Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি। ভ্যাকসিনের ভালোমন্দ বোঝার আগেই আমেরিকা তাই সাত হাজার তিনশো চুয়াল্লিশ কোটি পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়ে ভ্যাকসিনটির আগাম বায়না সেরে রেখেছে। অগ্রিম বায়নায় জাপান, ইউরোপ, ইংল্যান্ডও একই পথের পথিক। সিরাম ইন্ডিয়ার সৌজন্যে ভারতেও ২২৫ টাকায় মিলবে ভ্যাকসিনটি। গরিব মানুষকে সরকার ভ্যাকসিনটি দেবে ৬০ টাকায়। তর সইছে না কারওরই। ফেজ-থ্রি ট্রায়ালের ওপরই ভ্যাকসিনটির ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভরশীল। ভ্যাকসিনটি কতটা ফলপ্রদ—তাও বোঝা যাবে ফেজ-থ্রি ট্রায়াল সসম্মানে উতরনোর পর। দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল ও ইংল্যান্ডে ভ্যাকসিনটির ট্রায়াল চলছে। ভারত ও আমেরিকাতেও ট্রায়াল শুরু হওয়ার মুখে। সেই মাহেন্দ্রক্ষণে এক স্বেচ্ছাসেবকের অসুস্থতায় সারা বিশ্ব মায় ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারীরাও প্রমাদ গুনছেন। আগেও এক স্বেচ্ছাসেবকের অসুস্থতায় সাময়িক বিরতি দিতে হয়েছিল অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনটির ট্রায়ালে। ভ্যাকসিনজনিত কারণেই অসুস্থতা হয়ে থাকলে শুধু ‘কোভিশিল্ড’ নয়, অন্যান্য ভ্যাকসিনের কপালেও দুর্যোগের ঘনঘটা অবশ্যম্ভাবী।
বিশ্বে সব থেকে কম সময়ে, ভূমিষ্ঠ হয়েছিল মাম্পসের ভ্যাকসিন। ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ থেকে ফেজ-থ্রি ট্রায়ালের গাঁট পেরিয়ে এফডিএ-র অনুমোদন পেয়ে, ১৯৬৭ সালে, মাত্র চার বছরে ভ্যাকসিনটি দিনের আলো দেখেছিল। কোভিড মাত্র আট মাসের ফোকলা শিশু। তাড়াহুড়ো করে নামকা ওয়াস্তে ট্রায়ালের পর ভ্যাকসিন বাজারে এনে মানুষকে গিনিপিগ বানিয়ে তা নির্বিচারে দেওয়া শুরু হলে কোনও অভাবিত বিপদের সম্মুখীন মানবসভ্যতাকে হতে হবে না তো? ভয়াবহতায় যা কোভিডকেও হার মানাবে! এ প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। কারণ, ১৯৭৬ সালের ফেব্রুয়ারি, নিউ জার্সির ‘ফোর্ট ডিক্সে’একটি সেনা ছাউনিতে শ’-খানেক সৈন্য ‘এইচ-ওয়ান এন-ওয়ান’ বা ‘সোয়াইন ফ্লু’তে বেমক্কা সংক্রামিত হলেন। ১৯১৮-র সোয়াইন ফ্লু মহামারীর স্মৃতি তখনও ঝাপসা হয়নি। পাঁচ কোটি লোক মারা গিয়েছিল ১৯১৮-র সোয়াইন ফ্লুতে। কিন্তু ১৯১৮-র সোয়াইন ফ্লুর দাপটের সিকিভাগও ১৯৭৬-তে অবশিষ্ট ছিল না। অবশিষ্ট ছিল ১৯ মাস আগে ছেড়ে যাওয়া রিচার্ড নিক্সনের গদির প্রলোভন। নির্বাচনে জিতলেই হোয়াইট হাউসের চার বছরের রাজ্যপাট নিশ্চিত ছিল জেরাল্ড ফোর্ডের।
