Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
অমরকণ্টক  পর্ব-১৮

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: বিন্ধ্যপর্বতের যে অংশটির নাম মেকল বা মৈকল, তীর্থভূমি নর্মদার সেই স্থানই অমরকণ্টক। শুধু তীর্থভূমি নয়, অমরকণ্টক হল সৌন্দর্যের খনি। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনাতীত।
যে কোনও সময় মন করলেই যাওয়া যেতে পারে অমরকণ্টক। হাওড়া বা কলকাতা থেকে প্রথমে বিলাসপুর। সেখান থেকে ইন্দোর এক্সপ্রেসে পেণ্ড্রা রোড। তবে আরও সুবিধার জন্য শালিমার-উদয়পুর (প্রতি রবিবার) এক্সপ্রেসে সরাসরি পেণ্ড্রা রোডেই নামা যায়। স্টেশন চত্বর থেকে ঘন ঘন বাস, মোটর, ট্রেকারও পাওয়া যায়। ঘণ্টাখানেকেরও কম সময়ে অমরকণ্টক।
নর্মদা ও শোন নদের উৎস এই অমরকণ্টক। নর্মদা হল ভারতের সমস্ত নদীগুলির মধ্যে শ্রেষ্ঠা। কেন না রুদ্রের তেজ থেকেই এর উৎপত্তি। স্কন্দ পুরাণ অনুযায়ী, যমুনার জলে সাতদিন, সরস্বতীর জলে তিনদিন ও গঙ্গার জলে একদিন স্নান করলে সর্বপাপ নাশ হয়। আর নর্মদার জল দর্শনমাত্রেই মোক্ষ লাভ। শুধু তাই নয়, নর্মদা তীরবর্তী যে কোনও অঞ্চল জপতপ ও সাধনভজনের জন্য সর্বোত্তম। অমরকণ্টকে থাকার জায়গার কোনও অভাব নেই। আগে আমি রামবাঈ ধর্মশালায় থাকতাম। এখন রীতা মায়ের আশ্রমে।
এখানে নর্মদা মাতার মন্দিরে এলে মন ভরে যায়। কালো কষ্টিপাথরের তিন ফুট উচ্চতার মূর্তি নর্মদা মায়ের। এক হাতে কমণ্ডলু অপর হাতে বরাভায়। মূর্তির সামনেই বিপরীত দিকে অমরেশ্বর শিবের মন্দির। মন্দিরের ঠিক পিছনদিকেই নর্মদার উৎস। উৎসমুখে জলস্পর্শ করে সংলগ্ন এলাকারই বাঁধানো কুণ্ডে স্নান করা যায়। এর নাম কোটি তীর্থ।
অমরকণ্টকে এলে হাঁটাপথেই বেশ কয়েকটি স্থান দেখে নেওয়া যায়। তার মধ্যে একটি হল শ্রীযন্ত্র মহামেরু মন্দির। অমরকণ্টকের সেরা মন্দির এটি। এর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা সবই বাহান্ন ফুট। মন্দিরের গায়ে সর্বত্র বিভিন্ন দেবদেবীর সুন্দরকলার ভাস্কর্য বিদ্যমান। এরপর আছে স্বল্প দূরত্বে বিখ্যাত কর্ণ মন্দির। সেই একই চত্বরে আছে কেশবনারায়ণ মন্দির। আর আছে ষোলোটি স্তম্ভের ওপর নির্মিত অতীব সুন্দর মৎস্যেন্দ্রনাথের মন্দির।
এবার নর্মদা মায়ের কথা বলি—
মেকলাগিরির এই পুণ্যক্ষেত্রে অনাদিকালে শিব ছিলেন কঠোর তপস্যারত। কত দিন, কত বছর, কত যুগ ধরে যে তিনি ধ্যানমগ্ন ছিলেন তার হিসেব তিনি নিজেও রাখেননি। ঠিক এমনই সময় এক শুভক্ষণে শিবের কণ্ঠদেশ থেকে নির্গত হলেন নর্মদা। আবির্ভূতা হয়েই তিনি শিবের দক্ষিণ চরণে দাঁড়িয়ে সত্যযুগে দশ হাজার বছর রুদ্রের (শিব) তপস্যা করেন। সেই তপোপ্রভাবে শিবেরও ধ্যান ভঙ্গ হল। একটু একটু করে চোখ মেলে তাকালেন তিনি। দেখলেন এক অপূর্ব সুন্দরী কুমারী কন্যা যার মাথায় সুপিঙ্গল জটাভার, এক হাতে কমণ্ডলু অন্য হাতে অক্ষমালা, তাঁর দক্ষিণ চরণে করজোড়ে দাঁড়িয়ে জপ এবং ধ্যানে মগ্ন হয়ে আছে। শিব তখন সেই তাপসীর ধ্যানভঙ্গ করিয়ে সস্নেহে ডাকলেন তাকে, ‘কে তুমি মা?’ কন্যা বললেন, ‘আমি আপনারই কণ্ঠ হতে আবির্ভূতা কন্যা।’ শিব বললেন, ‘তোমার তপস্যায় আমি সন্তুষ্ট হয়েছি। কী বর চাও তুমি বলো?’ কন্যা বললেন, ‘আমি আপনার কণ্ঠনিঃসৃতা হলেও যেন বরপ্রভাবে অমৃতময়ী হতে পারি। শুধু তাই নয়, গঙ্গার মতো মাহাত্ম্য যেন আমারও হয়। আমার সলিলে স্নান করে যেন সর্বপাপ মুক্ত হয় মানুষ।’ শিব বললেন, ‘তাই হবে। শুধু স্নানে নয়, তোমাকে দর্শন করলেও মোক্ষলাভ হবে।’ কন্যা বললেন, ‘আমি আরও বর চাই পিতা। আপনার দেহ হতে নির্গত হয়েছি আমি। তাই এমন বর দিন যেন সবসময় আপনার সঙ্গে আমি একাত্ম থাকতে পারি।’ শিব প্রসন্ন হয়ে বললেন, ‘তথাস্তু। যেখানে তুমি সেখানে আমি।’ তাই তো ‘নর্মদা কি কঙ্কর বিলকুল শঙ্কর’।
