Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মধ্যবিত্ত কারা? বাজেট তাদের কী দেবে?
সমৃদ্ধ দত্ত

মধ্যবিত্ত  চেনার উপায় কী? এই শ্রেণি সর্বদাই সবথেকে বেশি পছন্দ করে অন্যকে দুটি জিনিস দিতে। পরামর্শ এবং ওপিনিয়ন বা মতামত। সবথেকে পছন্দ করে কেউ যদি তাঁর কাছে জানতে  চায়, আমার এরকম একটি সমস্যা হয়েছে, কী করি বলুন তো? অথবা কোনও ইস্যুতে যদি কেউ জানতে চায় যে, আচ্ছা এটা নিয়ে আপনার কী অভিমত? এই দুটি প্রশ্ন করলে তো প্রচণ্ড উৎফুল্ল ও তৃপ্ত হয়ে মধ্যবিত্ত তার পরামর্শ এবং ওপিনিয়ন দিতে পছন্দ করেই। কিন্তু তার থেকেও যেটা বেশি তাৎপর্যপূর্ণ, সেটি হল, এসব জানতে না চাইলেও উপযাচক হয়েই তারা পরামর্শ দেয়, সব বিষয়েই ওপিনিয়ন নেয় এবং অবশ্যই উপদেশ দেয়।  এই আচরণ ও মনোভাবের প্রেক্ষিতে মধ্যবিত্তের সবথেকে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য কী? সেটি হল, সাধারণত প্রত্যেক মধ্যবিত্তই কমবেশি মাঝেমধ্যেই বলে, জীবনে বেশ কিছু ভুল করেছি। আর একবার সুযোগ পেলে বহু ভুল করতাম না অথবা শুধরে নিতাম। মজার ব্যাপার হল, যারা জানে যে, তারা জীবনে প্রচুর ভুল করেছে, তারা কিন্তু তা সত্ত্বেও অন্যকে পরামর্শ, ওপিনিয়ন অথবা উপদেশ দিতে দ্বিধা করে না। মধ্যবিত্তের কাছে সবথেকে কষ্টকর কাজ ‘আমার ভুল হয়েছে’ এবং ‘আমি জানি না’ উচ্চারণ করা। 
ভারতের অর্থনীতিকে কারা সচল রেখেছে? মধ্যবিত্ত এবং উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেণি। কারণ এই অংশ সবথেকে স্থিতিশীল ক্রেতা এবং দাতা। এরাই পণ্য কেনে সবথেকে বেশি। এরাই ট্যাক্স দেয় সবথেকে বেশি। কিন্তু বিনিময়ে সরকারের থেকে যে এরা তেমন কিছু পায় না কোনওদিনই, সেই উপলব্ধি মধ্যবিত্তের খুব বেশি হয় না। তাই তারা নিত্যদিনের সমস্যা অথবা জীবনযাপনের প্রতিবন্ধকতা তথা যন্ত্রণা নিয়ে রাজনীতিকে দেখে না। ভোটও দেয় না। নিজেদের সমস্যা নিজেদের কাছেই ইস্যু নয়। আর তাই লক্ষ করা যায় মধ্যবিত্তকে সাধারণত শাসক গোষ্ঠী উপেক্ষা করে। তাচ্ছিল্য করে। মিষ্টি মিষ্টি নানাবিধ ইভেন্ট বা স্লোগান অথবা ইস্যুতে ভুলিয়ে রাখে। সরাসরি উপকার করে না। কারণ সমস্যা কমুক অথবা বাড়ুক, মধ্যবিত্তের প্রিয় টাইমপাস হল পরামর্শ দেওয়া, ওপিনিয়ন দেওয়া এবং উপদেশ দেওয়া। তারা ওতেই তৃপ্ত। কারণ মধ্যবিত্ত যখন কথা বলে, তখন সেইসব কথায় সবথেকে বেশি তৃপ্ত হয় নিজেই! মধ্যবিত্ত নিজেই নিজের ফ্যান। 
