Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদি বনাম দিদি ও অন্য লড়াইগুলি
পি চিদম্বরম

চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর এক সপ্তাহ পেরিয়ে গিয়েছে। সবাই এককভাবে জয়ের কথা জোর দিয়ে বলেনি। বিজেপির মতো বিরাটভাবে বাহু ফোলায়নি কেউই। তবু প্রতিটি দলই তাদের সাফল্য সম্পর্কে আগাম কিছু ঘোষণা করেছিল। 
ঘোষিত ফলাফলে যেটা হল তার একটা ভালো দিক এই যে, চার রাজ্যেই নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতাসহ মজবুত সরকার বসতে চলেছে। অন্যদিকে, পরাজিত পক্ষরাও ভালো সংখ্যায় আসন পেয়েছে। ফলে রাজ্য বিধানসভা কক্ষগুলিও পাচ্ছে সমীহ করার মতো বিরোধী পক্ষ। এতে জয় হল মানুষের। জনগণ ছাড়া আর যেসব পার্টি ও ফ্রন্টের প্রশ্নাতীত জয় হল, তাদের মধ্যে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস, বাম গণতান্ত্রিক জোট (এলডিএফ) এবং দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাঝাগম (ডিএমকে)। বিজেপি অসমে জিতেছে, কিন্তু বিচ্ছিরিভাবে পরাজিত হয়েছে কেরল ও তামিলনাড়ুতে। কংগ্রেস কেরল এবং অসমে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা অর্জন করে নিয়েছে। অন্যদিকে, ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গিয়েছে বাংলা থেকে।
সবক’টা লড়াইয়ের ভিতরে সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক হয়ে উঠেছিল—মোদি বনাম দিদি। মোদির ভাবমূর্তি আটকে গিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে তাঁর ছুড়ে দেওয়া বিদ্রূপাত্মক সম্বোধনের ভিতর—‘‘দিদি, … ওওওওওওওওহ্, দিদি’’। এই জিনিস একজন প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে যার পর নাই বেমানান। মোদি অবশ্য ব্যাখ্যা করেছেন, তিনি ‘দিদি’ শব্দটিকে সহজভাবে দু’বার উচ্চারণ করেছেন মাত্র। কিন্তু ব্যাখ্যা দিতে পারেননি কোন জায়গায় বলেছেন এবং ‘... ওওওওওওওওহ্’ কথাটির মানে কী। অন্যদিকে, হুইল চেয়ারে বসে প্রচারটা হয়ে উঠেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ডিফাইনিং ইমেজ’। মোদির সস্তার ‘ক্যাট-কল’ মমতার হুইল চেয়ারের কাছে হেরে ভূত হয়ে গিয়েছে। কেরলের যুদ্ধটাও কিন্তু কম চিত্তাকর্ষক হয়নি। দক্ষিণের ওই রাজ্যে এলডিএফের কাছে পরাজিত হয়েছে ইউডিএফ।

