Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাংলায় এনআরসি বিজেপির স্বপ্নের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে না তো 
মেরুনীল দাশগুপ্ত

লোকসভা ভোটে অপ্রত্যাশিত ফলের পর বাংলার বিজেপি রাজনীতিতে যে জমকালো ভাবটা জেগেছিল সেটা কি খানিকটা ফিকে হয়ে পড়েছে? পুজোর মুখে এমন একটা প্রশ্ন কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের আমজনতার মধ্যে ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে। ক’দিন আগে সিইএসসি অভিযান নিয়ে মধ্য কলকাতায় বিজেপি-পুলিস খণ্ডযুদ্ধ বা সেইরকম জঙ্গি ধাঁচের আন্দোলন করে মাঝেমধ্যেই পদ্ম শিবির সংবাদ শিরোনামে উঠে আসছে ঠিকই কিন্তু তার ধারাবাহিকতা যেন তেমন নিবিড় নয়, কেমন ছাড়া ছাড়া অগোছালো। ফলে আন্দোলনগুলো যেন পথে শুরু হয়ে পথেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। পাবলিক মনে তার আলোড়ন কতটা রেখাপাত করতে পারছে তা নিয়েও সংশ্লিষ্ট মহলে কমবেশি ধন্দ জাগছে! অস্বাভাবিক নয়। ২০১৯ লোকসভা ভোটে ২ থেকে এক লাফে ১৮ আসন, ভোট পার্সেন্টেজে ২২ শতাংশ বৃদ্ধির মতো চমকদার ফল তো এই বাংলায় বিজেপি কেবল প্রধান বিরোধীর শিরোপা মাত্র দেয়নি, পরন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই একচ্ছত্র প্রভাব প্রতিপত্তি ও প্রশ্নাতীত গণ-আনুগত্যের রাজ্যে প্রায় নিশ্চিহ্ন বিরোধী শিবিরে নতুন করে প্রাণ সঞ্চারের একটা ঘোর সম্ভাবনা জাগিয়ে দিয়েছিল।
সেই সম্ভাবনার প্রতি গেরুয়া বাহিনী কতটা সুবিচার করে, বাড়তি ভোটের অঙ্কটা ধরে রাখতে বা তাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বঙ্গবিজেপি নেতৃত্ব কী পদক্ষেপ করেন বঙ্গজনতার দেখার ছিল সেটাই। কারণ, অঙ্কের হিসেবে যে ২২ শতাংশ বাড়তি সমর্থন লোকসভায় বিজেপির রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতাকে একলপ্তে শাসক তৃণমূলের প্রায় সমকক্ষ করে তুলেছিল তা যে পদ্মদলের একান্ত নিজস্ব ছিল না সেটা সকলেই জানেন। এবং এটাও জানেন, এ রাজ্যের মমতা বিরোধী ভোট বাম-কংগ্রেস ছেড়ে পুঞ্জীভূত হয়েছিল বিজেপির ভোটবাক্সে আর সেটাই বাংলার বিরোধী শিবিরে নতুন শক্তি হিসেবে বিজেপিকে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছিল। সেই অগ্রগামিতা ধরে রাখতে বিজেপির যে কর্মসূচিগুলো জনতার নজরে কেড়েছিল তার মধ্যে সন্দেহ নেই অন্যতম ছিল মূলত মুকুল রায়ের উদ্যোগে তৃণমূলের ‘পদ্ম অভিলাষী’দের ঘরে তোলা এবং সেই সুবাদে এলাকা থেকে পুরবোর্ড যেখানে যেমন মেলে ‘দখল’। বীরভূমের বিতর্কিত মণিরুলকে নিয়ে সংঘ পরিবারে অসন্তোষ সৃষ্টির আগে অব্দি এই কর্মসূচি বেশ জমেও উঠেছিল। এ যাচ্ছে, সে আসছে, আজ দিল্লি কাল কলকাতা—এই বোর্ড তৃণমূলের হাতছাড়া আবার কদিন পরে দলবদলুদের ঘরে ফেরায় বোর্ড আবার তৃণমূলের ঝান্ডাতলে এবং এই বদলাবদলি নিয়ে ভাটপাড়া-জগদ্দল সমেত গোটা নৈহাটি-বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের মতো কত জায়গায় কত ধুন্ধুমার, মারদাঙ্গা খুনখারাপি, পুলিস প্রশাসনে যাকে বলে একেবারে তাধৈ মাধৈ অবস্থা! আবার এই বদলাবদলির আর এক চূড়ান্ত নাটকীয় রূপ দেখা গিয়েছিল কলকাতার প্রাক্তন মেয়রের গেরুয়া শিবিরে যোগদান এবং অনতিকাল পরেই মুখ ফেরানোকে কেন্দ্র করে! সেই নাটকে যবনিকাপাত এখনও পুরোপুরি ঘটেছে কি না আমরা জানি না, তবে দলবদলের হিড়িকটা যে কোনও কারণেই হোক এখন অনেকটাই স্তিমিত। তথ্যভিজ্ঞরা বলছেন, এর জন্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বা রন্তিদেব সেনগুপ্তের মতো শীর্ষ নেতাদের চেতাবনি বিশেষ ক্রিয়াশীল।
