বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বীকৃতি? নাকি ভোট রাজনীতি?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফোনটা এসেছিল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে। লাইনের উল্টোদিকে রাজীব গান্ধীর ঘনিষ্ঠ এক অফিসার। বক্তব্য একেবারে স্পষ্ট—‘শিখদের বিরুদ্ধে এই হিংসা হওয়ারই ছিল। বুঝেশুনে ব্যাপারটা সামাল দিতে হবে। তাই এই মুহূর্ত থেকে পুলিস পরিচালনার বিষয়টা পিএমও দেখবে। আপনাকে আর কিছু করতে হবে না।’ শুনলেন পি ভি নরসিমা রাও। ১৯৮৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর। তিনি তখন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অর্থাৎ, দিল্লি পুলিসে শেষ কথা তাঁরই। তারপরও শুনে গেলেন রাও। কী করতে পারতেন তিনি? বলতে পারতেন, ‘দায়িত্বটা আমার। আমিই যা করার করব। পিএমওকে মাথা গলাতে হবে না।’ কার্ফু, নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় ১৪৪ ধারা, ফোর্স পুরোদমে নামানো, আর মাত্রাছাড়া হিংসা দেখলে শ্যুট অ্যাট সাইট। এই সিদ্ধান্ত কি নিতে পারতেন না নরসিমা রাও? তাতে নিশ্চিতভাবে তাঁর চাকরি যেত। শেষ হয়ে যেত পলিটিক্যাল কেরিয়ার। কিন্তু ২ হাজার ৭৩৩ জন শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের প্রাণের বিনিময়ে সেটাও তো সম্মানের হতো! তাও তিনি শুনেছিলেন ফোনের ওপারে থাকা ব্যক্তিটির কথা। মেনেওছিলেন। কারণ তিনি জানতেন, এই নির্দেশ পিএমওর কোনও অফিসারের থেকে আসছে না। আসলে এর নেপথ্যে একটি পরিবার। গান্ধী পরিবার। কংগ্রেসে থাকতে হলে তাদের অন্যায় ভাবনাকেও ‘জো হুজুর’ বলে মাথা নত করতে হবে। তাই করেছিলেন রাও। সাংবাদিক তথা শিক্ষাবিদ বিনয় সীতাপতি তাঁকে বর্ণনা করেছেন ‘জওহরলাল নেহরু পরবর্তী শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে। কারণ তাঁর দূরদর্শিতা, ভাবনা, আউট অব দ্য বক্স সিদ্ধান্ত। তাও ‘জো হুজুর’ বলেছিলেন রাও। বদলে গান্ধী পরিবারের থেকে প্রাপ্তি বলতে তাঁর কী ছিল? শুধুই উপেক্ষা! বিশ্বাসঘাতকতা!
নরেন্দ্র মোদি ভারতরত্ন হিসেবে নরসিমা রাওয়ের নাম ঘোষণা করার পর থেকে টুকরো টুকরো এমন বেশ কিছু ঘটনা মস্তিষ্কের প্রকোষ্ঠ থেকে উঁকিঝুঁকি মারছে। সেইসঙ্গে একটা প্রশ্ন—মোদিজি কি সত্যিই নরসিমা রাওকে স্বীকৃতি দিলেন? নাকি গান্ধী পরিবারকে শিক্ষা। অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশে জন্ম নরসিমা রাওয়ের। দক্ষিণ ভারত থেকে দিল্লির মসনদে বসা প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি পাঁচ বছর সরকার চালাতে পেরেছিলেন। তাও সংখ্যালঘু সরকার। গান্ধী পরিবারের বাইরে থেকে আসা কংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও এই শিরোপা তাঁর রয়েছে। নরেন্দ্র মোদি মুখে বলেন, কংগ্রেস-মুক্ত ভারত। সেটা আদৌ তিনি মন থেকে চান না। বরং তাঁর আকাঙ্ক্ষা হল, গান্ধী পরিবার মুক্ত ভারত। এই সুযোগটা তিনি নিতেনই। আর সেক্ষেত্রে নরসিমা রাও ছাড়া তাঁর কাছে দ্বিতীয় উপযুক্ত নাম একটিও ছিল না। মোদিজি জানেন, এই একটি নামে গান্ধী পরিবার আপাদমস্তক জ্বলবে। কংগ্রেসে থেকে ওই পরিবারের তুলনায় বেশি গুরুত্ব কেউ পেতে পারে না। এমন স্বীকৃতি পাওয়ার অধিকারও কারও নেই। অতিরিক্ত বিপ্লবী হতে গেলে উদাহরণ সামনে—নরসিমা রাও। এটাই তাদের অহং। কাজেই ধাক্কা দিতে হবে সেই সুইট স্পটে। এক ঢিলে দুই কারবার। একদিকে কংগ্রেসকে বড়সড় খোঁচা দেওয়া, আর অন্যদিকে দক্ষিণ ভারতের 