আগামী কাল আবার বাজেট।  ঠিক তার প্রাক্কালে মধ্যবিত্ত প্রসঙ্গ উত্থাপনের কারণ হল, আবার আশা নিয়ে মধ্যবিত্ত বসে আছে যে, এবার তাদের জন্য বাজেটে কোনও উপহার থাকবে কি না। প্রশ্ন উঠতেই পারে মধ্যবিত্ত কাদের বলা হচ্ছে? একটি বিভ্রান্তি অথবা আত্মতৃপ্তি থাকতে পারে যে, বাড়ি গাড়ি ভোগ্যপণ্য থাকলেই বুঝি আর আমি মধ্যবিত্ত নই। উচ্চ মধ্যবিত্ত কিংবা উচ্চবিত্ত হয়ে গেলাম। ২০২৪ সালে বিষয়টি মোটেই তেমন নয়। কারণ পঁচিশ তিরিশ বছর অথবা উদারীকরণেরও আগে যাদের মধ্যবিত্ত ক্যাটাগরিতে ফেলা হতো, এখন মধ্যবিত্ত ঠিক সেখানেই দাঁড়িয়ে নেই। 
পিপল রিসার্চ অন ইন্ডিয়াজ কনজিউমার ইকনমি (PRICE) সামাজিক অর্থনীতি নিয়ে গবেষণা ও সমীক্ষা করে দীর্ঘদিন ধরে। তাদের বিভাজন হল, ৬ লক্ষ টাকা থেকে ৩৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক আয় যাদের, তাদের সকলেই মধ্যবিত্ত। কেউ নিম্ন মধ্যবিত্ত। কেউ উচ্চ মধ্যবিত্ত। কেউ সীমানায়। কিন্তু মধ্যবিত্তের সীমানা তারা কেউ ছাড়ায়নি। এই মিডল ক্লাস ব্র্যাকেট এত বিস্তৃত হওয়ার কারণ হল, বৈষম্য অনেক বেড়ে গিয়েছে। অর্থাৎ উচ্চবিত্ত জীবন এতটাই ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছে যে,  ভাবতে ইচ্ছা হলেও সম্ভব নয় নিজেকে উচ্চ মধ্যবিত্ত ভাবা। উচ্চবিত্ত তো অনেক দূরের কথা।
ঠিক এই শ্রেণি বর্তমান ভারতে সবথেকে বেশি আর্থিকভাবে সঙ্কটে। তিনটি ফ্যাক্টর মধ্যবিত্তের মেরুদণ্ড বাঁকিয়ে দিচ্ছে। ১) প্রবল মূল্যবৃদ্ধি ২) বিপুল ট্যাক্স বা কর ৩) আয় ও সঞ্চয় বৃদ্ধির সুযোগ ক্রমাগত কমে যাওয়া।  আর এসবের সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাজারে। মধ্যবিত্ত সবার আগে কেনাকাটা কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। সবার আগে বিগত চার বছর ধরে ধাক্কা খেয়েছে যে কোনও পণ্যের সস্তার সেগমেন্ট। অর্থাৎ বাজারের পরিভাষায় যাকে বলা হয় এন্ট্রি লেভেল সেক্টর। কাকে বলে এন্ট্রি লেভেল? ধরা যাক যারা প্রথম গাড়ি কেনে ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকার মধ্যে। মোবাইল ৭ থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে। এ সি কেনে ৩০ হাজার টাকার নীচে। ফ্রিজ কেনে ১৫ হাজার টাকার নীচে। এই বাজারটাই কিন্তু ভারতে সবথেকে বড়। অর্থাৎ এন্ট্রি লেভেল। 
ঠিক এই সেক্টর সবথেকে বেশি ধাক্কা খেয়েছে। গাড়ি বিক্রি সবথেকে ধাক্কা খেয়েছে এন্ট্রি লেভেলে। ৪ শতাংশ কমেছে মাত্র এক বছরে। অথচ এসইউভি বিক্রি বেড়েছে ৮ শতাংশ। এমপিভি বেড়েছে সাড়ে ৯ শতাংশ। অর্থাৎ বড়লোক বাড়ছে। কতটা ধাক্কা? ২০১৯ সালে ১০ লক্ষ টাকার কম দামের গাড়ি বিক্রি হয়েছে মোটা গাড়ি বিক্রির ৮২ শতাংশ! অর্থাৎ সিংহভাগ তো বটেই, প্রায় সবটাই! অথচ সেটা‌ই ২০২১ সালের