Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মিথ্যে ফানুস ওড়ানোতেই ক্ষতি বিজেপির
তন্ময় মল্লিক

রাখালের গোরুর পালে বাঘ পড়ার গল্পটা মনে আছে? রাখাল মাঠে গোরু চরাতে গিয়ে অন্যদের ঠকিয়ে মজা নেওয়ার জন্য বাঘ, বাঘ বলে চিৎকার করত। তারপর একদিন সত্যি সত্যিই গোরুর পালে বাঘ হানা দিল। রাখাল তখন প্রাণভয়ে চিৎকার করলেও কেউ এল না। গল্পের নীতিকথা কী? মিথ্যা বলে বারবার বোকা বানালে দরকারের সময় পাশে থাকে না কেউই। তাতে বিপদে পড়ে তারাই যারা অন্যের আবেগ নিয়ে ছিনিমিনি খেলে।
দিল্লি বিজেপির নেতারা যেভাবে বারবার বাংলার দলীয় কর্মীদের সামনে মিথ্যার ফানুস ওড়াচ্ছেন তাতে বিপদ বাড়ছে তাঁদেরই। আগামী দিনে তাঁরা কর্মীদের পাশে পাবেন না। নির্বাচন এলেই নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহরা বাংলায় ডেলিপ্যাসেঞ্জারি শুরু করে দেন। তাঁরা বাংলায় এসেই বিজেপি প্রচুর আসন পাবে বলে দাবি করেন। পাশাপাশি পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত সরকার আগেই ভেঙে যাবে বলে হুঙ্কারও ছাড়েন। তাতে উৎসাহিত হয়ে বিজেপির অনেক চুনোপুঁটি নেতাও ভোটের পর দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে বসেন। কিন্তু ফল উল্টো হতেই কোথাও কোথাও ‘পাল্টা’ও হয়ে যায়। 
একুশের পর ফের চব্বিশেও চুপসে গেল বিজেপির মিথ্যার ফানুস। দিল্লি বিজেপির ওড়ানো ফানুস আকাশে না উড়ে বারবার গোঁত্তা খাচ্ছে বাংলার মাটিতে। তাতে গেরুয়া শিবিরকে গ্রাস করছে হতাশা। বঙ্গের বিজেপি কর্মী সমর্থকরা এবার এতটাই মুষড়ে পড়েছেন যে নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রিত্বের হ্যাটট্রিকের মুহূর্তটাও উপভোগ করতে পারলেন না। জওহরলাল নেহরুর রেকর্ড ছোঁয়ার যে স্বপ্ন মোদিজি দেখতেন তা পূরণ হল, কিন্তু অলীক স্বপ্ন চুরমার হওয়ায় হতাশার সাগরে নিমজ্জিত হল বঙ্গ বিজেপি। এখন যা পরিস্থিতি তাতে ছাব্বিশের নির্বাচনে বিজেপি কর্মীদের মাঠে নামাতেই নেতৃত্বের কালঘাম ছুটে যাবে। সবচেয়ে বড় কথা, এরপর নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহরা যাই বলুন না কেন, বিজেপি কর্মীরা তা বিশ্বাস করবেন না। সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা। 
একুশের নির্বাচনে বাংলায় দু’শো আসন জেতার হুঙ্কার ছেড়েছিল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কৃত্রিম ‘গেরুয়া ঝড়ে’ সাময়িক বিভ্রান্ত হয়েছিল বাংলা। তাতেও আশি টপকাতে পারেনি। সাফল্য লক্ষ্যমাত্রার ৪০ ভাগেরও কম। এবার টার্গেট ছিল ৩০টি। পেয়েছে ১২। লক্ষ্যমাত্রার ৪০ শতাংশ। তাহলে বাস্তবটা কী? দলের দিল্লি নেতৃত্বের প্রত্যাশার অর্ধেক আসন দেওয়ারও মুরোদ নেই বঙ্গ বিজেপির। 