ভোটব্যাঙ্কে সুকৌশলে হাত বাড়ানো। মোদি জানেন, গো-বলয় তাঁর মুঠোয়। বাংলা ছাড়া উত্তর ও পূর্ব ভারতের প্রায় সব রাজ্য তাঁর পাশে। আম আদমি পার্টি হাঁকডাক করলেও পাঞ্জাবে টক্কর তিনি দিয়ে দিতে পারবেন। কারণ, জাঠ ভোট টানার কাজও তিনি শুরু করে দিয়েছেন। এই খেলার সবচেয়ে বড় চাল হল, চৌধুরী চরণ সিংকে ভারতরত্ন দেওয়া। 
পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা—এই দুই রাজ্যের জন্যই স্ট্র্যাটেজিটা উপাদেয়। ফলে ওদিকটা ম্যানেজ হয়ে যাবে। কিন্তু দক্ষিণ ভারতে নড়াচড়া ফেলতে গেলে চালটা আরও জমাট করতে হতো। তাই নরসিমা রাও। সঙ্গে প্রচার—‘দেখুন, আপনাদের ভূমিপুত্র... নানাবিধ সংস্কারের পথিকৃত হওয়া সত্ত্বেও কী দিয়েছে তাঁকে কংগ্রেস? নরেন্দ্র মোদিই দিলেন নরসিমা রাওকে স্বীকৃতি।’
এই বাস্তবটা অবশ্য অস্বীকার করার উপায় নেই। শেষ বয়সে কার্যত অজ্ঞাতবাসে কাটাতে হয়েছে রাওকে। দেনায় ডুবেছেন। বন্ধুদের বলেছেন, ‘হায়দরাবাদে বানজারা হিলসে আমার যে বাড়িটা আছে, ওটা বেচে দেবে? তাহলে দেনা মেটাই।’ মেডিসিন নিয়ে পড়াশোনা করছিল এক মেয়ে। তার পড়ার খরচ দেওয়ার মতোও সামর্থ্য নরসিমা রাওয়ের ছিল না। হাত পাততে হয়েছিল অন্যের কাছে। আর মৃত্যুর পর? কংগ্রেসের সদর দপ্তরে তাঁর মরদেহ আনার ‘অনুমতি’ মেলেনি। 
প্রায় দেউলিয়া হতে বসা একটি দেশের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ক্ষমতায় বসেছিলেন রাও। সঙ্গী ছিল রাজীব গান্ধীর একঝাঁক মিসঅ্যাডভেঞ্চার, ব্যর্থ শ্রীলঙ্কা নীতি, রাজীবের হত্যা এবং কংগ্রেসের অন্দরে বাড়তে থাকা তাঁর বিরোধী পক্ষ। তাঁদের প্রাথমিক টার্গেটই ছিল উদার অর্থনীতি। সেনসেক্স পড়ে যাচ্ছে, টাকার দাম তলানিতে, মানুষ এবং কর্পোরেট সংস্থাগুলি দিশাহারা... চারদিকে তখন দাঁত-নখ বেরিয়ে আসার ধুম লেগেছে। তাও অবশ্য নরসিমা রাওকে টলানো যায়নি। পাশে বলতে শুধু মনমোহন সিং, যাঁকে তিনিই অ্যাকাডেমিকস থেকে সরাসরি নিয়ে এসেছিলেন রাজনীতির পাওয়ার করিডরে। বুঝিয়েছিলেন, আপনি পারবেন। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ছাত্র রাজনীতির ব্যাকগ্রাউন্ড, বা পথসভায় বক্তৃতা দেওয়ার ক্ষমতা লাগে না। রাও-মনমোহন মডেল। সেই ভিতের উপরই আজ দাঁড়িয়ে আছে দেশের অর্থনীতি। নরেন্দ্র মোদি যে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির স্বপ্ন দেখাচ্ছেন, তার বুনিয়াদও নরসিমা রাও এবং মনমোহন সিং। আর শুধুই কি অর্থনীতি? অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই রাওয়ের সংস্কারমুখী চেহারা দেখেছিল গোটা দেশ। লাইসেন্স রাজ যে খতম করা যায়, সেটাও দেখিয়েছিলেন