বড় দল ও পুনরাবিষ্কার
আঞ্চলিক দলগুলি মানুষের বেশি কাছাকাছি। আমার এই হাইপোথিসিসটা ফের প্রমাণিত হল। আঞ্চলিক দলগুলি রাজ্যের মানুষের ভাষাটা অনেক সহজ সুন্দর করে বলতে পারে, স্থানীয় সংস্কৃতিটাকে অনেক ভালো বোঝে, জনসংখ্যার পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে, সমাজের ভিতরে পরিবর্তিত আদর্শ ও মানকে খুব তাড়াতাড়ি স্বীকৃতি দেয় এবং পরিবর্তনগুলির সঙ্গে একাত্ম হয়ে যেতে পারে বেশ দক্ষতার সঙ্গে। বড় দলগুলিকে বৃহৎ স্তন্যপায়ী প্রাণীদের সঙ্গে তুলনা করা দেখা যেতে পারে। তারা সবচেয়ে বুদ্ধিমান বটে, কিন্তু তাদের পরিবর্তনটা হয় হিমবাহ গতিতে। 
কংগ্রেস নিজেকে পরিবর্তন করার একটি চেষ্টা করেছিল, কিন্তু এক বা একাধিক কারণে নিজেকে পুনরাবিষ্কার করতে পারল না। সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র উপায় হল ‘পুনরাবিষ্কার’। পুনরাবিষ্কৃত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের উপাদানগুলি বিচক্ষণ পর্যবেক্ষকদের চোখে ধরা পড়ছে। 
তড়িঘড়ি বিরাট বড় হয়ে ওঠার দাম মেটাচ্ছে বিজেপি এবং একজন একনায়ককে স্বীকৃতি দিচ্ছে। নরেন্দ্র মোদি সবচেয়ে তৃপ্ত হবেন—বিজেপি দলটাকে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মতো এবং নিজেকে আর একজন জি জিনপিং করে তুলতে পারলে। এই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সংবিধান এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচন অনুষ্ঠান। তবে তাঁরা উৎসাহ বোধ করছে এটা দেখে যে, বহু মানুষ ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ স্লোগানে মোহিত হয়েছে। মোদির লক্ষ্য হল, যৌথ (সংসদ এবং রাজ্য বিধানসভাগুলির) নির্বাচনটাকে তাঁর পক্ষে রেফারেন্ডাম বা গণভোটে রূপান্তরিত করা। সাংবিধানিক বাধাটুকু কাটিয়ে উঠতে তিনি দু’টি জিনিসের জন্য ধৈর্যসহকারে অপেক্ষা করবেন। একটি প্রতীক্ষা থাকবে রাজ্যসভায় দুই তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতা লাভের জন্য। অন্যটা হল, দেশের অর্ধেক রাজ্যেক বিজেপির শাসনে নিয়ে আসা। তবে বেশিরভাগ ভোটদাতা মোদিকে তাঁর ছকের মাধ্যমে চিনে নিয়েছেন এবং তাঁরা কখনওই তাঁর স্বপ্নপূরণের সাথী হবেন না। তাঁর সামনে আর একটি সমস্যা হল, দেশে একটি অত্যন্ত ক্ষমতাশালী একটি সুপ্রিম কোর্ট রয়েছে। আগামী তিনটি বছর ২০২১-এর থেকে খুব বেশি অন্যরকম হবে না। ২০২২ সালে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, মণিপুর, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, হিমাচলপ্রদেশ ও গুজরাত রাজ্য বিধানসভার ভোট। মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা, কর্ণাটক, চত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, মিজোরাম, রাজস্থান ও তেলেঙ্গানায় বিধানসভার নির্বাচন নির্দিষ্ট রয়েছে ২০২৩ সালে। তার পরের বছর, অর্থাৎ ২০২৪-এ হবে লোকসভার ভোট। আমরা মোদিকে আগামী দিনে একজন প্রধানমন্ত্রীর থেকে এক ক্যাম্পেনার হিসেবে বেশি করে দেখতে পাব। 