এবার বাংলায় বিজেপির আসন প্রাপ্তির প্রত্যাশাকে মোদি-অমিত শাহ জুটি মগডালে তুলে দিয়েছিল। শেষদফার প্রচারে এসে মোদিজি বলেছিলেন, ‘এবার দেশের মধ্যে বিজেপি সবচেয়ে ভালো ফল করবে বাংলায়।’ কেন তিনি একথা বলেছিলেন? তিনি ভেবেছিলেন, ‘ইসবার চারশো পার’ এর ধাপ্পাটা বাংলাকে খাওয়াতে পারলে সংখ্যাগুরু ভোট আরও এককাট্টা হবে। সেই আশাতেই বাংলায় গেরুয়া ঝড় বইছে, এই বিশ্বাসটা তৈরি করতে চেয়েছিলেন। সেটা হলেই ‘ফ্লোটিং ভোট’ ঝুঁকত বিজেপির দিকে। উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে এই কৌশল সফল হয়েছিল। যোগী আদিত্যনাথ ক্ষমতায় নিশ্চিত ফিরছেন ধরে নিয়েই বহু ফ্লোটিং ভোটার পদ্মপ্রার্থীকে ভোট দিয়েছিলেন। এমনকী সংখ্যালঘুরাও। তবে এই টোটকা উত্তরপ্রদেশে কাজে লাগলেও বাংলায় লাগেনি। 
বিজেপি যে লোকসভা ভোটেও বাংলায় জোর ধাক্কা খেয়েছে, একথা নতুন করে বলার দরকার হয় না। কিন্তু এই ‘রামধাক্কা’কেও বিজেপির একাংশ তাদের সাফল্য হিসেবে দেখাতে চাইছে। তারা বলছে, চব্বিশের ভোটে বাংলায় বিজেপির আসন কমলেও একুশের তুলনায় তারা এগিয়েছে। তার পিছনে যুক্তি কী? একুশের নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৭৭টি আসন। লোকসভা ভোটের নিরিখে তারা এগিয়ে প্রায় ৯০টি আসনে। এটা অঙ্ক। অস্বীকার করার জায়গা নেই। কিন্তু উনিশের লোকসভা ভোটের ফলের সঙ্গে তুলনা করলেই ঝুলি থেকে বেরিয়ে পড়বে বেড়াল। উনিশে বাংলায় বিজেপি এগিয়েছিল ১২১টি আসনে। তার জোরেই বিজেপির ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট টিম একুশে রাজ্যে পালা বদলের হাওয়া তুলেছিল। তারপরেও বিজেপি উনিশে এগিয়ে থাকা ১২১টি আসন ধরে রাখতে পারেনি। তবে, এটাই স্বাভাবিক।
লোকসভা, বিধানসভা এবং পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। তাই একটার সঙ্গে অন্য ভোটের ফলের মধ্যে কোনও মিল থাকে না। তবে, বিধানসভা ও লোকসভা ভোটের ফলাফলে রাজ্য রাজনীতির অভিমুখ কিছুটা বোঝা যায়। কোনও আঞ্চলিক দল রাজ্যের ক্ষমতায় থাকলে লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় বিধানসভা ভোটে ভালো ফল করে। আবার সর্বভারতীয় দলের ক্ষমতায় ফেরার সম্ভাবনা থাকলে ফ্লোটিং ভোটের বেশিরভাগটাই সেদিকে যায়। বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন হবে দু’বছর পর। তাই এখনই ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করাটা হয়তো হবে অর্বাচীনের কাজ। তবুও এই মুহূর্তে বঙ্গ বিজেপির যা অবস্থা তাতে ছাব্বিশের ভোটে একুশের চেয়ে তারা একটি আসন বেশি পেলে, সেটাই হবে অঘটন। 
লোকসভা নির্বাচনে ধাক্কা খেতেই বঙ্গ বিজেপির নেতা কর্মীরা ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। তাতে একটা বিষয় আরও প্রকট হচ্ছে, বিজেপির বেশিরভাগটাই সাজানো। সে সন্দেশখালিই হোক বা পোস্টপোল ভায়োলেন্স। নির্বাচনোত্তর সন্ত্রাসের জেরে কর্মীরা ঘরছাড়া বলে যে অভিযোগ তুলে বিজেপি বাজার গরম করতে চাইছে, তার অনেকটাই নাকি সাজানো! বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম নাকি ‘প্রকৃত ঘরছাড়া’দের বদলে ‘সাজানো ঘরছাড়া’দের সঙ্গে কথা বলতে যাচ্ছে। একথাটা বিরোধীদের নয়, ডায়মণ্ডহারবারের পরাজিত বিজেপি প্রার্থীর অনুগামীদের। ঘরের কথা বাইরে ফাঁস করে দেওয়া হয়েছে। তাই ‘গর্দান’ গিয়েছে খোদ বিজেপি প্রার্থীর। হয়েছেন সাসপেন্ড। এটুকু করতেই হতো। না হলে বিজেপির মুখ আরও পুড়ত। 