অন্যদিকে, দলের অগ্রগতি ও বিস্তার বজায় রাখতে জনমন জয়ে বিজেপি নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আর যেটা করেছে সেটা ‘আন্দোলন’, বিরোধী নেত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধাঁচে জঙ্গি প্রতিবাদ সংগঠিত করার চেষ্টা। কিন্তু, সেটা তো খুব সহজ নয়। আগেই বলেছি, মুশকিলটা হল ধারাবাহিকতার অভাব। তাছাড়া, মমতার মতো প্রাণ বাজি রেখে লাগাতার অমন একরোখা আগুনে আন্দোলন করার ক্ষমতাসম্পন্ন নেতানেত্রী আজ কোথায়? নেতানেত্রী থাকলেও পরিবেশের সেই আনুকূল্যও কি মিলবে? বাম আমলের শেষ অধ্যায়ে সিপিএমের একাংশের অবিরাম উৎপাতে ক্যাডাররাজের অত্যাচার লাঞ্ছনায় পশ্চিমবঙ্গের গ্রাম শহর নগর মহানগরে সর্বস্তরে মানুষের মধ্যে যে অগ্নিময় ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছিল, নন্দীগ্রাম-সিঙ্গুর-নেতাই ইত্যাদি নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে যে উত্তাল ঝড়ঝঞ্ঝা সৃষ্টি হয়েছিল— এখন তেমন ইস্যুই বা কোথায়? বলছি না যে রাজ্যের শাসকদলের প্রতি মানুষের অসন্তোষ নেই। অবশ্যই আছে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রাম শহরের পরিষেবা পরিকাঠামো অর্থাৎ রাস্তাঘাট পানীয় জল স্বাস্থ্য শিক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটিয়েছেন, সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের ঘরে ঘরে কন্যাশ্রী স্বাস্থ্যসাথী ইত্যাদি হাজারো সরকারি সহায়তা প্রকল্প যেভাবে পৌঁছে দিয়েছেন তাতে বাংলার মানুষের অনেক ক্ষোভ অসন্তোষই চাপা পড়ে যাচ্ছে। হ্যাঁ, কট্টর মমতা বিরোধীদের কথা অবশ্যই আলাদা। তাঁরা হয়তো এখনও মমতা কী কী পারেননি, শিল্পায়ন-কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে কতটা কী করল মুখ্যমন্ত্রী মমতার রাজ্য, মমতার দলের কারা সারদা-নারদায় অদূর ভবিষ্যতে ধরা পড়বেন—তা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক কল্পনা-জল্পনায় মশগুল। এবং এঁদেরই একটা বড় অংশ যে গত লোকসভা ভোটে বিজেপিকে ঢেলে দিয়েছে তাতেও বা সন্দেহ কী? কিন্তু গোল বেধেছে এবার। অসমের জাতীয় নাগরিক পঞ্জির ঢেউ পশ্চিমবঙ্গে ওঠার উপক্রম হতেই মমতার অভক্তিবাদী দলে কোথায় যেন একটা শিরসিরানি গুনগুন করতে শুরু করেছে! এবার কী হবে? আমার পরিচিত এক চরম অভক্তিবাদী সেদিন কথায় কথায় বলছিলেন, মোদিজির আর সব তো ঠিকই আছে। তালাক বন্ধ কাশ্মীরের বিশেষ সুবিধা বন্ধ চাঁদে অভিযান—সব। কিন্তু এনআরসিটা কী হবে বোঝা যাচ্ছে না!
কেন বিজেপি সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অমিত শাহ তো স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, শরণার্থীরা নাগরিক। সমস্যা অনুপ্রবেশকারী নিয়ে। এনআরসি করে অনুপ্রবেশকারীদের দেশছাড়া করলে বা ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখলে ক্ষতি কোথায়! উত্তর এল তৎক্ষণাৎ—অসমে দেখছেন, এগারো লক্ষের ওপর হিন্দু বাঙালি আটকে গেছে। ওখানে তো বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বজরং দলের মতো সংঘ পরিবারের প্রভাবশালী দুটি শাখা থেকেই প্রতিবাদ উঠেছে। তাহলে...! কথা ফুরোয় না তাঁর, ভারী হয়ে ওঠে মুখ। কপালে ভাঁজ গাঢ় হয়, তাহলে! আর এখান থেকেই সঙ্গতকারণে সমাজ-রাজনীতিতে সেই সংশয়ের উদ্ভব হচ্ছে, বাংলায় এনআরসি বিজেপির স্বপ্নের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে না তো! একথা আজ কারও অজানা নয়, বিজেপি ২০২১ সালের ভোট জিতে এ রাজ্যের ক্ষমতা দখল করতে চায়। সেটাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মনোবাঞ্ছা এবং রাজ্য নেতৃত্বের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন সফল করতে যাঁদের সমর্থন না অত্যাবশ্যক সেই মমতা বিরোধী মহলের মানুষজনের মনে যদি এহেন সংশয়ের উদয় হয় তবে যে কাজটি কঠিনতর হয়ে পড়বে— তা কি বলার অপেক্ষা রাখে?