দুর্ভাগ্য ও মৃত্যু 
ইতিমধ্যেই মহামারীর দু’-দু’টি ঢেউয়ের বিরাট ধাক্কা লেগেছে অর্থনীতিতে। তৃতীয় এবং/অথবা চতুর্থ ঢেউও যে আছড়ে পড়বে না, এমন নিশ্চয়তা নেই। মন্থর অর্থনীতি মানুষকে মেরে ফেলছে। ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে বলা হচ্ছে। চাকরি চলে গিয়েছে। বেকারত্বের হার ৮ শতাংশ। অর্থনীতির পরিভাষায়, কনজিউমার প্রাইস ইনফ্লেশন বাড়ছে। সোজা কথায়, নিত্যপ‍্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ঊর্ধ্বমুখী। পুঁজি ভারত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। খরচ চালিয়ে যাওয়ার জন্য ঋণ নেওয়া ছাড়া সরকারের সামনে উপায় নেই। কিন্তু তাতেও অর্থনীতির স্রোত বিপরীত খাতে বইয়ে দিতে পারবে না সরকার। 
সবচয়ে বড় শিক্ষাটা পেয়ে গিয়েছে মধ্যবিত্ত শ্রেণি। ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগানটা তাঁরা বিশ্বাস করেছিলেন। তাঁদের সমাজ/কলোনির দরজাটা তাঁরা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ঢং ঢং করে বাজিয়েছিলেন থালা। জ্বালিয়েছিলেন প্রদীপ। ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ করেছিলেন। গরিব মানুষের না-বলা যন্ত্রণার সামনে বন্ধ রেখেছিলেন তাঁদের চোখ। বিশেষ করে দিনমজুর এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের দিকে তাকাননি। সরকারের অপদার্থতার জন্য আজ তাঁরাই নিজেদের খুঁজে পাচ্ছেন হাসপাতালে হাসপাতালে। করিডরে দাঁড়িয়ে কেউ কাতর আবেদন জানাচ্ছেন অক্সিজেন সিলিন্ডারের জন্য তো হন্যে হয়ে খুঁজছেন একটা বেড। প্রতিটা দিন বয়ে আনছে নিত্যনতুন মৃত্যুর খবর। মৃতের তালিকায় পরিবারের কেউ, অথবা কোনও আত্মীয়, অথবা বন্ধু, অথবা চেনা-পরিচিত একজন। অথবা, এমন একজন মারা গিয়েছেন যিনি ওই শোকসন্তপ্ত মানুষটির সাফল্যের জন্য ভীষণ খুশি ছিলেন। মৃত্যু অতীতে কখনও এত কাছে আসেনি, আমাদের কারওরই। 

ভয়ানক ভবিষ্যৎ
মহামারী এবং অর্থনীতি—দু’টির উপরেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে সরকার। জীবন এবং জীবিকা দু’টোই বাঁচাতে হবে। দু’টোর জন্যই দরকার বিপুল পরিমাণ অর্থ। অথচ, অর্থের জোগানটাই কমে এসেছে। ফিসকাল ডেফিসিট বৃদ্ধি বা রাজকোষ ঘাটতির পরিমাণ বৃদ্ধি ছাড়া সরকারের সামনে অন্য উপায় নেই। নরেন্দ্র মোদির আবার সেটা করার সাহসটাও নেই। তাঁকে সৎপরামর্শ দেওয়ার পক্ষে তাঁর অর্থমন্ত্রী অত্যন্ত ভিতু। অন্যদিকে, তাঁর পরামর্শদাতারা হলেন একদল ব্যর্থ মানুষ। এর পরিণাম—এমন এক বিপর্যয়, যাতে লাখো লাখো পরিবার ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, যার কোনও নজির নেই।
সম্রাট এবং তাঁর পার্ষদদের অঙ্গে কোনও বস্ত্র নেই। বিশ্বের সংবাদ মাধ্যম তাঁদের বাঁচিয়ে দিয়েছে। ভারতীয় মিডিয়া সবে জাগতে শুরু করেছে। মানুষ তার ক্রোধের বহিঃপ্রকাশের জন্য প্রতিটা নির্বাচনকে হাতিয়ার করছে। দৃষ্টান্ত, উত্তরপ্রদেশের পঞ্চায়েত ভোট। ২০২১ সাল—আরও একটি নষ্ট বছরের জন্য মনোবল ফেরানোর জন্য যখন চেষ্টা করছি, ঠিক তখনই আশঙ্কায় কেঁপে উঠছি আগামী দু’টি বছরের কথা ভেবে—২০২২, ২০২৩ সালও নষ্ট হবে না তো!    
 লেখক সংসদ সদস্য ও ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী
10th  May, 2021
মমতা মডেলে উজ্জীবিত গোটা দেশ
মৃণালকান্তি দাস

সমস্ত সরকারি এজেন্সিকে মাঠে নামিয়ে, বিজেপির গোটা ভোট-মেশিনারি এবং কয়েক হাজার কোটি টাকার বাজেট নিয়ে যেভাবে বাংলা দখলের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছিল, তা মমতা যে একাই ভেস্তে দিতে পারেন, সেটা বিজেপি স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি। বিশদ

