণু হয়ে না থেকে এগিয়ে চলার প্রতীক।   বিশদ

29th  November, 2019
উপনির্বাচনী ফল: বঙ্গজুড়ে পারদ চড়ছে কৌতূহলের
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ রাজ্যের তিন বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনী ফল বেরচ্ছে। কথায় বলে, ফলেই পরিচয়। ফলেন পরিচীয়তে। আজ সেই ফলের জন্য উদ্‌গ্রীব বাংলা, বাংলার রাজনৈতিকমহল। নানান জনের নানা প্রত্যাশা চতুর্দিকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অবশ্য সেজন্য আসমুদ্রহিমাচল বাংলা টানটান উত্তেজনায় কাঁপছে বললে হয়তো অত্যুক্তি হবে। বিশদ

28th  November, 2019
পাওয়ারের শক্তিপরীক্ষা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এখন সত্যিই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, বালাসাহেব থ্যাকারে বেঁচে থাকলে কী করতেন! আগের রাতে শুনে ঘুমাতে গেলেন, শিবসেনার জোট সরকার হচ্ছে এবং ছেলে উদ্ধব সেখানে মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু পরদিন সাতসকালে ঘুম ভেঙে দেখলেন, দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ফেলেছেন।
বিশদ

26th  November, 2019
মহারাষ্ট্রে টানটান সিরিয়ালের নায়ক কে
সন্দীপন বিশ্বাস

কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের অবসান হয়েছে। যুধিষ্টিরের অভিষেক পর্বও হয়ে গিয়েছে। রাজনীতি, রাজধর্ম নিয়ে শিক্ষা নিতে তিনি গেলেন শরশয্যায় শায়িত ভীষ্মের কাছে। ভীষ্ম তাঁকে সেদিন যে উপদেশ দিয়েছিলেন তা আদর্শ রাজধর্ম এবং রাজনীতি বলেই বিবেচিত হয়। কিন্তু আজকের যুগের স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতি দেখলে মনে হয় এই রাজনীতি যেমন নীতির রাজা নয়, তেমনই রাজার নীতিও নয়। 
বিশদ

25th  November, 2019
নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে সংঘাতে জড়িয়ে পড়া কি রাজভবনের দায়বদ্ধতা?
হিমাংশু সিংহ

 ভেবেছিলাম লিখব শুধু পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচিত সরকার ও রাজভবনের বিগত দু’মাসের অবাক করা ভূমিকা নিয়ে। কিন্তু শনিবার ভোর হতে না হতেই সুদূর মহারাষ্ট্রের রাজভবনের ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ স্পষ্ট করে প্রমাণ করল, আজকের রাজ্যপালরা কেন্দ্রের শাসক দলের হাতের পুতুল ছাড়া আর কিছুই নন। বিশদ

24th  November, 2019
তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন: মিলবে লোকসভা-উত্তর রাজ্য-রাজনীতির মতিগতি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে প্রথম তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ আগামী ২৫ নভেম্বর,ফলাফল ২৮ নভেম্বর। খড়্গপুর সদর করিমপুর এবং কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফল থেকে বিবাদমান রাজ্য-রাজনীতির একাধিক প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে। 
বিশদ

23rd  November, 2019
ব্যাঙ্কের রাহুমুক্তি কবে? তাকিয়ে দেশের মানুষ
মৃণালকান্তি দাস

 সাম্প্রতিক কালে দেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্কে একের পর এক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসার পরে অস্বস্তি বেড়েছে মোদি সরকারের। সেই অস্বস্তি আরও কয়েক দফা বাড়িয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বার্ষিক রিপোর্ট জানিয়েছে, গত অর্থবর্ষে বিভিন্ন ব্যাঙ্কে প্রতারণা-জালিয়াতির ঘটনা বেড়েছে আরও অনেকখানি। প্রায় ১৫ শতাংশ। শুধু তাই নয়, প্রতারণা সবচেয়ে বেশি হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতেই। জানা গিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ছ’মাসে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে ৯৫,৭০০ কোটি টাকার বেশি প্রতারণা হয়েছে। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতারণার ঘটনা ছুঁয়েছে ৫,৭৪৩টি। সম্প্রতি এই কথা জানিয়েছেন খোদ অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। যেখানে তার আগের বছর ২,৮৮৫টি ঘটনায় নয়ছয়ের অঙ্ক ছিল ৩৮,২৬০ কোটি। প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, কেন্দ্র বার বার নজরদারিতে জোর দেওয়ার কথা বললেও, প্রতারণা এতখানি বাড়ছে কী করে? কে বা কারা করছে এই প্রতারণা?
বিশদ

