বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দক্ষিণবঙ্গ
 

গোমরা মুখে কথা নয়, কর্পোরেট কায়দাতেই জানাতে হবে স্বাগত, শুরু হচ্ছে সরকারি কর্মীদের বিশেষ ট্রেনিং

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: সরকারি অফিসে গিয়ে আর তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরতে হবে না। গোমড়া মুখে নয়, কর্পোরেট কায়দাতেই রাজ্য সরকারের কর্মীরা হাসিমুখে অফিসে স্বাগত জানাবেন। সমস্যা সমাধানের জন্য তাঁরা নির্দিষ্ট সময় দেবেন। তারমধ্যেই কাজ হয়ে যাবে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী বলেন, আধিকারিকরা সরকারি কর্মীদের ‘মোটিভেশন স্পিচ’ দেবেন। অফিসে যাওয়া লোকজনদের সঙ্গে কী রকম ব্যবহার করতে হবে তা তাঁরা বুঝিয়ে বলবেন। বারবার কাউকে ঘোরানো যাবে না। কার কী সমস্যা রয়েছে তা মন দিয়ে শুনতে হবে। কাজ ফেলে রাখা চলবে না। গম্ভীর মুখে কথা বললে অনেকেই হতাশ হয়ে বাড়ি ফেরেন। কিন্তু হাসিমুখে ভালো ব্যবহার করলে সকলেই খুশি মনে বাড়ি ফিরে যান। সব কাজ করা সম্ভব নয়। তবে কোনও কাজ করা সম্ভব হলে ফেলে রাখা যাবে না।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার জেলাশাসক সমস্ত দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক আধিকারিক বলেন, ভালো ব্যবহার না করার অভিযোগ হামেশাই আসে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সমস্ত দপ্তরে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। কেউ নির্দেশ না মানলে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জেলার বাসিন্দারা বলেন, কয়েকটি দপ্তরের খারাপ অভিজ্ঞতা নিয়ে অনেককেই ফিরতেই হয়। বিশেষ করে ভূমি ও ভূমি সংস্কার, খাদ্যদপ্তরে এই ধরনের অভিজ্ঞতা অনেকের রয়েছে। মঙ্গলবার ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অফিসের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন রাজীব দাস। তিনি বলেন, সব সরকারি কর্মী খারাপ ব্যবহার করেন এমনটা নয়। কিন্তু কয়েকজন কর্মীর জন্য পুরো দপ্তরের বদনাম হয়। বিভিন্ন অজুহাতে অফিস থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ভালো ব্যবহার পাওয়া গেলে কাজ না হলেও ততটা আক্ষেপ থাকে না। কিন্তু অনেক সময় এমন ব্যবহার করা হয় যে দ্বিতীয়বার অফিসে আসতে ইচ্ছে করে না। তাঁর সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকা আর এক ব্যক্তি বলেন, পরিবহণ, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরগুলিতে আমজনতা গুরুত্ব না পেলেও দালালদের দাপট রয়েছে। মাঝেমধ্যে মনে হয় তারাই অফিস চালাচ্ছে। সাধারণ মানুষ ছোট কাজ নিয়ে গেলেও তাদের কথা অনেক সময় শোনা হয় না। 
এক আধিকারিক বলেন, প্রতিটি দপ্তরে কাজের চাপ থাকে। সেই কারণে কোনও কোনও সময় কর্মীদের একাংশ খারাপ ব্যবহার করেন। তা করা উচিত নয়। অফিসে আসা লোকজনের কাছ থেকে ধৈর্য্য ধরে কথা শুনলে তাঁরা খুশি হন। কর্পোরেট অফিসগুলিতে গেলে সবসময় ১০০শতাংশ কাজ হয় এমনটা নয়। কিন্তু ভালো ব্যবহারের জন্য সেখান থেকে খুশি মনে বাড়ি ফেরেন। জেলাশাসক বলেন, আধিকারিকরা কর্মীদের মনোযোগ বাড়ানোর জন্য কয়েকদিনের মধ্যেই টিপস দেবেন।

6th     December,   2023
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