পর থেকে বিপজ্জনকভাবে কমছে। ভারতের টু এবং থ্রি টায়ার শহরে সবথেকে দ্রুত হারে বন্ধ হচ্ছে মোবাইল এবং রিচার্জ শপ। কারণ সেরকম এন্ট্রি লেভেলের বিক্রি নেই। তাই মুনাফা কম। এবং ফাস্ট মুভিং কনজিউমার ডিউরেবলস। যাকে বলা হয় এফএমসিজি। এই সেক্টর ভারতের শহরাঞ্চলে প্রবল ধাক্কা খেয়েছে। একটি সংসারে দুই বা তিন রকম ভিন্নধর্মী শ্যাম্পু অথবা সাবান কেনার প্রচলন ছিল কিছু বছর আগেও। এখন একটি করেই কেনা হচ্ছে বলে প্রাইস সমীক্ষা জানাচ্ছে। 
সবরকম ভোগ্যপণ্যকে নিয়ে কর্পোরেট বাণিজ্য দুটি বিভাগে বিভাজিত করে বাজারকে। মাস সেগমেন্ট। অর্থাৎ জনতা বিভাগ। আর প্রিমিয়াম সেগমেন্ট। উচ্চ আয়ের বিভাগ। প্রাইসের সমীক্ষা বলছে, ২০২০ সালের পর বিগত চার বছরে মাস সেগমেন্টের বৃদ্ধিহার ১৭ শতাংশ। প্রিমিয়াম সেগমেন্টের বৃদ্ধি হার ৪৩ শতাংশ। প্রিমিয়াম সেগমেন্ট মানে কী? যে বিভাগটি সব প্রোডাক্টেরই  টপ মডেল ও টপ ব্র্যান্ড কেনে। 
৫০ লক্ষ টাকার কম বাড়ির দাম হলে সেটাকে বলা হয় অ্যাফোর্ডেবল বিভাগ। ১ কোটি টাকার বেশি হলে প্রিমিয়াম। অ্যাফোর্ডেবল আবাসনের বিক্রি থমকে আছে। প্রিমিয়াম ক্যাটাগরি বাড়ছে। যে কোনও শহরে আজকাল দু কোটি তিন কোটি টাকার ফ্ল্যাটের বিজ্ঞাপন অনেক বেশি চোখে পড়ে সংবাদমাধ্যমে। তাই আবার ভাড়াটে বাড়ছে। বাড়ি কেনার ইচ্ছা থাকলেও সম্ভব হচ্ছে না মধ্যবিত্তের। 
অথচ অর্থমন্ত্রকের প্রকাশ করা রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে প্রতি বছর মধ্যবিত্তের করপ্রদান হু হু করে বাড়ছে। আয়কর, জিএসটি এবং সেস। এই তিনভাবে কম দেয় মধ্যবিত্ত। কর আদায় এবার ২৭ লক্ষ কোটি টাকা ছাপিয়ে যাওয়ার আশা করছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। 
অর্থাৎ মধ্যবিত্ত নিজের চেষ্টায় পড়াশোনা করছে। চাকরি পাচ্ছে। ভোট দিচ্ছে। ট্যাক্স দিচ্ছে। ভ্রমণ করে, পণ্য কিনে সচল রাখছে দেশের অর্থনীতিকে। কিন্তু বিনিময়ে সরকারের থেকে কিছুই পায় না। নিশ্চিন্তে রাস্তায় হাঁটার সুযোগ পায় না। উন্নত পরিকাঠামো পায় না। সস্তায় উচ্চশিক্ষা পায় না। নির্বিঘ্নে ট্রেন বা প্লেনের টিকিট পায় না। 
ঠিক এই আবহে আগামী কাল কেন্দ্রীয় বাজেটে মধ্যবিত্ত কী পাবে? আয়করে সুরাহা হলেও সেটা কি কৌশলী হবে? অর্থাৎ এক হাতে একটু দেওয়া, অন্য হাতে সেটাই নিয়ে নেওয়া? জীবনযাপনের প্রবল চাপে মধ্যবিত্তের হাতে বাজেটের পর কী বেঁচে থাকবে? আবার সেই পরামর্শ আর ওপিনিয়ন দেওয়ার নিরাপদ আশ্রয় ছাড়া? আর্থিক আশ্রয় কিছু দিক এবার রাষ্ট্র! 
31st  January, 2025
ছেঁড়া কাঁথা, তবুও লাখপতি হতে চায় বিজেপি