অপদার্থ, অনাচারী রাজা,
এবার গদি ছাড়ুন
সন্দীপন বিশ্বাস

নতুন সরকারের গায়ে কাদা ছিটিয়ে নয়া ফন্দি আঁটছে বিজেপি। রাজ্যজুড়ে হিংসা ছড়ানোর গোপন ছক চলছে। রাজ্যকে অশান্ত করার গোপন খেলায় সক্রিয় বিজেপির আইটি সেলও। বিজেপি সব সময় সোজা খেলায় হেরে গেলে বাঁকা পথে জেতার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। রাজ্যে সেই উস্কানিই চলছে। বিশদ

12th  May, 2021
বিভাজনের উস্কানিতে
বাংলা বিকিয়ে যাবে না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বাংলা এখনও বিকিয়ে যায়নি। যাবে না। কোটি কোটি করদাতার রক্ত জল করা টাকায় হয়তো মোদিজির সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প সফল হবে। কিন্তু সাম্প্রদায়িক উস্কানির অন্ধকারে বাংলাকে ডুবিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন? হবে না। মোদিজি বরং মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে থাকুন। বিশদ

11th  May, 2021
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে সত্য মিথ্যা
প্রকাশ জাভরেকর

 

জানুয়ারির গোড়ার দিকে দেশে কোভিড পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল। নতুন করে সংক্রমণও কমছিল। কিন্তু দেখা গেল, কেরলে সেই সময় সংক্রমণ বাড়তে শুরু করল। ওই রাজ্য থেকেই নতুন সংক্রমণের এক-তৃতীয়াংশের খবর আসছিল। ৬ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব এক চিঠিতে রাজ্য সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ করার পরামর্শ দেন। বিশদ

11th  May, 2021
বাংলা থেকেই কি মোদির শেষের শুরু
হিমাংশু সিংহ

মুসলিম ও হিন্দু দু’তরফেই বাংলায় প্রত্যাখাত হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। উল্টে নাক উঁচু বাম প্রগতিশীল সমাজও বিজেপিকে ঠেকাতে খোলা মনে মমতার নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন। মেরুকরণের বিষ ব্যুমেরাং হয়ে বিধ্বস্ত করেছে গেরুয়া দলকেই। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, মিথ্যার দ্বারা মহৎ কাজ হয় না। বিশদ

09th  May, 2021
স্বৈরাচারী কলুষিত প্রশাসনকে
হুঁশিয়ার করলেন রবীন্দ্রনাথ
জয়ন্ত কুশারী

রবীন্দ্রনাথই অন্যতম মহামানব যিনি ভাবীকালের পৃথিবীকে তাঁর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে চিনতে পেরেছিলেন। এটা অনস্বীকার্য যে বিবাদ বিদীর্ণ দেশ রাজনৈতিক মতাদর্শের বৈষম্য, অর্থনৈতিক স্তরবিন্যাসের বৈচিত্র্য, প্রগতির বিভিন্ন মানকে স্বীকার করে নিয়েও সামগ্রিক ক্রমোন্নতির পথ থেকে বিচ্যুত হননি। বিশদ

09th  May, 2021
সাধু সাবধান, ভাবিয়া করিও কাজ
তন্ময় মল্লিক

‘বদল হবে, বদলাও হবে’। নির্বাচনের আগে দিলীপ ঘোষ থেকে সায়ন্তন বসুদের এটাই ছিল জনপ্রিয়তম স্লোগান। ‘বদলা নেওয়ার’ হুমকির পাশাপাশি চোখা চোখা ডায়ালগের ফুলঝুরি ফুটত। প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে পারেননি অনুব্রত মণ্ডলও। ‘ডাটিয়ে পগার পার করে দেব’ বলার পর অনুব্রতবাবু ‘খেলা হবে’তেই আটকে ছিলেন। বিশদ

