Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিভাজনের উস্কানিতে
বাংলা বিকিয়ে যাবে না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

‘আত্মমুগ্ধ’... ‘নির্লজ্জ’। এমন বাছাই করা শব্দে এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তুলোধোনা চলছে ভিনদেশি মিডিয়া মহলে। কারণ? করোনাকালে গোটা দেশ যখন অক্সিজেনের অভাবে ধুঁকছে, হাসপাতালে বেডের জন্য হাহাকার, টিকা উৎসবের বেলুন ফুলিয়েও ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই... তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর স্বপ্নের প্রকল্পে বুঁদ হয়ে রয়েছেন—প্রোজেক্ট সেন্ট্রাল ভিস্তা। নতুন রূপে সাজছে ক্ষমতার অলিন্দ... লুটিয়েন্স দিল্লি। খরচ? প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। যে টাকায় অন্তত ৪০টা ভালো মানের হাসপাতাল হয়। দেশের প্রায় সব নাগরিক সরকারি দামে ভ্যাকসিনও পেয়ে যান। কিন্তু না, কর্মযজ্ঞ চলছে... চলবে। কোভিডকালেও থামবে না। প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বলে কথা!
আমাদের প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন। এবং সেই স্বপ্ন ধরে রাখতে পারেন। গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে আচমকা তাঁর জাঁকিয়ে বসাটা মানতে পারেনি বিজেপিরই একটা বড় অংশ। তাও তিনি সেই চেয়ার ধরে রাখতে পেরেছিলেন। কারণ, রাজনীতিটা তিনি বোঝেন। কাকে তুলতে হবে, আর কাকে সরিয়ে দিতে হবে, সেই অঙ্কটা নরেন্দ্র মোদির জানা। তাই গোধরা পরবর্তী সংঘর্ষের পরও তাঁর ক্ষমতার ক্যানভাসে আঁচড় পড়েনি। অটলবিহারী বাজপেয়ি সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁকে পাশে বসিয়ে বলেছিলেন, ‘রাজার জন্য... শাসকের জন্য প্রজায় ভেদ হতে পারে না। জন্মের আধারে নয়, ধর্মের আধারে নয়, সম্প্রদায়ের আধারেও নয়। আমার বিশ্বাস, নরেন্দ্রভাই এটাই করছেন।’ নরেন্দ্র মোদিকে রাজধর্মের পাঠ দিচ্ছিলেন তিনি। আর তখন পাশে বসা ‘নরেন্দ্রভাই’য়ের মুখে ছিল স্মিত হাসি। সবরমতী এক্সপ্রেস... গোধরা পরবর্তী সংঘর্ষ... দায় কার, তা নিয়ে বহু বিতর্ক রয়েছে। ম্যারাথন তদন্তে নরেন্দ্র মোদি বেকসুর ঘোষিতও হয়েছিলেন। সে অন্য পর্ব। কিন্তু ২০০২ সালের ওই অভিশপ্ত কয়েকটা দিন যে ঘটনাক্রম দেখেছিল, তাতে কোনও সরকার টিকে থাকতে পারে না। কিন্তু বিজেপি সরকার ছিল। নরেন্দ্র মোদি ছিলেন। হাজারো নির্দোষ প্রাণের বলিদান... তার দায় কাঁধে নিয়ে মোদিজি পদত্যাগ করেননি। কারণ, তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন। যা সফল হয়েছিল আরও ১২ বছর পর...।
স্বপ্নের বুনিয়াদের উপর দাঁড়িয়ে সরকার চলে না। বলা হয়, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মিসঅ্যাডভেঞ্চার ছিল রাজীব গান্ধীর। রাজীব গান্ধী বেঁচে নেই। থাকলে বহু লোকের নামে তিনি মানহানির মামলা করতেন। নরেন্দ্র মোদি থাকতে কি না তাঁকে এই তকমা! রাজীব গান্ধীর এটা বলা সাজে। কারণ, তিনি সরকার চালানোর চেষ্টা করেছেন। আজ তো আর সরকার চলছে না! দিল্লির মসনদ এখন স্বপ্নপূরণের আখড়া। এখানে প্রতিনিয়ত কুস্তি চলছে বিরোধীদের সঙ্গে। বিরোধী মানে শুধু কয়েকটা দল নয়... এ দেশের প্রত্যেক নাগরিক, প্রতিটা সংগঠন... সমালোচনা করা মাত্রই তাঁর গায়ে স্ট্যাম্প পড়ে যাচ্ছে—এ রাষ্ট্রের শত্রু। সরকার চলছে ট্যুইটারে... রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া সরকারি চিঠির জবাব মন্ত্রী সেখানেই দিচ্ছেন। ভোট প্রচারে বাংলায় তাঁরা আসছেন দফায় দফায়। কিন্তু উম-পুনে বেসামাল হলে? চরণধূলি মাত্র একবার। প্রতিশ্রুতির বন্যা... কিন্তু বাস্তবে ফাটা কলসি। আওয়াজই সার, প্রাপ্তির ঝুলি শূন্য। নোটিস ছাড়াই নোট বাতিল, কিংবা হুড়োহুড়ি করে চালু হওয়া জিএসটি যদি প্রাপ্তি হিসেবে গণ্য হয়, তাহলে ব্যাপারটা মজাদার। আর তা না হলে? হিসেব কষে দেখুন, গত সাত বছরে কী পেলেন।
