বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
কলকাতা
 

হাইকোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও ধর্মতলা ছাড়তে নারাজ বাস মালিকরা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শহরে পরিবেশ দূষণ রোধে ধর্মতলা থেকে বাসস্ট্যান্ড অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু বিকল্প বাসস্ট্যান্ড পছন্দ না হওয়ায় সরতে রাজি নন বাস মালিকরা। তাঁদের এই সিদ্ধান্তে রীতিমতো অস্বস্তিতে রাজ্য প্রশাসন। কারণ, নবান্নকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই কাজটি শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস মালিকদের আপত্তিতে ধর্মতলা খালি করা যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত বিচারপতিদের তোপের মুখে পড়তে হচ্ছে সরকারি আইনজীবীদের। তাই নবান্নের শীর্ষ মহলের সঙ্গে রীতিমতো সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) কিশোর দত্তের। আজ শুক্রবার উচ্চ আদালতে এই মামলার শুনানি রয়েছে। সেখানে আদালতের ভর্ৎসনার মুখে পড়ার আশঙ্কায় ত্রস্ত সরকারি আমলারা।
সূত্রের দাবি, বিকল্প বাসস্ট্যান্ডের জন্য তিনটি জায়গার প্রস্তাব মালিকদের কাছে দিয়েছিল রাজ্য। হাওড়ার সেই তিনটি জায়গা হল, সাঁতরাগাছি, ফোরশোর রোড এবং ডিউক রোড। এর মধ্যে সাঁতরাগাছিতে কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ফোরশোর রোডে ১০ একর ও ডিউক রোডে ৫ একর বিকল্প বাসস্ট্যান্ড তৈরির জমি দেখানো হয়। কোনওটাই পছন্দ হয়নি বাস মালিকদের। কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলা ছেড়ে তাঁরা হাওড়ার এই অংশে যেতে চাইছেন না। তাঁদের যুক্তি, ওখানে বাসস্ট্যান্ড তৈরি হলে যাত্রী পাবেন না। একই সঙ্গে ডিউক রোড কিংবা ফোরশোর রোডে ফাঁকা জমিতে যাত্রী কিংবা বাস কর্মীদের জন্য ন্যূনতম ব্যবস্থা নেই। এ প্রসঙ্গে এক শীর্ষ সরকারি কৌঁসুলি বৃহস্পতিবার বলেন, এই মামলা নিয়ে এজি যথেষ্ট বিরক্ত। হাইকোর্টে বুধবার তাঁর চেম্বারে পরিবহণ সচিব, অর্থদপ্তরের শীর্ষ আমলা সহ প্রশাসনিক কর্তাদের বৈঠক হয়। সেখানে ধর্মতলা থেকে বাসস্ট্যান্ড সরানো নিয়ে রাজ্যের মনোভাব জানতে চান এজি। জবাবে ওই আমলারা বলেন, বেসরকারি বাস মালিকরা সরতে চাইছেন না। তাই কিছু করা যাচ্ছে না। তারপরই কার্যত ক্ষোভপ্রকাশ করেন এজি। তিনি বলেন, এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমি রোজ রোজ বিচারপতিদের ভর্ৎসনা শুনতে পারব না। এমন চলতে থাকলে আপনারা আদালতকে এ কথা জানাবেন।
নবান্ন সূত্রের দাবি, এই সংক্রান্ত ফাইল সম্প্রতি মুখ্যসচিব বি পি গোপালিকার কাছে পাঠানো হয়েছিল। তিনি তা পত্রপাঠ ফিরিয়ে দেন। লোকসভা ভোটের আগে এনিয়ে যে রাজ্য সরকার কিছু করবে না, ঠারেঠোরে তিনি তা বুঝিয়ে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে অল বেঙ্গল বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় বলেন, ডিউক রোড কিংবা ফোরশোর রোডে বাসস্ট্যান্ডের ন্যূনতম পরিকাঠামো নেই। তা তৈরি করে রাজ্য সরকারকে সমস্ত বাস একসঙ্গে সরানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ সহ ভিন রাজ্যের প্রায় ৬০০ বাস ধর্মতলায় রয়েছে। 

23rd     February,   2024
 
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