বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দক্ষিণবঙ্গ
 

বৃষ্টির পূর্বভাসে জমির পাকা ধান নিয়ে চিন্তায় ঝাড়গ্রামের চাষিরা, ঘরে তোলার তোড়জোড়

সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: এখনও ৭০ শতাংশ জমির পাকা ধান ঘরে তোলা হয়নি। এরই মাঝে জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। জমিতে পড়ে থাকা কাটা ধান বৃষ্টিতে ভিজে অঙ্কুরিত হয়ে যাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পাকা ধানের ক্ষতির আশঙ্কায় ঘুম ছুটেছে জেলার চাষিদের। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় গত সোমবার রাতে ও মঙ্গলবার সকালে বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আজ বুধবার ও আগামী বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম সহ বিভিন্ন জেলায় হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। জেলার ধান চাষিরা, তাই সপরিবারে জমিতে নেমে পড়ছেন। দ্রুত পাকা ধান কেটে ঘরে তোলার প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। জেলা কৃষিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী এমনিতেই কম বৃষ্টিপাতের দরুন এই মরশুমে জেলায় প্রায় সাড়ে ১০ হাজার হেক্টর কম জমিতে ধান চাষ হয়েছে। এবারে এই মরশুমে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লক্ষ সাড়ে ৫৬ হাজার একর জমি। সে জায়গায় ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৪৫ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। এছাড়াও জেলার জঙ্গল অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় সারা বছরই কম বেশি হাতির উপদ্রবে ধান চাষের ক্ষয়ক্ষতি লেগেই রয়েছে। এরই মাঝে মেঘাচ্ছন্ন আকাশ ও বৃষ্টির পূর্বাভাসে চাষিদের ঘুম উড়েছে। এই নিয়ে ঝাড়গ্রামে সাঁকরাইল এলাকার চাষি বিশ্বরঞ্জন মাহাত বলেন, গত সোমবার রাতে এই এলাকায় এক পশলা ভালো বৃষ্টি হয়েছে। গোটা সাঁকরাইল এলাকায় ২০-২৫ শতাংশ জমির ধান ঘরে তোলা হয়েছে। যে ধান কাটা অবস্থায় জমিতে পড়ে রয়েছে তা ভিজে গেলে অঙ্কুরিত হয়ে যাবে। সেই ধান কোনও কাজেই লাগবে না। 
অনেকেই মেশিন লাগিয়ে ধান কাটার চেষ্টা করছে। অনেকেই সপরিবারে সারাদিন জমিতে থেকে ধান ঘরে আনার কাজে ব্যস্ত। বৃষ্টি বেশি হলে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে যাবে। আমরা এলাকার চাষিরা চিন্তিত। জামবনী এলাকার এক চাষি বলেন, আমাদের এদিকে মঙ্গলবার ভোরে দু’-এক ফোঁটা বৃষ্টি হয়েছে। তবে বৃষ্টি বাড়লে পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে যাবে। অধিকাংশ চাষির বিঘার পর বিঘা জমির ধান কেটে জমিতে ফেলে রাখা হয়েছে। এই নিয়ে জেলা কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এখনও পর্যন্ত জেলায় ৩০ শতাংশ জমির পাকা ধান ঘরে তোলা হয়েছে। ৭০ শতাংশ জমিতে পাকা ধান রয়েছে। বৃষ্টি বেশি হওয়ার পূর্বাভাস নেই। ফলে পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। 
ধান নিয়ে বাড়ির পথে।-নিজস্ব চিত্র

6th     December,   2023
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