পেয়েছি আমরা... নরেন্দ্র মোদিকে। সেটাই ভাগ্যের ব্যাপার। বাঙালিরা বড্ড দুষ্টু, এ রাজ্যে তাঁকে ক্ষমতার বেলুন ফোলাতে দেয়নি। চেষ্টা কম করেননি তিনি! কংগ্রেস, সিপিএম সাফ। বিধানসভায় আসন সংখ্যা ৩ থেকে ৭৭। তারপরও সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে বহু যোজন দূরে তিনি। অর্থাৎ, স্বপ্ন পূরণ হয়নি নরেন্দ্র মোদির। বাংলা ছিল তাঁর অধরা স্বপ্ন। যে কোনও মূল্যে তার নাগাল পেতে চেয়েছিলেন তিনি। দান, দণ্ড, ভেদ... যার জন্য যে ওষুধ, তাকে সেটাই দিতে জানেন গেরুয়া পার্টির দণ্ডমুণ্ডের কর্তারা। তাঁদের বিভেদমূলক রাজনীতিতে তৈরি হয় নির্দিষ্ট ভোটব্যাঙ্ক... সমাজে ছড়িয়ে যাওয়া ঘৃণাকে তাঁরা এনক্যাশ করেন। শীতলকুচিতে প্রয়োগ হয় দণ্ড... রাষ্ট্রের গুলিতে মৃত্যু বরণ করতে হয় চার নাগরিককে। তাঁরা এই দেশের নাগরিক। ভোটার। কোনও বহিরাগত নন। ঘুসপেটিয়াও নন। আর দান? বাজারে কানাঘুষো তো অনেক রয়েছে। সেটা অবশ্য নীচতলার জন্য। উপরতলায় পৌঁছলে হয়তো অন্য অঙ্ক। কোনও সমীকরণই মেলেনি। মেলার কথাও ছিল না। যে ঝড় তাঁরা বাংলার সমাজে তোলার চেষ্টা করেছিলেন, তা মুখ থুবড়ে পড়েছে। কিন্তু স্বপ্ন যে ভাঙতে দেওয়া যাবে না! তাই এখন লক্ষ্য একটাই—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে দুনিয়ার সামনে নাস্তানাবুদ করো। অস্ত্র?... ভেদ। 
মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখনও শপথ নেননি, তার মাঝেই কলকাঠি নাড়া শুরু হয়েছে দিল্লি থেকে। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযোগে আকাশ পাতাল এক করে দিচ্ছে মোদি সরকার। কড়া চিঠি পাঠাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আসছেন প্রতিনিধিরা। তাঁরা শুধু ঘুরছেন বিজেপি নেতাদের নিয়ে। দেখছেন, কোথায় কোথায় ‘তৃণমূল হামলা করেছে’। তারপর ফিরে যাচ্ছেন। ফিরেও তাকাচ্ছেন না সেই তৃণমূল কর্মীর ফাঁকা দালানটার দিকে। যেখানে মানুষটা আর নেই... রয়েছে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়া স্ত্রী, মা, সন্তান। আটজন তৃণমূল কর্মী এই পর্বে খুন হয়েছেন। অভিযুক্ত সেই বিজেপি। তাও তা নজরে আসছে না কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের। শুভেন্দু অধিকারী প্রকাশ্যে বলছেন, ‘তৃণমূলকে ভোট দিয়েছেন, এমন হিন্দুরাও এখানে আসুন। পশ্চিমবাংলায় হিন্দুরা আক্রান্ত। আমরা ছেচল্লিশের ক্যালকাটা কিলিং পড়েছি, দেখিনি। আমরা নোয়াখালির ঘটনা দেখেছি, পরবর্তীকালে চুরাশির শিখ দাঙ্গা দেখেছি। ’৯৬ সালের ভাগলপুর দেখেছি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে আজ যেটা হচ্ছে সেটা রাজনৈতিক সংঘর্ষ নয়...। গ্রাম ধরে ধরে বেছে বেছে হিন্দুদের উপর অত্যাচার হচ্ছে।’ এমন বিস্ফোরক এবং উস্কানিমূলক মন্তব্যের কারণ একটাই, যেভাবে হোক বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা। ৪৮ শতাংশের উপর ভোট পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এ রাজ্যে সংখ্যালঘু ভোট কত? ৩০ শতাংশ পেরবে না। ধরে নেওয়া যাক, সংখ্যালঘু ভোটের সবটাই তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে (যা সম্ভব নয়)। তারপরও ১৮ শতাংশ ভোট পেতে হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তারপর তিনি ২১৩টি আসনে জয় হাসিল করতে পেরেছেন। তাহলে একটা বিষয় আজ নিশ্চিত, ডাহা মিথ্যা বলছে বিজেপি! শুভেন্দু অধিকারী যখন এই মিথ্যার ঝুড়ি উপড়ে অবস্থান-বিক্ষোভের মঞ্চে হাঁকডাক করছিলেন, তখন তো পাশেই ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিবাদ কোনও তরফ থেকে আসেনি। অর্থাৎ, এই ‘কৌশল’ সম্পর্কে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ওয়াকিবহাল। বরং তাঁদেরই অঙ্গুলিহেলনে চলছে ধর্মীয় বিভাজনের এই ধ্যাষ্টামো। আর আমরা যাঁরা ভক্ত, তাঁরা অন্ধের মতো সেই সব কথা গিলছি। ক্যালকাটা কিলিংয়ের সঙ্গে এখনকার পরিস্থিতির তুলনা করছেন বিজেপির তাবড় নেতারা! সেই স্পর্ধা হয় কী করে? মহম্মদ আলি জিন্নার স্লোগান ছিল, ‘হয় দ্বিখণ্ডিত ভারত, না হয় ভারতের ধ্বংস’। ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট... ‘ডিরেক্ট অ্যাকশন ডে’র ডাক দিলেন জিন্না। ৭২ ঘণ্টায় ৪ হাজারের বেশি মানুষ কলকাতা শহরে প্রাণ দিয়েছিলেন, ঘরছাড়া লক্ষাধিক। শুধুমাত্র ক্ষমতালোভী কয়েকটা মানুষের নির্লজ্জ আত্মমুগ্ধতাকে বাস্তব রূপ দিতে খুন করা হয়েছিল বাংলাকে। একই পরিণতি হয়েছিল পশ্চিমেও! সেই দগদগে ঘা আমরা আজও বহন করছি। সেই ক্ষত আবার আপনারা খুঁচিয়ে তুলছেন। বিশ্বজুড়ে প্রচার চালাচ্ছেন, পশ্চিমবঙ্গে বাঙালি হিন্দুরা বিপন্ন। কিন্তু মনে রাখবেন,  ফিরে আসছে সেই শব্দগুলো... ‘আত্মমুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী’, ‘রাজনীতির নির্লজ্জ কারবারি’। ভিনদেশ থেকে উড়ে আসছে এই বিশেষণ। আপনি না স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে দীক্ষিত! আর আপনার মন্ত্রে মুগ্ধ শুভেন্দুবাবুও তো বুকপকেটে সব সময় স্বামীজির ছবি নিয়ে ঘুরতেন! যা দেখা যেত স্বচ্ছ পকেট ভেদ করে। তা আজ আর নজরে আসে না। কারণ, আপনারা প্রত্যেকে জানেন, স্বামীজি বিভেদ নয়, ভ্রাতৃত্বের আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন। বরং বাংলার ঘরে ঘরে খুঁজলে এখনও সেই পথের পথিক অনেককেই পাওয়া যায়। এখানে দেবাশিসের মতো মানুষরা করোনায় আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগীকে টোটো চালিয়ে নিয়ে যান হাসপাতালে। ২৪ ঘণ্টা। তাঁরা ধর্ম দেখেন না, সম্প্রদায় দেখেন না। রাজ্যের আনাচে কানাচে দেবাশিসরা ছড়িয়ে রয়েছেন। কেউ রিকশ চালককের বেশে, কেউ ডাক্তার, কেউ সামান্য শ্রমজীবী। তাই আপনাদের উস্কানির রাজনীতি কিন্তু বাংলার মানুষ ভালোভাবে নেবে না। বাংলা এখনও বিকিয়ে যায়নি। যাবে না। কোটি কোটি করদাতার রক্ত জল করা টাকায় হয়তো মোদিজির সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প সফল হবে। কিন্তু সাম্প্রদায়িক উস্কানির অন্ধকারে বাংলাকে ডুবিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন? হবে না। মোদিজি বরং মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে থাকুন। পরের লোকসভা ভোট আর মাত্র তিন বছর...। ধর্মের নামে আগুন জ্বালিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে হ্যাটট্রিক চান তিনি। 
কিন্তু অপমৃত্যু হবে এই স্বপ্নেরও... যার সূচনা হয়েছে বাংলা থেকে।
11th  May, 2021
মমতা মডেলে উজ্জীবিত গোটা দেশ
মৃণালকান্তি দাস