08th  May, 2021
করোনা ঠেকাতে প্রতিরক্ষা
মন্ত্রকের উদ্যোগ
রাজনাথ সিং  

মহামারীর বর্তমান পরিস্থিতি ভারত মোকাবিলা করছে ঐক্যবদ্ধভাবে। সশস্ত্র বাহিনী দেশকে জয়ী করতে নানান উদ্যোগ নিয়েছে। বাহিনীর সদস্যদের রয়েছে অদম্য মনোভাব। যে-কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মানসিকতায় তাঁরা পূর্ণ। বিশদ

08th  May, 2021
গণদেবতার আশীর্বাদ
মৃণালকান্তি দাস

শেষ বিচারে বঙ্গসমাজ বিজেপির আইডেনটিটি পলিটিকস তত্ত্বকে আমল দেয়নি। বাঙালিয়ানা বিসর্জন দিয়ে বিজেপির হিন্দু-হিন্দি-হিন্দুস্তান মার্কা ভারতীয়ত্বকে আপন করে নিতে চায়নি। বহুত্ববাদ, বৈচিত্র্য ও বিবিধকে আঁকড়ে ধরে একদর্শী মতবাদকে তফাতে ঠেলেছে। দিনের শেষে এই রাজনৈতিক সংঘাত তাই রূপ নিয়েছে এক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে।
বিশদ

07th  May, 2021
প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

ভোট পর্ব মিটতে না মিটতে করোনা রোধে আঁটসাঁট বিধিনিষেধ। মাত্র এক দেড় মাসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারী ভোট পরিচালনায় রাজ্যব্যাপী সর্বত্র করোনা ছড়িয়ে গেছে। এমন অভিযোগ উঠে এসেছে কেবলমাত্র রাজনৈতিক দলের মধ্য থেকে নয়, খোদ মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকেও। বিশদ

06th  May, 2021
রাজধর্ম পালনের শপথ
হারাধন চৌধুরী

কোভিড পরিস্থিতি আপনারা দায়িত্ব নিয়ে যদি এতটা খারাপ না করে ফেলতেন, তাহলে অবশ্যই বলতাম, মোদি-শাহ-নাড্ডা বাংলায় আসুন। আজই সুযোগ। মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতার শপথের হ্যাটট্রিক। দেখে যান রাজধর্ম পালনের শপথ কীভাবে নিতে হয়। বিশদ

05th  May, 2021
মোদি হাওয়া নেই... ছিলও না 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বাঁদরের হাতে লোডেড রিভলভার ধরিয়ে দিলে কী হয়? উত্তরের জন্য কোনও পুরস্কার নেই। কিন্তু যে ব্যক্তি এই মহান কর্মটি করে, তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। নিশ্চিতভাবে তার মাথার ব্যামো আছে। আমাদের আর্থ-সামাজিক কাঠামোটাও কতকটা তেমন। 
বিশদ

04th  May, 2021
একনজরে
দলের নির্দেশে নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বনশ্রী খাঁড়া। তিনি সম্পর্কে রাজ্যের মন্ত্রী শিউলি সাহার মা। বিধানসভা ভোটে বনশ্রীদেবী তৃণমূলের হয়ে সেভাবে প্রচারে নামেননি বলে দলীয় নেতৃত্বের অভিযোগ। সেজন্য তাঁকে অবিলম্বে ইস্তফা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল দল। ...

শিলিগুড়িতে ফের ভাঙন ধরল বামফ্রন্টে। বিধানসভা ভোটে অশোক ভট্টাচার্যের ভরাডুবির দু’সপ্তাহের মধ্যে বুধবার বামফ্রন্ট ত্যাগ করলেন দুই নেতা। তাঁরা হলেন আরএসপির রামভজন মাহাত ও সিপিএমের ...

করোনার সংক্রমণ এড়িয়ে সুরক্ষিতভাবে বাড়িতে বসেই গয়না কেনার সুযোগ করে দিচ্ছে সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস। অক্ষয় তৃতীয়া ও ঈদ উপলক্ষে থাকছে হরেক অফারও। ...

