Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সেলিব্রেটি থেকে সংগঠক,
রাজনীতির নতুন ধারা
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতি করে কেউ বিখ্যাত, কেউ আবার নাম করার পর রাজনীতিতে। সেলিব্রেটি হওয়ার পর রাজনীতিতে যোগ দিলে হয়ে যান ‘সেলিব্রেটি পলিটিশিয়ান’। তাঁদের তারকা ইমেজকে কাজে লাগিয়ে ‘টাফ সিটে’ জয় হাসিল করাই রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য। সাকসেস রেট ১০০ শতাংশ না হলেও রাজনীতির মাঠে তাঁরাই ‘স্পুটনিক ভি’। বিশ্বাসযোগ্যতায় ‘কোভ্যাকসিনে’র উপরে। কৃতীদের কৃতিত্বকে হাতিয়ার করে ভোটে জেতা রাজনীতির পুরনো কৌশল। সব দলই এটা করে। তবে, এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাঁটলেন কিছুটা ভিন্নপথে। ‘সেলিব্রেটি’ সায়নী, সায়ন্তিকা, রাজদের নিয়ে এলেন সংগঠনে। এতদিন যাঁরা ‘ভোটের মুখ’ হিসেবে ব্যবহৃত হতেন, এবার তাঁদের দলের ‘খুঁটি’ করার দুঃসাহস দেখালেন মমতা। এমন ঝুঁকি তাঁকেই মানায়। তিনি শুধু সেলিব্রেটিদের লড়াইয়ের মুখে ফেললেন না, নিজেও চ্যালেঞ্জ নিলেন। তবে, তাঁর গেমপ্ল্যান সফল হলে রাজনীতির ইতিহাসে ‘সবুজের অভিযান’ লেখা হবে এক নতুন আঙ্গিকে।
সেলিব্রেটি থেকে রাজনীতিক হওয়ার চলটা শুরু হয়েছিল দক্ষিণ ভারতে। এব্যাপারে দু’জনের নাম প্রায় একই সঙ্গে উচ্চারিত হয়। প্রথমজন তামিল ছবির জনপ্রিয় অভিনেতা এমজি রামচন্দ্রন, অন্যজন ‘তেলুগু সিনেমার ভগবান’ এনটি রামারাও। অভিনেতা থেকে ‘জনতার নেতা’। দু’জনই হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রামচন্দ্রনের ‘ভাবশিষ্যা’ জয়ললিতাও ছিলেন অভিনেত্রী। ‘গ্ল্যামার গার্ল’ থেকে ‘আম্মা’। সুদীর্ঘ এই যাত্রাপথের মাঝে ছ’ ছ’বার মুখ্যমন্ত্রী যেমন হয়েছেন, তেমনই বন্দি হয়েছেন কারাগারে। বিতর্ক পিছু ছাড়েনি। সেলুলয়েডের পর্দা থেকেই এই বর্ণময় জীবনের অভিষেক ঘটেছিল। 
তবে, ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন এনটিআর। সূচনালগ্নেই তাঁর প্রচারের অভিনবত্ব গোটা দেশকে আলোড়িত করেছিল। যে রথযাত্রার জোরে দেশজুড়ে বিজেপির উত্থান, তার পথপ্রদর্শক ছিলেন এনটিআর। সিনেমার জগৎ থেকে ১৯৮৩ সালে রাজনীতিতে পা রেখেই হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্ধ্রপ্রদেশের প্রথম অকংগ্রেসি সরকার গঠনের কৃতিত্ব তাঁরই। তিন, তিনবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। তারপর থেকেই দেশজুড়ে ‘সেলিব্রেটি পলিটিশিয়ান’দের রমরমা। অমিতাভ বচ্চনের মতো ‘জীবন্ত কিংবদন্তি’ও সেই জুতোয় পা গলাতে বাধ্য হয়েছিলেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেলিব্রেটিদের প্রার্থী করায় বামেদের অনেকেই নাক সিঁটকাতে শুরু করেছিলেন। তাঁরা বলেছিলেন, দলের নেতা-কর্মীদের দাঁড় করালে হেরে যাবে বলেই সিনেমার নায়ক, নায়িকাদের দাঁড় করিয়েছে তৃণমূল। এতে নাকি তৃণমূল দলের হাঁড়ির হাল প্রকট হচ্ছে। অথচ এই বঙ্গে সেলিব্রেটিকে প্রার্থী করার পথ দেখিয়ে ছিল এই সিপিএমই। 
কলকাতার চৌরঙ্গী আসনটি বরাবর দক্ষিণপন্থীদের। রাজ্যের ক্ষমতা দখলের পরেও একের পর এক নির্বাচনে বাম প্রার্থীরা হারছিলেন। ১৯৯৩ সালে এই কেন্দ্রের উপনির্বাচনে সেলিব্রেটি প্রার্থী দিয়েছিল সিপিএম। অভিনেতা অনিল চট্টোপাধ্যায়কে বাম সমর্থিত নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়ে জয় হাসিল করেছিল। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনেও কলকাতার কাশীপুরে অভিনেতা অনুপ কুমারকে প্রার্থী করেছিল সিপিএম। কিন্তু অনুপবাবু জিততে পারেননি।