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের অবাধ মিউটেশনের চরিত্রহীনতার বহর দেখে তখন ‘হু’ বছরে দু’বার ভ্যাকসিন তৈরির ফরমায়েশ করত। দরদি প্রেসিডেন্ট, জেরাল্ড ফোর্ডের জনগণের দুর্দশায় চোখের জলের বাঁধ মানল না। ‘হু’-কে বাধ্য করে তড়িঘড়ি ভ্যাকসিনের বরাত দেওয়া হল। মিলল না নিয়মমাফিক ট্রায়ালের ফুরসত। সমাজের কেষ্টবিষ্টু থেকে সাধারণ মানুষ লাইন লাগিয়ে ভ্যাকসিন নিতে শুরু করলেন। একটি মানুষের প্রাণও যাতে না যায় তার জন্য রাতারাতি মার্কিন কংগ্রেস ১৩.৫ কোটি ডলার বরাদ্দ করল। শুরু হল গণটিকাকরণ। ওভাল অফিসে আস্তিন গুটিয়ে ক্যামেরার অজস্র ফ্ল্যাশবাল্বের ঝলকানির মধ্যে জেরাল্ড ফোর্ডও বসে পড়লেন টিকা নিতে। ভ্যাকসিন পর্ব সমাধা হতে না-হতেই ৪৫০ জন ভ্যাকসিন-গ্রহীতা ‘গ্যুলেন-বেরি সিনড্রোমে’ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়লেন। মারা পড়লেন তিরিশেরও বেশি মানুষ। টিকা নেওয়ার বহু বছর পরেও অসংখ্য মানুষ কালাত্মক ‘গ্যুলেন-বেরি সিনড্রোমে’ আক্রান্ত হয়ে চিরকালের জন্য পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। জনগণের জন্য দরদের পরাকাষ্ঠা, না কি রাজনীতির চাল, না কি চটজলদি জনপ্রিয়তার অমোঘ হাতছানি—কোন অছিলায় অবৈজ্ঞানিক ব্যর্থ টিকার হোমানলে আত্মাহুতি দিতে বাধ্য করা হল অসংখ্য অসহায় মানুষকে? সে-যাত্রায় সোয়াইন ফ্লু-র ভ্যাকসিনে আমেরিকার দোসর হয়নি কোনও দেশই। ফলে, বরাতজোরে তারা বেঁচে গিয়েছিল। ফোর্ট ডিক্সেও একটি ব্যতীত মৃত্যু হয়নি আর কোনও সৈনিকের। ট্রাম্পের সঙ্গে বা মোদিজির সঙ্গে কিঞ্চিৎ মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে কি জেরাল্ড ফোর্ডের? নভেম্বরে আমেরিকার নির্বাচন, আগামী বছরে পশ্চিমবঙ্গে ভোট। নির্বাচনে ভরাডুবির হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে তুরুপের তাস হতেই পারে ভ্যাকসিন! দু’-দশ কোটি লোকের ফাঁকতালে মহাপ্রয়াণেই-বা তাতে কী ক্ষতি?
কোভিডের নেই কোনও ওষুধ, ভাবিজি পাঁপড় বা ‘সংশামনি বটিকা’ বা গোমূত্র ছাড়া নেই কোনও চিকিৎসা পদ্ধতি। সাধারণ মানুষের কাছে উত্তাল করোনা-সমুদ্রে ভাসার খড়কুটো ভ্যাকসিনের দুরাশা। গুটিবসন্ত, প্লেগ, হাম, পোলিও বাগ মেনেছে ভ্যাকসিনে। সবগুলিই করোনার তুলনায় বহুগুণ ভয়াবহ। ‘নিউট্রালিজিং অ্যান্টিবডি’ বা ‘নিউট’ মারফত ভ্যাকসিন ইমিউনিটি জোগায়। ‘ল্যানসেটে’র সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে স্পষ্ট কোভিডের ক্ষেত্রে যে ক’টি ভ্যাকসিন ফেজ-থ্রি ট্রায়ালে কিঞ্চিৎ আশার আলো জ্বালিয়েছে তারা কেউই ৩০ শতাংশের বেশি ‘নিউট’ তৈরি করতে পারছে না। ৩০ শতাংশ নিউটে কাজের কাজ অর্থাৎ ‘হার্ড ইমিউনিটির’ পরিবর্তে হতেই পারে ‘ভ্যাকসিন এনহান্সমেন্ট’ বা ‘অ্যান্টিবডিডিপেনডেন্ট এনহান্সমেন্ট’। ফিলিপিন্সে ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ পর্যন্ত ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন ‘ডেঙ্গভ্যাক্সিয়ার’ ভ্যাকসিন এনহান্সমেন্টে ৬০০ নিষ্পাপ শিশু-সহ হাজার জনেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্কের মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গু থেকে বাঁচাতে জাতীয় স্তরে পরিকল্পনামাফিক শিশুদের টিকাকরণ শুরু হয়েছিল ফিলিপিন্সে। ভ্যাকসিন দেওয়ার পর এমন তেড়েফুঁড়ে ডেঙ্গু ফিরে এল যে কোনও চিকিৎসাতেই মারণ ডেঙ্গু আটকানো গেল না। কোভিডের ক্ষেত্রেও এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যে ঘটবে না তা হলফ করে বলা মুশকিল।
গুটিবসন্ত, প্লেগ, হাম, পোলিও, টিবি, এডস, কোভিডের সঙ্গে লড়ার ক্ষেত্রে শরীরের স্বাভাবিক সহজাত ‘ইনেট ইমিউনিটি’র সঙ্গে প্রয়োজন ‘অ্যাডাপ্টিভ ইমিউনিটি’র জোশ। ভ্যাকসিন সচরাচর ‘টি সেল’ মারফত বাইরে থেকে ঠেকান দেয় সেই ‘অ্যাডাপ্টিভ ইমিউনিটি’কে। ভ্যাকসিন ‘টি সেল’ মারফত যে ধরনের সুরক্ষা প্রদানে অভ্যস্ত কোভিডের ক্ষেত্রে তা একেবারেই অনুপস্থিত। থোরাসিক লিম্ফ নোড বা প্লীহার, জার্মিনাল সেন্টার, ‘টিএনএফ-আলফা’র দু’কুল ভাসানো প্লাবনে চিরাচরিত ‘টি সেল’ তৈরিই করতে পারছে না। অথচ ‘রিসেপ্টর বাইন্ডিং ডোমেইন’ বা ‘এস-আরবিডি’তে ৮৬% ও ভাইরাসটির ‘নিউক্লিয় ক্যাপসিড’ বা ‘এন-প্রোটিনে’ তৈরি হচ্ছে ৭৪% ‘নিউট্রালাইজিং অ্যান্টিবডি’। আবার নভেল করোনার পিসি-মাসি বা ‘কমন কোল্ড করোনা ভাইরাসদের’ দৌরাত্ম্যে গা-সওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জার সৌজন্যেই ‘সিডিফোর’ ও ‘সিডিএইট প্লাস’ টি সেলের বিরাট এক সাঁজোয়া বাহিনী শরীরের সমরাঙ্গণে আগে থেকেই প্রস্তুত রয়েছে। নভেল করোনাকে পরাভূত করার পক্ষে তাও যথেষ্ট কার্যকর। ভ্যাকসিন মারফত পরিচিত ‘টি সেলের’ অ্যান্টিবডি মিলছে না বলে হা-হুতাশ করা নির্বুদ্ধিতা। ভ্যাকসিনের অভাবে হাজারো অপরিচিত অ্যান্টিবডিকে সম্মুখসমরে নামিয়ে শরীর অক্লেশে করোনার মোকাবিলা করছে। ভ্যাকসিনের ‘ছদ্ম নিরাপত্তায়’ না-ভুলে মাস্ক পরে, অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোভিডকে কিন্তু সহজেই পরাস্ত করা যায়।
 লেখক লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিকাল মেডিসিন -এর বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। মতামত ব্যক্তিগত 
23rd  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। 
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
অর্থনীতিই নয়, ভয়াবহ বিপর্যয় বিদেশনীতিরও
হিমাংশু সিংহ