এর মধ্যে আবার প্রায় পরপর দু-দুটি বোমা ফাটিয়ে দিলেন অমিতজি। এক, এক দেশ এক ভাষা বলে হিন্দিকে সর্বভারতীয় প্রাধান্য দেওয়ার কথা বললেন এবং দুই, ওই একই কারণে বহুদলীয় গণতন্ত্রের এই মহান ভারতে একদলীয় শাসনের নিদান দিলেন! দুটি নিয়েই আসমুদ্রহিমাচল ভারতে আলোড়ন পড়ে গেছে সন্দেহ নেই। হিন্দির একাধিপত্য কায়েমের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে বিগত শতকের ষাটের দশকে দেশ জুড়ে, বিশেষত দক্ষিণ ভারতে প্রবল হিংসা ও প্রাণহানির যে বিরাট ঘটনা ঘটেছিল, অমিত শাহের মন্তব্যের পর অনেকের মনেই তার স্মৃতি উসকে উঠেছে, এ নিয়ে বিতর্কে আলোচনাতেও তার মর্মান্তিক ছায়া পড়ছে। অন্যদিকে একদলীয় ‘গণতন্ত্র’ ব্যাপারেও ঝড় উঠতে চলেছে দেশের রাজনৈতিকমহলে। এনআরসির পাশাপাশি এই দুই নতুন ইস্যুতে সারা দেশে মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক। বাংলাও তার ব্যতিক্রম হতে পারে না। একদিকে এনআরসি নিয়ে অসমের মানুষের শঙ্কা-ক্ষোভ অন্যদিকে আঞ্চলিক ভাষার ওপর হিন্দির আগ্রাসন চিন্তা এবং একদলীয় শাসন কায়েম সম্ভাবনার উৎকণ্ঠা—সব মিলিয়ে বাঙালির বিজেপি সমর্থনের স্বতঃস্ফূর্ততা নিশ্চিতভাবেই কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে। কট্টর মমতা বিরোধীদের মনেও জেগেছে দোলাচল—মোদিজি না মমতা কে অপেক্ষাকৃত শ্রেয়, কার কাছে অপেক্ষাকৃত সুরক্ষিত বাঙালির ভবিষ্যৎ? কদিন আগে বিকেলে সিঁথি থেকে শ্যামবাজার এনআরসির বিরুদ্ধে মিছিল করে এবং ‘প্রাণ থাকতে বাংলায় এনআরসি হতে দেব না’ বলে ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ইস্যুতে সাধারণজনের বাড়তি আস্থা অর্জন করেছেন, এমনকী তাঁদেরও যাঁরা মনে করেন অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে এ রাজ্যেও এনআরসি করা উচিত। অসমের উদাহরণে তাঁদের বুকে যে ভয় জমেছে। পথেঘাটে কথায় আলোচনায় সে ভয় উঠে আসছে। শিক্ষিত অশিক্ষিত নির্বিশেষে মোবাইলে ইলেকশন কমিশনের অ্যাপ ডাউনলোড করে ডি-ভোটার হওয়ার কোপ থেকে বাঁচাতে চাওয়ার মধ্যেও সেই উদ্বেগ টের পাওয়া যাচ্ছে। না হলে অঙ্কের অমন নামজাদা অধ্যাপক কেন বলবেন, সে কি! এখনও করেননি! এখুনি ইলেকশন কমিশনের ভোটার হেল্পলাইন অ্যাপ ডাউনলোড করে তথ্য দিন। না হলে কিন্তু ডি-ভোটার করে দেবে। তখন ঝক্কি সামলাতে প্রাণ বেরিয়ে যাবে।
এনআরসি নিয়ে বাংলার মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া এই শঙ্কা এই উদ্বেগের মোকাবিলা বিজেপিকে করতেই হবে। এবং করতে হবে ভোট ময়দানে নামার আগেই। সঙ্গে দোসর হিসেবে হিন্দির সর্বাত্মক প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা এবং একদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার বার্তা নিয়ে শাসক তৃণমূল এবং বাম-কংগ্রেসের কড়া প্রতিক্রিয়া ও বাংলার জনমনে তার প্রভাবও সামলাতে হবে। এই তিন গুরুতর ‘সমস্যা’ তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতার মতো অসাধারণ কৌশলী, অমিত প্রভাবশালী রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী সামলে বিজেপির বঙ্গনেতৃত্ব ২০২১ জয়ের লক্ষ্যে শেষ পর্যন্ত কতদূর এগতে পারেন এখন সেটাই দেখার। তাই না?  
19th  September, 2019
এনআরসি, সংখ্যালঘু ভোট ও বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

