Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আলোচনার অভিমুখ
সমৃদ্ধ দত্ত

প্রাচীন বিশ্বের বিভিন্ন সভ্যতায় দেখা যায় সম্রাটরা অসীম ক্ষমতার অধিকারী প্রমাণ করার জন্য অতি প্রাকৃতিক শক্তি সম্পন্ন হিসেবে নিজেদের প্রতিভাত করতেন। এর ফলে প্রজা শুধু সম্রাটকে যে মান্য করত তাই নয়, ভয়ও পেত, সমীহ করত। প্রাচীন মিশরে শতাব্দীর পর শতাব্দীর ধরে ফারাওরা নিজেদেরই ঈশ্বর হিসেবে ঘোষণা করতেন। আর সেই ঘোষণার পিছনে ছিল একটাই লক্ষ্য, যাতে কোনও বিদ্রোহ না হয়। ঈশ্বরের প্রতি ও ভক্তিতে প্রজারা সদা অনুগত থাকবে এটাই মূল উদ্দেশ্য।
প্রশাসন পরিচালনা সম্পর্কে নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি ১৫১৩ সালে তাঁর ‘দ্য প্রিন্স’ গ্রন্থে লিখেছিলেন, ভালোবাসা আর ভয় পাশাপাশি অবস্থান করতে পারে না। তুলনামূলকভাবে ভয় অনেক বেশি নিরাপদ ভালোবাসার থেকে। অর্থাৎ তিনি বলতে চেয়েছেন প্রশাসককে প্রজা ভালোবাসে, এই প্রবণতা খুবই আনন্দাদায়ক হতে পারে, কিন্তু সেই ভালো লাগা অবস্থান যে কোনও ঘটনার প্রেক্ষিতে বদলে যেতে পারে। তখন আর ভালোবাসা না থেকে সেই প্রজা‌ হয়তো বিদ্রোহী হয়ে যাবে। তাই ভয় অনেক বেশি কার্যকরী। কারণ যতদিন ভয় বজায় থাকবে,ততদিনই সিংহাসন সুরক্ষিত। আর তাই প্রাচীন ও মধ্যযুগে দেখা যেত এই ভয় কায়েম করে রাখার জন্য প্রতিনিয়ত রাজতন্ত্র কিংবা একনায়কতন্ত্র কিছু না কিছু একটা ক্রাইসিস তাদের সাম্রাজ্যে হয় নির্মাণ করছে অথবা বজায় রেখে প্রচার করছে। যাতে অন্তহীন একটার পর একটা আশঙ্কার বাতাবরণ সারাক্ষণ রাষ্ট্রে জোরালোভাবে থাকে। তাহলে জনগণ সেই জানাঅজানা আশঙ্কা নিয়ে ব্যস্ত থাকে, ভীত হয়। সাধারণত মানবসভ্যতায় দুই রকমের সরকার দেখা যায়। একটি হল ওয়ারফেয়ার প্রশাসন। অর্থাৎ সারাক্ষণই কেমন যেন একটা যুদ্ধ যুদ্ধ মনোভাব। আর একটি হল ওয়েলফেয়ার সরকার। যে সরকার নিভৃতে নানাবিধ জনকল্যাণমূলক কার্যে ব্যাপৃত থাকে এবং চেষ্টা করে রাষ্ট্রে যতটা সম্ভব সংঘাত কিংবা অস্থিরতাকে নিবৃত্ত করে রেখে শান্ত একটি আবহে সরকার পরিচালনা করতে। নীতি আদর্শ অনুযায়ী যুগে যুগে বিভিন্ন সরকার এই দুটি নীতি সামনে রেখেই এগিয়েছে।
এই প্রসঙ্গগুলি সামনে আসার কারণ হল আমরা লক্ষ্য করছি আমাদের জীবন এখন অনেক বেশি রাষ্ট্রীয় স্তরের ঘটনাপরম্পরা পরিচালনা করে চলেছে। প্রভাবিত করে চলেছে। কিছু বছর আগেও এভাবে সারাক্ষণ সাধারণ মানুষ নানাবিধ কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে চর্চা, প্রতিবাদ, সমর্থন কিংবা তর্কবিতর্কের মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত করেনি। কিন্তু বর্তমান মোদি সরকারের আমলে এই প্রবণতা বহুল পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সূক্ষ্মভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, পরোক্ষে একটি ভয়, আশঙ্কা এবং অনিশ্চিয়তার চর্চাই সবথেকে বেশি স্থান করে নিচ্ছে দৈনন্দিন জীবনে। প্রতিটি আলোচনায় চলে আসছে পক্ষে বিপক্ষে দুটি প্রকট বিভাজন। আবার কি কোনও বিশেষ নোট বাতিল হয়ে যেতে পারে? ব্যাঙ্কের সুদ কি আবার কমবে? এনআরসি কি আমাদের এখানেও চালু হবে? যদি চালু হয় তাহলে ডেটলাইন কী হবে? কোন কোন কাগজপত্র রেডি রাখা দরকার? হিন্দি কি একমাত্র অফিসিয়াল ভাষা হতে চলেছে? ইংরেজি তাহলে বন্ধ হয়ে যাবে? হিন্দি না শিখলে তাহলে আগামীদিনে কি শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে বড়সড় সঙ্কট হবে? পাকিস্তান যদি পরমাণু বোমা ফেলে তাহলে কী হবে? উত্তর পূর্ব ভারতের আশঙ্কা কাশ্মীরের ৩৭০ অবলুপ্তির পর এবার কি ওইসব রাজ্যে ৩৭১ অবলুপ্তি হয়ে যাবে?
