বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

নববর্ষের প্রস্তুতি। শুক্রবার কুমোরটুলিতে তোলা নিজস্ব চিত্র।

বাংলাকে বিজেপির হেনস্তা, গর্জে ওঠার ডাক মমতার

প্রীতেশ বসু, বাঁকুড়া: মাসের পর মাস ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চনা, আর সুযোগ পেলেই জাতীয় মঞ্চে বাংলাকে হেনস্তা। এর জবাব বিজেপিকে ভোটযন্ত্রে দেওয়ার ডাক দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বাঁকুড়ার খাতড়ায় প্রশাসনিক সভা থেকে তাঁর হুঙ্কার, গর্জে উঠুন। ছুড়ে ফেলে দিন। জেলায় জেলায় বিজেপিকে শূন্য করে দিয়ে এই বঞ্চনা আর হেনস্তার উত্তর দিতে হবে। 
আসন্ন লোকসভা ভোটে বঞ্চনাকে হাতিয়ার করেই যে তিনি মোদি সরকারের বিরুদ্ধে কোমর বেঁধে নামছেন, তা বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা। কেন্দ্র ‘কর্তব্য পালন করেনি’। তাই বাংলার ৫৯ লক্ষ জবকার্ড হোল্ডারকে বকেয়া মজুরি সদ্য মিটিয়েছে তাঁর সরকার। এখানেই শেষ নয়, ১ এপ্রিলের মধ্যে আবাসের অর্থ না ছাড়লে, ১১ লক্ষ গরিব মানুষের বাড়ি তৈরির টাকা রাজ্য সরকারই দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে কেন্দ্র বাংলাকে ভাতে মারতে চাইলেও মমতা যে তা হতে দেবেন না, তা বারবার স্পষ্ট করেছেন তিনি। রাজনৈতিক মহল বলছে, ১০০ দিনের কাজের টাকা মিটিয়ে ভোটের আগে মাস্টার স্ট্রোক দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। জঙ্গলমহল তো বটেই, এই পদক্ষেপ গোটা রাজ্যে মমতাকে ভালোরকম ডিভিডেন্ড দেবে। সেই অধিকারবোধ থেকেই হয়তো তাঁর রাজ্যের মানুষের কাছে এদিন দাবি করেছেন মমতা—‘জেলার (বাঁকুড়া এবং বিষ্ণুপুর) দু’টি আসনই চাই। আগেরবার বিজেপি এই জেলায় দু’টি আসনেই জিতেছে। তারা কি জেতার পর একবারও এসেছে? আপনাদের কিছু দিয়েছে? তাদের কি দেখতে পেয়েছেন? ভোট এলেই ওরা আবার ওদের দেখা যাবে। এবার লোকসভা ভোটে বিজেপির গ্যাস বেলুন ফুটো করে দিতে হবে।’ 
কেন্দ্রীয় বঞ্চনা সত্ত্বেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাড়িয়ে এক হাজার করেছে রাজ্য। চালিয়ে যাচ্ছেন কন্যাশ্রী, সবুজ সাথীর মতো একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প। এই সমস্ত তথ্য তুলে ধরে এদিন মুখ্যমন্ত্রী কিছূটা ক্ষোভের সুরেই বলেন, ‘এত কাজ করি, তাও আমাকে গাল দেয়! আমি বলি, আমাকে যত গাল দাও। কুছ পরোয়া নেই। আমার সঙ্গে মানুষ আছেন।’ তিনি এমন মন্তব্য করেছেন, আর তাঁর সমর্থনে গর্জে উঠেছে জনতা। মার্চের শুরুতে বাংলায় আসার কথা প্রধানমন্ত্রীর। আর এদিন তাঁর নাম না করে মমতার কটাক্ষ, ‘শুধু ভোট এলেই বাংলার কথা মনে পড়ে বিজেপি নেতাদের। সাজানো নাটক করে। ইউটিউব-টিভির মাধ্যমে ভাঁওতা দেয়, মিথ্যা বোঝায় মানুষকে।’ এই কথার রেশ ধরেই টেনে আনেন সন্দেশখালি প্রসঙ্গ। বুঝিয়ে দেন, বিরোধীরা যে সিঙ্গুর এবং নন্দীগ্রামের সঙ্গে সন্দেশখালির তুলনা করছে, তা একেবারেই ঠিক নয়। সরাসরি সন্দেশখালির নাম উচ্চারণ না করেও বলেন, ‘সিঙ্গুর সিঙ্গুরই। নন্দীগ্রাম নন্দীগ্রামই। কোথাও রক্ত ঝরুক, অত্যাচার হোক, আমি চাই না। জ্ঞানত অন্যায় করি না। মানুষকে সাহায্য করা আমার দায়িত্ব। সেটাই করব।’ বিরোধীদের তাঁর হুশিয়ারি, ‘আমার ভাণ্ডারেও স্টক আছে। খুলব নাকি সেই ভাণ্ডার?’

29th     February,   2024
 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