Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রধানমন্ত্রী: আকস্মিক বনাম আত্মঘাতী
শুভময় মৈত্র

‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ বইটি এবং তার ওপর ভিত্তি করে লেখা সিনেমা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক সম্পর্কে অনেকেই অবহিত। ২০১৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে নিয়ে একটি জীবনী প্রকাশ করেন সঞ্জয় বারু। রাজনীতি, অর্থনীতি, সংবাদমাধ্যম ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সঞ্জয়বাবুর যথেষ্ট পরিচিতি আছে। এছাড়াও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ২০০৪ সালের মে মাস থেকে ২০০৮ এর আগস্ট পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পরামর্শদাতা এবং মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া। এই সময়ের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি যে বই লেখেন তাতে পরিষ্কার বলা আছে যে মনমোহন সিংয়ের প্রধানমন্ত্রিত্বে রিমোট কন্ট্রোল ছিল সোনিয়া গান্ধীর হাতে। বইটি প্রকাশিত হওয়ার সময় বেশ খানিকটা হইচই হয়েছিল। তবে সংবাদমাধ্যমের নিয়মমতোই আস্তে আস্তে সে সব খবর মুদিখানা কিংবা চপ-মুড়ির শৈল্পিক ঠোঙায় বিলীন। বইটির খবর মোটামুটি ভুলেই গিয়েছিল ভারতের জনগণ। একথা মানতেই হবে সুখপাঠ্য বইটিতে নতুন খবর তো বিশেষ কিছু ছিল না। মনমোহন সিং-এর রাজনৈতিক কার্যকলাপে যে সোনিয়া গান্ধীর প্রত্যক্ষ নির্দেশ থাকবে এতে অস্বাভাবিকতার কিছু নেই। স্বাধীনতার আগে পরে সব সময়েই কংগ্রেসের সমর্থক এবং অনুগামীরা নেতৃত্বের জন্যে গান্ধীদের দিকে তাকিয়ে থাকে। সে গান্ধী কখনও মহাত্মা, কখনও বা পদবিতে নেহেরু, আর তারপর থেকে পুরোটাই ইন্দিরা-রাজীব-সোনিয়া-প্রিয়াঙ্কা-রাহুল। আগের নরসিমা রাও বা ভি পি সিংয়ের মতো আজকেও জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বা শচীন পাইলট আছেন। কিন্তু সব মিলিয়ে কংগ্রেস সামনের লোকসভা নির্বাচনে ভালো সংখ্যক আসন পেলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা রাহুল গান্ধীর-ই। তাঁর মা বিদেশে জন্মানোর কারণে সেই কেদারায় বসতে পারেননি। ২০০৪ সালে দূরদর্শনের সরাসরি সম্প্রচারে সদ্য লোকসভা ভোটে জেতা অভিনেতা গোবিন্দার কান্না নিশ্চয় এখনও অনেকের মনে আছে। সোনিয়াজিকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কাতর আবেদনে কতটা অভিনয় আর কতটা অন্তরের আকুতি সেকথা ঈশ্বরই জানেন। তবে এটা সত্যি যে ২০০৪ লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সর্বময় নেত্রী ছিলেন সোনিয়া গান্ধী। দলটাকে একজোট করে ভোটে লড়িয়েছিলেন তিনিই। ভোটের পর বামেদের সমর্থনে ন্যূনতম কিছু কর্মসূচির ভিত্তিতে পরপর দুটি কেন্দ্রীয় সরকার গঠনে সোনিয়া গান্ধীর অবদান অনস্বীকার্য। সেই হিসেবে নিজে প্রধানমন্ত্রী না হতে পারলে তাঁর সরাসরি প্রভাব যে প্রধানমন্ত্রীর ওপর থাকবে সে অঙ্ক কষতে মহাকাশ বিজ্ঞানী হতে হয় না। শ্রীযুক্ত সঞ্জয় বারুর লেখা বই সেই ইতিহাসের স্বচ্ছ বর্ণনা।
