Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ জলপা, পর্ব-১৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

মৈহরপীঠ দর্শনের পর সে রাতটা মৈহরেই কাটালাম। পরদিন সকাল সাড়ে সাতটার ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই কাটনিতে। মধ্য রেলওয়ের কাটনি একটি গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন। এ যাত্রায় আমি ঘরমুখো হব বলেই কাটনিতে এলাম। কেন না এখানে ট্রেন একটু বেশিক্ষণ দাঁড়ায় তাই।
আমার সঙ্গে সামান্য মালপত্তর সহ যে কিটব্যাগটা থাকে সেটি রেলের ক্লোকরুমে রেখে এলাম।
এখানে যে রেলকর্মচারী ছিলেন তিনি বেশ সদালাপী। আমার ব্যাগ জমা নিয়ে বললেন, ‘কাটনিতে কোথায় এসেছিলেন? এখানে কোনও আত্মীয় আছে নাকি?’
আমি তখন আমার কথা বললাম। ‘বহু তীর্থ দর্শন করলেও মৈহরপীঠ বাকি ছিল। তাই মৈহর মাতাকে দর্শন করে ট্রেন ধরার সুবিধার জন্য এখানে এসেছি।’
উনি দু’হাত জোড় করে কপালে ঠেকিয়ে বললেন, ‘আপনি আসেননি। এখানকার মা-ই আপনাকে কৃপা করে টেনে নিয়ে এসেছেন। এই কাটনিতেই সিদ্ধপীঠে বিরাজ করছেন জলপা দেবী। কেউ কেউ জালোয়া বা জলবাও বলেন। ইনি হলেন ত্রিগুণাত্মিকা দেবী। এখন আপনি আর এদিক-সেদিক না করে এখনকার জাগ্রতা মাতাকে দর্শন করে আসুন।’
আমি উল্লসিত হয়ে বললাম, ‘নিশ্চয়ই যাব। এটাই তো আমার কাজ। জলপা দেবীর মন্দির এখান থেকে কতদূর? যাবই বা কীভাবে?’
‘স্টেশনের বাইরে গিয়ে একটা অটো অথবা রিকশ নিন। মাত্র দু’ কিলোমিটার পথ।’
মুহূর্তমাত্র দেরি না করে বাইরে এসে এক কাপ চা খেয়ে সেই দোকান থেকে পথ নির্দেশ নিয়ে হাঁটা শুরু করলাম। দু’ কিমি পথের জন্য কোনও পরিবহনেরই দরকার হয় না আমার।
নতুন এক দেবী তীর্থ দেখার আনন্দে মন আমার দারুণভাবে উন্মুখ হয়ে উঠেছে। ভাগ্যে কাটনিতে এসেছিলাম।
কিছুদূর আসার পর প্রশস্ত রাজপথের উপর একটি মন্দিরকে ঘিরে অনেক জনসমাগম দেখে ভাবলাম এই বোধহয় জলপা মাতার স্থান। তবে মন্দিরে বিগ্রহ দর্শন করে ভুল ভাঙল। এই মন্দির হল দক্ষিণমুখী বড়ে হনুমানের মন্দির। ইনি হলেন এখানকার রক্ষক। সর্বজনের সংকটমোচনের জন্য ইনি সদা জাগ্রত।
মন্দিরে প্রণাম জানিয়ে আরও খানিক যাওয়ার পর এলাম লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে। সেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে আরতি দর্শন করে আর এক রম্য মন্দিরে এলাম। এটি সাঁই মন্দির। শিরডি সাঁইবাবার শ্বেতপাথরের পূর্ণাবয়ব মূর্তি দর্শন করে মন ভরে গেল। এই মন্দিরেরই বিপরীত দিকের গলিতে নবনির্মিত একটি কালীমন্দির অতিক্রম করলেই জলপা দেবীর স্থান।
একটি তোরণ পার হয়ে প্রথমেই এলাম ভৈরব মন্দিরে। জাগ্রত ভৈরবকে দর্শনের পর জলপা মন্দিরে। হিমালয় ভ্রমণের সময় চম্বাতে রাভী নদীর তীরে জলপা ভবানীর মন্দির ও বিগ্রহ দেখেছিলাম। সেই দেবী হলেন চণ্ডী। কিন্তু এখানকার যিনি অধিষ্ঠাত্রী তিনি কে?
অনেকখানি পাঁচিল ঘেরা জায়গা জুড়ে জলপা দেবীর মন্দির। মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্ত দর্শনার্থীদের সংখ্যাও অনেক। তবে বেশিরভাগই মেয়ে। একপাশে বিশাল একটি বটবৃক্ষের নীচে অনেক দেব-দেবীর মূর্তি। সেখানেও জল ঢালা, সিঁদুর লেপা ও পুজো-আচ্চা চলছে। আমি সেখানে মাথা ছুঁইয়ে মূল মন্দিরে এলাম। মন্দিরটি বেশ খোলামেলা। ঘিঞ্জি নয়। সেখানে আছেন পরপর তিন দেবী। মন্দিরের সেবায়েতকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘পণ্ডিতজি, এঁদের মধ্যে জলপা মাতা কোনটি?’
