বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দক্ষিণবঙ্গ
 

২৩ লক্ষ টাকার সোনার বিস্কুট ও হেরোইন উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: মাদক সামগ্রী হোক কিংবা সোনার বিস্কুট— পাচারের আদি পথ যে কোনও উপায়ে সীমান্তের কাঁটাতার টপকে দেওয়া। কিন্তু ইদানীং বিএসএফের কড়াকড়িতে তা আর নির্ভরযোগ্য মনে করছে না কারবারিরা। তাই, এবার রেলপথকেই বেছে নিচ্ছে আন্তর্জাতিক পাচারচক্র। বুধবার রাতে গেদে থেকে শিয়ালদহগামী ডাউন লোকাল ট্রেনে থাকা দুই বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করে এমনই তথ্য পেয়েছে রেল পুলিস। ধৃতদের কাছ থেকে সোনার বিস্কুট, হেরোইন, নগদ টাকা ও দু’টি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তাদের নাম মহম্মদ হাবিব মিঁয়া এবং আল আমিন। দু’জনেরই বাড়ি বাংলাদেশের ঢাকায়। গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের শুল্ক দপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছে রেল পুলিস।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার রাতে ডাউন গেদে-শিয়ালদহ ট্রেনের একটি নির্দিষ্ট বগিতে তল্লাশি চালায় রেল পুলিস। দু’জনকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় রানাঘাট স্টেশনেই তাদের ট্রেন থেকে নামানো হয়।  তাদের ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয়েছে সাড়ে তিনশো গ্রাম ওজনের তিনটি সোনার বিস্কুট, প্রায় ১১ গ্রাম হেরোইন। সোনার বিস্কুটের বাজার মূল্য প্রায় ২২ লক্ষ টাকা। ও হেরোইনের বাজার মূল্য প্রায় ৮০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিস। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস জানতে পেরেছে, বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে তারা ভারত-বাংলাদেশের গেদে চেকপোস্ট থেকেই এদেশে এসেছিল। তারপর গেদে স্টেশন থেকে ট্রেনে চেপে কলকাতা যাচ্ছিল। কীভাবে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নজর এড়িয়ে সোনার বিস্কুট ও মাদক সামগ্রী নিয়ে দুই বাংলাদেশি এদেশে ঢুকে পড়ল, এই প্রশ্নেরই উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। দীর্ঘ কয়েক ঘন্টা চলে জিজ্ঞাসাবাদ। পরে কলকাতা থেকে শুল্ক দফতরের আধিকারিকরা এসে ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যায়।
তদন্তকারীদের দাবি, ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে থাকা নদীয়ার একাধিক জায়গা থেকে কাঁটাতার টপকে দুই দেশের মধ্যে চোরাকারবারের ঘটনা এর আগে বহুবার সামনে এসেছে। এখনও ধানতলা, কৃষ্ণগঞ্জ, হাঁসখালি করিমপুর, চাপড়া এলাকার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় মাদক পাচার চক্র সক্রিয়। সেজন্য সীমান্তে সতর্কতাও বাড়িয়েছে বিএসএফ। যে কারণে বর্তমানে বৈধ পাসপোর্ট ব্যবহার করে ওই দেশ থেকে নিয়ে আসা হচ্ছে সোনার বিস্কুট। আগে সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলোতেই পাচার সামগ্রীর হাত বদল হতো। সেই ঝুঁকি এখন আর নিতে চাইছে না চোরাকারবারিরা। একধাপ এগিয়ে পাসপোর্ট ব্যবহার করে বৈধভাবে এদেশে এসে ট্রেনে চেপে পাচার সামগ্রী পৌঁছে যাচ্ছে কলকাতা বা অন্যত্র। এই কাজে অনেক সময় বেছে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসা বা অন্য কোনও কাজে এদেশে আসা যাত্রীদেরও। নতুন এই পন্থা অবলম্বন করায় উদ্বেগ বেড়েছে গোয়েন্দাদের। পাশাপাশি রেল পুলিসকেও এব্যাপারে সতর্ক করছে শুল্ক দপ্তরের আধিকারিকরা। নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে মৈত্রী এক্সপ্রেসেও।

23rd     February,   2024
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