বঙ্গ বিজেপির অবস্থা যত করুণই হোক না কেন, ‘ভোট পুজো’র ঢাকে কাঠি পড়লেই দিল্লির নেতাদের বাংলায় ডেলি প্যাসেঞ্জারি শুরু হবে। ফের বাড়বে কেন্দ্রীয় এজেন্সির সক্রিয়তা। কিন্তু তাতে বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাবে না। কারণ বিজেপি আছে টিভিতে, বামেরা আছে সোশ্যাল মিডিয়ায়, কিন্তু মমতা আছেন মাঠে, ময়দানে, মানুষের পাশে। তাই মাটি দখলের লড়াইয়ে তিনিই এগিয়ে যান অনায়াসে।
  বিশদ

ব্যর্থ নবরত্নসভা এবং দিল্লির নারী মুখ্যমন্ত্রী 
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদির আমলে মনোনীত বিজেপি’র প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রেখা গুপ্তাকে কি দৃষ্টান্তমূলক এক সফল শাসক হয়ে ওঠার সুযোগ আদৌ তাঁর দল দেবে? এটা কিন্তু এক বড়সড় সুযোগ বিজেপির কাছে। প্রমাণ করা যে, তারা নারী ক্ষমতায়নের একটি জোরদার উদাহরণ স্থাপন করে যাচ্ছেন। নাকি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আর একজন পুতুল হবেন?
বিশদ

21st  February, 2025
‘আত্মঘাতী বাঙালি’র মুখের ভাষা আজ বিপন্ন
তাপসী দাস

সাহেবদের ভাষা বিহনে এখন উচ্চশিক্ষার জগৎ অন্ধকার। শৈশব থেকে তাই ইংরেজি শিখতে হবে। কিন্তু তার সঙ্গে মাতৃভাষা বাংলা ভুলতে হবে কেন? তাকিয়ে দেখুন, দক্ষিণ ভারতের দিকে। ইংরেজি সেখানেও স্বমহিমায় বিরাজমান। তবে কখনওই মাতৃভাষাকে বিসর্জন দিয়ে নয়। আজ দক্ষিণ ভারতের ছেলেমেয়েরা দেশ-বিদেশ সর্বত্রই উচ্চ পদমর্যাদার চাকরিতে বহাল। অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে যদি ভাষাকে যুক্ত করা না যায়, তবে সেই ভাষা একদিন হারিয়ে যেতে বাধ্য।
বিশদ

21st  February, 2025
মিস্টার কো-প্রেসিডেন্ট!
মৃণালকান্তি দাস

মাস্ক এমনভাবে মার্কিন কংগ্রেসের উপরও ছড়ি ঘোরাতে শুরু করেছেন, যেখানে বিভ্রান্ত রিপাবলিকান পার্টির মাথারাও। মাস্ক একেবারে ট্রাম্প সুলভ। প্রতিদিনই কার্যত উল্টোপাল্টা কিছু না কিছু বলেই চলেছেন। সারাক্ষণ সংবাদমাধ্যমের চর্চায় থাকতে ভালোবাসেন। ফলে রিপাবলিকান পার্টি ও ট্রাম্পের প্রশাসনে মাস্কের প্রভাব বাড়ছে দিন-দিন। ‘মাস্কম্যানিয়া’ নামে একটা শব্দই তৈরি হয়ে গিয়েছে আমেরিকায়।
বিশদ

20th  February, 2025
নতুন লড়াইয়ে দৃপ্ত হবে একুশের ময়দান
সন্দীপন বিশ্বাস

বাংলাদেশে উন্মত্ত এই নতুন প্রজন্ম কি চেনে আব্দুল গাফফার চৌধুরীকে? এই মুহূর্তে যারা দাপাদাপি করে দেশটাকে আর একটা পাকিস্তান বানাতে চাইছে, তারা কি চেনে আব্দুল লতিফ কিংবা আলতাফ মামুদকে? এই আত্মঘাতী প্রজন্ম চেনে না রফিক, আজাদ, জব্বারকেও।
বিশদ

19th  February, 2025
সমাজে আলোর দিশারি দুই চিরজাগ্রত আলোকবর্তিকা
অতূণ বন্দ্যোপাধ্যায়

শীতের শেষ বসন্তের আগমন। বসন্ত যেন নতুনের শুরু। প্রকৃতি এই সময় শীতের রুক্ষতা ত্যাগ করে নতুন করে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। শীত বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে গাছে গাছে গজিয়ে ওঠা নতুন কচি কচি পাতায় প্রকৃতি তার অপরূপ রূপে সেজে ওঠে। ফুল ফোটে।
বিশদ

