Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে কায়া নেই
১৬
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

গিরীন্দ্রনাথ সরকার। সাহিত্যিক হিসেবে তেমন খ্যাতি অর্জন করতে না পারলেও, তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভূপর্যটক। পৃথিবীর প্রায় সব দেশই তাঁর ঘোরা ছিল। বহুকাল তিনি সরকারি কন্ট্রাক্টর হিসেবে ব্রহ্মদেশে কাজ করেছিলেন। আর এইসময়ই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের। খুব অল্পদিনের মধ্যে গিরীন্দ্রনাথ শরৎবাবুর হৃদয়ে একটা পাকাপাকি আসন তৈরি করে নিতে পেরেছিলেন। তিনি শরৎচন্দ্রকে ‘শরৎদা’ এবং শরৎদা তাঁর এই ভাইকে গিরীন বলে সম্বোধন করতেন। প্রথমদিকে শরৎচন্দ্রকে ভাষা সমস্যায় বারেবারে নাজেহাল হতে হয়েছে, তখন গিরীন্দ্রনাথই তাঁর দাদার দোভাষী হিসেবে কাজ করতেন। এই অন্তরঙ্গতার ফলে আমরাই কিন্তু পরবর্তীকালে যথেষ্ট লাভবান হয়েছি। গিরীন্দ্রনাথ সরকারের লেখা ‘ব্রহ্মদেশে শরৎচন্দ্র’ গ্রন্থ থেকে কথাসাহিত্যিক সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য আজ ‘শরৎ-গবেষকরা’ জানতে পারছেন। এই বইটি শুধু সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র নয়, মানবদরদী, ভূয়ষী প্রতিভার অধিকারী অসাধারণ মানুষের সুন্দর এক চিত্র আমাদের সামনে তুলে ধরেছে। দাদার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত অটুট ছিল। শরৎচন্দ্রও বেশ কয়েকবার ভাই গিরীনের কালীঘাটের বাড়িতেও এসেছেন।
এই ভূপর্যটক মানুষটি একবার জোড়া বিপদে পড়লেন। তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র সন্তোষময় সেইসময় পড়াশোনা করতেন দেওঘরের এক নামী স্কুলে। একদিন বিকেলে কিশোর সন্তোষময় তার স্কুলের এক বেলগাছে চড়ে বসল। কিন্তু সেখানে সে বেশিক্ষণ বসে থাকার সুযোগ পায়নি। খেয়েছিল পেল্লাই এক ধাক্কা। সোজা গাছ থেকে নেমে এল ভূমিতে। শোনা যায়, ওই বেলগাছে বসবাস করতেন এক ব্রহ্মদৈত্য। কিশোর সন্তোষময়ের বেয়াদপি তিনি একদম বরদাস্ত করতে পারেননি। শুধু ধাক্কা মেরেই ক্ষান্ত হলেন না, তিনি সেই কিশোরের শরীরের প্রবেশ করলেন। আর ঠিক সেইসময় পুরীর রাধানিবাসে ঘটল এক অলৌকিক কাণ্ড। গিরীন্দ্রনাথের কন্যা কমলা মানুষের ভূত-ভবিষ্যৎ বলতে শুরু করলেন। মানুষজন অবাক হয়ে বলতে লাগলেন, অবশ্যই কমলার ওপর কোনও দৈবশক্তি ভর করেছে। গিরীন্দ্রনাথের তখন উভয়সঙ্কট। ছোটাছুটির শেষ নেই। মেয়েকে নিয়ে তিনি বহু চিকিৎসক ও কবিরাজের কাছে গেলেন, করালেন ঝাড়ফুঁক, পরালেন অসংখ্য কবচ ও মাদুলি— কিন্তু এসব করে কোনও লাভ হল না।
এইসময় একদল ভক্ত-প্রাণ মানুষ গিরীন্দ্রনাথকে বললেন, শুনেছি রাম-নামে ভূত পালায়। আমরা আগামী একাদশীর দিন একটা নাম সংকীর্তনের আয়োজন করব। আপনি একবার কষ্ট করে আপনার কন্যাকে নিয়ে আসবেন!
গিরীন্দ্র রাজি হলেন, বললেন, কখন আসতে হবে বলুন?
তাঁরা বললেন, সন্ধের মুখে।
নির্দিষ্ট দিনে কন্যাকে নিয়ে তিনি সেই সংকীর্তনের আসরে এলেন। শুরু হল প্রবল নামসংকীর্তন। কমলা খুব শান্ত মনে সেই সংকীর্তন শুনছিলেন। হঠাৎ তিনিও যোগ দিলেন সেই সংকীর্তনে। আয়োজকরা কমলার মুখে রামনাম শুনে বেজায় মুষড়ে পড়লেন। তাঁরা বুঝলেন— এই ওষুধে কোনও কাজ হবে না। বিষন্ন গিরীন্দ্র এরপর মেয়েকে নিয়ে ফিরে এলেন তাঁর কলকাতার কালীঘাটের বাড়িতে।
