Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বারবার তাঁর হাতে দেখি মৃত্যুর পরোয়ানা 
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক বলতেন, যে একবার ভুল করে, সে অজ্ঞতা থেকে করে। তিনবার পর্যন্ত ভুল অজ্ঞতা থেকে হতে পারে। কিন্তু কেউ যদি বারবার ভুল করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে, সে ইচ্ছে করেই ভুল করছে এবং তার পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মোদিমশাইয়ের বারবার ভুল করা দেখে সেই শিক্ষকের কথা মনে পড়ে গেল। মোদি সরকারের একের পর এক ভুল সিদ্ধান্তে দেশটা ক্রমেই টাইটানিকের মতো একটু একটু করে তলিয়ে যাচ্ছে। ক্রমেই আমাদের বেঁচে থাকার অক্সিজেন কমে আসছে। এতগুলি ভ্রান্তিবিলাসের পর আবার আনা হল কৃষকঘাতী বিল। এবার দেশের কৃষক সমাজকে ঠেলে দেওয়া হল মৃত্যুর দিকে।
হ্যাঁ, মোদি সরকারের আনা এই বিল কৃষকদের মৃত্যুর পরোয়ানা ছাড়া আর কিছুই নয়। এই কৃষিবিল দেশের চাষিদের আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেবে। তাঁদের মঙ্গলের নামে অমঙ্গল ডেকে আনবে। কৃষিক্ষেত্রটাই বৃহৎ শিল্পপতিদের দখলে চলে যাবে। কৃষিপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা চলে যাবে বড় বড় কর্পোরেট সংস্থার হাতে। কয়েকটি সংস্থা মিলে ঠিক করবে, কোন কৃষিপণ্যের কী দাম হবে। সেক্ষেত্রে তারাই বাজার একচেটিয়াভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে। তখন বাজারের মূল ভাষ্য হয়ে দাঁড়াবে, ‘হে চাষিগণ, হয় এই দাম নাও, নাহলে ভাগো।’ ভাগো মানে তুমি জাহান্নামে যাও, আমরা মুনাফা করে নিই। বানিয়া সরকারের বানিয়া সঙ্গীরা লুটেপুটে খাবে। আর চাষি কীটনাশক খেয়ে মর্গে পড়ে থাকবে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায়।
সারাদেশের খোলাবাজারে চাষিরা কৃষিপণ্য বিক্রি করতে পারবেন বলে লোভ দেখিয়ে তাঁদের কর্পোরেট সংস্থার গাড্ডার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। তাহলে মান্ডি কি থাকবে? সরকার বলছে থাকবে। কিন্তু এমন চালাকি করে তা করা হচ্ছে যে, দু’একবছর পরে তার আর কোনও প্রয়োজনই থাকবে না। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য কি থাকবে না? সরকার বলছে থাকবে। কিন্তু সরকার নামার আগে কর্পোরেট সংস্থাগুলি বাজারে নেমে ধান কিনতে শুরু করে দিলে এর আর কোনও মূল্যই থাকবে না। সরকার বলছে, বিক্রির বাজার বড় হয়ে গেলে ভালো দাম পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু কয়েকটি কোম্পানি যদি বাজার নিয়ন্ত্রণ করে, তখন তা মনোপলি মার্কেটিং হয়ে যায়। সেখানে ছোট ব্যবসায়ীদের প্রবেশাধিকার থাকে না। ছোট বিক্রেতারা তাদের সঙ্গে টাকার প্রতিযোগিতায় হেরে যায়। একচেটিয়া বাজার দেশের বৃহৎ পুঁজিপতিদের কুক্ষিগত হয়ে যায়। এভাবেই নিঃশব্দে লেখা হয়ে যায় মৃত্যুর পরোয়ানা।
সরকারের যদি ভালো উদ্দেশ্যই থাকবে, তবে রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা না করে একতরফাভাবে এই বিল চাপিয়ে দিচ্ছে কেন? আসলে এতে রাজ্যগুলির ক্ষতি হবে। এতে রাজ্যের খাদ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হবে। রেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। খাদ্যসামগ্রীর দাম চড়চড় করে উঠতে থাকবে। কর্পোরেট সংস্থাগুলি চাষির থেকে কম দামে কিনে তা খোলাবাজারে দেশের মানুষের কাছে বেশি দামে বিক্রি করবে। মানুষ কী দামে খাদ্যসামগ্রী কিনবে, তাও তারা ঠিক করে দেবে। তাদের কাছে গচ্ছিত থাকবে দেশের সিংহভাগ খাদ্যসামগ্রী। তাই তাদের মুনাফার ব্যবস্থা মোদি সরকার করে দিল। কৃষিবিলের প্রতিটি শর্তের মধ্যে লেখা রয়েছে কৃষকের অন্তিম শ্বাস। অতীতের মতোই আবার দেখা গেল, দেশের বড় বড় শিল্পপতিদের স্বার্থকেই তিনি প্রাধান্য দিচ্ছেন। তাঁদের হাতে তামাক খেয়ে তিনি দেশের সবক্ষেত্রেই নীতি নির্ধারণ করছেন। এর কারণ আছে। দেশের শিল্পপতিদের একটা বড় শিক্ষা দিয়ে গেল করোনা। করোনার সময় শিল্প-টিল্প সব বন্ধ। যেটুকু সক্রিয় ছিল, সেটা হল দেশের কৃষিক্ষেত্র। তাই শিল্পপতিদের নজর পড়েছে এবার কৃষিক্ষেত্রে। শিল্পপতিরা হয়ে উঠতে চাইছেন কৃষিপতি। হে চাষি, তোমার লাঙল, তোমার জমি, আমার প্রফিট। তুমি আসলে আমার কৃষিদাস।