তাপস পালই ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম ‘সেলিব্রেটি প্রার্থী’। ২০০১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের চরম দুর্দিনে কলকাতার আলিপুর কেন্দ্রে ঘাসফুলের প্রার্থী হয়েছিলেন ‘দাদার কীর্তি’র নায়ক। জিতেও ছিলেন। তার পরের নির্বাচনে সিপিএম ‘কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা’র নীতি নিয়েছিল। তাপস পালের বিরুদ্ধে সিপিএমের প্রার্থী হয়েছিলেন অভিনেতা বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু, সেবারও সিনেমার ‘নায়ক’ এর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন ‘খলনায়ক’। তারপর একে একে দেবশ্রী রায়, চিরজিৎ চক্রবর্তী, সন্ধ্যা রায়, মুনমুন সেন, শতাব্দী রায় সহ বহু সেলিব্রেটি তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন। কিন্তু, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কেরিয়ারের মধ্যগগনে বিরাজমান দেবকে প্রার্থী করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিয়েছিলেন মমতা।
নির্বাচনে সেলুলয়েডের নায়ক, নায়িকাদের যে একটা আলাদা কদর আছে, তা বারেবারে প্রমাণিত। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে জনপ্রিয় নায়িকা শতাব্দী রায়কে প্রার্থী করাটা ছিল মমতার মাস্টারস্ট্রোক। বীরভূমের লাল কাঁকুড়ে মাটিতেও যে ঘাসফুলের চাষ সম্ভব, সেটা শতাব্দী প্রমাণ করেছিলেন। একই ফর্মুলায় ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাঁকুড়ায় অঘটন ঘটিয়েছিলেন সুচিত্রা-তনয়া মুনমুন সেন। বাসুদেব আচারিয়ার মতো পোড়খাওয়া সাংসদকে হারিয়ে দিয়েছিলেন বলতে গেলে রাজনীতির অআকখ না জানা মুনমুন সেন। গ্ল্যামার জগৎ যতই মেকি হোক না কেন, তার প্রতি মানুষের মোহ ছিল, আছে এবং থাকবে।
ভোটের পর প্রার্থীদের টিকি দেখা যায় না, এমন অভিযোগ শোনার জন্য কান পেতে অপেক্ষার প্রয়োজন হয় না। তারপর প্রার্থী যদি হন সেলিব্রেটি কিংবা বহিরাগত, তাহলে তো কথাই নেই। কারণ তাঁদের বেশিরভাগই হয়ে যান ‘ডুমুরের ফুল’। তার ফল ভোগ করতে হয় পরের নির্বাচনের প্রার্থীকে। 
সাংসদ হিসেবে মুনমুন সেনের ভূমিকায় খুশি ছিলেন না বাঁকুড়ার মানুষ। তার জন্য সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে ভুগতে হয়েছিল। রুখাশুখা বাঁকুড়ায় ঘরে ঘরে জল পৌঁছে দিয়েও সেই ক্ষোভ দূর করতে পারেননি সুব্রতবাবু। তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। আবার মানুষের পাশে থাকলে যে চরম প্রতিকূলতার মধ্যে সেলিব্রেটিরাও হাসতে হাসতে বারবার জেতেন, তার প্রমাণ শতাব্দী রায়। প্রথমবার তিনি নায়িকা হিসেবে বাজিমাত করলেও জয়ের হ্যাটট্রিক এসেছে মাটি কামড়ে পড়ে থাকার কারণে।
রাজ্যে ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকলেও বাম জমানায় বিনোদন জগৎ ছিল উপেক্ষিত। তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী ও পরবর্তী সময়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ‘সংস্কৃতি চর্চা’ ছিল নন্দন কেন্দ্রিক। সেখানে কিছু উন্নাসিক ও এলিট গোষ্ঠীর আধিপত্য সযত্নে লালিত পালিত হতো। তার বাইরে বুদ্ধদেববাবু বেরতে পারেননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে টেলিউড থেকে টলিউড, সকলেই সুস্বাগতম। কলাকুশলীদের জন্য একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে মমতা বুঝিয়ে দিয়েছেন, তিনি শুধু শিল্পীদেরই গুরুত্ব দেন না, শিল্পটাকেও বাঁচিয়ে রাখতে চান। তাই তাঁকে ঘিরে শিল্পীদের ভিড় ও উচ্ছ্বাস, দুই-ই বেড়েছে।