তিনি। ১৯৯৬ সালে পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতিও সেরে ফেলেছিলেন রাও। কিন্তু পিছিয়ে যান। ভেবেছিলেন, ভোটটা উতরে যাক। তারপর হবে। কর্পোরেট এবং বিদেশি কিছু চাপও ছিল। পরে অবশ্য তাঁর আর ক্ষমতায় ফেরা হয়নি। উল্টে তাঁকে বাধ্য করা হয়েছিল কংগ্রেস সভাপতির পদে ইস্তফা দিতে। রাওকে সরিয়ে সভাপতি হয়েছিলেন সীতারাম কেশরী। নেপথ্যে কলকাঠি কে নেড়েছিলেন? সোনিয়া গান্ধী। কারণ, নেহরুর অনুগত এবং ইন্দিরা গান্ধীর ছায়াসঙ্গী দুঁদে রাজনীতিকটি সোনিয়ার বশংবদ হয়ে থাকতে চাননি। ১৯৯৩ সাল থেকেই সোনিয়াকে ‘রিপোর্ট’ করা বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি। ফলে তাঁর বিরোধী পক্ষের কাছে পথটা মসৃণ হতে বেশি সময় লাগেনি। রাওয়ের বিরুদ্ধে সোনিয়ার কানে লাগাতার বিষ ঢালা হয়েছে তখন থেকেই। আর সোনিয়াও একজন ‘দলীয় কর্মী’র ঔদ্ধত্য মেনে নিতে পারেননি। ধীরে ধীরে যখন অলিন্দ থেকে অন্তরালে তিনি সরে যাচ্ছেন, তাঁর সঙ্গী একে একে কংগ্রেসের ব্যর্থতার দায়, হাওলা দুর্নীতি, বাবরি সৌধের ধ্বংস...।
রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। আর তখন উত্তরপ্রদেশের ক্ষমতায় কল্যাণ সিং। তাও তিনি কি কিছু করতে পারতেন না? আক্ষেপ করতেন রাও। বলতেন, ‘খুব দ্রুত সবটা হয়ে গেল। অত তাড়াতাড়ি কিছুই করা সম্ভব ছিল না। ভেবেছিলাম, জরুরি অবস্থা জারি করার প্রস্তাব আসবে রাজ্যপালের থেকে। আসেনি। তখন ৩৫৬ জারি করতে হলেও কমিটি পাঠাতে হতো। সেই কমিটি আমাকে রিপোর্ট দিত। তারপর জরুরি অবস্থা, বা আধাসেনা নামানোর মতো সিদ্ধান্ত। সেই সময় কি ছিল? আর যদিও বা সিআরপিএফ নামাতাম... যারা বাবরি মসজিদের উপর উঠেছিল, তাদের মুখে কী স্লোগান ছিল মনে আছে? রাম, রাম। আধাসেনা কি তাদের উপর গুলি চালাত? সেটা কি সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়ানোর জন্য যথেষ্ট হতো না? আর যদি জওয়ানরাই বন্দুক হাতে করসেবকদের সঙ্গে যোগ দিত?’ দক্ষ প্রশাসক ছিলেন তিনি। তাই এই যুক্তি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কারণ রাও জানতেন, নামেই গণতন্ত্র। কিন্তু এই চক্রব্যূহে তিনি একা। বিশ্বাস করেছিলেন তিনি বিরোধীদের। সেটাও ছিল তাঁর আর একটা ‘ভুল’। পরে আক্ষেপ করেছিলেন, ‘লালকৃষ্ণ আদবানি আমাকে কথা দিয়েছিলেন, মারাত্মক কিছু হবে না।’ কিন্তু সেই কথা বিজেপি রাখেনি। মুখ ফিরিয়েছিল আরএসএসও। সেটা ছিল তাঁর কাছে আর একটা বড় ধাক্কা। কারণ, নিজেকে ‘হিন্দু প্রধানমন্ত্রী’ বলতেই ভালোবাসতেন রাও। ধর্ম নিয়েও তাঁর শিক্ষা ও জ্ঞানের বিকল্প ছিল না। গীতা থেকে শ্লোক উদ্ধৃত করে সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথা বলতেন। সিপিএম তাঁকে কটাক্ষ করত, ধুতিটা টেনে খুলে দিলেই খাকি হাফ প্যান্ট বেরিয়ে পড়বে। তাও তাঁর বিশ্বাস টলানো যেত না। রাও মনে করতেন, শাসক-বিরোধী মিলিয়েই সরকার। অটলবিহারী বাজপেয়িকে রাষ্ট্রসঙ্ঘে নিরাপত্তা কাউন্সিলে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে তিনিই পাঠিয়ে