পাঞ্জাবে ইতিমধ্যেই এর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়েছে। হরিয়ানায় শুরু হয়েছে। আস্তে আস্তে তা বিহার, ঝাড়খণ্ড সহ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে। কৃষকঘাতী এই আইনের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গও অবিলম্বে রুখে দাঁড়াবে। সামনে বিহারে ভোট। এই কৃষিনীতি সেখানেও চাষিদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন ফেলবে। এই সময়ে বিহারে বিরোধী দলগুলি যদি সাবালকের মতো আচরণ করতে না পারে, তবে তারা চাষিদের এই সরকার বিদ্বেষী মনোভাবের ফসল ভোটবাক্সে তুলতে পারবে না। আগামী বছর এই রাজ্যে বিধানসভা ভোট। এখনই গেরুয়া শিবিরের মধ্যে যে ঔদ্ধত্য দেখা যাচ্ছে, তাতে তারা ধরেই নিয়েছে, এখানে বিজেপি সরকার গড়ে ফেলেছে। একটা কথা এখানে বলাই যায়। সেটা হল, মোদি সরকারের যাবতীয় জনবিরোধী কাজের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মতো শক্তিশালী একটা মুখই দেশে আছে। তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই মোদি-বাহিনী জানে, তাঁকে কোনওভাবে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ফেলতে পারলে মোদির যাবতীয় খুড়োর কলের প্রকল্প বিনা বাধায় দমন-পীড়নের মধ্য দিয়ে এখানে প্রয়োগ করা সম্ভব হবে। হায়রে, ভোটারদের মনের খবর দেবা ন জানন্তি কুতো লিডার। কৃষিবিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শিরোমণি অকালি দলের হরসিমরতের পদত্যাগের পর চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন হরিয়ানার উপ মুখ্যমন্ত্রী দুষ্যন্ত সিং চৌতালা। বিজেপির টোপ গিলে তিনি উপ মুখ্যমন্ত্রীর পদ পেয়ে আহ্লাদিত হয়েছিলেন। এখন জাঠ-কৃষকদের আন্দোলন দেখে ঠিক করতে পারছেন না সিংহাসন আঁকড়ে থাকবেন, নাকি ওই পদ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে কৃষকদের পাশে গিয়ে দাঁড়াবেন। ইতিমধ্যেই তাঁর দল জননায়ক জনতা পার্টিতে ভাঙন শুরু হয়েছে। দলের ভিতরেই একটা শক্তি দুষ্যন্তের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করেছে। তারা বুঝেছে, এভাবে বিজেপির তোষামোদ করে ক্ষমতার রসগোল্লা খেতে থাকলে আগামীদিনে তাদের রাজনৈতিক কেরিয়ার শেষ হয়ে যাবে। তখন একফোঁটা রসও জুটবে না। সুতরাং এই মুহূর্তে কৃষকদের পাশেই দাঁড়াতে হবে। যে কারণে হরসিমরতকে সরে দাঁড়াতে হয়েছে। পাঞ্জাবের কৃষকরা হুমকি দিয়ে বলেছেন, যাঁরা এই বিলকে সমর্থন করবেন, তাঁদের গ্রামে ঢুকতে দেবেন না। রাজনৈতিক নিরাপত্তার স্বার্থে এনডিএ জোটে ভাঙন ধরতে শুরু করেছে। বিহারে ভোটের আগে দোনামোনায় অন্য শরিকদল রামবিলাস পাসোয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি। একেই আসনরফা নিয়ে কোণঠাসা রামবিলাসের দল পাল্টা জবাব দিতে চাইছে। এই অবসরে তাঁর রাজনৈতিক হাতিয়ার হতে পারে কৃষি বিল।