সমস্ত সরকারি এজেন্সিকে মাঠে নামিয়ে, বিজেপির গোটা ভোট-মেশিনারি এবং কয়েক হাজার কোটি টাকার বাজেট নিয়ে যেভাবে বাংলা দখলের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছিল, তা মমতা যে একাই ভেস্তে দিতে পারেন, সেটা বিজেপি স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি। বিশদ

অপদার্থ, অনাচারী রাজা,
এবার গদি ছাড়ুন
সন্দীপন বিশ্বাস

নতুন সরকারের গায়ে কাদা ছিটিয়ে নয়া ফন্দি আঁটছে বিজেপি। রাজ্যজুড়ে হিংসা ছড়ানোর গোপন ছক চলছে। রাজ্যকে অশান্ত করার গোপন খেলায় সক্রিয় বিজেপির আইটি সেলও। বিজেপি সব সময় সোজা খেলায় হেরে গেলে বাঁকা পথে জেতার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। রাজ্যে সেই উস্কানিই চলছে। বিশদ

12th  May, 2021
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে সত্য মিথ্যা
প্রকাশ জাভরেকর

 

জানুয়ারির গোড়ার দিকে দেশে কোভিড পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল। নতুন করে সংক্রমণও কমছিল। কিন্তু দেখা গেল, কেরলে সেই সময় সংক্রমণ বাড়তে শুরু করল। ওই রাজ্য থেকেই নতুন সংক্রমণের এক-তৃতীয়াংশের খবর আসছিল। ৬ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব এক চিঠিতে রাজ্য সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ করার পরামর্শ দেন। বিশদ

11th  May, 2021
মোদি বনাম দিদি ও অন্য লড়াইগুলি
পি চিদম্বরম

ভারতীয় মিডিয়া সবে জাগতে শুরু করেছে। মানুষ তার ক্রোধের বহিঃপ্রকাশের জন্য প্রতিটা নির্বাচনকে হাতিয়ার করছে। দৃষ্টান্ত, উত্তরপ্রদেশের পঞ্চায়েত ভোট। ২০২১ সাল—আরও একটি নষ্ট বছরের জন্য মনোবল ফেরানোর জন্য যখন চেষ্টা করছি, ঠিক তখনই আশঙ্কায় কেঁপে উঠছি আগামী দু’টি বছরের কথা ভেবে—২০২২, ২০২৩ সালও নষ্ট হবে না তো! বিশদ

10th  May, 2021
বাংলা থেকেই কি মোদির শেষের শুরু
হিমাংশু সিংহ

মুসলিম ও হিন্দু দু’তরফেই বাংলায় প্রত্যাখাত হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। উল্টে নাক উঁচু বাম প্রগতিশীল সমাজও বিজেপিকে ঠেকাতে খোলা মনে মমতার নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন। মেরুকরণের বিষ ব্যুমেরাং হয়ে বিধ্বস্ত করেছে গেরুয়া দলকেই। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, মিথ্যার দ্বারা মহৎ কাজ হয় না। বিশদ

09th  May, 2021
স্বৈরাচারী কলুষিত প্রশাসনকে
হুঁশিয়ার করলেন রবীন্দ্রনাথ
জয়ন্ত কুশারী

রবীন্দ্রনাথই অন্যতম মহামানব যিনি ভাবীকালের পৃথিবীকে তাঁর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে চিনতে পেরেছিলেন। এটা অনস্বীকার্য যে বিবাদ বিদীর্ণ দেশ রাজনৈতিক মতাদর্শের বৈষম্য, অর্থনৈতিক স্তরবিন্যাসের বৈচিত্র্য, প্রগতির বিভিন্ন মানকে স্বীকার করে নিয়েও সামগ্রিক ক্রমোন্নতির পথ থেকে বিচ্যুত হননি। বিশদ