‘এবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের আরও বেশি করে বিজেপির ছাতার তলায় নিয়ে আসতে হবে। সেই মতো গ্রহণ করতে হবে যাবতীয় কর্মসূচি।’ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই বিজেপির বঙ্গ নেতৃত্বকে এই কথাগুলি যিনি বলেছিলেন তিনি আর কেউ নন, ‘গেরুয়া শিবিরের চাণক্য’ অমিত শাহ।
বিশদ

সরকারি চাকরির মোহে আবিষ্ট সমাজ
অতনু বিশ্বাস

সমাজ বদলাবে আরও। আমি বা আপনি চাইলেও, কিংবা গভীরভাবে বিরোধিতা করলেও। সরকারি বা আধা-সরকারি চাকরির নিরাপত্তার চক্রব্যূহ ক্রমশ ভঙ্গুর হয়ে পড়বে আরও অনেকটা। এবং দ্রুতগতিতে। গোটা পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ এক প্রকারের ভবিতব্যই। একসময় আমরা দেখব, চাকরি বাঁচাতে গড়পড়তা সরকারি চাকুরেদেরও খাটতে হচ্ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরেদের মতো। সরকারি চাকরির নিশ্চিন্ত আশ্রয়ের নিরাপত্তার ‘মিথ’ ভেঙে চুরচুর হয়ে পড়বে। এবং সে-পথ ধরেই ক্রমে বিদায় নেবে পাত্রপাত্রী চাই-য়ের বিজ্ঞাপন থেকে ‘সঃ চাঃ’ নামক অ্যাক্রোনিম।
বিশদ

আলোচনার অভিমুখ
সমৃদ্ধ দত্ত

 প্রাচীন বিশ্বের বিভিন্ন সভ্যতায় দেখা যায় সম্রাটরা অসীম ক্ষমতার অধিকারী প্রমাণ করার জন্য অতি প্রাকৃতিক শক্তি সম্পন্ন হিসেবে নিজেদের প্রতিভাত করতেন। এর ফলে প্রজা শুধু সম্রাটকে যে মান্য করত তাই নয়, ভয়ও পেত, সমীহ করত। প্রাচীন মিশরে শতাব্দীর পর শতাব্দীর ধরে ফারাওরা নিজেদেরই ঈশ্বর হিসেবে ঘোষণা করতেন।
বিশদ

20th  September, 2019
হিন্দু বাঙালির বাড়ি ভাঙছে, হারাচ্ছে দেশ 
শুভময় মৈত্র

জয় গৃহশিক্ষকতা করেন, বাড়ি সিঁথি মোড়ের কাছে, বরানগরে। নিজেদের তিরিশ বছরের পুরনো বাড়ি, সারানোর প্রয়োজন। একান্নবর্তী পরিবার, দাদা বড় ইঞ্জিনিয়ার। তিনি আর একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন কাছেই। 
বিশদ