কমলার কথা তখন কলকাতার অনেকেই জানেন। সুদূর বম্বেতেও এই খবর কোনওভাবে পৌঁছে গিয়েছিল। সেখান থেকে কমলাকে দেখতে এলেন বিখ্যাত পরলোকতত্ত্ববিদ ভি ডি ঋষি, সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। তিনি সব কিছু পর্যবেক্ষণ করে গিরীন্দ্রনাথকে বললেন, আমি আপনার কন্যার অলৌকিক খবরটি আমার ‘স্পিরিচুয়্যাল বুলেটিন’-এ প্রকাশ করতে চাই। আপনার কী কোনও আপত্তি আছে?
গিরীন্দ্রনাথ বললেন, দয়া করে ওই কাজটি করবেন না, এতে আমার গৃহশান্তি নষ্ট হবে।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ও তখন কলকাতায়। লোকমুখে গিরীন্দ্রের বিপদের কথা শুনে তিনিও ছুটে গেলেন ভাইয়ের বাড়িতে।
শরৎদাকে দেখে লাফিয়ে উঠলেন গিরীন্দ্রনাথ সরকার। দাদাকে অভ্যর্থনা করে ঘরে নিয়ে গিয়ে বসালেন।
শরৎচন্দ্র বললেন, হ্যাঁগো,গিরীন এ কী শুনছি! তুমি শুধু বিলেত ফেরত নও, দুনিয়া ফেরত লোক! শেষকালে তুমিও ভূতে মজলে। কবে থেকে এসবে বিশ্বাস হল তোমার?
গিরীন্দ্র করুণ হেসে বললেন, শরৎদা, বেজায় বিপদে পড়েছি আমি। গত পাঁচ বছর ধরে এই কাণ্ড চলছে। কোনও কিছুই করতে বাকি রাখিনি। শুনেছেন তো আমার ছেলের ঘাড়ে ব্রহ্মদৈত্য ভর করেছেন। আমার ছেলেকে তিনি কিছুতেই ছাড়তে চাইছেন না।
শরৎচন্দ্র বললেন, তোমার মেয়ে কমলার খবরটা কী?
গিরীন্দ্র বললেন, ও সব অতীন্দ্রিয় শক্তির খেলা।! কিন্তু, শরৎদা, তুমি জানলে কেমন করে?
কীভাবে তিনি জানতে পেরেছিলেন সে প্রসঙ্গে না গিয়ে শরৎচন্দ্র বললেন, দেখো, গিরীন, আমি যা শুনেছি তা বিশ্বাস করা আমার কাছে সত্যিই অসম্ভব। তাই তোমার মুখে পুরো ঘটনাটা শোনার জন্য আমি ছুটে এসেছি। কমলার এই ব্যাপারটা কী শুধু পুরীর লোকজনরাই জানেন? নাকি কলকাতার লোকেরাও দেখেছেন।
গিরীন্দ্রনাথ বললেন, শরৎদা, কেন শুধু পুরীর লোকেরা দেখবেন? কমলার এই অলৌকিক শক্তির সাক্ষী রয়েছেন পাটনা হাইকোর্টের জজ রায়বাহাদুর অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়, পুরীর ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট মন্মথনাথ বসু, লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর রায়বাহাদুর জ্ঞানেন্দ্র চক্রবর্তী, রায়সাহেব উপেন্দ্রনাথ দে, সাহিত্যিক কুমুদবন্ধু সেন ও বিশিষ্ট পরলোকতত্ত্ববিদ ভি ডি ঋষি এবং তাঁর স্ত্রী।
শরৎচন্দ্র হাসতে হাসতে বললেন, তাহলে এই খবরটা কাগজে দিচ্ছ না কেন?
গিরীন্দ্র বললেন, শরৎদা, কী হবে সাধারণের কাছে প্রকাশ করে? মিঃ ঋষিও লিখতে চাইছিলেন। আমি তাঁকে মানা করেছি।
শরৎচন্দ্র তাঁর ভাইয়ের কাছে মিঃ ঋষির পরিচয় জানতে চাইলেন।
গিরীন্দ্র বললেন, মিস্টার ভি ডি ঋষি একজন প্রখ্যাত আইনজীবি। ১৯১৯ সালে তাঁর প্রথমা স্ত্রী সুভদ্রা সন্তানপ্রসব করতে গিয়ে মারা যান। স্ত্রীর অকাল মৃত্যুতে তিনি খুব ভেঙে পড়েছিলেন। এইসময় তাঁর হাতে আসে অলিভার লজের লেখা একটি বই। যেখান থেকে তিনি জানতে পারেন মৃত্যুর পরেও আত্মা বর্তমান থাকে। পরবর্তীকালে ঋষি আবার বিয়েও করেন। বর্তমানে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী দুজনেই পরলোকতত্ত্ব নি঩য়ে বেজায় মেতে আছেন। শরৎদা তাঁরা দুজনেই কিন্তু দারুণ ভালো মিডিয়াম।
(ক্রমশ)
23rd  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: জোড়াবাগান থানার বিপরীতে নিমতলার বিখ্যাত মিত্র বাড়ির এই দুপুরের সময়টা বউদের বড়ই ব্যস্ততার মধ্যে কাটে। এই বাড়ির প্রখ্যাত, রাশভারী শ্বশুরমশাই পুজো সেরে এখনই খেতে বসবেন।   বিশদ