সেবায়েত বললেন, ‘মাঝেরটি। এখানে ত্রিগুণাত্মিকা দেবী, মহাকালী, মহালক্ষ্মী ও মহাসরস্বতী। তবে মহাসরস্বতী এখানে মধ্যস্থলে। এই দেবী এখানে পিণ্ডরূপা নন। মূর্তিমতী।’
আমি অনিমেষ নয়নে জলপা দেবীকে দর্শন করে বললাম, ‘এই দেবী কি একান্ন পীঠের অন্তর্গত কোনও দেবী?’
‘না। এটি কোনও পীঠ বা উপপীঠ নয়। এটি হল সিদ্ধপীঠ।’
জলপা দেবী দর্শনের পর মন্দির প্রাঙ্গণে প্রাচীরের গায়ে বহু দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা আছে দেখলাম। পুণ্যার্থী ভক্ত মহিলারা এঁদের সবাইকে ক্লান্তিবিহীনভাবে পুষ্পচন্দন, আলোচালসহ জলসিঞ্চন করছেন দেখলাম। এই দেবীরা কেউ ভয়ঙ্করী, কেউ সৌমাতিসৌম্য, কেউ বরাহমুখী, কেউ অশ্বমুখী, কেউ বা সারমেয়মুখী। ধন্দে পড়লাম। এঁরা কোন দেবী? অনুসন্ধানে জানলাম এই সব মূর্তি হল চৌষট্টি যোগিনীর। এঁরা মন্দির বেষ্টন করে জলপা দেবীকে রক্ষা করছেন।
এখানকারই একজন সেবায়েতের মুখে শুনলাম এই কাটনি শহর বা সিদ্ধপীঠ একসময় ছিল ভয়ঙ্কর মহারণ্যে ভরা ও শ্বাপদ সংকুলে পরিণত। কিছু ভীল ও শবর শ্রেণীর মানুষের বসবাস ছিল এখানে। এমনকী কোনও জলাশয়েরও চিহ্ন ছিল না। রামায়ণের যুগে ব্রহ্মর্ষি জাবালি এই মহারণ্যে কঠোর তপস্যা করেন। তাঁরই তপোপ্রভাবে এই স্থান সিদ্ধপীঠে রূপান্তরিত হয়।
রামায়ণ পরবর্তী যুগেরও অনেক পরে এই মহারণ্যে হঠাৎ আবির্ভাব হয় এক দিব্যজ্যোতিসম্পন্ন যোগীর। বর্তমান মন্দির প্রাঙ্গণে যে গাছটি আছে (প্রাচীন গাছটি নেই) সেখানে বসে তিনি কঠোর সাধনা শুরু করেন। এমনই সাধনা যে তিনি ছিলেন ক্ষুধা তৃষ্ণা রহিত। বনবাসী ভীলরা তাঁর সামনে কোনও ফল মূলাদি রেখে গেলেও তিনি তা গ্রহণ করতেন না।
এমন যখন অবস্থা তখন একরাতে এক অতীব সুন্দরী রমণী নানাবিধ অন্নব্যঞ্জন ও পরমান্ন এনে তাঁর তপোভঙ্গ করালেন। তারপর যোগীর মনোরঞ্জনের জন্য নানারকম ছলাকলায় নৃত্যগীতাদির দ্বারা তাঁর চিত্তবৈকল্য আনার চেষ্টা করলেন। এমনকী এও বললেন, ‘হে যোগীবর! শরীরের ধর্ম পালন না করে শরীরকে কষ্ট দিয়ে সিদ্ধিলাভ করা যায় না। অতএব তুমি প্রসাদ গ্রহণ করো।’ যোগীবর প্রসাদ গ্রহণ করলেন কিন্তু ছলাকলায় মজলেন না।
এইভাবে চৌষট্টি রমণীর ছলনায় চৌষট্টি রজনী অতিক্রান্ত হলে তাঁরা সবাই দিব্য শরীরে দেখা দিয়ে সাধককে বললেন, ‘আর তোমাকে সাধনা করতে হবে না যোগীবর। তুমি সিদ্ধিলাভ করেছ।’
যোগীবর বললেন, ‘আপনাদের পরিচয়?’
‘আমরা এখানকার দেবীর সহচরী। দেবী ত্রিগুণাত্মিকা। মহাকালী, মহাসরস্বতী ও মহালক্ষ্মী। ত্রিশক্তির ধারিকা হয়েও তিনি একাঙ্গী। এই বনভূমে এক রমণীয় সরোবরে দেবীর অধিষ্ঠান। দেবী কখনও উগ্রচণ্ডী, কখনও অশুভনাশিনী, জ্ঞানদায়িনী। আমরা এই চৌষট্টি যোগিনী সব সময় দেবীকে পাহারা দিই। রক্ষা করি। দেবীর প্রকাশ ব্রহ্ম হতে। দেবীর সহচরী আমরা। আসুন আপনি আমাদের সঙ্গে। আমরা দেবীকে দর্শন করিয়ে আনি।’
চৌষট্টি যোগিনীর সঙ্গে সরোবরের তীরে আসতেই শ্বেতশুভ্রা হংসবাহনা দেবীর দর্শন পেলেন সাধক।
দেবীর মহিমা প্রকট হল। জল থেকে উৎপত্তি বলে দেবীর নাম হল জালোয়া, জলবা বা জলপা। সাধকের কৃপায় এই স্থান সিদ্ধপীঠে পরিণত হল।
(ক্রমশ)
23rd  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: জোড়াবাগান থানার বিপরীতে নিমতলার বিখ্যাত মিত্র বাড়ির এই দুপুরের সময়টা বউদের বড়ই ব্যস্ততার মধ্যে কাটে। এই বাড়ির প্রখ্যাত, রাশভারী শ্বশুরমশাই পুজো সেরে এখনই খেতে বসবেন।   বিশদ