নর্মদা মায়ের মন্দির পরিসরে মোট সাতাশটি মন্দির আছে। মুখ্য মন্দিরে আছেন মা নর্মদা ও অমরেশ্বর। এই মন্দির যে কবে কোন যুগে কে নির্মাণ করিয়েছিলেন তা সঠিকভাবে জানা যায় না। কিংবদন্তি অনুসারে, রেবা নায়েক নামে একজন সর্বপ্রথম বাঁশবনের মধ্যে নর্মদাকুণ্ডের পাশে মায়ের মন্দির নির্মাণ করান। পরবর্তীকালে সেই মন্দিরের কোনও অস্তিত্ব না থাকায় দ্বাদশ শতাব্দীতে কলচুরী রাজাদের আমলে মায়ের দ্বিতীয় মন্দির তৈরি হয়েছিল। তারও অনেক পরে নাগপুরের ভোঁসলে রাজারা সেই মন্দিরের জীর্ণোদ্ধার করেন এবং উদ্‌গম কুণ্ড, স্নান কুণ্ড প্রভৃতি নির্মাণ করান। রাজা গুলাব সিংহ কুণ্ড সহ সমস্ত চত্বর বাঁধিয়ে দেন।
নর্মদা তীর্থে এলে একদিন সকালের দিকে একটি গাড়ি নিয়ে কবীর চবুতরা, এরণ্ডি সঙ্গম, কলিধারা ও দুগ্ধধারা না দেখলে মন ভরবে না। প্রবলধারার জল ১০০ ফুট নীচে পড়ছে। এর পাশ দিয়ে দুগ্ধ ধারার পথ। গভীর জঙ্গল। তবে লোকজনের চলাচল আছে।
এখানেই একটি গুহায় দুর্বাশা মুনি তপস্যা করতেন। প্রবাদ, তাঁর আহার জোগানোর জন্য মা নর্মদা ওই ধারার মধ্য দিয়ে দুধ বয়ে আনতেন। এরপর গভীর জঙ্গলের মধ্যে রুদ্রচণ্ডী মায়ের স্থানও দেখে আসেন কেউ কেউ।
পরদিন সকালে গভীর জঙ্গল পার হয়ে ধুনি পানিতে এসে আশ্রম ও কুণ্ড দর্শন। মহর্ষি ভৃগু তপস্যাকালীন সময়ে এখানেই ধুনি জ্বালাতেন। এরপর সিদ্ধি বিনায়ক দর্শন করে ভৃগুকমণ্ডলু। ভৃগুকমণ্ডলুতে এলে একজন অভিজ্ঞ লোক সঙ্গে থাকা চাই। তবে ও পথে না গেলে গাড়ি নিয়ে সোজা চলে যাওয়া উচিত শোন নদীর উৎস দেখতে। বাঁধানো একটি গোমুখ থেকে নির্গত হয়ে শোন এসে কুণ্ডে পড়ছে। ব্রহ্মার চোখের জল থেকেই নাকি শোন নদীর উৎপত্তি। এখানে বেশ কয়েকটি মন্দির আছে। তবে শোন নদের উদগম কুণ্ডের পাশেই সোনাক্ষী দেবীর যে মন্দির তা অত্যন্ত মহিমাময়। কেন না সতীর বাম নিতম্ব নাকি এখানেই পড়েছিল। তাই এটিও একটি শক্তিপীঠ। শোনের উদ্‌গম স্থলের অনতিদূরে ভদ্র নদীর উৎস স্থান। এখান থেকেই শোন ও ভদ্র এক হয়ে প্রপাতের সৃষ্টি করেছে। সেই প্রপাত দেখবার মতো। এরপর দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে শোন বিহার প্রদেশে শোনপুরে গিয়ে গঙ্গায় মিলিত হয়েছে। শোন, ভদ্র দেখার পর পাহাড়ের গা বেয়ে যেতে হয় ‘মাঈ কি বাগিয়ায়’। এটি হল নর্মদা মায়ের উদ্যান। এখানে একটি কুণ্ডও আছে। সেই কুণ্ডের নাম চরণোদক।
অমরকণ্টকের রমণীয় দৃশ্য ও তীর্থ মহিমা এমনই যে বারবার এলেও মন ভরে না। তাই আমিও সব সময় ব্যাকুল হয়ে থাকি।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
07th  July, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: জোড়াবাগান থানার বিপরীতে নিমতলার বিখ্যাত মিত্র বাড়ির এই দুপুরের সময়টা বউদের বড়ই ব্যস্ততার মধ্যে কাটে। এই বাড়ির প্রখ্যাত, রাশভারী শ্বশুরমশাই পুজো সেরে এখনই খেতে বসবেন।   বিশদ

