বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দক্ষিণবঙ্গ
 

পিএম কিষানের অযোগ্যদের থেকে দ্রুত টাকা আদায়ের নির্দেশ কেন্দ্রের

অগ্নিভ ভৌমিক, কৃষ্ণনগর: পিএম কিষানের তালিকাভুক্ত ভুয়ো চাষিদের থেকে টাকা আদায়ের নির্দেশ দিল কেন্দ্রের মোদি সরকার। খুব শীঘ্রই সেই টাকা উপভোক্তাদের কাছ থেকে আদায় করতে বলা হয়েছে। যদিও আদায়ের নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। তা হলেও জেলায় জেলায় কৃষিদপ্তরের অধিকারিকরা অযোগ্য উপভোক্তাদের খুঁজে বের করার কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তালিকা তৈরি করে যোগাযোগ করা হচ্ছে। অনেক উপভোক্তাই ইতিমধ্যেই টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন। তারপর সেই টাকা কেন্দ্রের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।‌ ভোটের মুখে টাকা ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে কেন্দ্রের এই অতি তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। রাজনৈতিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে।‌ নদীয়া জেলায় পিএম কিষানে প্রায় ৫০ হাজার ভুয়ো উপভোক্তা রয়েছে। যার মধ্যে প্রায় দেড়শো জন টাকা ফেরত দিয়ে দিয়েছে।‌ 
জেলা কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, পিএম কিষানে কিছু অযোগ্য নাম ঢুকেছিল। সেগুলির তালিকা তৈরি করার কাজ চলছে। কেন্দ্র খুব দ্রুত টাকা আদায় করতে বলেছে। অনেকেই টাকা ফেরত দিয়ে যাচ্ছে।‌ তবে, আমাদের তরফ থেকে কাউকেই জোর করা হচ্ছে না।
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে, অর্থাৎ ২০১৯ সালে মোদী সরকার পিএম কিষান প্রকল্প চালু করে। কিন্তু নিয়মকানুনের গেরোয় অনেক চাষিই প্রথমদিকে আবেদন করতে চাইছিলেন না। তখন কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে উপভোক্তার সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। অনেক জেলাতেই কৃষকবন্ধুর তালিকায় থাকা উপভোক্তাদের পিএম কিষানেও নথিভুক্ত করানো হয়েছিল। তাতেই বেনোজল ঢুকে যায় বলে প্রশাসনিক কর্তাদের মত।  সেইমতো টাকাও চলে যায় ভুয়ো চাষিদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে।‌ বিষয়টি সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। দেখা যায়, একই পরিবারের একাধিক সদস্যর নামে পিএম কিষান হয়েছে। এছাড়াও আর্থিক অবস্থা ভালো হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের নাম পিএম কিষানে ঢুকে যায়। এখন সেই সমস্ত নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া ও ভুয়ো উপভোক্তাদের থেকে আদায়ে জোর দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার। সেইমতো জেলার কৃষি অধিকারিকরা ই-কেওয়াইসির মাধ্যমে তা খতিয়ে দেখছেন।
জেলা কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, নদীয়া জেলায় পিএম কিষানে ৩ লক্ষ ২৮ হাজার উপভোক্তা রয়েছে। যার মধ্যে ২ লক্ষ ৮২ হাজার উপভোক্তা টাকা পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু বাকি ৪৬ হাজার উপভোক্তা ভুয়ো। যাদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১৪৮ জন টাকা ফেরত দিয়েছে। ১০০ দিনের প্রকল্প, আবাস যোজনার পর চলতি বছর আগস্ট মাসে পিএম কিষানেও খুঁত ধরতে টিম পাঠিয়েছিল কেন্দ্র সরকার। কৃষকদের একাংশের অভিযোগ, আবেদন করার পরও কেন্দ্রের এই প্রকল্পের টাকা পাওয়া যায় না। অথচ, কৃষকবন্ধু প্রকল্পের টাকা পাওয়া অনেক সহজ।   এ ছাড়াও বাংলায় শস্যবিমার সাফল্য ভিন রাজ্যেও প্রশংসা কুড়িয়েছে। একাধিক রাজ্যের প্রতিনিধি দল এসে এই প্রকল্পের খুঁটিনাটি বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন। 

30th     November,   2023
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