22nd  November, 2019
তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন: মিলবে লোকসভা-উত্তর রাজ্য-রাজনীতির মতিগতি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে প্রথম তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ আগামী ২৫ নভেম্বর,ফলাফল ২৮ নভেম্বর। খড়্গপুর সদর করিমপুর এবং কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফল থেকে বিবাদমান রাজ্য-রাজনীতির একাধিক প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে। বিশদ

21st  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, গাজোল: শীত এখনও সেভাবে না পড়লেও মাল্টার জন্য এখন থেকেই অপেক্ষা শুরু হয়ে গিয়েছে মালদহে। অনেকটা কমলালেবুর মতোই দেখতে এই ফল বিগত দুয়েকবছর ধরে ...

 নয়াদিল্লি, ২ ডিসেম্বর (পিটিআই): কমিশন এজেন্টের কাছ থেকে ১০০ টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে ডাক বিভাগের সংশ্লিষ্ট অফিসারদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। ঘটনাটি উত্তপ্রদেশের প্রতাপগড় জেলার কুন্দা সাব পোস্ট অফিসের। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর আলিপুরদুয়ার শহরের ইন্ডোর স্টেডিয়ামের পাশে অত্যাধুনিক ব্যায়ামাগার তৈরির কাজ শুরু করছে। এই কাজ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এটির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলে আলিপুরদুয়ার জেলা ক্রীড়া সংস্থার হাতে তা তুলে দেওয়া হবে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের সুফল আশা করতে পারেন। শেয়ার বা ফাটকায় চিন্তা করে বিনিয়োগ করুন। ব্যবসায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
১৮৮২: চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসুর জন্ম
১৮৮৯: বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর জন্ম
১৯৫৬: সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৭৯: হকির জাদুকর ধ্যানচাঁদের মৃত্যু
১৯৮২: কবি বিষ্ণু দে’র মৃত্যু
২০১১: অভিনেতা দেব আনন্দের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯১.০৫ টাকা ৯৪.৩৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৬১ টাকা ৮০.৬১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৪৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৫১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,০৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৩ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ৪২/৫৩ রাত্রি ১১/১৪। ধনিষ্ঠা ২০/২৯ দিবা ২/১৭। সূ উ ৬/৪/৫৩, অ ৪/৪৭/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৭/২৯ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৭ গতে ৮/২০ মধ্যে পুনঃ ৯/১৩ গতে ১১/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/৩৯ গতে ৩/২৫ মধ্যে পুনঃ ৫/৫২ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৩ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ৪২/৪৮/৩২ রাত্রি ১১/১৩/৪৯। ধনিষ্ঠা ২২/৪৯/২৩ দিবা ৩/১৪/৯, সূ উ ৬/৬/২৪, অ ৪/৪৭/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৭ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৭/১৯ গতে ২/৭/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৭/৪১ গতে ৮/৭/৩০ মধ্যে। 
৫ রবিয়স সানি  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শহরে এটিএম জালিয়াতি, আরও ১৪টি অভিযোগ দায়ের 
যাদবপুরের পর এবার চারু মার্কেট থানা এলাকা। শহরে ফের জাঁকিয়ে ...বিশদ

05:13:00 PM

বাংলায় এনআরসি হবে না, ধর্মের ভিত্তিতে ভাগাভাগি করা যাবে না: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

04:06:10 PM

বুলবুল: রাজ্যকে আর্থিক সাহায্য পাঠাল কেন্দ্র
বুলবুল-এ ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য হিসাবে পশ্চিমবঙ্গকে আর্থিক সাহায্য পাঠাল কেন্দ্র। রাজ্যকে ...বিশদ

03:42:00 PM

আগামী ২ দিন বসবে না বিধানসভা অধিবেশন
রাজভবনে আটকে রয়েছে বিল । সেখান থেকে বিল না আসায় ...বিশদ

03:36:00 PM

বাগুইআটি উড়ালপুলে ফাটল আতঙ্ক 
বাগুইআটি উড়ালপুলে একটি ফাঁককে ঘিরে আতঙ্ক। উড়ালপুলে ফাটল দেখা দিয়েছে ...বিশদ

02:56:51 PM

বাসন্তীতে তৃণমূল কর্মী খুন 
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে এক তৃণমূল কর্মীকে গুলি করে খুন ...বিশদ

02:13:31 PM