২০১৪ থেকে ২০২০। মাঝে মাত্র ৬ বছর। দুর্বল না হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী শক্তিশালী একনায়ক হলে রাষ্ট্রের বিপদ কী কী? এই ক’বছরেই তার মোক্ষম উত্তর পেয়ে গিয়েছে দেশ। এমনকী পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে, এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরকারি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির সঙ্গে নরেন্দ্রনাথ দত্তের তুলনা টানছেন বুক ফুলিয়ে।  
বিশদ

20th  September, 2020
কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

19th  September, 2020
বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
একনজরে
 বর্ধমান থানার মির্জাপুরে বাসের ধাক্কায় এক স্কুল ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম জয়দীপ সুবুধি (১৫)। সে বর্ধমান শহরের মিউনিসিপ্যাল বয়েজ হাইস্কুলে পড়ত। ...

 দুই ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র সহ মালদহের ১১জনকে হন্যে হয়ে খুঁজছে এনআইএ। তাদের ধরার জন্য বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশিও চালিয়েছে তারা। ওই দুই ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র ডোমকল থেকে ধৃত ...

 প্রতিপক্ষ ফুটবলারের গায়ে থুতু দেওয়ার অপরাধে চার ম্যাচ নির্বাসিত হলেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। গত ১৪ সেপ্টেম্বর ফরাসি লিগে প্যারি সাঁজাঁ বনাম মার্সেই ম্যাচের শেষ লগ্নে ...

১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে রায়দিঘির মথুরাপুর ২ ব্লকে পাতিলেবু ও আনারসের গ্রাম গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে প্রশাসন। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মেয়েদেরও এই কাজে নামানো হবে। বিডিও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রেম-প্রণয়ে কিছু নতুনত্ব থাকবে যা বিশেষভাবে মনকে নাড়া দেবে। কোনও কিছু অতিরিক্ত আশা না করাই ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস
১৯৩৯- অভিনেতা ফিরোজ খানের জন্ম
১৯৪৬- ক্রিকেটার বিষেণ সিং বেদির জন্ম
১৯৬৯ - বিখ্যাত বাঙালি চিত্রপরিচালক, অভিনেতা এবং নাট্যব্যক্তিত্ব মধু বসু ওরফে নাম সুকুমার বসুর মৃত্যু
১৯৯০- রাজনীতিবিদ,স্বাধীনতা সংগ্রামী গান্ধীবাদি নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের তৃতীয় মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র সেনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৯৯ টাকা ৭৪.৭০ টাকা
পাউন্ড ৯২.১৯ টাকা ৯৫.৪৭ টাকা
ইউরো ৮৪.৫২ টাকা ৮৭.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৮৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,৫৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৭,১৮০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৭,২৮০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ আশ্বিন ১৪২৭, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, নবমী ৩৩/৬ রাত্রি ৬/৪৪। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ৩২/৩৩ রাত্রি ৬/৩১। সূর্যোদয় ৫/২৯/৪৮, সূর্যাস্ত ৫/২৬/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/১৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৩ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/২৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/২৮ গতে ৯/৫৮ মধ্যে।
৮ আশ্বিন ১৪২৭, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, নবমী রাত্রি ১০/৩১। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র রাত্রি ১১/৬। অমৃতযোগ দিবা ৬/২২ মধ্যে ও ৭/৮ গতে ৯/২৭ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ২/৫১ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৫৯ গতে ৯/১৮ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ৩/৭ মধ্যে ও ৩/৫৭ গতে ৫/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/২৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/২৯ গতে ৯/৫৯ মধ্যে।
৭ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আপনার আজকের দিনটি
মেষ: প্রেম-প্রণয়ে কিছু নতুনত্ব থাকবে যা বিশেষভাবে মনকে নাড়া দেবে। বৃষ: ...বিশদ

04:29:40 PM

ইতিহাসে আজকের দিন
বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস১৯৩৯- অভিনেতা ফিরোজ খানের জন্ম১৯৪৬- ক্রিকেটার বিষেণ সিং ...বিশদ

04:28:18 PM

 আইপিএল: চেন্নাই সুপার কিংসকে ৪৪ রানে হারাল দিল্লি ক্যাপিটাল

11:13:05 PM

আইপিএল: চেন্নাই ১০১/৪ (১৬ ওভার) 

10:49:48 PM

আইপিএল: চেন্নাই ৪৭/৩ (১০ ওভার) 

10:14:56 PM

 আইপিএল: চেন্নাই ২৬/১ (৫ ওভার)

09:51:00 PM