এবার আশা যাক সাম্প্রতিক ঘটনায়। এই বইটি নিয়ে সিনেমা তৈরি হয়েছে। নতুন বছরে জানুয়ারি মাসের ১১ তারিখে তা বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। এর মধ্যেই তার ট্রেইলার অন্তর্জালে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ছবির পরিচালক বিজয় রত্নাকর গুট্টে। কিন্তু বিষয়টির প্রচার এমনভাবে হচ্ছে যে পরিচালকের নাম সম্ভবত কেউই জানেন না। লেখক সঞ্জয় বারু এই সুযোগে আবার কিছুটা প্রচারের আলোয়, কিন্তু চিত্রনাট্যকারের নাম যে মায়াঙ্ক তেওয়ারি সেটাও অল্পসংখ্যক চলচ্চিত্রপ্রেমী ছাড়া বাকিদের অজানা। তবে সবথেকে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন অভিনেতা অনুপম খের। তিনি একাধারে মনমোহন সিংয়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, ছবিটির প্রচার করছেন শক্তহাতে এবং সর্বোপরি তিনি আজকের দিনে বিজেপির এক বড় নেতা। ছবির স্বল্পাংশ দেখে বোঝা গেল প্রত্যেকের অভিনয় অসাধারণ। বিভিন্ন চরিত্রে যাঁরা অভিনয় করেছেন, তাঁদের প্রায় সকলকেই বাস্তবের মানুষগুলির মতো দেখতে লাগছে। কথাবার্তাও একই রকম। ব্যতিক্রম শুধু রাহুল গান্ধী। তাঁর চরিত্রটির চেহারা একেবারেই তাঁর মত দেখতে নয়। অবশ্যই এর রাজনৈতিক কারণ আছে, সে কথায় আমরা একটু পরেই আসছি। প্রচারধর্মী এই ছবিটি থেকে যে ফসল ঘরে তুলতে চায় বিজেপি, তা হল মনমোহন সিং ভালো মানুষ। তাঁর আড়ালে কলকাঠি নাড়া গান্ধী পরিবার (পড়ুন সোনিয়া গান্ধী) ক্ষমতা দখলের জন্যে লালায়িত। অর্থাৎ এই ছায়াছবি গান্ধী পরিবার বিরোধী একটি প্রচার।
কিন্তু বিজ্ঞাপনের জগতে একটা কথা খুব চলে, তা হল যে-কোনও বিজ্ঞাপনই ভালো বিজ্ঞাপন। অর্থাৎ যেখানে প্রচারটাই মুখ্য বিষয় সেখানে আসল প্রশ্ন হল জনমানসে উপস্থিতি প্রকট কি না। চরিত্রটিকে ভালো কিংবা খারাপ ভাবে দেখানোর ব্যাপারটা গৌণ। সেই হিসেবে এই ছবিতে গান্ধী পরিবার যথেষ্ট প্রচার পাবে তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। তবে প্রচারধর্মী ছবির মাধ্যমে বিজেপির মূল উদ্দেশ্য যদি সফল না হয় তাহলে কিন্তু সম্পূর্ণ প্রয়াসটাই আত্মঘাতী। সে ব্যাপারে বিজেপি অবশ্যই সচেতন। তারা ভালোই জানে যে এই ছবিতে সোনিয়া গান্ধীকে খলনায়িকা হিসেবে দেখানো গেলেও রাহুলকে ততটা বড় খলনায়ক হিসেবে দেখানো শক্ত। সন্তানের হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে চাইছে কুচক্রী মা, এটাই সারমর্ম। ফলে মায়ের চরিত্র অবশ্যই নেতিবাচক। কিন্তু তার ছেলের চরিত্রকে একইরকম নেতিবাচক দেখাতে হলে ছবিতে সেই চরিত্রের ধার থাকত অনেক বেশি। বিজেপি জানে যে এই মুহূর্তে সোনিয়া গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা নেই, কিন্তু রাহুলের আছে। তাই এই ছবিতে রাহুলের গুরুত্ব একটু কম রাখা হয়েছে, চেহারাও তার মত নয়। সব মিলিয়ে রাহুল বিরোধিতা কিংবা রাহুলের অস্তিত্বের মাত্রা এখানে কম থাকারই কথা। অর্থাৎ অভিনেতার চেহারা রাহুলের মত হলে প্রচারের তীব্রতায় পুরোটাই ব্যুমেরাং হয়ে যেতে পারে সে কথা বুঝেছেন এই ছবির কর্মকর্তারা। তাই ‘আকস্মিক প্রধানমন্ত্রী’ ছবিতে রাহুলের ভোলবদল যুক্তিগ্রাহ্য এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকের দৃষ্টিভঙ্গিতে মোটেই তা সমাপতন নয়। ছবিটির পিছনে স্পষ্ট চিন্তন দলের অনিবার্য উপস্থিতি।