07th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
অমরকণ্টক  পর্ব-১৮

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: বিন্ধ্যপর্বতের যে অংশটির নাম মেকল বা মৈকল, তীর্থভূমি নর্মদার সেই স্থানই অমরকণ্টক। শুধু তীর্থভূমি নয়, অমরকণ্টক হল সৌন্দর্যের খনি। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনাতীত।  বিশদ

07th  July, 2019
শাল-পিয়ালের চুপকথা 

সুপর্ণা সেনগুপ্ত: পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল বাগমুণ্ডি। আকাশ যেখানে গল্প করে মেঘের সঙ্গে। ঘন জঙ্গল, পাহাড় আর ঝর্ণা ঘেরা ছোট ছোট গ্রাম, আঁকা থাকে নীল আকাশের ক্যানভাসে। বর্ষায় সেখানে নদীর জল ছাপিয়ে যায়।   বিশদ

07th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয় 

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: মধ্যপ্রদেশের গুণা জেলায় সুন্দরী চান্দেরিতে এক বনময় পর্বতের গুহায় দেবী জাগেশ্বরীর অধিষ্ঠান। ইনি শুধু দেবী নন, মহাদেবী। মাত্র ২০০ মিটার উঁচু এই দুর্গ শহরের আকর্ষণ ঐতিহাসিক গুরুত্ব, দেবী মহিমা ও লোভনীয় চান্দেরি শাড়ির জন্য।  বিশদ

30th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: ঋষি এবং তাঁর স্ত্রী খুব ভালো মিডিয়াম— এই কথাটা শুনে শরৎচন্দ্র হাসতে হাসতে ভাইয়ের কাছে জানতে চাইলেন, তুমি কী করে জানলে তাঁরা খুব ভালো মিডিয়াম?
গিরীন্দ্রনাথ বললেন, আমি এবং আমার বন্ধু রায়সাহেব হরিসাধন মুখোপাধ্যায় তাঁদের সঙ্গে প্ল্যানচেটে বসেছিলাম। বিশদ