শেষ পর্যন্ত বিস্তর টানাপোড়েনের পর আলোচনায় বসতে চেয়ে শ্রী সিমেন্ট কর্তারা বুধবার চিঠি দিল ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবকে। ওই চিঠিতে এসসি ইস্ট বেঙ্গলের সিইও শিবাজি সমাদ্দার বলেছেন, ‘অবিলম্বে আলোচ্য বিষয়গুলি জানান।’ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৩৮ - সম্রাট শাহজাহানের তত্ত্বাবধায়নে দিল্লির লাল কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু
১৮৩৬ - ভারততত্ত্ববিদ স্যার চার্লস উইলকিন্সের মৃত্যু
১৮৮৭ - বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং প্রবন্ধকার রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৮৫৭: ম্যালেরিয়ার জীবাণু আবিষ্কারক রোনাল্ড রসের জন্ম
১৯১৮: নৃত্যশিল্পী বালাসরস্বতীর জন্ম
১৯৪৭: কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যু
১৯৫৬: আর্ট অফ লিভিং ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা তথা আধ্যাত্মিক নেতা শ্রীশ্রী রবিশঙ্করের জন্ম
১৯৬২: ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নিলেন সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণাণ
১৯৬৭: ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নিলেন জাকির হোসেন
১৯৯৫ - প্রথম নারী হিসেবে ব্রিটিশ বংশদ্ভূত এলিসনের অক্সিজেন ও শেরপা ছাড়াই এভারেস্ট জয়
২০০০ - ভারতের লারা দত্তের বিশ্বসুন্দরী শিরোপা লাভ
২০০৫ - বিশিষ্ট সঙ্গীতিশিল্পী উৎপলা সেনের মৃত্যু
২০১১: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয় তৃণমূল কংগ্রেসের



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৬৭ টাকা ৭৪.৬৮ টাকা
পাউন্ড ১০১.৯৯ টাকা ১০৫.৫১ টাকা
ইউরো ৮৭.৪৯ টাকা ৯০.৭১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৪৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭১,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭১,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ বৈশাখ ১৪২৮, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১। দ্বিতীয়া অহোরাত্র। রোহিণী নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১/১৪, সূর্যাস্ত ৬/৪/৩৬। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১০/১৫ গতে ১২/৫২ মধ্যে। বারবেলা ২/৪৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৩ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। 
২৯ বৈশাখ ১৪২৮, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১। দ্বিতীয়া রাত্রি ৩/৩৬। রোহিণী নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৮। সূর্যোদয় ৫/১, সূর্যাস্ত ৬/৬। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে ও ১০/১৫ গতে ১২/৫১ মধ্যে। কালবেলা ২/৫০ গতে ৬/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। 
৩০ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শিবপুরে জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বালকের মৃত্যু
কলকাতার পর এবার হাওড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটল আজ ...বিশদ

07:43:56 PM

দুর্গাপুরে  দিদিকে গুলি, অভিযুক্ত ভাই
দুর্গাপুরে  দিদিকে গুলি করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ ভাইয়ের বিরুদ্ধে। আজ, ...বিশদ

05:17:18 PM

ধনেখালিতে ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু বিহারের দম্পতির
স্ত্রী জ্যোতিকে নিয়ে কলকাতায় শ্বশুরবাড়ি আসছিলেন বিহারের দ্বারভাঙ্গার বাসিন্দা সৌরভ ...বিশদ

04:07:09 PM

স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে এবার উঠতে পারবেন স্বাস্থ্যকর্মীরাও
রেলকর্মীদের জন্য ‘স্টাফ স্পেশাল’ ট্রেনে এবার থেকে উঠতে পারবেন স্বাস্থ্যকর্মীরাও। ...বিশদ

03:35:34 PM

গঙ্গায় মৃতদেহ ভেসে আসতে পারে, শুরু নজরদারি
উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারের গঙ্গায় ভাসতে দেখা গিয়েছে অসংখ্য মৃতদেহ। আশঙ্কা, ...বিশদ

03:29:57 PM

পিছিয়ে গেল পরীক্ষা
করোনার জেরে পিছিয়ে গেল ইউপিএসসি-র প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ইউপিএসসি-র প্রিলিমিনারি হওয়ার ...বিশদ

03:17:14 PM