একথা ঠিক, নির্বাচনে ফল বের হওয়ার পর কিছু এলাকায় বিরোধী দলের কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন। ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। এটা মোটেই কাম্য নয়। কিন্তু সন্ত্রাস কি কেবলই একতরফা? বিজেপি যেখানে জিতেছে সেখানেও কিন্তু তৃণমূলের কর্মীদের ঘরছাড়া করা হচ্ছে, পেটানো হচ্ছে। তবে, এবারের পোস্টপোল ভায়োলেন্স একুশ সালের ধারেকাছেও যায়নি। কারণও আছে। বিজেপির জুমলা বাংলা প্রথম দেখেছিল একুশে। তাই বিজেপি ক্ষমতায় আসছে ধরে নিয়ে দলের নেতা কর্মীরা একটু বেশিই হম্বিতম্বি করে ফেলেছিলেন। ফলে কিছু কিছু এলাকায় তার ‘পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া’ হয়েছিল। কিন্তু এবার গেরুয়া শিবিরের নেতা কর্মীদের মধ্যে সেই লাফালাফি ব্যাপারটা ছিল না। একেই বলে, অভিজ্ঞতা।
ইংরাজিতে একটা প্রবাদ আছে, ‘কাট ইওর কোট অ্যাকর্ডিং টু ইওর ক্লথ’। ক্ষমতা অনুযায়ী পরিকল্পনা করা উচিত। লক্ষ্যপূরণ যদি নাও হয় কাছাকাছি পৌঁছনো যায়। তাতে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। কিন্তু বেড়ে খেললে লক্ষ্যের ধারেকাছেও পৌঁছনো যায় না। তার অনিবার্য পরিণতি, হতাশা। বঙ্গ বিজেপিতে সেটাই হচ্ছে। দিল্লির নেতারা বারবার বাংলায় এসে ২৫/৩০ আসনের গল্প শুনিয়েছেন। তাও যে সে নেতা নয়, নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহের মতো ‘দেবতার দূত’রা। তাঁদের কথায় অনেকে বিশ্বাসও করেছিলেন। কিন্তু বারবার বিজেপির টার্গেট হিট করছে তৃণমূলই। এবার একটা কম, ২৯। 
নির্বাচনের সময় দিল্লি থেকে নেতা, মন্ত্রীরা এসে মিটিং, মিছিল করেন। এবার ছিল ‘স্পেশাল অফার’। প্রধানমন্ত্রীর রোড শো। রাজনৈতিক নেতারা অনেক গালভরা কথা বলেন। অনেক স্বপ্ন দেখান। বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে সেই স্বপ্নের নাগাল পাওয়া যায় না। নেতাদের কথা সাধারণ মানুষ বিশ্বাস না করলেও দলীয় কর্মী, সমর্থকদের কাছে তাঁরাই হিরো। তাঁদের কথায় জীবন বাজি রেখে রাজনীতি করেন। আজকাল অধিকাংশ নেতার কাছে রাজনীতি হল ‘কেরিয়ার’। তাই টিকিট বা মন্ত্রিত্ব না পেলে অনায়াসেই ভিড়ে যান অন্য দলে। কিন্তু সাধারণ কর্মী সমর্থকদের কাছে দল হল আবেগ, ভালোবাসা, স্বপ্ন। তারজন্য অনেকে জলাঞ্জলি দেন উজ্জ্বল কেরিয়ার। এমনকী জীবনও।
এবার লোকসভা ভোটে মহারাষ্ট্রের বীড় কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন পঙ্কজা পান্ডে। তিনি এনসিপি প্রার্থীর কাছে হেরে গিয়েছেন। দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে এখনও পর্যন্ত চারজন বিজেপি কর্মী আত্মহত্যা করেছেন। এতেই বোঝা যায়, সাচ্চা কর্মীরা দল করেন কোন আবেগ থেকে। তাই মান্যবরদের কাছে একটাই অনুরোধ, রাজা উজির হোন ভালো কথা। কিন্তু দোহাই আপনাদের, দয়া করে সেই নেশায় কর্মীদের আবেগ নিয়ে ছেলেখেলা করবেন না।
22nd  June, 2024
২১ জুলাই এবার অনেক নেতারও ‘শহিদ দিবস’
তন্ময় মল্লিক

