বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দক্ষিণবঙ্গ
 

আউটডোর চিকিৎসায় রেকর্ড বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের, এক বছরে পরিষেবা পেয়েছেন ১৪ লক্ষ রোগী 

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: আউটডোরে চিকিৎসায় রেকর্ড গড়ল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। ২০২৩ সালে ১৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৬৮০জন   রোগী আউটডোরে চিকিৎসা করিয়েছেন। অতীতে এত বিপুল সংখ্যক রোগী আউটডোরে আসেননি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে রোগীরা হাসপাতালে আসছেন। ঝাড়খণ্ডেরও বহু রোগী বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা পাচ্ছেন। হাসপাতালের এমএসভিপি তাপস ঘোষ বলেন, উন্নত পরিকাঠামো এবং ভালো চিকিৎসা পাওয়ার জন্যই বিভিন্ন জেলা থেকে রোগীরা আসছেন। সমস্ত বিভাগে চিকিৎসকের সংখ্যাও বেড়েছে। ওষুধের ঘাটতি নেই। তাই প্রতিদিন আউটডোরের সামনে লম্বা লাইন পড়ছে। কিছুদিনের মধ্যে ইমারজেন্সি বিভাগ ঢেলে সাজা হবে। এক্স-রে মেশিন বসানো হবে। রোগীদের এক্স-রে করানোর জন্য অন্য বিভাগে নিয়ে যাওয়ার আর দরকার হবে না।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, গতবছর ডিসেম্বরে এক লক্ষ চার হাজার ৭৪৪জন রোগী আউটডোরে এসেছিলেন। নভেম্বরে এক লক্ষ ১৪হাজার, অক্টোবরে এক লক্ষ ১১হাজার ৫৩১জন রোগী আউটডোরে চিকিৎসা করিয়েছেন। এবছর জানুয়ারি মাসে এক লক্ষ দু’হাজার ৩৪১ জন চিকিৎসা পরিষেবা পেয়েছেন। 
হাসপাতালের এক আধিকারিক বলেন, একসময় এই হাসপাতাল চত্বরে দালালদের দৌরাত্ম্য ছিল। কয়েকজন গ্রেপ্তার হওয়ায় এখন তাদের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমেছে। রোগীরা নিয়ম মেনে এখন সহজেই চিকিৎসককে দেখাতে পারেন। কয়েক মাস আগে হাসপাতালের বাইরে একটি দোকান থেকে বেশি দামে টিকিট বিক্রি করা হচ্ছিল। অভিযোগ পাওয়ার পর তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে এখনও কিছু রোগী দালালদের কব্জায় পড়েন। কোনওকিছু পরীক্ষা করার দরকার হলে তারা ভুল বুঝিয়ে বাইরে নিয়ে যায়। এমএসভিপি বলেন, কেউ এধরনের সমস্যায় পড়লে অভিযোগ করতে পারেন। সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্ত্রীকে নিয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসেছিলেন আউশগ্রামের দীনেশ মুর্মু। তিনি বলেন, সকাল সাড়ে ৭টায় এসে দেখি, লম্বা লাইন পড়ে গিয়েছে। অনেকে সকাল ৬টা থেকে হাজির হয়েছিলেন। সব বিভাগেই একই অবস্থা। আউটডোরে ভালো চিকিৎসা হচ্ছে বলেই রোগীদের ভিড় হচ্ছে। তবে হাসপাতালের কর্মীদের একাংশের ব্যবহার ভালো নয়। কর্তৃপক্ষের বিষয়টি দেখা উচিত। 
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শীতকালে আউটডোরে রোগীর সংখ্যা কম হয়। কিন্তু এবছর দেখা যাচ্ছ, এই সময়েও রোগী উপচে পড়েছে। হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও বেড়ে গিয়েছে। তবে প্রসূতি মৃত্যুর বিষয়টি এখনও চিন্তায় রেখেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, নাবালিকাদের ম঩ধ্যে বিয়ে করার প্রবণতা বেড়েছে। অল্পবয়সে তারা গর্ভবতী হয়ে পড়ছে। প্রসবের সময় অনেকেরই মৃত্যু হচ্ছে। এছাড়া অনেকে বাইরে ভুল চিকিৎসার শিকার হওয়ার পর হাসপাতালে আসছেন। তাঁদের বাঁচানো চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। সঠিক সময়ে হাসপাতালে এলে তাঁদের অনেককেই বাঁচানো সম্ভব হতো বলে চিকিৎসকরা মনে করছেন।

23rd     February,   2024
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