07th  July, 2019
শাল-পিয়ালের চুপকথা 

সুপর্ণা সেনগুপ্ত: পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল বাগমুণ্ডি। আকাশ যেখানে গল্প করে মেঘের সঙ্গে। ঘন জঙ্গল, পাহাড় আর ঝর্ণা ঘেরা ছোট ছোট গ্রাম, আঁকা থাকে নীল আকাশের ক্যানভাসে। বর্ষায় সেখানে নদীর জল ছাপিয়ে যায়।   বিশদ

07th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয় 

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: মধ্যপ্রদেশের গুণা জেলায় সুন্দরী চান্দেরিতে এক বনময় পর্বতের গুহায় দেবী জাগেশ্বরীর অধিষ্ঠান। ইনি শুধু দেবী নন, মহাদেবী। মাত্র ২০০ মিটার উঁচু এই দুর্গ শহরের আকর্ষণ ঐতিহাসিক গুরুত্ব, দেবী মহিমা ও লোভনীয় চান্দেরি শাড়ির জন্য।  বিশদ

30th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: ঋষি এবং তাঁর স্ত্রী খুব ভালো মিডিয়াম— এই কথাটা শুনে শরৎচন্দ্র হাসতে হাসতে ভাইয়ের কাছে জানতে চাইলেন, তুমি কী করে জানলে তাঁরা খুব ভালো মিডিয়াম?
গিরীন্দ্রনাথ বললেন, আমি এবং আমার বন্ধু রায়সাহেব হরিসাধন মুখোপাধ্যায় তাঁদের সঙ্গে প্ল্যানচেটে বসেছিলাম। বিশদ