07th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
অমরকণ্টক  পর্ব-১৮

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: বিন্ধ্যপর্বতের যে অংশটির নাম মেকল বা মৈকল, তীর্থভূমি নর্মদার সেই স্থানই অমরকণ্টক। শুধু তীর্থভূমি নয়, অমরকণ্টক হল সৌন্দর্যের খনি। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনাতীত।  বিশদ

07th  July, 2019
শাল-পিয়ালের চুপকথা 

সুপর্ণা সেনগুপ্ত: পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল বাগমুণ্ডি। আকাশ যেখানে গল্প করে মেঘের সঙ্গে। ঘন জঙ্গল, পাহাড় আর ঝর্ণা ঘেরা ছোট ছোট গ্রাম, আঁকা থাকে নীল আকাশের ক্যানভাসে। বর্ষায় সেখানে নদীর জল ছাপিয়ে যায়।   বিশদ

07th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয় 

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: মধ্যপ্রদেশের গুণা জেলায় সুন্দরী চান্দেরিতে এক বনময় পর্বতের গুহায় দেবী জাগেশ্বরীর অধিষ্ঠান। ইনি শুধু দেবী নন, মহাদেবী। মাত্র ২০০ মিটার উঁচু এই দুর্গ শহরের আকর্ষণ ঐতিহাসিক গুরুত্ব, দেবী মহিমা ও লোভনীয় চান্দেরি শাড়ির জন্য।  বিশদ

30th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: ঋষি এবং তাঁর স্ত্রী খুব ভালো মিডিয়াম— এই কথাটা শুনে শরৎচন্দ্র হাসতে হাসতে ভাইয়ের কাছে জানতে চাইলেন, তুমি কী করে জানলে তাঁরা খুব ভালো মিডিয়াম?
গিরীন্দ্রনাথ বললেন, আমি এবং আমার বন্ধু রায়সাহেব হরিসাধন মুখোপাধ্যায় তাঁদের সঙ্গে প্ল্যানচেটে বসেছিলাম। বিশদ