নমো-র শাসনকালে আমরা বারবার তাঁর হাতে দেখি মানুষের মৃত্যুর পরোয়ানা। নোটবাতিলের রূঢ় নৌটঙ্কিতে ব্যাঙ্ক আর এটিএমের সামনে দাঁড়িয়ে কত মানুষ মারা গিয়েছেন, সরকারের কাছে তার কোনও হিসেব আছে? এনআরসি, সিএএ’র মতো নষ্ট আইন প্রতিষ্ঠা করার গা-জোয়ারিতে কত মানুষের চোখের জল পড়েছে, আত্মহত্যা করেছেন কতজন, মোদি সরকারের কাছে তার কোনও হিসেব আছে? লকডাউনে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে কষ্টে, যন্ত্রণায়, অনাহারে সারাদেশে কত মানুষের মৃত্যু হয়েছে, মোদি সরকারের কাছে তার কোনও হিসেব আছে? নেই। কেননা এসব চোখের জল আর মৃত্যুর কোনও দামই নেই এই কর্পোরেট সরকারের কাছে। সরকারের প্রাত্যহিক ড্রামাবজির আড়ালে দেশের নানা প্রান্তে মানুষ নিষ্পেষিত হচ্ছে। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ঔদ্ধত্য তাঁকে ভুলিয়ে দিয়েছে দেশের মানুষের কথা। একদিকে ধনী আরও ধনী হয়ে উঠছে, গরিব আরও গরিব হয়ে যাচ্ছে। কর্পোরেট ভাবনায় এসবের কোনও মূল্যই নেই। একদিন তিনি রেলস্টেশনে চা বেচতেন। আজ তিনি দেশের রেলস্টেশনই বেচে দিতে মরিয়া। তাঁর বিভিন্ন সিদ্ধান্তে লাভবান হচ্ছেন দেশের বৃহৎ শিল্পপতিরা। তাঁদেরই শতশত কোটি টাকার সাহায্য এসে জমা হচ্ছে পিএম কেয়ার্স ফান্ডে।
মার্চ মাসে করোনা হানার আগে ফোর্বস সারা বিশ্বের ধনীদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল। একশো কোটি ডলারের মালিকদের সেই তালিকায় ভারতের ১১২ জন বিলিওনার ছিলেন। কয়েকদিন আগে আবার ফোর্বস একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, সেখানে ভারতের ১১৭ জনের নাম আছে। অর্থাৎ করোনাকালে আরও ১৫ জন ভারতীয় তাঁদের সম্পত্তি বাড়িয়ে এই তালিকায় ঢুকে পড়েছেন। যাঁরা তালিকায় ছিলেন, তাঁদের সম্পত্তিও অনেক বেড়েছে। পাশাপাশি মার খেতে খেতে ক্রমেই পিছু হটছে এদেশের দরিদ্র আর মধ্যবিত্তরা। জিডিপি মাইনাসে, করোনাকালে চাকরি হারিয়েছেন এদেশের প্রায় ৪২ লক্ষ মানুষ। ওই ৪২ লক্ষ মানুষ অন্তত দেড় থেকে দু’ কোটি মানুষের অন্নসংস্থান করত, সেই সব পরিবার এখন খড়কুটো আঁকড়ে বাঁচতে চাইছে। ব্যাঙ্কের সুদ কমতে কমতে এমন জায়গায় এসেছে, যেখানে প্রবীণরা তাঁদের ওষুধ কেনার পয়সা জোগাড় করতে পারছেন না, রুটি জোগাড় তো দূর কি বাত! চাকরির পর ব্যাঙ্কে জমানো পিএফের উপর সুদের টাকায় কোটি কোটি মানুষের সারা মাস চলে। তাঁদের মুখের খাবার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে বিনিয়োগ করছেন শেয়ার বাজারে। লক্ষ্য করার বিষয়, কীভাবে নিঃশব্দে মানুষকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে শেয়ার বাজারের অনিশ্চয়তার দিকে। শেয়ার বিক্রি বাড়ছে, তার দরও বাড়ছে। লাভবান হচ্ছেন বড় বড় শিল্পপতিরা। এভাবেই নিঃশব্দে তৈরি হয়ে যায় মৃত্যুর পরোয়ানা।
আরও আছে, ধৈর্যং রহু। কর্মীদের ছাঁটাই করার অধিকার বৃহৎ মালিকগোষ্ঠীর হাতে দিয়ে তাঁদের সুরক্ষিত করা হচ্ছে। যে কোনও সময় কর্মীদের চাকরি কেড়ে নেওয়ার অধিকার তুলে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের হাতে। তাহলে কী চায় এই সরকার? এই সরকারের একটিই মাত্র মুখ্য প্রকল্প। মানুষে মানুষে বিভেদ সঞ্চার কর, ঘৃণা ঢুকিয়ে দাও মানুষের মনে। সমাজে সব সময় একটা সঙ্কট তৈরি করে দাও। অর্থাৎ দেশে সবসময় একটা গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করে রাখ, অসন্তোষ তৈরি করে রাখ। হিটলার বলেছিলেন, মানুষকে ঠেলতে ঠেলতে এমন কোণঠাসা করে দাও, যেখানে তার মনে হবে, কোনওভাবে বেঁচে থাকা মানেই ভালোভাবে থাকা। ঠিক তাই। আজ তাই প্রত্যেকটি মানুষের মনে হচ্ছে, এই দেশটা একটা অবরুদ্ধ ক্যাম্প! অবিলম্বে অক্সিজেন দরকার। 
23rd  September, 2020
ইতিহাস কি আবার
তালিবানের পক্ষে?
মৃণালকান্তি দাস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে আফগান শান্তি আলোচনায় একধাপ এগনো দরকার। যা ট্রাম্পকে নির্বাচনী যুদ্ধের প্রচারে এগিয়ে রাখবে। ট্রাম্প দেখাতে চাইছেন, দেশকে ১৯ বছরের যুদ্ধ থেকে মুক্তি দিচ্ছেন তিনি। এর জন্য ওই অঞ্চলের সব খেলোয়াড়কে তারা ‘শান্তি প্রক্রিয়া’য় শামিল করতে চায়। বিশদ