নির্বাচনে হারলে ঘরে ঢুকে যাওয়াটাই প্রথা। তার মূলে কুঠারাঘাত করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর নির্দেশে জয়ীদের পাশাপাশি পরাজিত তৃণমূল প্রার্থীরাও করোনায় মানুষের পাশে থাকছেন। সায়নী, সায়ন্তিকার প্রমাণ করতে চাইছেন, নির্বাচনে জয় পরাজয়টাই শেষ কথা নয়, মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার রক্ষাই পবিত্র কর্তব্য।
অনেকেই বলে থাকেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন, তৃণমূল ততদিন। তারপর পার্টিটাই আর থাকবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জবাবও দিয়েছেন। তিনি বহুবার বলেছেন, ‘যাঁরা ভাবছেন, আমি চলে গেলে দলটা উঠে যাবে, তাঁরা ভুল ভাবছেন। তৃণমূলের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরি।’ এতদিন তিনি যে কথা মুখে বলতেন, এবার সেটা করে দেখাচ্ছেন। 
সিপিএমের এই করুণ পরিণতির কারণ কী? উত্তর একটাই, তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে না পারা। সিপিএম ‘বৃদ্ধতন্ত্রে’র বাইরে বেরতে পারল না। অসুস্থ না হলে সাধারণত কেউ পদ ছাড়তে চান না। ফলে ময়দানে নেমে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো নেতা তৈরি হচ্ছে না। সঙ্কটটা এখানেই।
একুশের নির্বাচনে প্রবল আক্রমণের মুখেও সিনা উঁচু করে বিজেপি নেতাদের পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘ধমকে লাভ হবে না। যদি ক্ষমতা থাকে আমাকে গ্রেপ্তার করে দেখাক।’ বিজেপি পারেনি। আক্রমণকারী প্রবল পরাক্রমশালী হওয়া সত্ত্বেও অভিষেক ভয়ে কুঁকড়ে যাননি। উল্টে বিজেপি নেতাদের চোখে চোখ রেখে তাঁদের কীর্তি ফাঁস করে দিয়েছিলেন। বুনো ওল বাঘা তেঁতুলেই জব্দ হয়। তার পুরস্কার অভিষেক পেয়েছেন। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। ‘ভাইপো’ হিসেবে কোনও অনুগ্রহ বা অনুকম্পা নয়, এটা যুবনেতার যোগ্য নেতৃত্বের অর্জিত সম্মান।
সায়নী ঘোষ জিততে পারেননি। তবুও তাঁর লড়াই প্রতিটি লড়াকু মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। ঝড়ের সঙ্গে পাঙ্গা নিয়ে তাঁর প্রচার, আসানসোলের বস্তিতে খেটেখাওয়া মানুষকে বুকে টেনে নেওয়ার আন্তরিক ছবি ঘুরছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সায়নীর লড়াই রবীন্দ্রনাথের ‘সবুজের অভিযান’ এর লাইনগুলিকে মনে করিয়ে দেয়, ‘রক্ত আলোয় মদে মাতাল ভোরে/ আজকে যে যা বলে বলুক তোরে/ সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করে/ পুচ্ছটি তোর ঊর্ধ্বে তুলে নাচা/ আয় দূরন্ত, আয় রে আমার কাঁচা’। 
সায়নীর লড়াই প্রমাণ করেছে, তিনি লম্বা রেসের ঘোড়া। মমতার জহুরির চোখের নজর এড়ায়নি তাঁর লড়াই। তাই ‘রিলের নায়িকা’কে ঠেলে দিয়েছেন ‘রিয়েল লাইফে’র লড়াইয়ে। উত্তরণের একটাই রাস্তা, লড়াই। মতি নন্দীর খিদ্দাও কোনিকে শিখিয়েছিলেন, ফাইট, ফাইট অ্যান্ড ফাইট।
12th  June, 2021
মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা: আত্মনির্ভরতার নতুন থিম সং
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সেপ্টেম্বর ১, সাল ২০১৩। দিল্লিতে বিজেপির বাইক র‌্যালি। প্রতিবাদ চলছে পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে... ঠুঁটো কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। সেই বাইক মিছিল সেদিন রওনা দিয়েছিল দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের বাসভবনের উদ্দেশে।
বিশদ