30th  June, 2019
মোম জোছনা 

সঞ্জয় রায়: ‘হেই, হ্যাট্‌-হ্যাট্‌-হ্যাট্‌, যাঃ যাঃ-যাঃ। উঃ, দ্যাকো দিকিনি উঠোনটা খালি খালি নোংরা করে। অ্যাই, যাঃ-যাঃ-যাঃ।’ কুসুম সক্কালবেলায় হাঁসের দলটাকে উঠোন থেকে তাড়াচ্ছিল। দীননাথ দাওয়ায় বসে কুসুমের ছলকে পড়া যৌবনটাকে জরিপ করছিল।  বিশদ

30th  June, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ জলপা, পর্ব-১৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 মৈহরপীঠ দর্শনের পর সে রাতটা মৈহরেই কাটালাম। পরদিন সকাল সাড়ে সাতটার ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই কাটনিতে। মধ্য রেলওয়ের কাটনি একটি গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন। এ যাত্রায় আমি ঘরমুখো হব বলেই কাটনিতে এলাম। কেন না এখানে ট্রেন একটু বেশিক্ষণ দাঁড়ায় তাই।
বিশদ

23rd  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৫
নিস্তব্ধ নির্জন ঘর, দেবতা বিশ্রাম করছেন খাটে। ঘরের এককোণে চুপ করে বসে আছেন মতিলাল। প্রদীপটা তখনও মিটমিট করে জ্বলছে। সময় যেন আর কাটতেই চাইছে না। মাঝে একটু তন্দ্রাচ্ছন্ন মতো হয়ে পড়েছিলেন মতিলাল। সেই রেশ কাটাতে তিনি ঘরের ভেতর পায়চারি করতে শুরু করলেন।  
বিশদ

16th  June, 2019
পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

মৈহর পীঠ, পর্ব-১৫
মৈহর হল মধ্যপ্রদেশের সাতনা জেলা তহশিলের এক প্রসিদ্ধ দেবীস্থান। একান্ন পীঠের অন্তর্গত পীঠ না হলেও উপপীঠ। এখানে সতীর দেহাংশ নয় কণ্ঠহার পড়েছিল। এই পুণ্যভূমিতেই ত্রিকূট পর্বতের চূড়ায়। সতীমাঈ কি হার। তাই থেকেই মাঈহার, মৈহার ও বর্তমানে মৈহর।  
বিশদ

16th  June, 2019
প্রাণেশদার শান্তিনিকেতন
আশিস ঘোষ 

স্টাফরুমে বসেছিলাম। ঘরের টিউব লাইট খারাপ থাকায় আবছা অন্ধকার। একটু আগেই এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। একটু যেন শীত শীত ভাব। অশোক কথা বলছিল। আমাদের কয়েকজনের অফ পিরিয়ড। কোনও তাড়া নেই। আড্ডা বেশ জমে উঠেছে। এমন সময় খবর এল, প্রাণেশবাবু আর নেই। 
বিশদ

16th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো।  
বিশদ

09th  June, 2019
পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
দেবী ত্রিপুরমালিনী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-১৪

এবার বলি দেবী ত্রিপুরমালিনীর কথা। পীঠ নির্ণয় তন্ত্রে আছে ‘ভীষণা ভৈরবস্তত্র দেবী ত্রিপুরমালিনী’। পাঞ্জাব প্রদেশে এই সতীপীঠ জলন্ধর পীঠ নামে খ্যাত। কিন্তু এই পীঠ সম্বন্ধে নানারকম বিভ্রান্তিকর তথ্য পাওয়ার কারণে এর সঠিক অবস্থান কিছুতেই নির্ণয় করতে পারিনি।  বিশদ

09th  June, 2019
দাদা, কেমন আছ?
 অমর মিত্র

দাদা, কেমন আছ?
কে বলছ? বীরেন জিজ্ঞেস করে।
দাদা, আমি অনুপ।
কোন অনুপ?
গলার স্বরে বুঝতে পারছ না, বেলঘরিয়ার অনুপ।
ও, মিত্রা সিনেমার অনুপ? বীরেন চিনতে পারে।
 
বিশদ

09th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো।
বিশদ

02nd  June, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 কুলগাঁও, ১০ জুলাই (পিটিআই): বছরের অন্য সময়ে যেখানে অনবরত গুলির শব্দ সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে, মঙ্গলবার সেখানেই শোনা গেল শঙ্খধ্বনি, বৈদিক মন্ত্র। দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাঁওয়ে তিনটি প্রাচীন মন্দিরে জঙ্গি সন্ত্রাসকে উপেক্ষা করেই কাশ্মীরি পণ্ডিতরা আয়োজন করলেন যজ্ঞানুষ্ঠান। ...