‘লোকসভা নির্বাচনে কম আসন পেলেও রাজ্যে ৬৯টি পুরসভায় আমরা এগিয়ে।’ কথাগুলি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। নির্বাচনে ভরাডুবির পর হতোদ্যম দলীয় কর্মী-সমর্থকদের চাঙ্গা করতে গেলে হতাশার গাদা থেকে খুঁজে বের করতে হয় সাফল্যের ছুঁচ। বিশদ

ট্রাম্প টার্গেট: কিশোর মন বোঝা জরুরি
সমৃদ্ধ দত্ত

আমেরিকার ২০ বছরের এক তরুণের মনের হদিশ এতদিন ধরে কিন্তু কেউ পায়নি। তার স্কুলের প্রাক্তন সহপাঠী, প্রতিবেশী, অভিভাবক সকলেই প্রবল বিস্মিত। এরকম কাজ এই ছেলেটি কীভাবে করতে পারে? আজ পেনসিলভেনিয়ার এক কান্ট্রিসাইডে ঘটে যাওয়া ওই রোমহর্ষক ঘটনা নিয়ে উত্তেজনাপূর্ণ আলোচনা অনেক দূরে আমাদের ঘরে ঘরেও হয়তো হচ্ছে।
বিশদ

19th  July, 2024
হতাশার ভোটে রক্তাক্ত ট্রাম্প!
মৃণালকান্তি দাস

সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা ঘিরে রেখে তাঁকে মঞ্চ থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন, তাঁর মুখের উপর রক্ত গড়িয়ে পড়ছে, এর মধ্যে মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে স্লোগান তোলা অদম্য ট্রাম্পের ছবি শুধু ঐতিহাসিক নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের গতিপথও উল্টে দিতে পারে।  বিশদ

18th  July, 2024
সংবিধান প্রীতির সংসদীয় প্রতিযোগিতা
হারাধন চৌধুরী

বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, হিউম্যারিস্ট স্টিফেন লিকক বলেছিলেন, প্রবাদগুলো নতুন করে লেখা উচিত। কারণ এগুলো প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। এমনকী, কিছু প্রবাদ সাম্প্রতিক বাস্তবের বিপরীত ব্যাখ্যাই বহন করছে বিশদ