30th  June, 2019
মোম জোছনা 

সঞ্জয় রায়: ‘হেই, হ্যাট্‌-হ্যাট্‌-হ্যাট্‌, যাঃ যাঃ-যাঃ। উঃ, দ্যাকো দিকিনি উঠোনটা খালি খালি নোংরা করে। অ্যাই, যাঃ-যাঃ-যাঃ।’ কুসুম সক্কালবেলায় হাঁসের দলটাকে উঠোন থেকে তাড়াচ্ছিল। দীননাথ দাওয়ায় বসে কুসুমের ছলকে পড়া যৌবনটাকে জরিপ করছিল।  বিশদ

30th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
১৬
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 গিরীন্দ্রনাথ সরকার। সাহিত্যিক হিসেবে তেমন খ্যাতি অর্জন করতে না পারলেও, তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভূপর্যটক। পৃথিবীর প্রায় সব দেশই তাঁর ঘোরা ছিল। বহুকাল তিনি সরকারি কন্ট্রাক্টর হিসেবে ব্রহ্মদেশে কাজ করেছিলেন। আর এইসময়ই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের।
বিশদ

23rd  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৫
নিস্তব্ধ নির্জন ঘর, দেবতা বিশ্রাম করছেন খাটে। ঘরের এককোণে চুপ করে বসে আছেন মতিলাল। প্রদীপটা তখনও মিটমিট করে জ্বলছে। সময় যেন আর কাটতেই চাইছে না। মাঝে একটু তন্দ্রাচ্ছন্ন মতো হয়ে পড়েছিলেন মতিলাল। সেই রেশ কাটাতে তিনি ঘরের ভেতর পায়চারি করতে শুরু করলেন।  
বিশদ

16th  June, 2019
পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

মৈহর পীঠ, পর্ব-১৫
মৈহর হল মধ্যপ্রদেশের সাতনা জেলা তহশিলের এক প্রসিদ্ধ দেবীস্থান। একান্ন পীঠের অন্তর্গত পীঠ না হলেও উপপীঠ। এখানে সতীর দেহাংশ নয় কণ্ঠহার পড়েছিল। এই পুণ্যভূমিতেই ত্রিকূট পর্বতের চূড়ায়। সতীমাঈ কি হার। তাই থেকেই মাঈহার, মৈহার ও বর্তমানে মৈহর।  
বিশদ

16th  June, 2019
প্রাণেশদার শান্তিনিকেতন
আশিস ঘোষ 

স্টাফরুমে বসেছিলাম। ঘরের টিউব লাইট খারাপ থাকায় আবছা অন্ধকার। একটু আগেই এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। একটু যেন শীত শীত ভাব। অশোক কথা বলছিল। আমাদের কয়েকজনের অফ পিরিয়ড। কোনও তাড়া নেই। আড্ডা বেশ জমে উঠেছে। এমন সময় খবর এল, প্রাণেশবাবু আর নেই। 
বিশদ

16th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো।  
বিশদ

09th  June, 2019
পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
দেবী ত্রিপুরমালিনী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-১৪

এবার বলি দেবী ত্রিপুরমালিনীর কথা। পীঠ নির্ণয় তন্ত্রে আছে ‘ভীষণা ভৈরবস্তত্র দেবী ত্রিপুরমালিনী’। পাঞ্জাব প্রদেশে এই সতীপীঠ জলন্ধর পীঠ নামে খ্যাত। কিন্তু এই পীঠ সম্বন্ধে নানারকম বিভ্রান্তিকর তথ্য পাওয়ার কারণে এর সঠিক অবস্থান কিছুতেই নির্ণয় করতে পারিনি।  বিশদ

09th  June, 2019
দাদা, কেমন আছ?
 অমর মিত্র

দাদা, কেমন আছ?
কে বলছ? বীরেন জিজ্ঞেস করে।
দাদা, আমি অনুপ।
কোন অনুপ?
গলার স্বরে বুঝতে পারছ না, বেলঘরিয়ার অনুপ।
ও, মিত্রা সিনেমার অনুপ? বীরেন চিনতে পারে।
 
বিশদ

09th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো।
বিশদ

02nd  June, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 কুলগাঁও, ১০ জুলাই (পিটিআই): বছরের অন্য সময়ে যেখানে অনবরত গুলির শব্দ সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে, মঙ্গলবার সেখানেই শোনা গেল শঙ্খধ্বনি, বৈদিক মন্ত্র। দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাঁওয়ে তিনটি প্রাচীন মন্দিরে জঙ্গি সন্ত্রাসকে উপেক্ষা করেই কাশ্মীরি পণ্ডিতরা আয়োজন করলেন যজ্ঞানুষ্ঠান। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডোমিসাইল বিতর্কের জল এবার গড়াতে চলেছে আদালতে। এ নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করতে চলেছে নিট পাশ ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদের একাংশ। শুক্রবার এ নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের হতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। ...

