বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দক্ষিণবঙ্গ
 

কালো পতাকা অধীর চৌধুরীকে মেজাজ হারালেন কংগ্রেস সাংসদ

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর ও সংবাদদাতা, লালবাগ: আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই নশিপুর রেলসেতু চালু হবে। তার আগে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে সেতু তৈরির কৃতিত্ব নেওয়ার লড়াই শুরু হয়েছে। বুধবার রেলের আধিকারিকদের সঙ্গে নশিপুর রেলসেতু পরিদর্শনের সময় কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরীকে গো-ব্যাক স্লোগান দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এমনকী তাঁকে কালো পতাকা দেখানো হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে লোকসভা ভোটের মুখে রেলের আধিকারিক ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সামনে এহেন অস্বস্তিকর এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনায় মেজাজ হারিয়ে ফেলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। যদিও তিনি পরে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করেন। বিক্ষোভকারীদের ব্যাপারে তিনি বলেন, ওরা কারা? ওদের কখনও দেখিনি, চিনি না। এদিকে একসময় অধীরবাবু পিছনে থাকা কংগ্রেস কর্মীরা দলের নামে স্লোগান দিচ্ছেলেন। তখন তাঁদের ধমক দিয়ে থামিয়ে তিনি বলেন, যখন ওরা গো-ব্যাক স্লোগান দিচ্ছিল, কালো পতাকা দেখাচ্ছিল, তখন কিছু করার মুরোদ ছিল না। এখন চিৎকার করে মাতব্বরি দেখাতে হবে না।
পূর্ব রেলের শিয়ালদহ-লালগোলা ও হাওড়া-আজিমগঞ্জ শাখাকে জুড়ে দিতে নাকুড়তলা থেকে আজিমগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন পাতা, ইলেক্ট্রিফিকেশন, সিগন্যালিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে। এমনকী রেলসেতুর উপর দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে মালিগাড়ি ট্রায়াল সহ যাবতীয় কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। সিআরসির সবুজ সঙ্কেত মিলতেই যে কোনও দিন নশিপুর রেলসেতুর উপর দিয়ে যাত্রী নিয়ে ট্রেনের চাকা গড়াবে। এই পরিস্থিতিতে অধীরবাবু পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার, শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিভিশনাল রিজিওনাল ম্যানেজারকে সঙ্গে নিয়ে এদিন সকালে বেলডাঙা স্টেশন থেকে পরিদর্শন শুরু করেন। বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ স্টেশন পরিদর্শনের পর বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ হেঁটে নশিপুর রেলসেতু পরিদর্শনে আসছিলেন। ব্রিজের ঠিক আগেই স্থানীয় কিছু মানুষ কালো পতাকা নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। অধীর চৌধুরী কাছে আসতেই তাঁকে কালো পতাকা দেখিয়ে গো-ব্যাক স্লোগান দিতে শুরু করেন। এরপরেই অধীরবাবুর সঙ্গে থাকা কংগ্রেস কর্মীরা পাল্টা স্লোগান দেন। পরে রেল পুলিসের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
অধীরবাবু বলেন, এটি অফিসিয়াল ট্যুর। কোনও পলিটিক্যাল ট্যুর নয়। তাই এখানে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি হিসেবে আসিনি। পিএসির চেয়ারম্যান হিসেবে এসেছি। আমার সঙ্গে জিএম, ডিআরএম এসেছেন। কারণ কোথায় কী কাজ হয়েছে, আমাকে জবাবদিহি করতে হবে। চেয়ারম্যান হিসেবে আমার এক্তিয়ার আছে সরকারি টাকা কোথায় কীভাবে খরচ হচ্ছে, তা দেখার। সরকারি লোকেরা আমার সঙ্গে এসেছেন। অনেকে জানে না, বোঝে না বলে এরকম করছে।
মুর্শিদাবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ বলেন, উনি বলছেন রাজনীতি করতে আসেননি। তাহলে মনোজ চক্রবর্তী ও জয়ন্তকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন কেন? ওঁরা তো কোনও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব বা জনপ্রতিনিধি নন। আসলে উনি ফুটেজ খাওয়া নেতা। পাঁচবারের সাংসদ হয়ে জেলার উন্নয়নের জন্য কিছু করতে চাননি। উনি তিন বছর রেল প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তখন চাইলে নশিপুরের সমস্যাটা মেটাতে পারতেন। আসলে সমস্যাটা জিইয়ে রেখে ব্যক্তিগত ফায়দা তুলতে চেয়েছেন বারবার। তাই এদিন ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ কালো পতাকা, গো-ব্যাক স্লোগান দেন। এবার মানুষ অধীর চৌধুরীকে থার্ড বয় করে দেবে। আমি বিধায়ক হওয়ার পর রেলমন্ত্রী থেকে রেলের আধিকারিকদের কাছে একাধিকবার গিয়েছি।

29th     February,   2024
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