18th  February, 2025
তথ্য গোপনে প্রাপ্তিটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কুম্ভ থেকে দিল্লি
কিছুই তো হয়নি! পদপিষ্ট? না না, পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি। এটাই প্রাথমিক বয়ান। প্রয়াগের কুম্ভ থেকে দিল্লি স্টেশন পর্যন্ত। চারদিকে পড়ে আছে মৃতদেহের স্তূপ।
বিশদ

18th  February, 2025
বাজেটে পরিত্যক্ত উপদেবতারা 
পি চিদম্বরম

 

তামিল ভাষায় একটি প্রবাদ আছে এইরকম: ‘পেটে টান পড়লে দশটার মধ্যে দশটাই উড়ে যাবে’। দশটি হল সম্মান, বংশ, শিক্ষা, উদারতা, জ্ঞান, দান, তপস্যা, প্রচেষ্টা, অধ্যবসায় এবং আকাঙ্ক্ষা। আধুনিক যুগে, নির্বাচনের সময় দশটি—এবং আরও—অনেক গুণ অদৃশ্য হয়ে যায় বলে মনে হয়।
বিশদ

17th  February, 2025
বিকশিত গেরুয়া, দেশ ও মানুষ সেই তিমিরেই?

বিকশিত ভারত, না বিকশিত বিজেপি। গেরুয়া নেতামন্ত্রীদের লাফিয়ে সম্পদ বৃদ্ধি, না গরিবের ঘরে দু’মুঠো খাবার? ‘মেক ইন্ডিয়া গ্রেট’ যেন শেষে ‘মেক বিজেপি গ্রেট’-এ পর্যবসিত না হয়। তাহলে ইতিহাস কিন্তু দেশের স্বঘোষিত ‘বিশ্ব কাঁপানো সেবক’কে ক্ষমা করবে না।
বিশদ

16th  February, 2025
বাংলা যে দিল্লি নয় জানে বিজেপিও
তন্ময় মল্লিক

২৭ বছর পর দিল্লির ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। অরবিন্দ কেজরিওয়াল হারায় বঙ্গ বিজেপি প্রচণ্ড উত্তেজিত। তাই একুশে সংখ্যাগরিষ্ঠতার অর্ধেক পুঁজি জোগাড়ে ব্যর্থ হয়েও বাংলায় সরকার গড়ার হুঙ্কার দিচ্ছে। 
বিশদ

15th  February, 2025
ভারতের ডিপসিক মোমেন্ট
সুদীপ্ত রায়চৌধুরী

‘সবার মুখে একটা কথা প্রায়ই শুনি... কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌড়ে আমেরিকা ও চীনের মধ্যে কমপক্ষে এক-দু’বছরের ব্যবধান থাকবেই। কিন্তু বাস্তবে ব্যবধান সময়ের নয়। আসল ব্যবধান হল নিজস্বতা ও অনুকরণের মধ্যে। যদি সেখানে পরিবর্তন না আসে, তাহলে চীনকে আজীবন অনুগামী হয়েই থেকে যেতে হবে।’
বিশদ

15th  February, 2025
এগারো বছরের বঙ্গবঞ্চনার পিছনে রহস্য কী? 
সমৃদ্ধ দত্ত

বঞ্চনা। অবহেলা। উপেক্ষা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। এসব কারণের উল্লেখ করে বহুবার নানা সমালোচনা করা হয়েছে। সুতরাং এই একই অভিযোগে আবার সরব হওয়ার সত্যিই অর্থ হয় না। কিন্তু একটানা এগারো বছর ধরে লাগাতার একই প্যাটার্ন দেখার পর বঙ্গবাসীর মধ্যে একটি বিস্ময়কর প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।
বিশদ

14th  February, 2025
একনজরে
ঋণের অর্থে কোনওরকমে চলছে পাকিস্তান। দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া। বিদেশি সংস্থাগুলিও সরকারকে ঋণ দিতে গিয়ে রীতিমতো ইতস্তত করছে। কারণ সে টাকা ফেরত পাওয়া অনিশ্চিত। ...

আর দিন ছয়েক সময়। তার মধ্যে স্কুলের প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার নম্বর পোর্টালে জমা না দিলে পড়ুয়া পিছু ১০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে স্কুলকে। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ...

মদমে মধ্যরাতে গলায় ছুরি ধরে বৃদ্ধ দম্পতির সর্বস্য লুটের ঘটনার কিনারা এখনও করতে পারেনি পুলিস। ঘটনার চারদিন পরও একজন দুষ্কৃতীও গ্রেপ্তার হয়নি। ফলে এলাকাবাসীরা নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। ...