২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন নোটবাতিল। তারপর থেকে লক্ষ করা যায়, যখনই সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয় আজ রাত আটটায় কিংবা বিকেল চারটেয় প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন, তৎক্ষণাৎ একটা অনিশ্চয়তা, আশঙ্কা ও চরম কৌতূহলের সঞ্চার হয়ে যায় গোটা দেশে যে ‘এবার আবার কী নতুন হতে চলেছে ঘোষণা?’ গরিব খেটে খাওয়া এবং জীবিকার জন্য প্রাণান্তকর পরিশ্রম করে চলা প্রান্তিক কোটি কোটি মানুষগুলিকে বাদ দিলে প্রায় গোটা ভারতই উৎসুক, উদগ্রীব হয়ে টিভির সামনে হাজির হয় যে দেখা যাক নতুন কী ঘোষণা হবে!
এনআরসি চালু করা হলে প্রকৃত যাঁরা ভারতবাসী তাঁদের তো ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আর মোটামুটি বোঝাই যাচ্ছে বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের টার্গেট করা হবে যারা বেআইনি নাগরিক। কিন্তু অসমে দেখা যাচ্ছে বাদ যাওয়া ১৯ লক্ষের মধ্যে ১২ লক্ষই হিন্দু বাঙালি। মুসলিম অনেক কম। সুতরাং তারপরও যখন অমিত শাহ ঘোষণা করেন গোটা দেশেই চালু করা হবে এনআরসি, তখন স্বাভাবিকভাবেই আর নিশ্চিন্ত থাকা যায় না। হিন্দু মুসলিম সকলের মধ্যেই ভয় আর আশঙ্কা ঢুকে গিয়েছে। তাই আজকাল সর্বত্র এনআরসি নিয়ে আলোচনা। কিছুদিন আগে পর্যন্ত আলোচনা আবর্তিত হয়েছিল ৩৭০ নিয়ে। এনআরসির পাশাপাশি এখন এসেছে হিন্দি ভাষার আগ্রাসনের আশঙ্কা। সেই রেশ কাটার আগেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবার বলেছেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অর্থাৎ জল্পনা চলছে তাহলে কি বিজেপির আগামীদিনের লক্ষ্য ওয়ান নেশন, ওয়ান পার্টি, ওয়ান ল্যাংগুয়েজ?
বস্তুত প্রশ্ন হল এভাবে নিরন্তর আলোচনার কেন্দ্রে থাকা আর অনিশ্চয়তার বাতাবরণ নির্মাণ করে সরকার পরিচালনার পদ্ধতি কি সম্পূর্ণ পরিকল্পনামাফিক? সম্ভবত এটাই একটি সূক্ষ্ম রাজনৈতিক কৌশল বিজেপির দুই শীর্ষ নেতার। তাঁরা একটি ব্যাপারে সম্পূর্ণ সফল হয়েছেন। সেটি হল ভারতজুড়ে প্রতিনিয়ত তাঁরাই আলোচনার কেন্দ্রে থাকছেন সর্বদাই। একটা দিনও এরকম যাচ্ছে না যে সাধারণ মানুষ কোনও একটি বিষয়কে সামনে রেখে নরেন্দ্র মোদি অথবা অমিত শাহকে নিয়ে আলোচনা করছে না। এই যে অবিরত আলোচনায় থাকার প্রয়াস এর কারণ কী? কারণটি হল একটা পরোক্ষ বার্তা প্রদান যে এই সরকার নজিরবিহীনভাবে সক্রিয়। মোদি এবং অমিত শাহ এটাই প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন যে তাঁরা অতীতের প্রধানমন্ত্রী কিংবা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের তুলনায় অনেক বেশি অ্যাকটিভ। আধুনিক সমাজের একটি বিশেষ অংশের পালস তাঁরা সম্যকভাবে ধরে ফেলেছেন। সেই অংশটি অ্যাকটিভিটি পছন্দ করে। তারা সর্বদাই চায় একটা কিছু উত্তেজনাকর ঘটনা ঘটুক। এবং সরকার সর্বদা অ্যাকটিভ থাকুক। সেই অ্যাকটিভিটি আদতে ভালো না মন্দা বার্তা নিয়ে আসছে তা না ভাবলেও চলবে।
কিন্তু একটা পারসেপশন তৈরি হয়ে যায় যে এই সরকার অতি সক্রিয়, অলস নয়, আগে যা কেউ পারেনি এরা সেটা করে দেখাচ্ছে ইত্যাদি। আধুনিক যুগের এই ইনস্ট্যান্ট ডেমোক্রেসিতে এটা অত্যন্ত জনপ্রিয়। মনে করলে দেখা যাবে ডঃ মনমোহন সিংকে নিয়ে এরকম নিরন্তর আলোচনা, চর্চা হতো না। অথচ তাঁর ১০ বছরে ১০০ দিনের কাজের গ্যারান্টি, তথ্য জানার অধিকার, কৃষকদের ৭০ হাজার কোটি টাকার ঋণ মকুব, ২০০৮ সালের বিশ্বজুড়ে মন্দার সময়ও ভারতের আর্থিক অবস্থা যথেষ্ট ভালো থাকা ইত্যাদি বহু ইতিবাচক ঘটনা ঘটেছে। যা আজও সমান কার্যকর। কিন্তু যেহেতু মনমোহন সিং, প্রণব মুখোপাধ্যায় অথবা পি চিদম্বরমরা অতটা ভোকাল ছিলেন না, তাই সেইসময় কেন্দ্রীয় সরকারকে ঘিরে সারাক্ষণ কোনও চর্চা, আলোচনা হতো না। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা লার্জার দ্যান লাইফ এক ইমেজে পর্যবসিত হননি তখন।