একশো তিরিশ কোটির দেশে যে-কোনও কিছুতেই এক হওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম। ফলে যে-কেউ প্রধানমন্ত্রী হলেই তা ‘‘আকস্মিক’। সেটা মনমোহনই হোন কিংবা নরেন্দ্র মোদি। তবে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর কিন্তু ক্ষমতা প্রায় অসীম। ভারতের মতো বিশাল দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর একজন প্রধানমন্ত্রীর দেশকে দিশা দেখানোর সুযোগ থাকে অগাধ। মনমোহন সিং সৎ, গুণী এবং বিদ্বান মানুষ। ধরে নেওয়া যাক তাঁর আমলে ভালো কাজ কিছু হয়নি। প্রচারধর্মী ছবিতে তো বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছেই যে তার কারণ সোনিয়া গান্ধী। অর্থাৎ মনমোহন ভুল করে ক্ষমতা হারালেও সেখানে প্রধানমন্ত্রীর আগে ‘আত্মঘাতী’ পদবি যোগ করা যাবে না। মোদির ক্ষেত্রে দায় কিন্তু পুরো নিজের। সেখানে দলের মধ্যে অমিত শাহকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর অধিকার একশো শতাংশ। পিছন থেকে পুতুল নাচানোর মতো কোনও শক্তি সেখানে নেই। আদানি, আম্বানিরা যেটুকু আছেন সেটুকু সব রাজত্বেই থেকে থাকে, তাদেরকে এর বেশি গুরুত্ব দেওয়া ঠিক হবে না। সেই প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠবেই যে দেশের প্রধানমন্ত্রী এত বেশি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন কেন? আধার তো কংগ্রেস আমলের। তাকে জনগণের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টায় ব্রতী তাঁর সরকার। জিএসটি-র অনেকটা কাজও কংগ্রেসের আমলে হয়েছে। চটজলদি সেটা লাগু করে দেশের মাঝের সারির ব্যবসায়ীদের বিপুল ঝামেলায় ফেলেছেন এই প্রধানমন্ত্রী। রাফেল কেনাকাটার শুরুও কংগ্রেস আমলে। তার দাম নিয়ে গন্ডগোল করে এখন পিছনের পায়ে ছাপান্ন ইঞ্চির ছাতিওলা দেশনেতা। কালোটাকা ফিরিয়ে প্রত্যেক দেশবাসীকে পনেরো লক্ষ দেওয়ার গল্প নোটবাতিলের ধাক্কায় চুটকির পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। প্রধানমন্ত্রী একটু ভাবলেই দেখবেন যে কমনওয়েলথ গেমস বা থ্রি-জি’র কেলেঙ্কারিতে বিপর্যস্ত কংগ্রেস ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পর তাঁর সামনে অন্তত দুটো পাঁচ বছরের রাজত্ব রেকাবিতে সাজিয়ে রাখা ছিল। কিন্তু প্রথমটাতেই যতটা ঘেঁটে গেল, তাতে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয়টার সম্ভাবনা কমছে অনেকটা। আকস্মিক প্রধানমন্ত্রীর পিছনে সোনিয়া গান্ধীর কলকাঠি নাড়ার প্রচারধর্মী ছবি একগাদা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রধানমন্ত্রীকে কতটা বাঁচাতে পারে সেটাই এখন দেখার।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত
05th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
দু’দিনের বন্‌ধ সফল করে কি সিপিএম ভাবমূর্তি ফেরাতে পারবে?
শুভা দত্ত