20th  September, 2019
জন্মদিনে এক অসাধারণ নেতাকে কুর্নিশ
অমিত শাহ

 আজ, মঙ্গলবার আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৬৯তম জন্মদিন। অল্প বয়স থেকেই মোদিজি নিজেকে দেশের সেবায় উৎসর্গ করেছেন। যৌবন থেকেই তাঁর মধ্যে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর উন্নয়নে কাজের একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণের কারণে মোদিজির শৈশবটা খুব সুখের ছিল না। বিশদ

17th  September, 2019
ব্যাঙ্ক-সংযুক্তিকরণ কতটা সাধারণ মানুষ এবং সামগ্রিক ব্যাঙ্কব্যবস্থার উন্নতির স্বার্থে?
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

অনেকগুলি ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করে দেশে সরকারি ব্যাঙ্কের সংখ্যা কমিয়ে আনা হল আর সংযুক্তির পর চারটি এমন বেশ বড় ব্যাঙ্ক তৈরি হল, আকার আয়তনে সেগুলিকে খুব বড় মাপের ব্যাঙ্কের তকমা দেওয়া যাবে। এসব ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, এতে দেশের অর্থনীতির খুব উপকার হবে।  
বিশদ

16th  September, 2019
রাজনীতির উত্তাপ কি পুজোর আমেজ
জমে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে?
শুভা দত্ত

 পরিস্থিতি যা তাতে এমন কথা উঠলে আশ্চর্যের কিছু নেই। উঠতেই পারে, উঠছেও। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবের মুখে প্রায় প্রতিদিনই যদি কিছু না কিছু নিয়ে নগরী মহানগরীর রাজপথে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে, পুলিস জলকামান, লাঠিসোঁটা, কাঁদানে গ্যাস, ইটবৃষ্টি, মারদাঙ্গা, রক্তারক্তিতে যদি প্রায় যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনজীবন ব্যবসাপত্তর উৎসবের মরশুমি বাজার কিছু সময়ের জন্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তবে এমন কথা এমন প্রশ্ন ওঠাই তো স্বাভাবিক।
বিশদ

15th  September, 2019
আমেরিকায় মধ্যবয়সের
সঙ্গী সোশ্যাল মিডিয়া
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

যে বয়সে পৌঁছে দূরের আত্মীয়স্বজন ও পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ক্রমশ আগের মতো সম্ভব হয় না, সেই প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধার জীবনে ইন্টারনেট এক প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিয়েছে। প্রয়োজনীয় এই কারণে যে, নিঃসঙ্গতা এমন এক উপসর্গ যা বয়স্ক মানুষদের শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলে। বিশদ

14th  September, 2019
মোদি সরকারের অভূতপূর্ব কাশ্মীর পদক্ষেপ পরবর্তী ভারতীয় কূটনীতির সাফল্য-ব্যর্থতা
গৌরীশঙ্কর নাগ

 এই অবস্থায় এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ৩৭০ ধারা বিলোপ পর্বের প্রাথমিক অবস্থাটা আমরা অত্যন্ত উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি।
বিশদ

14th  September, 2019
ব্যর্থতা নয়, অভিনন্দনই
প্রাপ্য ইসরোর বিজ্ঞানীদের
মৃণালকান্তি দাস

 কালামের জেদেই ভেঙে পড়েছিল ইসরোর রোহিনী। না, তারপরেও এ পি জে আব্দুল কালামকে সে দিন ‘ফায়ার’ করেননি ইসরোর তদানীন্তন চেয়ারম্যান সতীশ ধাওয়ান! বলেননি, ‘দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কালামকে’! তার এক বছরের মধ্যেই ধরা দিয়েছিল সাফল্য। ধাওয়ানের নির্দেশে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সেই কালাম-ই। তাঁর কথায়, ‘ওই দিন আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ পাঠ পেয়েছিলাম। ব্যর্থতা এলে তার দায় সংস্থার প্রধানের। কিন্তু,সাফল্য পেলে তা দলের সকলের। এটা কোনও পুঁথি পড়ে আমাকে শিখতে হয়নি। এটা অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত।’ বিশদ