এখন কিন্তু সেটাই হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ অথবা সামগ্রিকভাবে সরকারের কোনও সিদ্ধান্ত ভুল হতে পারে, রাষ্ট্রের পক্ষে দীর্ঘকালীন ক্ষতিকর হতে পারে, অত্যন্ত অবিমৃশ্যকারী হতে পারে, আবার সেই সিদ্ধান্তগুলি ভালোও হতে পারে। এসব চর্চার থেকেও বড় যে বার্তাটি সামনে আসছে তা হল বিরোধী রাজনৈতিক দল ও নেতানেত্রীদের থেকে প্রচারের হাওয়াটি কেড়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন এই দুজন। সমর্থন অথবা নিন্দা, প্রতিদিন আমজনতা মোদি, অমিত শাহকেই নিয়েই ব্যস্ত। তাঁদের নিয়েই চলে চর্চা। রাজনৈতিকভাবে এই যে নিজেদের একটা অবিরত রাজনৈতিক-সামাজিক ডিসকোর্সের কেন্দ্রে নিয়ে আসা এটা একটা বৃহৎ সাফল্য। মোদি এবং অমিত শাহ সর্বদাই চাইছেন মানুষ তাঁদের নিয়েই আলোচনা করুক। অন্য কোনওদিকে চর্চার অভিমুখ ঘোরানোর সুযোগই দেন না তাঁরা।
তাই দেখা যাচ্ছে, ক্রমাগত একটির পর একটি ইস্যু সামনে নিয়ে আসা হচ্ছে। একটি ইস্যু থিতিয়ে গেলেই আবার অন্য একটি বিষয় নিয়ে তোলপাড়। আজ আম জনতা আর কাশ্মীরে সত্যিই কতটা স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে তা নিয়ে খোঁজখবর নেয়? নেয় না। এটাই জনতার প্রবণতা। দ্রুত ইস্যু থেকে ইস্যু থেকে সরে যাওয়া। আর এই প্রবণতাকেই কাজে লাগিয়ে নিজেদের সর্বদাই মানুষের মস্তিষ্কে স্থান করে দিয়ে চলেছেন মোদি ও অমিত শাহ। তাঁদের সম্পর্কে বিরক্তি কিংবা ভালো লাগা যাই হোক, মানুষের চর্চা তাঁদের ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে।
শাসকের অন্যতম প্রিয় অস্ত্র হল ভয়। সেটা সর্বদাই যে জনতাকে প্রত্যক্ষভাবে ভয় দেখানো এমন নয়। সম্ভাব্য শত্রু ও অজানা আশঙ্কার একটি অবয়ব তৈরি করে প্রতিটি সমস্যার কারণ হিসেবে সেই অবয়বের দিকে আঙুল তোলা একটি বিশেষ প্রশাসনিক কৌশল। প্রাচীনকাল থেকে এরকমই একটি বিশেষ শাসনপ্রক্রিয়ার নাম হল পপুলার ফিয়ার। অর্থাৎ যে ভয়টি জনপ্রিয়। মানুষ যে ভয়কে বিশ্বাস করতে পছন্দ করে। বৃহৎ সংখ্যক মানুষ ওই ভয়টাকে সত্যি মনে করে। তাই মাঝে মধ্যেই প্রচার করা হয় সমস্যা, সঙ্কট, বিপর্যয়ের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এজন্য দায়ী হল কোনও বিশেষ জাতি, কোনও বিশেষ সম্প্রদায়, বিশেষ একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র, দেশের অভ্যন্তরের বিশেষ শ্রেণী। এরা সক঩লেই শত্রুপক্ষ। বৃহত্তর সংখ্যক জনগণের কাছে এই ধারণাটি গ্রহণযোগ্য হয়। অবিশ্বাস আর ভয়ের ককটেল।
জনগণকে তাই সর্বদাই পাশে পেতে মাঝেমধ্যেই সঙ্কট তৈরি করা নিয়ম। অর্থাৎ যুদ্ধ হতে পারে, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, রক্তক্ষয়ী কোনও বিপ্লবের চক্রান্ত হতে পারে। এরকম আশঙ্কা এবং সম্ভাবনায় সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই সরকারের পাশে থাকবে। আর সেটাই কাম্য। এই পদ্ধতি নতুন কিছু প্রবণতা নয়, প্রাচীন ইওরোপ এশিয়ার ইতিহাস থেকেই জানা যায়, এই প্রক্রিয়ার নাম ‘পপুলার ক্রাইসিস!’
20th  September, 2019
এনআরসি, সংখ্যালঘু ভোট ও বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