দায়িত্ব নিন, আলোচনা
করুন, প্ল্যান বানান
পি চিদম্বরম

টিকাকরণ নিয়ে যে বিশৃঙ্খলা হল, তা ইতিহাসে লেখা থাকবে। ৭ জুন, টেলিভিশন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দু’টো ভুল শুধরে নিয়েছেন। আমি মনে করি, এটাই তাঁর ভুল স্বীকার করে নেওয়ার কায়দা।
বিশদ

14th  June, 2021
মমতার নির্দেশে
অভিষেকের মাস্টারস্ট্রোক
হিমাংশু সিংহ

এতদিন বাংলার রাজনীতিতে মাস্টারস্ট্রোক কথাটা শুধু জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই সমার্থক ছিল ষোলোআনা। কিন্তু এখন তার আর এক দাবিদার উপস্থিত। পুত্রসম অভিষেক।
বিশদ

13th  June, 2021
পুরুষ আধিপত্যের ভিড়ে
সফল শাসক দুই বাঙালি নারী
সমৃদ্ধ দত্ত

রাজনীতির হিসেব-নিকেশ বাদ দিয়ে নিছকই জাতিগত আকাঙক্ষার তাগিদে ২০২৪ সালের দিকে আমরা বাঙালিরা অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে লক্ষ করব এই জাতিটির জার্নিতে সত্যিই কি একটি নতুন ইতিহাস রচিত হবে? একদা একসঙ্গে থাকা দু’টি পাশাপাশি দেশের দুই প্রধানমন্ত্রীই কি বাঙালি নারী হবেন? বিশদ

11th  June, 2021
অবলুপ্তির আত্মঘাতী
পথে সিপিএম
মৃণালকান্তি দাস

গোটা দেশের লোক যখন মোদি-মমতার মরণপণ দ্বৈরথ দেখছে, সিপিএম তখন চোখ বন্ধ রেখে বলেছে, ও-সব ‘সেটিং’। আসলে দল তো একটাই, তার নাম বিজেমূল। ছায়ার সঙ্গে এই পুরো যুদ্ধটাই করা হয়েছে বিজেপি-তৃণমূল বাইনারি ভাঙার নাম করে। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। বিজেমূল নামক এই বকচ্ছপ ধারণাটাকে জনতা স্রেফ ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।
বিশদ

10th  June, 2021
দেশ নিয়ে মোদির ভাবার
এত সময়ই নেই
সন্দীপন বিশ্বাস

মোদির জনপ্রিয়তার পাড় ভাঙছে। অন্য পাড়ে ক্রমেই জেগে উঠছে মমতা নামের এক নতুন সবুজ, স্বপ্নের ভূমি। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে চোখে চোখ রেখে পাঙ্গা লড়ার শক্তি তিনি আপন ক্ষমতাবলে অর্জন করেছেন। বিশদ