13th  September, 2019
রাষ্ট্রহীনতার যন্ত্রণা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভিক্টর নাভরস্কি নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের লাইনে দাঁড়িয়ে আবিষ্কার করলেন, তিনি আচমকাই ‘রাষ্ট্রহীন’ হয়ে পড়েছেন। কারণ, তাঁর দেশ ক্রাকোজিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলির কাছে মানবিকতার নিরিখে ক্রাকোজিয়ার আর কোনও ‘অস্তিত্ব’ নেই।
বিশদ

10th  September, 2019
জাতির গঠনে জাতীয় শিক্ষানীতি
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

 অভিধান অনুসরণ করে বলা যায়, পঠন-পাঠন ক্রিয়াসহ বিভিন্ন অভিজ্ঞতালব্ধ মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানোর প্রক্রিয়াই শিক্ষা। জ্ঞানকে বলা হচ্ছে অভিজ্ঞতালব্ধ প্রতীতি। শিক্ষা দ্বারা অর্জিত বিশেষ জ্ঞানকে আমরা বিদ্যা বলি। কালের কষ্টিপাথরে যাচাই করে মানুষ আবহমান কাল ধরে নিজ অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানরাশিকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পুস্তকের মধ্যে লিখে সঞ্চিত করে গেছে।
বিশদ

09th  September, 2019
একনজরে
 ওয়াশিংটন, ২০ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): আমেরিকার রাস্তায় ফের প্রকাশ্যে বন্দুকবাজের তাণ্ডব। গুলিতে একজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও পাঁচজন জখম হয়েছেন। পুলিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা নাগাদ কলম্বিয়া হাইটস এলাকায় ওই ঘটনা ঘটেছে। জায়গাটি হোয়াইট হাউস থেকে খুব বেশি দূরে নয় বলেও ...

 গুয়াহাটি, ২০ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): এনআরসির বিরোধিতায় শুক্রবার অসমজুড়ে ১২ ঘণ্টার বন্ধ পালন করা হয়। অল কোচ রাজবংশী স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (একেআরএসইউ)-এর ডাকা ওই বন্঩ধে এদিন স্বাভাবিক ...

 ইন্দোনেশিয়া, ২০ সেপ্টেম্বর: দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার হিসেবে এশিয়ান টেবল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেন জি সাথিয়ান। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ভারতের টপ র‌্যাঙ্কিং সাথিয়ান ১১-৭, ১১-৮, ১১-৬ পয়েন্টে হারালেন উত্তর কোরিয়ার আন-জি সংকে। ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির সংসদ সদস্য বাবুল সুপ্রিয়কে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হেনস্তার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে দাসপুর থানার গৌরা বাসস্টপে বিজেপি পথ অবরোধ করে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহবৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে মানসিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৭,৯৯০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,০৪৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৫৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ৩৭/১২ রাত্রি ৮/২১। রোহিণী ১৪/৪৩ দিবা ১১/২২। সূ উ ৫/২৮/২৩, অ ৫/৩১/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪১ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১/০ গতে ২/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৯ গতে উদয়াবধি।
৩ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ২৫/২২/২১ দিবা ৩/৩৭/৫। রোহিণী ৭/১/২৪ দিবা ৮/১৬/৪৩, সূ উ ৫/২৮/৯, অ ৫/৩৩/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৩ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ১/১/২৯ গতে ২/৩২/৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৮/৪৯ মধ্যে ও ৪/২/৪৯ গতে ৫/৩৩/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৫৮/৪৯ গতে ৫/২৮/২৮ মধ্যে।
২১ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ
আজ রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল আলিপুর ...বিশদ

08:21:33 PM

ফের সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ
আরও একবার সিএবি-র প্রেসিডেন্ট হলেন সৌরভ গঙ্গোপাধধ্যায়। আজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ...বিশদ

07:39:27 PM

অস্কারে মনোনীত ছবি-গালি বয়

06:03:00 PM

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে মারধর
স্কুলের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় এক যুবককে লাঠি-রড দিয়ে ...বিশদ

05:22:00 PM

মুর্শিদাবাদে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেপ্তার ১ 
আজ সকালে মুর্শিদাবাদের পাহাড়ঘাটি মোড় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ সফিকুল ইসলাম ...বিশদ

05:13:00 PM

দীঘায় ডুবন্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করল নুলিয়া
 

দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার মুখে এক পর্যটককে উদ্ধার করল নুলিয়া। ...বিশদ

05:05:00 PM