‘এবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের আরও বেশি করে বিজেপির ছাতার তলায় নিয়ে আসতে হবে। সেই মতো গ্রহণ করতে হবে যাবতীয় কর্মসূচি।’ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই বিজেপির বঙ্গ নেতৃত্বকে এই কথাগুলি যিনি বলেছিলেন তিনি আর কেউ নন, ‘গেরুয়া শিবিরের চাণক্য’ অমিত শাহ।
বিশদ

সরকারি চাকরির মোহে আবিষ্ট সমাজ
অতনু বিশ্বাস

সমাজ বদলাবে আরও। আমি বা আপনি চাইলেও, কিংবা গভীরভাবে বিরোধিতা করলেও। সরকারি বা আধা-সরকারি চাকরির নিরাপত্তার চক্রব্যূহ ক্রমশ ভঙ্গুর হয়ে পড়বে আরও অনেকটা। এবং দ্রুতগতিতে। গোটা পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ এক প্রকারের ভবিতব্যই। একসময় আমরা দেখব, চাকরি বাঁচাতে গড়পড়তা সরকারি চাকুরেদেরও খাটতে হচ্ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরেদের মতো। সরকারি চাকরির নিশ্চিন্ত আশ্রয়ের নিরাপত্তার ‘মিথ’ ভেঙে চুরচুর হয়ে পড়বে। এবং সে-পথ ধরেই ক্রমে বিদায় নেবে পাত্রপাত্রী চাই-য়ের বিজ্ঞাপন থেকে ‘সঃ চাঃ’ নামক অ্যাক্রোনিম।
বিশদ

হিন্দু বাঙালির বাড়ি ভাঙছে, হারাচ্ছে দেশ 
শুভময় মৈত্র

জয় গৃহশিক্ষকতা করেন, বাড়ি সিঁথি মোড়ের কাছে, বরানগরে। নিজেদের তিরিশ বছরের পুরনো বাড়ি, সারানোর প্রয়োজন। একান্নবর্তী পরিবার, দাদা বড় ইঞ্জিনিয়ার। তিনি আর একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন কাছেই। 
বিশদ