দেশের অভ্যন্তরের সমস্ত বর্ডার চেকপোস্ট তুলে দেওয়ার জন্য রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে নির্দেশিকা জারি করে রাজ্য সরকারগুলিকে এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

বিশেষ কোনও কর্মের আর্থিক সংস্থান নিয়ে মানসিক চিন্তা বৃদ্ধি পাবে। আর্থিক ঝুঁকি নেবার আগে দুবার ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৩২: গ্যালিলিও গ্যালিলির ডায়ালগ কনসার্নিং‌ দ্য টু চীফ ওয়ার্ল্ড সিস্টেমস প্রকাশিত
১৭৩২: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটনের জন্ম
১৮৫৩: এলিয়ট সেমিনারি হিসেবে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি ইন সেইন্ট লুইস প্রতিষ্ঠিত
১৮৮৭:  চারণকবি মুকুন্দ দাসের জন্ম
১৮৮৮: ভারতে সাইকেল নির্মাণ ও বিকাশের অন্যতম পথিকৃৎ বাঙালি শিল্পপতি সুধীরকুমার সেনের জন্ম
১৯০৬: অভিনেতা পাহাড়ি সান্যালের জন্ম
১৯২২: বিশিষ্ট বেহালাবদক ভি. জি. জোগ-এর জন্ম
১৯২২: রাগপ্রধান গানের প্রথম মহিলা বাঙালি শিল্পী দীপালি নাগের জন্ম
১৯৪৪: মহাত্মা গান্ধীর স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধীর মৃত্যু
১৯৫৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী আবুল কালাম আজাদের মৃত্যু
১৯৭৪: বিশিষ্ট গিটারবাদক তথা কাজী নজরুল ইসলামের কনিষ্ঠ পুত্র কাজী অনিরুদ্ধর মৃত্যু
২০১৫: বাংলাদেশে নৌকাডুবি, মৃত ৭০
 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮৫.৮৮ টাকা ৮৭.৬২ টাকা
পাউন্ড ১০৭.৮৬ টাকা ১১১.৬২ টাকা
ইউরো ৮৯.১৯ টাকা ৯২.৫৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৮৬,০০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৮৬,৪৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৮২,১৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৯৭,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৯৭,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ ফাল্গুন, ১৪৩১, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। নবমী ১৮/০ দিবা ১/২০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র ২৮/৫০ সন্ধ্যা ৫/৪০। সূর্যোদয় ৬/৭/৩৫, সূর্যাস্ত ৫/৩২/৫৭। অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৬ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/৩ গতে ১০/৩৪ ম঩ধ্যে পুনঃ ১২/১৫ গতে ১/৫৬ মধ্যে পুনঃ ২/৪৬ গতে ৪/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৩ মধ্যে পুনঃ ১/১৫ গতে ২/৪১ মধ্যে পুনঃ ৪/৭ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৭ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে উদয়াবধি। 
৯ ফাল্গুন, ১৪৩১, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। নবমী দিবা ৯/৪৩। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র দিবা ২/৪২। সূর্যোদয় ৬/১০, সূর্যাস্ত ৫/৩২। অমৃতযোগ দিবা ৯/৪৯ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৬ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১১ গতে ১/৪৯ মধ্যে ও ২/৩৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৬ মধ্যে ও ১/১৬ গতে ২/৪২ মধ্যে ও ৪/৭ গতে ৫/৩২ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৫২ মধ্যে ও ৪/৩৬ গতে ৬/১০ মধ্যে। 
২৩ শাবান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আমেরিকার পেনসেলভানিয়াতে একটি হাসপাতালে বন্দুকবাজের তাণ্ডব

11:49:00 PM

ফ্রান্সে ছুরি দিয়ে হামলা চালাল এক দুষ্কৃতী, মৃত ১, জখম ৩

11:41:00 PM

ডব্লুপিএল: দিল্লিকে ৩৩ রানে হারাল উত্তরপ্রদেশ

10:58:00 PM

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫: প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ হলেন জশ ইংলিশ

10:47:00 PM

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫: ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে জয়ী অস্ট্রেলিয়া

10:36:00 PM

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫: সেঞ্চুরি করলেন জশ ইংলিশ, অস্ট্রেলিয়া ৩১৬/৫ (৪৪.৩ ওভার), টার্গেট ৩৫২

10:11:00 PM



Loading...