17th  July, 2024
উপ নির্বাচন ও কিছু মিলে যাওয়া অঙ্ক
শান্তনু দত্তগুপ্ত

দ্রবণকে ব্যাখ্যা করতে গেলে তিনটি ধরন পাওয়া যায়—অসমপৃক্ত, সম্পৃক্ত, আর অতিপৃক্ত। নিছক স্কুলজীবনের বৈজ্ঞানিক শিক্ষা। কিন্তু অবলীলায় একে দৈনন্দিন জীবন, সমাজ এবং রাজনীতিতে চালিয়ে দেওয়া যায়। অতিপৃক্ত শব্দটিকে জীবনের সঙ্গে খাপ খাওয়ালে বলা যেতেই পারে, জল গলার উপর উঠে গিয়েছে।
  বিশদ

16th  July, 2024
নয়া তিন আইন নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেবেন কে?
পি চিদম্বরম

একটি বিতর্কের পরে যেখানে বিরোধীরা সংসদের উভয় কক্ষ (সঙ্গত কারণে) বয়কট করল, সেখানেই ভারতীয় দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৯৭৩ এবং ভারতীয় সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ প্রতিস্থাপন (এবং পুনঃপ্রণয়ন) করার জন্য তিনটি বিল পাস করা হল।
বিশদ

15th  July, 2024
বাজেটের আগে মোদি মস্কোয় কেন?
হিমাংশু সিংহ

কথায় কথায় বলেন, নেহরু যুগের সব খারাপ। সেই কারণে দেরি না করে দ্রুত কংগ্রেস জমানার যাবতীয় নিশান মুছে ফেলাই যে তাঁর অগ্রাধিকার, তা বারে বারে বুঝিয়ে দিয়েছেন। অথচ তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার একমাসের মধ্যে নেহরু-ইন্দিরা যুগের বিদেশ নীতির পদাঙ্ক অনুসরণ করেই হইচই ফেলে দিলেন তিনি, নরেন্দ্র মোদি।
বিশদ

14th  July, 2024
মতুয়া ভোটের লোভেই কি শান্তনুর সাত খুন মাফ!
তন্ময় মল্লিক

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের বিরুদ্ধে বিজেপি নেতৃত্ব বা নরেন্দ্র মোদির সরকার কি কোনও ব্যবস্থা নেবে? দ্বিতীয়বার মন্ত্রী হওয়ার এক মাসের মধ্যেই কেন এই প্রশ্ন? কারণ তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে গোমাংস পাচারে মদতের গুরুতর অভিযোগ। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্তাকে তাঁর লেখা সুপারিশপত্র নিয়ে বিজেপির অন্দরে ব্যাপক জলঘোলা হচ্ছে।
বিশদ

13th  July, 2024
ট্যাক্স সন্ত্রাস: জনতার কষ্টার্জিত অর্থ যায় কোথায়?
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা বেতন, ব্যবসা অথবা স্বাভাবিক পেশার বাইরে কোনও অতিরিক্ত কাজ করে কিছু বেশি রোজগার করলাম। সেই টাকার একাংশ সরকার ট্যাক্স নেবে। ট্যাক্স কেটে নেওয়ার পর যে টাকা বেঁচে থাকবে, সেটা পুরোটাই তো আমাদের জীবনযাপনের জন্য থাকার কথা। বিশদ

12th  July, 2024
মমতার জলযুদ্ধ!
মৃণালকান্তি দাস

সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের ‘সাতকাহন’ উপন্যাসের নায়িকা ছিলেন দীপাবলি। যাঁকে উত্তরবঙ্গের চা-বাগান থেকে বহুবার সকরিকলি মনিহারি ঘাট হয়ে স্টিমারে গঙ্গা পেরিয়ে কলকাতা আসতে হতো। কলকাতা এবং উত্তরবঙ্গের যোগসূত্র তখন অর্ধেক পথ ট্রেনে, তারপরে স্টিমারে গঙ্গা পেরিয়ে আবার অন্যপাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেন। বিশদ