ছিলেন। লেবার স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড কমিশনের চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব দিয়েছিলেন তৎকালীন জনতা পার্টির নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীকে। এভাবে একজন বিরোধী নেতাকে ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমান পদমর্যাদায় বসানোর সাহস বা উদারতা তাঁর আগে কেউ দেখায়নি। নিজে পরমাণু পরীক্ষা করতে পারেননি, কিন্তু সবটাই বলে গিয়েছিলেন বাজপেয়িকে। কারণ, তাঁর কাছে দেশ ছিল আগে। এ পি জে আবদুল কালাম বলতেন, ‘একজন সত্যিকারের দেশভক্ত নেতা, যিনি মনে করতেন রাজনীতির সিস্টেমের থেকে দেশের স্বার্থ অনেক বড়।’ তাই ঘরে বাইরে বিশ্বাসে ধাক্কা লাগাটা বিধ্বস্ত করে দিয়েছিল রাওকে। 
আজ আবার নরসিমা রাওয়ের নাম শিরোনামে। রাজনীতি আরও একবার তাঁকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে এসেছে মূল স্রোতে। ঠিক যেভাবে ’৮২ সালে ফিরে এসেছিলেন। রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসেবে জৈল সিংয়ের সঙ্গে নাম উঠেছিল তাঁরও। কিন্তু রাজনীতির দেবতা নরসিমা রাওয়ের জন্য অন্য কিছু ভেবেছিলেন। আজও হয়তো ভেবেছেন। গান্ধী পরিবারের নেতৃত্বে ধুঁকতে থাকা কংগ্রেস, ধীরে ধীরে নির্বিকল্প হয়ে ওঠা মোদি এবং আসন্ন লোকসভা ভোট... ২০০৪ সালের মতো অঘটন না হলে রাজনীতির চাকা ‘নতুন পথে’ ছোটা শুরু করবে। আর তখন নরেন্দ্র মোদিই কংগ্রেসকে দেখাবেন সঠিক উপায়... পরিবারের মোহ ভেঙে বাইরে আসার। গান্ধী পরিবারকে রামচন্দ্রের মতো বনবাসে পাঠালেই হয়তো নিজের পায়ে ফের দাঁড়াতে পারবে কংগ্রেস। এই বিশ্বাস যেমন সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশের রয়েছে, ঠিক তেমনই কংগ্রেসের অন্দরে আজ চেপে বসছে এই ভাবনা। সেক্ষেত্রেও উদাহরণ সামনে একটাই—নরসিমা রাও। 
দুর্নীতির অভিযোগে চাপা পড়ে যাওয়া গডম্যান চন্দ্রস্বামীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা, হর্ষদ মেহতার দাবি... ‘রাও আমার থেকে ১ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন’, আর সবার শেষে হাওলা কেলেঙ্কারি। ভারতের প্রথম পাঁচ রাজনীতিক তথা প্রশাসকের মধ্যে আসা সত্ত্বেও তাই দেশবাসী রাওকে দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক হিসেবেই মনে রেখেছে। আক্ষেপ করে বলেছিলেন, ‘কেউ বলে আমি মুরগি চুরি করেছি, কেউ বলে ডিম। কিন্তু সবাই বলে, আসলে তো চোরই!’ ভারতরত্ন পাওয়ার পর সেই বদনাম কি ঘুচবে? নরেন্দ্র মোদি নাকি দুর্নীতির ব্যাপারে জিরো টলারেন্স? সেই কারণে বাংলায় সাধারণ গরিব মানুষের প্রাপ্য আটকাতে তাঁর দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়নি! তারপরও দুর্নীতির অভিযোগে পিছনের সারিতে চলে যাওয়া কংগ্রেসের এক বিস্মৃতপ্রায় প্রধানমন্ত্রীকে তিনি ভারতরত্ন দিলেন! বিজেপির ওয়াশিং মেশিনে জায়গা হল নরসিমা রাওয়ের? নাকি সবটাই ভোট রাজনীতি?

13th     February,   2024
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