09th  May, 2021
সাধু সাবধান, ভাবিয়া করিও কাজ
তন্ময় মল্লিক

‘বদল হবে, বদলাও হবে’। নির্বাচনের আগে দিলীপ ঘোষ থেকে সায়ন্তন বসুদের এটাই ছিল জনপ্রিয়তম স্লোগান। ‘বদলা নেওয়ার’ হুমকির পাশাপাশি চোখা চোখা ডায়ালগের ফুলঝুরি ফুটত। প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে পারেননি অনুব্রত মণ্ডলও। ‘ডাটিয়ে পগার পার করে দেব’ বলার পর অনুব্রতবাবু ‘খেলা হবে’তেই আটকে ছিলেন। বিশদ

08th  May, 2021
করোনা ঠেকাতে প্রতিরক্ষা
মন্ত্রকের উদ্যোগ
রাজনাথ সিং  

মহামারীর বর্তমান পরিস্থিতি ভারত মোকাবিলা করছে ঐক্যবদ্ধভাবে। সশস্ত্র বাহিনী দেশকে জয়ী করতে নানান উদ্যোগ নিয়েছে। বাহিনীর সদস্যদের রয়েছে অদম্য মনোভাব। যে-কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মানসিকতায় তাঁরা পূর্ণ। বিশদ

08th  May, 2021
গণদেবতার আশীর্বাদ
মৃণালকান্তি দাস

শেষ বিচারে বঙ্গসমাজ বিজেপির আইডেনটিটি পলিটিকস তত্ত্বকে আমল দেয়নি। বাঙালিয়ানা বিসর্জন দিয়ে বিজেপির হিন্দু-হিন্দি-হিন্দুস্তান মার্কা ভারতীয়ত্বকে আপন করে নিতে চায়নি। বহুত্ববাদ, বৈচিত্র্য ও বিবিধকে আঁকড়ে ধরে একদর্শী মতবাদকে তফাতে ঠেলেছে। দিনের শেষে এই রাজনৈতিক সংঘাত তাই রূপ নিয়েছে এক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে।
বিশদ

07th  May, 2021
প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

ভোট পর্ব মিটতে না মিটতে করোনা রোধে আঁটসাঁট বিধিনিষেধ। মাত্র এক দেড় মাসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারী ভোট পরিচালনায় রাজ্যব্যাপী সর্বত্র করোনা ছড়িয়ে গেছে। এমন অভিযোগ উঠে এসেছে কেবলমাত্র রাজনৈতিক দলের মধ্য থেকে নয়, খোদ মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকেও। বিশদ

06th  May, 2021
রাজধর্ম পালনের শপথ
হারাধন চৌধুরী

কোভিড পরিস্থিতি আপনারা দায়িত্ব নিয়ে যদি এতটা খারাপ না করে ফেলতেন, তাহলে অবশ্যই বলতাম, মোদি-শাহ-নাড্ডা বাংলায় আসুন। আজই সুযোগ। মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতার শপথের হ্যাটট্রিক। দেখে যান রাজধর্ম পালনের শপথ কীভাবে নিতে হয়। বিশদ

05th  May, 2021
মোদি হাওয়া নেই... ছিলও না 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বাঁদরের হাতে লোডেড রিভলভার ধরিয়ে দিলে কী হয়? উত্তরের জন্য কোনও পুরস্কার নেই। কিন্তু যে ব্যক্তি এই মহান কর্মটি করে, তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। নিশ্চিতভাবে তার মাথার ব্যামো আছে। আমাদের আর্থ-সামাজিক কাঠামোটাও কতকটা তেমন। 
বিশদ

04th  May, 2021
একনজরে
দলের নির্দেশে নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বনশ্রী খাঁড়া। তিনি সম্পর্কে রাজ্যের মন্ত্রী শিউলি সাহার মা। বিধানসভা ভোটে বনশ্রীদেবী তৃণমূলের হয়ে সেভাবে প্রচারে নামেননি বলে দলীয় নেতৃত্বের অভিযোগ। সেজন্য তাঁকে অবিলম্বে ইস্তফা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল দল। ...

করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও সুষ্ঠুভাবে রেশনে খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার উপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন রাজ্যের নতুন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেশন গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে ...