30th  June, 2019
মোম জোছনা 

সঞ্জয় রায়: ‘হেই, হ্যাট্‌-হ্যাট্‌-হ্যাট্‌, যাঃ যাঃ-যাঃ। উঃ, দ্যাকো দিকিনি উঠোনটা খালি খালি নোংরা করে। অ্যাই, যাঃ-যাঃ-যাঃ।’ কুসুম সক্কালবেলায় হাঁসের দলটাকে উঠোন থেকে তাড়াচ্ছিল। দীননাথ দাওয়ায় বসে কুসুমের ছলকে পড়া যৌবনটাকে জরিপ করছিল।  বিশদ

30th  June, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ জলপা, পর্ব-১৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 মৈহরপীঠ দর্শনের পর সে রাতটা মৈহরেই কাটালাম। পরদিন সকাল সাড়ে সাতটার ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই কাটনিতে। মধ্য রেলওয়ের কাটনি একটি গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন। এ যাত্রায় আমি ঘরমুখো হব বলেই কাটনিতে এলাম। কেন না এখানে ট্রেন একটু বেশিক্ষণ দাঁড়ায় তাই।
বিশদ

23rd  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
১৬
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 গিরীন্দ্রনাথ সরকার। সাহিত্যিক হিসেবে তেমন খ্যাতি অর্জন করতে না পারলেও, তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভূপর্যটক। পৃথিবীর প্রায় সব দেশই তাঁর ঘোরা ছিল। বহুকাল তিনি সরকারি কন্ট্রাক্টর হিসেবে ব্রহ্মদেশে কাজ করেছিলেন। আর এইসময়ই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের।
বিশদ

23rd  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৫
নিস্তব্ধ নির্জন ঘর, দেবতা বিশ্রাম করছেন খাটে। ঘরের এককোণে চুপ করে বসে আছেন মতিলাল। প্রদীপটা তখনও মিটমিট করে জ্বলছে। সময় যেন আর কাটতেই চাইছে না। মাঝে একটু তন্দ্রাচ্ছন্ন মতো হয়ে পড়েছিলেন মতিলাল। সেই রেশ কাটাতে তিনি ঘরের ভেতর পায়চারি করতে শুরু করলেন।  
বিশদ

16th  June, 2019
পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

মৈহর পীঠ, পর্ব-১৫
মৈহর হল মধ্যপ্রদেশের সাতনা জেলা তহশিলের এক প্রসিদ্ধ দেবীস্থান। একান্ন পীঠের অন্তর্গত পীঠ না হলেও উপপীঠ। এখানে সতীর দেহাংশ নয় কণ্ঠহার পড়েছিল। এই পুণ্যভূমিতেই ত্রিকূট পর্বতের চূড়ায়। সতীমাঈ কি হার। তাই থেকেই মাঈহার, মৈহার ও বর্তমানে মৈহর।  
বিশদ

16th  June, 2019
প্রাণেশদার শান্তিনিকেতন
আশিস ঘোষ 

স্টাফরুমে বসেছিলাম। ঘরের টিউব লাইট খারাপ থাকায় আবছা অন্ধকার। একটু আগেই এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। একটু যেন শীত শীত ভাব। অশোক কথা বলছিল। আমাদের কয়েকজনের অফ পিরিয়ড। কোনও তাড়া নেই। আড্ডা বেশ জমে উঠেছে। এমন সময় খবর এল, প্রাণেশবাবু আর নেই। 
বিশদ

16th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো।  
বিশদ

09th  June, 2019
পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
দেবী ত্রিপুরমালিনী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-১৪

এবার বলি দেবী ত্রিপুরমালিনীর কথা। পীঠ নির্ণয় তন্ত্রে আছে ‘ভীষণা ভৈরবস্তত্র দেবী ত্রিপুরমালিনী’। পাঞ্জাব প্রদেশে এই সতীপীঠ জলন্ধর পীঠ নামে খ্যাত। কিন্তু এই পীঠ সম্বন্ধে নানারকম বিভ্রান্তিকর তথ্য পাওয়ার কারণে এর সঠিক অবস্থান কিছুতেই নির্ণয় করতে পারিনি।  বিশদ

09th  June, 2019
দাদা, কেমন আছ?
 অমর মিত্র

দাদা, কেমন আছ?
কে বলছ? বীরেন জিজ্ঞেস করে।
দাদা, আমি অনুপ।
কোন অনুপ?
গলার স্বরে বুঝতে পারছ না, বেলঘরিয়ার অনুপ।
ও, মিত্রা সিনেমার অনুপ? বীরেন চিনতে পারে।
 
বিশদ

09th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো।
বিশদ

02nd  June, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডোমিসাইল বিতর্কের জল এবার গড়াতে চলেছে আদালতে। এ নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করতে চলেছে নিট পাশ ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদের একাংশ। শুক্রবার এ নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের হতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। ...