 ম্যাঞ্চেস্টার, ১০ জুলাই: জেমস নিসামের বল যুজবেন্দ্র চাহালের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে উইকেটরক্ষক টম লাথামের দস্তানায় জমা পড়তেই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন বুকে টেনে নিলেন মার্টিন গাপটিলকে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

আবেগের বশে কোনও কাজ না করাই ভালো। দাম্পত্য জীবনে বনিবনার অভাবে সংসারে অশান্তি বাড়বে। কর্মে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
১৮২৩ সালের এই দিনে ভারতের তৈরি প্রথম জাহাজ ডায়না কলকাতা বন্দর থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।
১৮৮৯ সালের এই দিনে অবিভক্ত ভারতের কলকাতায় প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়।
১৯২১: মঙ্গোলিয়ায় গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করল লাল ফৌজ
১৯৩০ সালের এই দিনে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ডন ব্রাডম্যান এক দিনে ৩০৯ রান করার রেকর্ড করেন, পরে টেস্ট ম্যাচে তা ৩৩৪ রানের সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছিল।
১৯৫৬: সাহিত্যিক অমিতাভ ঘোষের জন্ম
১৯৬২: প্রথম ট্রান্সআতলান্তিক স্যাটেলাইট টেলিভিশনের সম্প্রচার শুরু হল
১৯৬৭: সাহিত্যিক ঝুম্পা লাহিড়ির জন্ম
১৯৭২: বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম খেলা ববি ফিশার ও বরিস স্পাসকির মধ্যে শুরু হল
১৯৭৯: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মহাকাশ স্টেশন স্কাইল্যাব পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। সেটিকে ভারত মহাসাগরে ফেলে ধ্বংস করা হয়।
২০০৬: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে ২০৯জনের মৃত্যু
২০১২: আবিষ্কার হল প্লুটোর পঞ্চম উপগ্রহ এস/২০১২ পি ১





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৮৩ টাকা ৬৯.৫২ টাকা
পাউন্ড ৮৩.৯৪ টাকা ৮৭.০৭ টাকা
ইউরো ৭৫.৪৬ টাকা ৭৮.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৪,৭৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩২,৯৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৩,৪৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, দশমী ৫০/০ রাত্রি ১/৩। স্বাতী ২৭/১১ দিবা ৩/৫৫। সূ উ ৫/২/৪৯, অ ৬/২১/১, অমৃতযোগ দিবা ৩/৪১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪ গতে ৯/১২ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ২/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৩/১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/২ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৬, ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, নবমী ০/১৫/১৭ প্রাতঃ ৫/৮/৪৭ পরে দশমী ৫৬/১২/২১ রাত্রি ৩/৩১/৪০। স্বাতীনক্ষত্র ৩৫/৩৮/১৯ রাত্রি ৭/১৮/৪, সূ উ ৫/২/৪৪, অ ৬/২৩/১০, অমৃতযোগ দিবা ৩/৪২ গতে ৬/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৯/১৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/১২ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/৪৩/৬ গতে ৬/২৩/১০ মধ্যে, কালবেলা ৩/৩/৩ গতে ৪/৪৩/৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৪২/৫৭ গতে ১/২/৫৪ মধ্যে।
৭ জেল্কদ
এই মুহূর্তে
 বিশ্বকাপ: অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে ইংল্যান্ড

09:49:59 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ২১০/২ (৩০ ওভার)

09:41:16 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ১৪৭/২ (২০ ওভার)

08:55:51 PM

বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ৫০/০ (১০ ওভার)

08:00:01 PM

 মুচিপাড়া ডাকাতি: একজন কনস্টেবল পলাতক

06:46:00 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ডকে ২২৪ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া

06:44:41 PM