 সিপিএমের প্রবীণ নেতা বিমান বসু একটি প্রস্তাব রেখেছিলেন। সরাসরি অবশ্য প্রস্তাবটা রাখেননি বিমানবাবু, রেখেছিলেন আকারে ইঙ্গিতে, ঘোরানো কথায়। কিন্তু, রাজ্যের রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণজন সকলেই তাঁর সেই ঘোরানো-প্যাঁচানো কথার মধ্যেকার আসল বক্তব্যটি ধরে ফেলেছিলেন।
বিশদ

06th  January, 2019
সংবিধান ৭০
সমৃদ্ধ দত্ত

ঠিক কেমন সম্পর্ক ছিল তখন জওহরলাল নেহরু আর মহম্মদ আলি জিন্নার? ১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গার পর, নোয়াখালি, তারপর বিহার, তারপর পাঞ্জাব। রক্তগঙ্গা বইছে। ঠিক সেই সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ভারতীয় নেতাদের ডেকেছিলেন একটি মিটিংয়ে। মাল্টা হয়ে লন্ডন।
বিশদ

04th  January, 2019
আলসেখানার বাসিন্দা থেকে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা
মৃণালকান্তি দাস

বাংলাদেশের ভোটে ৩০০ আসনে তিনিই ছিলেন মুখ! দুর্নীতির জালে আটকে পড়া, পাকিস্তান প্রেমে মত্ত আর ধর্মীয় উগ্রবাদে আস্থা রাখা বিরোধীদের সঙ্গে লড়াইটাও ছিল তাঁর একার। নির্বাচনের আগাগোড়া আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর দল আওয়ামি লিগ ফের জিতবে।
বিশদ

03rd  January, 2019
স্বাগত ২০১৯, নতুন বছরে একজন বাঙালি প্রধানমন্ত্রী চাই
হিমাংশু সিংহ

বিদায় ২০১৮। গত বারোমাসের হাজারো উজ্জ্বল এবং তারই মধ্যে কিছু কিছু ধুলো মলিন মন ভারাক্রান্ত করা স্মৃতিকে বিদায় দিয়ে দ্বিগুণ উদ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পালা। আগামী ৩৬৫ দিনে সবচেয়ে বড় যে দুটি মেগা ইভেন্ট প্রত্যক্ষ করার জন্য দেশবাসী উন্মুখ হয়ে আছে তা হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন ও লন্ডনের বিশ্বকাপ ক্রিকেট।
বিশদ

01st  January, 2019
বছরটা বিদায় নিচ্ছে বিষণ্ণতার রেশ রেখে
পি চিদম্বরম

গণতন্ত্রের বিশিষ্টতা ভারসাম্যে (ব্যালান্স)। যখনই এই ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয় তখনই গণতন্ত্রের অস্তিত্বের সামনে একটা প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেয়। ভারত এইরকম একটা পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে, যেখানে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে—ভারতে গণতন্ত্রটা কি রক্ষা করা যাবে?
বিশদ

31st  December, 2018
বছর শেষের ভাবনা
শুভা দত্ত

আবার একটা আনকোরা নতুন বছর এসে গেল। কাল মধ্যরাত পেরতেই শুরু হয়ে যাবে নতুন ইংরেজি বছর ২০১৯। কীভাবে যে আজকাল সময় চলে যায়! একটা গোটা বছর যেন চোখের কয়েকটা পলক মাত্র! তাই বুঝি আজ বছর শেষের দোরগোড়ায় এসে মনে হচ্ছে—এই তো সেদিন ২০১৮ এল!
বিশদ

30th  December, 2018
চাই মুক্ত বায়ু
রঞ্জন সেন

 যে প্রাণ দেয়, সে-ই আবার প্রাণ নেয়। বায়ু এখন হয়ে উঠছে ঘাতক। সে এখন আর মোটেই রবীন্দ্রনাথের কবিতার মতো ‘আনন্দ উজ্জ্বল পরমায়ু’র বার্তা বহন করে আনে না। যে কবি মুক্ত বায়ুর সঙ্গে পরমায়ুর মিল দিয়ে কবিতা লিখেছিলেন তাঁর বাসস্থান উত্তর কলকাতাতেই বায়ুদূষণের হাল দেখলে তিনি চমকে উঠতেন।
বিশদ

29th  December, 2018
একনজরে
বিএনএ, চুঁচুড়া: বামেদের ডাকা ধর্মঘটের দিন কলেজে ঢুকতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদ করায় দলীয় কর্মীকে মারধরে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে শুক্রবার উত্তরপাড়া থানার কানাইপুর ফাঁড়ি ঘেরাও করল তৃণমূল। ...