11th  July, 2024
বেসামাল মোদি, সিঁদুরে মেঘ দেখছে বিজেপি
সন্দীপন বিশ্বাস

এই প্রথম রাহুল গান্ধী নিজেকে একজন বলিষ্ঠ বিরোধী নেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হলেন। জুমলা থ্রি সরকারের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিন থেকেই লড়াই জমে গিয়েছে। বিরোধী শক্তির ধার ও ভার দেখে চিন্তিত পুরো বিজেপি বেঞ্চ। নরেন্দ্র মোদির কপালেও চিন্তার ভাঁজ। বিশদ

10th  July, 2024
বাজেট: মধ্য ও নিম্নবিত্তের একবুক আশা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হরিপদ কেরানির জীবনের লক্ষ্য কী ছিল? একটাই—উপার্জনের প্রতিটা আনা-পাই বাঁচানো। খাই খরচ বাঁচাতে তিনি পড়াতে যান দত্তদের বাড়ি। ছেলে পড়িয়ে যা পাওয়া যায়, সেটাই দিয়েই পেটের অন্তরাত্মাকে বুঝিয়ে-সুজিয়ে নেন। কেরোসিনের খরচ কমাতে সন্ধেটা কাটান শিয়ালদহ স্টেশনে।
বিশদ

09th  July, 2024
একনজরে
মদ খেতে টাকা না দেওয়ায় মাছ ব্যবসায়ীকে গুলি করল মদ্যপ দুষ্কৃতীরা। আক্রান্ত যুবকের নাম বিশ্বনাথ ঘোষ। শুক্রবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে কৃষ্ণনগরের গোয়াড়িবাজারে। আক্রান্তের বাড়ি নগেন্দ্রনগর। ...

এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত আধিকারিকদের ১১ জনের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা যাচ্ছে না। এবার হাইকোর্টে এই মর্মে রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই। এর আগে সিবিআই অভিযোগ করেছিল, বিচার প্রক্রিয়া শুরুর ব্যাপারে মুখ্যসচিবকে চিঠি দিলেও কোনও উত্তর মেলেনি। ...

বিরতিতে পুলিস এসির বিরুদ্ধে দু’গোলে এগিয়ে ইস্ট বেঙ্গল। লেবু চায়ে চুমুক দিতে ব্যস্ত গ্যালারিতে স্বস্তির হাওয়া। এইসময় ভিআইপি বক্সে থেকে জিকসন সিংকে নিয়ে কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত মাঠে নেমে আসতেই হাউইয়ের মতো আকাশ ছুঁল গর্জন। ...

সরকারি ভবনের ছাদে গ্রেনেড উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায়। পরে বম্ব স্কোয়াড ঘটনাস্থলে এসে নিস্ক্রিয় করেছে ওই গ্রেনেডটি। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজা সুখদেব জেলা হাসপাতালের কাছে ওই বিল্ডিংয়ের ছাদে খেলছিল কয়েকটি শিশু। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মাতুলকূলের সম্পত্তি প্রাপ্তির যোগ আছে। সব কাজকর্মে বাধার মধ্যে অগ্রগতি। শরীর-স্বাস্থ্য চলনসই। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আজ চাঁদে অবতরণ দিবস
১৯২০: শ্রীশ্রী মা সারদা দেবীর প্রয়াণ
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৯৬৯: প্রথম মানুষ হিসাবে চাঁদে পা রাখেন অ্যাপোলো ১১ অভিযানের নভোচারী নীল আর্মস্ট্রং ও এডুইন অল্ড্রিন জুনিয়ার
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯০২: বাঙালি শিশুসাহিত্যিক ও কবি সুনির্মল বসুর জন্ম
১৯০৫: ব্রিটিশ সংসদে বঙ্গভঙ্গ আইন প্রথম অনুমোদন পায়
১৯১৯: পর্বতারোহী এবং অভিযাত্রী এডমন্ড হিলারীর জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহর জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
১৯৬০: শ্রীলঙ্কার প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে
১৯৬৫: বাঙালি ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী ও ভারতীয় মুক্তিযোদ্ধা বটুকেশ্বর দত্তের মৃত্যু
১৯৬৯: অ্যাপোলো ১১ অভিযানের নভোচারী নীল আর্মস্ট্রং ও এডুইন অল্ড্রিন জুনিয়র প্রথম মানুষ হিসাবে চাঁদে পা রাখেন
১৯৭২: সঙ্গীতশিল্পী গীতা দত্তের মৃত্যু
১৯৭৩: চীনা মার্শাল আর্ট শিল্পী তথা অভিনেতা ব্রুস লির মৃত্যু
১৯৭৪: সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক কমল দাশগুপ্তের মৃত্যু
১৯৭৬: মার্কিন নভোযান ভাইকিং মঙ্গলগ্রহে অবতরণ করে