করোনাকে মওকা ধরেই তৎপর জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো
হারাধন চৌধুরী

জঙ্গিরা মনে করে, আমেরিকা, ভারত এবং আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু দেশে হামলা করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। এই সময় আঘাত হানতে পারলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যাবে। কারণ, এই দেশগুলোর সরকার, এবং আর্মিও করোনা মোকাবিলা নিয়ে এখন ব্যতিব্যস্ত। বিশদ

24th  September, 2020
স্বাবলম্বী শরীর কোভিড রুখতে সক্ষম
মৃন্ময় চন্দ 

সারা পৃথিবী আশঙ্কিত। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই এক স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গোটা পৃথিবীর বিশ্বাস অক্সফোর্ডের ‘কোভিশিল্ডেই’ মিলবে করোনার হাত থেকে নিষ্কৃতি।  
বিশদ

23rd  September, 2020
কৃষি সংস্কার: দেখনদারির
মোড়কে আশঙ্কার মেঘ
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভূতনাথ পাল। কেতুগ্রামের বিল্বেশ্বর এলাকায় বাড়ি ছিল তাঁর। অনেক কষ্টে ধারদেনায় ডুবে আলুচাষ করেছিলেন। ভেবেছিলেন, এখন আলুর বাজারটা ভালো যাচ্ছে। ক’টা দিন তো কষ্ট... তারপরই সুদিন আসবে। সুদিন মানে, দু’বেলা দু’মুঠো...। 
বিশদ

22nd  September, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

21st  September, 2020
কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

21st  September, 2020
অর্থনীতিই নয়, ভয়াবহ বিপর্যয় বিদেশনীতিরও
হিমাংশু সিংহ

২০১৪ থেকে ২০২০। মাঝে মাত্র ৬ বছর। দুর্বল না হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী শক্তিশালী একনায়ক হলে রাষ্ট্রের বিপদ কী কী? এই ক’বছরেই তার মোক্ষম উত্তর পেয়ে গিয়েছে দেশ। এমনকী পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে, এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরকারি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির সঙ্গে নরেন্দ্রনাথ দত্তের তুলনা টানছেন বুক ফুলিয়ে।  
বিশদ

20th  September, 2020
কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

19th  September, 2020
বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
একনজরে
 দুই ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র সহ মালদহের ১১জনকে হন্যে হয়ে খুঁজছে এনআইএ। তাদের ধরার জন্য বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশিও চালিয়েছে তারা। ওই দুই ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র ডোমকল থেকে ধৃত ...