 করাচি, ১০ জুলাই (পিটিআই): অর্থ নিয়ে বচসার জেরে পাকিস্তানে খুন হলেন একজন টিভি সঞ্চালক। মঙ্গলবার রাতে খায়াবন-ই-বুখারি এলাকায় বোল নিউজ চ্যানেলের টিভি সঞ্চালক মুরিদ আব্বাস ...

 ম্যাঞ্চেস্টার, ১০ জুলাই: জেমস নিসামের বল যুজবেন্দ্র চাহালের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে উইকেটরক্ষক টম লাথামের দস্তানায় জমা পড়তেই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন বুকে টেনে নিলেন মার্টিন গাপটিলকে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

আবেগের বশে কোনও কাজ না করাই ভালো। দাম্পত্য জীবনে বনিবনার অভাবে সংসারে অশান্তি বাড়বে। কর্মে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
১৮২৩ সালের এই দিনে ভারতের তৈরি প্রথম জাহাজ ডায়না কলকাতা বন্দর থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।
১৮৮৯ সালের এই দিনে অবিভক্ত ভারতের কলকাতায় প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়।
১৯২১: মঙ্গোলিয়ায় গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করল লাল ফৌজ
১৯৩০ সালের এই দিনে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ডন ব্রাডম্যান এক দিনে ৩০৯ রান করার রেকর্ড করেন, পরে টেস্ট ম্যাচে তা ৩৩৪ রানের সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছিল।
১৯৫৬: সাহিত্যিক অমিতাভ ঘোষের জন্ম
১৯৬২: প্রথম ট্রান্সআতলান্তিক স্যাটেলাইট টেলিভিশনের সম্প্রচার শুরু হল
১৯৬৭: সাহিত্যিক ঝুম্পা লাহিড়ির জন্ম
১৯৭২: বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম খেলা ববি ফিশার ও বরিস স্পাসকির মধ্যে শুরু হল
১৯৭৯: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মহাকাশ স্টেশন স্কাইল্যাব পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। সেটিকে ভারত মহাসাগরে ফেলে ধ্বংস করা হয়।
২০০৬: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে ২০৯জনের মৃত্যু
২০১২: আবিষ্কার হল প্লুটোর পঞ্চম উপগ্রহ এস/২০১২ পি ১





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৮৩ টাকা ৬৯.৫২ টাকা
পাউন্ড ৮৩.৯৪ টাকা ৮৭.০৭ টাকা
ইউরো ৭৫.৪৬ টাকা ৭৮.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৪,৭৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩২,৯৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৩,৪৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, দশমী ৫০/০ রাত্রি ১/৩। স্বাতী ২৭/১১ দিবা ৩/৫৫। সূ উ ৫/২/৪৯, অ ৬/২১/১, অমৃতযোগ দিবা ৩/৪১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪ গতে ৯/১২ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ২/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৩/১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/২ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৬, ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, নবমী ০/১৫/১৭ প্রাতঃ ৫/৮/৪৭ পরে দশমী ৫৬/১২/২১ রাত্রি ৩/৩১/৪০। স্বাতীনক্ষত্র ৩৫/৩৮/১৯ রাত্রি ৭/১৮/৪, সূ উ ৫/২/৪৪, অ ৬/২৩/১০, অমৃতযোগ দিবা ৩/৪২ গতে ৬/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৯/১৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/১২ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/৪৩/৬ গতে ৬/২৩/১০ মধ্যে, কালবেলা ৩/৩/৩ গতে ৪/৪৩/৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৪২/৫৭ গতে ১/২/৫৪ মধ্যে।
৭ জেল্কদ
এই মুহূর্তে
 বিশ্বকাপ: অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে ইংল্যান্ড

09:49:59 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ২১০/২ (৩০ ওভার)

09:41:16 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ১৪৭/২ (২০ ওভার)

08:55:51 PM

বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ৫০/০ (১০ ওভার)

08:00:01 PM

 মুচিপাড়া ডাকাতি: একজন কনস্টেবল পলাতক

06:46:00 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ডকে ২২৪ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া

06:44:41 PM