বাড়ির উঠোনে বেড়া দিয়ে ঘেরা ছোট্ট ঘর। সেখানে রান্না করছিলেন গৃহবধূ দীপালি সর্দার। পাশের মাটির ঘরের নিকনো বারান্দায় রাখা ফোন হঠাৎই বেজে উঠল। রান্না ফেলে ...

শিলিগুড়িতে ফের ভাঙন ধরল বামফ্রন্টে। বিধানসভা ভোটে অশোক ভট্টাচার্যের ভরাডুবির দু’সপ্তাহের মধ্যে বুধবার বামফ্রন্ট ত্যাগ করলেন দুই নেতা। তাঁরা হলেন আরএসপির রামভজন মাহাত ও সিপিএমের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৩৮ - সম্রাট শাহজাহানের তত্ত্বাবধায়নে দিল্লির লাল কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু
১৮৩৬ - ভারততত্ত্ববিদ স্যার চার্লস উইলকিন্সের মৃত্যু
১৮৮৭ - বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং প্রবন্ধকার রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৮৫৭: ম্যালেরিয়ার জীবাণু আবিষ্কারক রোনাল্ড রসের জন্ম
১৯১৮: নৃত্যশিল্পী বালাসরস্বতীর জন্ম
১৯৪৭: কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যু
১৯৫৬: আর্ট অফ লিভিং ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা তথা আধ্যাত্মিক নেতা শ্রীশ্রী রবিশঙ্করের জন্ম
১৯৬২: ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নিলেন সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণাণ
১৯৬৭: ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নিলেন জাকির হোসেন
১৯৯৫ - প্রথম নারী হিসেবে ব্রিটিশ বংশদ্ভূত এলিসনের অক্সিজেন ও শেরপা ছাড়াই এভারেস্ট জয়
২০০০ - ভারতের লারা দত্তের বিশ্বসুন্দরী শিরোপা লাভ
২০০৫ - বিশিষ্ট সঙ্গীতিশিল্পী উৎপলা সেনের মৃত্যু
২০১১: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয় তৃণমূল কংগ্রেসের



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৬৭ টাকা ৭৪.৬৮ টাকা
পাউন্ড ১০১.৯৯ টাকা ১০৫.৫১ টাকা
ইউরো ৮৭.৪৯ টাকা ৯০.৭১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৪৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭১,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭১,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ বৈশাখ ১৪২৮, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১। দ্বিতীয়া অহোরাত্র। রোহিণী নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১/১৪, সূর্যাস্ত ৬/৪/৩৬। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১০/১৫ গতে ১২/৫২ মধ্যে। বারবেলা ২/৪৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৩ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। 
২৯ বৈশাখ ১৪২৮, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১। দ্বিতীয়া রাত্রি ৩/৩৬। রোহিণী নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৮। সূর্যোদয় ৫/১, সূর্যাস্ত ৬/৬। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে ও ১০/১৫ গতে ১২/৫১ মধ্যে। কালবেলা ২/৫০ গতে ৬/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। 
৩০ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শিবপুরে জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বালকের মৃত্যু
কলকাতার পর এবার হাওড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটল আজ ...বিশদ

07:43:56 PM

দুর্গাপুরে  দিদিকে গুলি, অভিযুক্ত ভাই
দুর্গাপুরে  দিদিকে গুলি করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ ভাইয়ের বিরুদ্ধে। আজ, ...বিশদ

05:17:18 PM

ধনেখালিতে ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু বিহারের দম্পতির
স্ত্রী জ্যোতিকে নিয়ে কলকাতায় শ্বশুরবাড়ি আসছিলেন বিহারের দ্বারভাঙ্গার বাসিন্দা সৌরভ ...বিশদ

04:07:09 PM

স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে এবার উঠতে পারবেন স্বাস্থ্যকর্মীরাও
রেলকর্মীদের জন্য ‘স্টাফ স্পেশাল’ ট্রেনে এবার থেকে উঠতে পারবেন স্বাস্থ্যকর্মীরাও। ...বিশদ

03:35:34 PM

গঙ্গায় মৃতদেহ ভেসে আসতে পারে, শুরু নজরদারি
উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারের গঙ্গায় ভাসতে দেখা গিয়েছে অসংখ্য মৃতদেহ। আশঙ্কা, ...বিশদ

03:29:57 PM

পিছিয়ে গেল পরীক্ষা
করোনার জেরে পিছিয়ে গেল ইউপিএসসি-র প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ইউপিএসসি-র প্রিলিমিনারি হওয়ার ...বিশদ

03:17:14 PM