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৮১ টাকা ৮৪.৫৫ টাকা
পাউন্ড ১০৬.৫৫ টাকা ১১০.০৬ টাকা
ইউরো ৮৯.৫৫ টাকা ৯২.৭১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৩,৯৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৪,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭০,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮৯,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮৯,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ শ্রাবণ, ১৪৩১, শনিবার, ২০ জুলাই, ২০২৪। চতুর্দ্দশী ৩২/১৩ অপরাহ্ন ৬/০। পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্র ৫১/৪৫ রাত্রি ১/৪৯। সূর্যোদয় ৫/৬/৪৫, সূর্যাস্ত ৬/১৯/১। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১/২ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৮ গতে ১০/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩১ মধ্যে পুনঃ ২/১৪ গতে ৩/৪০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১/২২ গতে ৩/১ মধ্যে পুনঃ ৪/৪০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি। 
৪ শ্রাবণ, ১৪৩১, শনিবার, ২০ জুলাই, ২০২৪। চতুর্দ্দশী সন্ধ্যা ৬/৪০। পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্র রাত্রি ২/৩০। সূর্যোদয় ৫/৬, সূর্যাস্ত ৬/২২। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৩ গতে ১২/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২২ গতে ১০/৩৫ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩৪ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৪৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪৫ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ৩/৩ মধ্যে। ও ৪/৪২ গতে ৬/২২ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪২ মধ্যে ও ৩/৪৫ গতে ৫/৬ মধ্যে। 
১৩ মহরম।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কে হলেন ভারতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ?
ভারতীয় সিনিয়র ফুটবল দলের নতুন কোচ কে হবেন, তা জানার ...বিশদ

08:02:33 PM

শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে নিম্নমানের চাল দেওয়ার অভিযোগ, বিক্ষোভ অভিভাবকদের
একাধিক অভিযোগ তুলে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি ব্লকের সাপটিবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের লোহার ...বিশদ

03:30:32 PM

জম্মু-কাশ্মীরে পৌঁছলেন সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী
পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মতোই জম্মু-কাশ্মীরে পৌঁছে গেলেন সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী। আজ, ...বিশদ

03:28:16 PM

তাঁতিদের থেকে শাড়ি কেনা শুরু রাজ্য সরকারের
পুজোর বাজার ধরতে আগেভাগেই তাঁতিদের থেকে শাড়ি কেনা শুরু করলো ...বিশদ

03:13:46 PM

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান
শহিদ দিবসের ২৪ ঘণ্টা আগেই তৃণমূলে যোগ দিলেন খড়্গপুরের এক ...বিশদ

03:03:16 PM

ছত্তিশগড়ের সুকমায় নিকেশ ১ মাওবাদী
নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ছত্তিশগড়ের সুকমায় নিকেশ এক মাওবাদী। শনিবার ...বিশদ

02:45:33 PM