বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দক্ষিণবঙ্গ
 

মুখ্যমন্ত্রীর সভামঞ্চে জায়গা হয়নি, ক্ষোভ প্রকাশ পুরুলিয়ার চেয়ারম্যানের

সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভামঞ্চে চেয়ারম্যানদের জায়গা হয়নি। শনিবার ব্রিগেডের প্রস্তুতি সভায় ক্ষোভ উগরে দিলেন পুরুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান নব্যেন্দু মাহালি। দলের পরিচালন পদ্ধতি এবং সভা পরিচালন নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। ওই সভা শেষেই ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান সুরেশ আগরওয়ালকে দল থেকে সাসপেন্ডের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান ঝালদার তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। শনিবার পুরুলিয়া শহরের হরিপদ সাহিত্য মন্দিরে তৃণমূলের ব্রিগেডের প্রস্তুতি সভা হয়। উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার, তৃণমূলের পুরুলিয়া জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া, সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাত, পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়নমন্ত্রী সন্ধ্যারানি টুডু প্রমুখ। সভায় নব্যেন্দুবাবু বলেন, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভা হয়েছে। পাশের জেলা বাঁকুড়ায় পুরসভার চেয়ারম্যানরা মঞ্চে উঠতে পেয়েছিলেন। কিন্তু, পুরুলিয়ায় চেয়ারম্যানদের উঠতে দেওয়া হল না। দলের জেলা সভাপতিও মঞ্চে জায়গা পাননি। সভাধিপতি এবং জেলার মন্ত্রীকে এবিষয়ে ডিএম সহ প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাছে কৈফিয়ত চাইতে হবে। কারণ, দলের ঝান্ডা লাগানো থেকে মাঠ পরিষ্কার সবই আমরা করি। এটা দলের সম্মানের ব্যাপার। 
শহরের প্রথম নাগরিকের মঞ্চে জায়গা না হওয়ায় জনগণ প্রশ্ন করছে। এনিয়ে সভাধিপতি  ফোনে বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর মঞ্চে কে বা কারা থাকবেন, তা রাজ্য থেকেই ঠিক হয় বলে জানি, এর বেশি কিছু জানি না। সভায় সুজয়বাবু বলেন, পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদে যারা জয়ী হয়েছি, কর্মীদের নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা তাদেরই করতে হবে। প্রয়োজনে নিজেদের ভাতা দিয়ে কর্মীদের নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। জেলা পরিষদের দলনেতা স্বপন বেলথরিয়া বলেন, জেলার সমস্ত জনপ্রতিনিধিকে এক মাসের ভাতা এই প্রোগ্রামে যাওয়া কর্মীদের খরচের জন্য দিতে হবে। 
বাঘমুণ্ডির তৃণমূল বিধায়ক বলেন, যাঁরা দলের হুইপ অমান্য করেন বা শৃঙ্খলা মানেন না ভোট সামনে থাকলেও তাঁদের প্রতি সহানুভূতি দেখানো যাবে না। তাহলে দলেরই ক্ষতি হবে। জয়প্রকাশবাবু বলেন, পুরুলিয়া জেলায় গত লোকসভা এবং বিধানসভার তুলনায় সংগঠন অনেক ভালো হয়েছে। অনেকেই সভায় যাওয়ার খরচের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু, দলের নেতা-কর্মীরাই এসবের ব্যবস্থা করেন। এবারও সেভাবেই ব্রিগেডে যাবেন কর্মীরা। কলকাতায় থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
ওই সভা শেষে জয়প্রকাশবাবুর সামনেই ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যানের সাসপেন্ডের দাবিতে বিক্ষোভ হয়। প্রাক্তন চেয়ারম্যান শিলা চট্টোপাধ্যায়, শহর সভাপতি চিরঞ্জীব চন্দ্র সহ একাধিক কাউন্সিলার বলেন, দলের হুইপ অমান্য করে কংগ্রেসের সঙ্গে মিলে উনি চেয়ারম্যান হয়েছেন। ঝালদা শহরের তৃণমূল কর্মীদের উপরেই তিনি অত্যাচার করছেন। দলকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। দল ব্যবস্থা না নিলে এলাকায় আন্দোলন করা হবে। এনিয়ে সুরেশবাবু বলেন, তৃণমূলের টিকিটে আমরা জয়ী হয়েছি। তৃণমূলকে বাঁচাতে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। জয়প্রকাশবাবু বলেন, দল বড় হয়েছে। একটা সংসারে ঘটিবাটি থাকলেও ঠোকাঠুকি লাগে। এটা বড় কোনও বিষয় নয়।

3rd     March,   2024
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