09th  June, 2021
হোক প্রোপাগান্ডা!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হোক প্রোপাগান্ডা! মন্ত্র লিখতে হবে, কৃষকের জন্য এক। শ্রমিকের জন্য এক। শিক্ষকের জন্য আর এক। কমোন মন্ত্র অবশ্য একটাই—আচ্ছে দিন। ভ্যাকসিন নীতির ঠিকঠিকানা নেই, রাজ্য সরকার প্রাপ্য টাকা পাচ্ছে না, হাসপাতালে বেড নেই, পেট্রল-ডিজেল রোজ ঊর্ধ্বমুখী, জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া... আচ্ছে দিনের ভালো নমুনা বটে।
বিশদ

08th  June, 2021
হাঁড়ির হাল নিয়ে বৃহৎ,
ক্ষুদ্র দু’পক্ষই একমত
পি চিদম্বরম

সার্বিকভাবে পুরো জাতি এবং গড়পড়তা ভারতবাসী, ২০১৭-১৮ সালের যে পজিশন ছিল তারও পিছনে পড়ে গিয়েছে। অর্থনীতিটা ঘেঁটে গিয়েছে এবং তাতে ক্ষতেরও সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রথম কারণ—বিপর্যয় সৃষ্টিকারী নীতিগুলো (যেমন বিমুদ্রাকরণ, বিশৃঙ্খল জিএসটি)। দ্বিতীয় কারণ—কোভিড-১৯। আর তৃতীয় কারণ—অর্থনীতি সামলাতে সরকারের লেজেগোবরে অবস্থা। 
বিশদ

07th  June, 2021
এক আমলা যখন বাঙালির
আত্মমর্যাদার প্রতীক!
হিমাংশু সিংহ

মুখ্যসচিব হিসেবে তিনি কার নির্দেশ মানতে বাধ্য? আলাপনবাবুর দোষটা কোথায়? তিনি তো কেন্দ্রের ক্যাবিনেট সচিব নন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব। আসলে কেন্দ্র ও রাজ্যের ক্ষমতা ও এক্তিয়ারের এই সীমাহীন টানাপোড়েনের মধ্যে দাঁড়িয়ে একজন মুখ্যসচিবের করণীয় কী, সেটাই কোটি টাকার প্রশ্ন। বিশদ

06th  June, 2021
আলাপনেই শেষ নয়, ফের
আসবে নতুন কোনও ইস্যু
তন্ময় মল্লিক

লোকসভার ভোটের দেরি থাকলেও মোদি-বিরোধী সলতে পাকানো শুরু হয়েছে। এই মুহূর্তে সেই লড়াইয়ের মুখ মমতা। তাই মোদি-অমিত শাহ জুটি তাঁকে চাপে ফেলতে মরিয়া। অস্ত্র একটাই, বিতর্ক তৈরি। তারজন্য শিষ্টাচার, প্রোটোকল, বিপর্যয় মোকাবিলা আইন, সিবিআই- যা হোক একটা পেলেই হল। বিশদ

05th  June, 2021
কেন আজ ধ্বংসের
মুখোমুখি দীঘা উপকূল
মৃন্ময় চন্দ

দীঘার পূর্ব পরিচিতি ছিল ‘বীরকুল’ নামে। ১৭৮০ সালে দীঘার সৌন্দর্যে মুগ্ধ ওয়ারেন হেস্টিংস তাঁর স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে পুবের ‘ব্রাইটন’ বলে দীঘাকে উল্লেখ করেছিলেন। ব্রিটিশ পর্যটক ‘জন ফ্রাঙ্ক স্মিথ’ ১৯২৩ সালে দীঘার সৌন্দর্যে মোহিত হয়ে প্রথম বিশ্ববাসীর কাছে মেলে ধরলেন তার ভুবনমোহিনী ঐশ্বর্যকে। বিশদ

05th  June, 2021
আজ এই পরিস্থিতিতে কে হওয়া উচিত প্রতিপক্ষ?
সমৃদ্ধ দত্ত

আমাদের কেউ চাকরি খোঁজে। কেউ ছেলেমেয়ের বিবাহের সম্বন্ধ খোঁজে। কেউ খোঁজে ভালো জমি। বহু মানুষ খোঁজে পুরনো রোগ সারানোর ভালো ডাক্তার।
বিশদ

04th  June, 2021
একনজরে
মসজিদে নামাজ পরতে যাওয়ার সময় দুষ্কৃতীদের হাতে প্রহৃত হলেন এক প্রবীণ ব্যক্তি। কেটে দেওয়া হল দাড়ি। প্রহৃত ব্যক্তির নাম আব্দুল সামাদ। প্রথমে তাঁকে অটো থেকে নামিয়ে জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত একটি কুঁড়ে ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। ...