20th  September, 2019
বাংলায় এনআরসি বিজেপির স্বপ্নের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে না তো 
মেরুনীল দাশগুপ্ত

লোকসভা ভোটে অপ্রত্যাশিত ফলের পর বাংলার বিজেপি রাজনীতিতে যে জমকালো ভাবটা জেগেছিল সেটা কি খানিকটা ফিকে হয়ে পড়েছে? পুজোর মুখে এমন একটা প্রশ্ন কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের আমজনতার মধ্যে ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে। 
বিশদ

19th  September, 2019
জন্মদিনে এক অসাধারণ নেতাকে কুর্নিশ
অমিত শাহ

 আজ, মঙ্গলবার আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৬৯তম জন্মদিন। অল্প বয়স থেকেই মোদিজি নিজেকে দেশের সেবায় উৎসর্গ করেছেন। যৌবন থেকেই তাঁর মধ্যে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর উন্নয়নে কাজের একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণের কারণে মোদিজির শৈশবটা খুব সুখের ছিল না। বিশদ

17th  September, 2019
ব্যাঙ্ক-সংযুক্তিকরণ কতটা সাধারণ মানুষ এবং সামগ্রিক ব্যাঙ্কব্যবস্থার উন্নতির স্বার্থে?
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

অনেকগুলি ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করে দেশে সরকারি ব্যাঙ্কের সংখ্যা কমিয়ে আনা হল আর সংযুক্তির পর চারটি এমন বেশ বড় ব্যাঙ্ক তৈরি হল, আকার আয়তনে সেগুলিকে খুব বড় মাপের ব্যাঙ্কের তকমা দেওয়া যাবে। এসব ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, এতে দেশের অর্থনীতির খুব উপকার হবে।  
বিশদ

16th  September, 2019
রাজনীতির উত্তাপ কি পুজোর আমেজ
জমে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে?
শুভা দত্ত

 পরিস্থিতি যা তাতে এমন কথা উঠলে আশ্চর্যের কিছু নেই। উঠতেই পারে, উঠছেও। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবের মুখে প্রায় প্রতিদিনই যদি কিছু না কিছু নিয়ে নগরী মহানগরীর রাজপথে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে, পুলিস জলকামান, লাঠিসোঁটা, কাঁদানে গ্যাস, ইটবৃষ্টি, মারদাঙ্গা, রক্তারক্তিতে যদি প্রায় যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনজীবন ব্যবসাপত্তর উৎসবের মরশুমি বাজার কিছু সময়ের জন্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তবে এমন কথা এমন প্রশ্ন ওঠাই তো স্বাভাবিক।
বিশদ

15th  September, 2019
আমেরিকায় মধ্যবয়সের
সঙ্গী সোশ্যাল মিডিয়া
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

যে বয়সে পৌঁছে দূরের আত্মীয়স্বজন ও পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ক্রমশ আগের মতো সম্ভব হয় না, সেই প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধার জীবনে ইন্টারনেট এক প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিয়েছে। প্রয়োজনীয় এই কারণে যে, নিঃসঙ্গতা এমন এক উপসর্গ যা বয়স্ক মানুষদের শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলে। বিশদ

14th  September, 2019
মোদি সরকারের অভূতপূর্ব কাশ্মীর পদক্ষেপ পরবর্তী ভারতীয় কূটনীতির সাফল্য-ব্যর্থতা
গৌরীশঙ্কর নাগ

 এই অবস্থায় এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ৩৭০ ধারা বিলোপ পর্বের প্রাথমিক অবস্থাটা আমরা অত্যন্ত উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি।
বিশদ

14th  September, 2019
ব্যর্থতা নয়, অভিনন্দনই
প্রাপ্য ইসরোর বিজ্ঞানীদের
মৃণালকান্তি দাস

 কালামের জেদেই ভেঙে পড়েছিল ইসরোর রোহিনী। না, তারপরেও এ পি জে আব্দুল কালামকে সে দিন ‘ফায়ার’ করেননি ইসরোর তদানীন্তন চেয়ারম্যান সতীশ ধাওয়ান! বলেননি, ‘দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কালামকে’! তার এক বছরের মধ্যেই ধরা দিয়েছিল সাফল্য। ধাওয়ানের নির্দেশে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সেই কালাম-ই। তাঁর কথায়, ‘ওই দিন আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ পাঠ পেয়েছিলাম। ব্যর্থতা এলে তার দায় সংস্থার প্রধানের। কিন্তু,সাফল্য পেলে তা দলের সকলের। এটা কোনও পুঁথি পড়ে আমাকে শিখতে হয়নি। এটা অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত।’ বিশদ