 করোনার দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ শুরু হয়েছে ব্রিটেনে। সংক্রমণ রুখতে স্থানীয় স্তরে বিভিন্ন জায়গায় লকডাউন জারির অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় প্রশাসন। তবে এইভাবে লকডাউনের সাফল্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে ব্রিটিশ সরকারকে চিঠি দিলেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। ...

১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে রায়দিঘির মথুরাপুর ২ ব্লকে পাতিলেবু ও আনারসের গ্রাম গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে প্রশাসন। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মেয়েদেরও এই কাজে নামানো হবে। বিডিও ...

 প্রতিপক্ষ ফুটবলারের গায়ে থুতু দেওয়ার অপরাধে চার ম্যাচ নির্বাসিত হলেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। গত ১৪ সেপ্টেম্বর ফরাসি লিগে প্যারি সাঁজাঁ বনাম মার্সেই ম্যাচের শেষ লগ্নে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রেম-প্রণয়ে কিছু নতুনত্ব থাকবে যা বিশেষভাবে মনকে নাড়া দেবে। কোনও কিছু অতিরিক্ত আশা না করাই ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস
১৯৩৯- অভিনেতা ফিরোজ খানের জন্ম
১৯৪৬- ক্রিকেটার বিষেণ সিং বেদির জন্ম
১৯৬৯ - বিখ্যাত বাঙালি চিত্রপরিচালক, অভিনেতা এবং নাট্যব্যক্তিত্ব মধু বসু ওরফে নাম সুকুমার বসুর মৃত্যু
১৯৯০- রাজনীতিবিদ,স্বাধীনতা সংগ্রামী গান্ধীবাদি নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের তৃতীয় মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র সেনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৯৯ টাকা ৭৪.৭০ টাকা
পাউন্ড ৯২.১৯ টাকা ৯৫.৪৭ টাকা
ইউরো ৮৪.৫২ টাকা ৮৭.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৮৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,৫৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৭,১৮০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৭,২৮০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ আশ্বিন ১৪২৭, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, নবমী ৩৩/৬ রাত্রি ৬/৪৪। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ৩২/৩৩ রাত্রি ৬/৩১। সূর্যোদয় ৫/২৯/৪৮, সূর্যাস্ত ৫/২৬/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/১৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৩ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/২৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/২৮ গতে ৯/৫৮ মধ্যে।
৮ আশ্বিন ১৪২৭, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, নবমী রাত্রি ১০/৩১। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র রাত্রি ১১/৬। অমৃতযোগ দিবা ৬/২২ মধ্যে ও ৭/৮ গতে ৯/২৭ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ২/৫১ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৫৯ গতে ৯/১৮ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ৩/৭ মধ্যে ও ৩/৫৭ গতে ৫/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/২৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/২৯ গতে ৯/৫৯ মধ্যে।
৭ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আপনার আজকের দিনটি
মেষ: প্রেম-প্রণয়ে কিছু নতুনত্ব থাকবে যা বিশেষভাবে মনকে নাড়া দেবে। বৃষ: ...বিশদ

04:29:40 PM

ইতিহাসে আজকের দিন
বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস১৯৩৯- অভিনেতা ফিরোজ খানের জন্ম১৯৪৬- ক্রিকেটার বিষেণ সিং ...বিশদ

04:28:18 PM

 আইপিএল: চেন্নাই সুপার কিংসকে ৪৪ রানে হারাল দিল্লি ক্যাপিটাল

11:13:05 PM

আইপিএল: চেন্নাই ১০১/৪ (১৬ ওভার) 

10:49:48 PM

আইপিএল: চেন্নাই ৪৭/৩ (১০ ওভার) 

10:14:56 PM

 আইপিএল: চেন্নাই ২৬/১ (৫ ওভার)

09:51:00 PM