দু’মাস আগের কথা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তুফান তুলে দেওয়াই বিজেপি’র একনিষ্ঠ নেতা-কর্মী হওয়ার অন্যতম মাপকাঠি ছিল। সময়ের ফেরে সেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন নেতাদের পোস্ট করাই কার্যত ‘ব্যান’ করে দিল বিজেপি নেতৃত্ব। ...

কোচবিহার পুরসভায় দু’শোরও বেশি ‘ভূতুড়ে’ শ্রমিক! বাস্তবে যাদের কোনও হদিশ মিলছে না। অথচ বেশ কয়েকমাস ধরে প্রতিমাসে ১৪ লক্ষ টাকা করে তাদের বেতন দেওয়া হয়েছে। ...

বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমণিকে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতের নাম নাসির মেহমুদ। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহ বৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৬: জাপানে সুনামিতে ২২ হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৫০: শিল্পপতি লক্ষ্মী মিত্তালের জন্ম
১৯৫৩: চীনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের জন্ম
১৯৬০: বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়
১৯৬৯: জার্মানির গোলকিপার অলিভার কানের জন্ম 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৪৩ টাকা ৭৪.১৪ টাকা
পাউন্ড ১০১.৬৬ টাকা ১০৫.১৭ টাকা
ইউরো ৮৭.০৬ টাকা ৯০.২৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
14th  June, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ১০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৬০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ৩০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭২, ০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭২, ১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
14th  June, 2021

দিন পঞ্জিকা

৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১। পঞ্চমী ৪৫/৪ রাত্রি ১০/৫৭। অশ্লেষা নক্ষত্র ৪১/৫৬ রাত্রি ৯/৪২। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৩৮, সূর্যাস্ত ৬/১৮/১২। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৯/২৩ গতে ১২/৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে ৪/৩১ মধ্যে। রাত্রি ৭/০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৭ গতে ২/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ২/৪৪ গতে ৩/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৪/৩১ গতে ৫/২৪ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৫ গতে ৯/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/১৭ গতে ২/৫৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৮ গতে ৮/৫৮ মধ্যে। 
৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮, মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১। পঞ্চমী রাত্রি ৭/৩৬। অশ্লেষা নক্ষত্র রাত্রি ৭/৭। সূর্যোদয় ৪/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/২০।  অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে ও ৯/২৭ গতে ১২/৮ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ মধ্যে ও ১২/২ গতে ২/৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ২/৪৮ গতে ৩/৪২ মধ্যে ও ৪/৩৫ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ গতে ৯/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৭ মধ্যে ও ১/১৮ গতে ২/৫৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪০ গতে ৮/৫৯ মধ্যে। 
৪ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইউরো কাপ: হাঙ্গেরি ০ পর্তুগাল ৩ (ফুলটাইম)

11:28:00 PM

ইউরো কাপ: হাঙ্গেরি ০ পর্তুগাল ০ (হাফটাইম)

10:28:19 PM

যে এলাকায় সংক্রমণ বেশি সেখানে কড়াকড়ি করতে হবে, নির্দেশ রাজ্য প্রশাসনের 
যে এলাকায় সংক্রমণ বেশি সেখানে কড়াকড়ি করতে হবে। আজ, মঙ্গলবার ...বিশদ

07:51:00 PM

করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরপ্রদেশে আক্রান্ত ৩৪০, মৃত ৫৭ 

07:39:36 PM

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতীয় দলে কে কে রয়েছেন, জানুন 
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের জন্য আজ, মঙ্গলবার ভারতীয় দল ঘোষণা ...বিশদ

07:23:31 PM

করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাখণ্ডে আক্রান্ত ২৭৪, মৃত ১৮ 

07:22:21 PM