  সংবাদদাতা, খড়্গপুর: নারায়ণগড়ের কুশবসান পঞ্চায়েতের গেনুয়া রেড়িপুর গ্রামে বুধবার তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। তৃণমূলের অভিযোগ, ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: পাত্রের বাড়ির দাবিমতো বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনতে না পারায় বিয়ের সাড়ে ৪ মাসের মধ্যে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠল তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতার নাম আতিফা খাতুন (১৬)। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

আবেগের বশে কোনও কাজ না করাই ভালো। দাম্পত্য জীবনে বনিবনার অভাবে সংসারে অশান্তি বাড়বে। কর্মে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
১৮২৩ সালের এই দিনে ভারতের তৈরি প্রথম জাহাজ ডায়না কলকাতা বন্দর থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।
১৮৮৯ সালের এই দিনে অবিভক্ত ভারতের কলকাতায় প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়।
১৯২১: মঙ্গোলিয়ায় গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করল লাল ফৌজ
১৯৩০ সালের এই দিনে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ডন ব্রাডম্যান এক দিনে ৩০৯ রান করার রেকর্ড করেন, পরে টেস্ট ম্যাচে তা ৩৩৪ রানের সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছিল।
১৯৫৬: সাহিত্যিক অমিতাভ ঘোষের জন্ম
১৯৬২: প্রথম ট্রান্সআতলান্তিক স্যাটেলাইট টেলিভিশনের সম্প্রচার শুরু হল
১৯৬৭: সাহিত্যিক ঝুম্পা লাহিড়ির জন্ম
১৯৭২: বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম খেলা ববি ফিশার ও বরিস স্পাসকির মধ্যে শুরু হল
১৯৭৯: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মহাকাশ স্টেশন স্কাইল্যাব পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। সেটিকে ভারত মহাসাগরে ফেলে ধ্বংস করা হয়।
২০০৬: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে ২০৯জনের মৃত্যু
২০১২: আবিষ্কার হল প্লুটোর পঞ্চম উপগ্রহ এস/২০১২ পি ১





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৮৩ টাকা ৬৯.৫২ টাকা
পাউন্ড ৮৩.৯৪ টাকা ৮৭.০৭ টাকা
ইউরো ৭৫.৪৬ টাকা ৭৮.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৪,৭৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩২,৯৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৩,৪৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, দশমী ৫০/০ রাত্রি ১/৩। স্বাতী ২৭/১১ দিবা ৩/৫৫। সূ উ ৫/২/৪৯, অ ৬/২১/১, অমৃতযোগ দিবা ৩/৪১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪ গতে ৯/১২ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ২/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৩/১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/২ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৬, ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, নবমী ০/১৫/১৭ প্রাতঃ ৫/৮/৪৭ পরে দশমী ৫৬/১২/২১ রাত্রি ৩/৩১/৪০। স্বাতীনক্ষত্র ৩৫/৩৮/১৯ রাত্রি ৭/১৮/৪, সূ উ ৫/২/৪৪, অ ৬/২৩/১০, অমৃতযোগ দিবা ৩/৪২ গতে ৬/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৯/১৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/১২ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/৪৩/৬ গতে ৬/২৩/১০ মধ্যে, কালবেলা ৩/৩/৩ গতে ৪/৪৩/৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৪২/৫৭ গতে ১/২/৫৪ মধ্যে।
৭ জেল্কদ
এই মুহূর্তে
 বিশ্বকাপ: অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে ইংল্যান্ড

09:49:59 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ২১০/২ (৩০ ওভার)

09:41:16 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ১৪৭/২ (২০ ওভার)

08:55:51 PM

বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ৫০/০ (১০ ওভার)

08:00:01 PM

 মুচিপাড়া ডাকাতি: একজন কনস্টেবল পলাতক

06:46:00 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ডকে ২২৪ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া

06:44:41 PM