13th  September, 2019
রাষ্ট্রহীনতার যন্ত্রণা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভিক্টর নাভরস্কি নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের লাইনে দাঁড়িয়ে আবিষ্কার করলেন, তিনি আচমকাই ‘রাষ্ট্রহীন’ হয়ে পড়েছেন। কারণ, তাঁর দেশ ক্রাকোজিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলির কাছে মানবিকতার নিরিখে ক্রাকোজিয়ার আর কোনও ‘অস্তিত্ব’ নেই।
বিশদ

10th  September, 2019
জাতির গঠনে জাতীয় শিক্ষানীতি
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

 অভিধান অনুসরণ করে বলা যায়, পঠন-পাঠন ক্রিয়াসহ বিভিন্ন অভিজ্ঞতালব্ধ মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানোর প্রক্রিয়াই শিক্ষা। জ্ঞানকে বলা হচ্ছে অভিজ্ঞতালব্ধ প্রতীতি। শিক্ষা দ্বারা অর্জিত বিশেষ জ্ঞানকে আমরা বিদ্যা বলি। কালের কষ্টিপাথরে যাচাই করে মানুষ আবহমান কাল ধরে নিজ অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানরাশিকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পুস্তকের মধ্যে লিখে সঞ্চিত করে গেছে।
বিশদ

09th  September, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: শুক্রবার সকালে সাঁকরাইলের ডেল্টা জুটমিলের পরিত্যক্ত ক্যান্টিন থেকে নিখোঁজ থাকা এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্বার হল। তাঁর নাম সুভাষ রায় (৪৫)। তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেছেন। ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: দুই শিক্ষাকর্মীর বদলির প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনে শুক্রবার উত্তাল হল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্ক ও কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সায়েন্স বিভাগের সামনে কয়েকশ’ ছাত্রছাত্রী ...

 ইন্দোনেশিয়া, ২০ সেপ্টেম্বর: দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার হিসেবে এশিয়ান টেবল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেন জি সাথিয়ান। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ভারতের টপ র‌্যাঙ্কিং সাথিয়ান ১১-৭, ১১-৮, ১১-৬ পয়েন্টে হারালেন উত্তর কোরিয়ার আন-জি সংকে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২০ সেপ্টেম্বর: চলতি ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে দেশের মাইক্রো-ফিনান্স ইন্ডাস্ট্রি ২ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকার গণ্ডি অতিক্রম করবে। স্ব-ধন ‘ভারত মাইক্রো-ফিনান্স রিপোর্ট, ২০১৯’-এ প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহবৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে মানসিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৭,৯৯০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,০৪৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৫৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ৩৭/১২ রাত্রি ৮/২১। রোহিণী ১৪/৪৩ দিবা ১১/২২। সূ উ ৫/২৮/২৩, অ ৫/৩১/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪১ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১/০ গতে ২/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৯ গতে উদয়াবধি।
৩ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ২৫/২২/২১ দিবা ৩/৩৭/৫। রোহিণী ৭/১/২৪ দিবা ৮/১৬/৪৩, সূ উ ৫/২৮/৯, অ ৫/৩৩/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৩ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ১/১/২৯ গতে ২/৩২/৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৮/৪৯ মধ্যে ও ৪/২/৪৯ গতে ৫/৩৩/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৫৮/৪৯ গতে ৫/২৮/২৮ মধ্যে।
২১ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ
আজ রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল আলিপুর ...বিশদ

08:21:33 PM

ফের সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ
আরও একবার সিএবি-র প্রেসিডেন্ট হলেন সৌরভ গঙ্গোপাধধ্যায়। আজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ...বিশদ

07:39:27 PM

অস্কারে মনোনীত ছবি-গালি বয়

06:03:00 PM

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে মারধর
স্কুলের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় এক যুবককে লাঠি-রড দিয়ে ...বিশদ

05:22:00 PM

মুর্শিদাবাদে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেপ্তার ১ 
আজ সকালে মুর্শিদাবাদের পাহাড়ঘাটি মোড় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ সফিকুল ইসলাম ...বিশদ

05:13:00 PM

দীঘায় ডুবন্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করল নুলিয়া
 

দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার মুখে এক পর্যটককে উদ্ধার করল নুলিয়া। ...বিশদ

05:05:00 PM