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: দীর্ঘ ৮ বছর পর স্থায়ী পদে শিক্ষিকা পেয়ে বৈতল গার্লস হাইস্কুলে কার্যত উৎসবের আমেজ। ২০১১ সালে চালু হওয়া ওই হাইস্কুলে এতদিন কোনও স্থায়ী শিক্ষক ছিল না। অতিথি শিক্ষক দিয়ে স্কুল চলেছে।  ...

 সিডনি, ১১ জানুয়ারি: এশিয়ার প্রথম অধিনায়ক হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয়ের মুকুট সদ্য তাঁর মাথায় উঠেছে। তবু অজিদের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজে খেলতে নামার আগে মন ভালো নেই বিরাট কোহলির। চোখে মুখে ধরা পড়েছে বিষণ্ণতার ছাপ। খানিক অপ্রস্তুতও বটে। ...

 মুম্বই, ১১ জানুয়ারি (পিটিআই): বেতন বৃদ্ধি, ‘বেস্ট’ ও ‘বিএমসি’র বাজেট মিশিয়ে দেওয়া সহ একাধিক দাবিতে শুক্রবার চতুর্থ দিনে পড়ল মুম্বইয়ের বাস ধর্মঘট। যার জেরে চরম ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

বিতর্ক বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থ উপার্জনের সুযোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় যুব দিবস
১৮৬৩: স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম
১৯৩৪: মাস্টারদা সূর্য সেনের ফাঁসি
১৯৫০: কলকাতায় চালু হল চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতাল  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৬০ টাকা ৭১.২৯ টাকা
পাউন্ড ৮৮.২২ টাকা ৯১.৪৩ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৯ টাকা ৮২.৭০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৬৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৯৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৪৫৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৭তম আবির্ভাব দিবস
২৭ পৌষ ১৪২৫, ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩৯/১৫ রাত্রি ১০/৫। নক্ষত্র- পূর্বভাদ্রপদ ৫/৫০ দিবা ৮/৪৩, সূ উ ৬/২২/৫৮, অ ৫/৬/৩০, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৯ গতে ৯/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৬ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১/৪ গতে ২/৫০। বারবেলা ঘ ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/৪ গতে ২/২৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৩ গতে উদয়াবধি।
আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৭তম আবির্ভাব দিবস
২৭ পৌষ ১৪২৫, ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৫/৫১/২৯। উত্তরভাদ্রপদনক্ষত্র অহোরাত্র। সূ উ ৬/২৪/১, অ ৫/৪/৪২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৬/৪৪ মধ্যে ও ঘ ৭/৪৯/২৮ থেকে ঘ ৯/৫৭/৩৮ মধ্যে ও ১২/৫/৪৮ থেকে ২/৫৬/৪২ মধ্যে ও ৩/৩৯/২৫ থেকে ৫/৪/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ১/৪/২২ থেকে ঘ ২/৫০/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ১/৪/৩৩ থেকে ২/২৪/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৭/৪৪/৭ মধ্যে ও ঘ ৩/৪৪/৪৫ থেকে ৫/৪/৫২ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৪৪/৪৬ মধ্যে ও ঘ ৪/৪৪/১৬ থেকে ৬/২৪/১০ মধ্যে।
 
এই মুহূর্তে
ভর সন্ধ্যায় শ্যুটআউট পার্কসার্কাসে
ভর সন্ধ্যায় পার্কসার্কাস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় গুলি করে খুন করা ...বিশদ

09:59:38 PM

কলকাতায় চিতা বাঘের চামড়া সহ ধৃত ২

শনিবার বিকালে উত্তর কলকাতার একটি বাড়ি থেকে চিতা বাঘের চামড়া ...বিশদ

06:20:00 PM

আইলিগ: নেরোকাকে ১-০ গোলে হারাল মোহন বাগান 

04:09:04 PM

পথ দুর্ঘটনায় জখম উঃদিনাজপুরের জেলাশাসক
পথ দুর্ঘটনায় জখম হলেন উঃদিনাজপুরের জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মিনা। তবে ...বিশদ

04:05:22 PM

৩৪ রানে হারল ভারত 
ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচ ৩৪ রানে জিতল অস্ট্রেলিয়া  ...বিশদ

03:56:27 PM

 প্রথম ওয়ান ডে: ভারত ২১৪/৬ (৪৫ ওভার)

03:31:36 PM