বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
কলকাতা
 

শিক্ষক নিগ্রহের জেরে আতঙ্কে স্কুল ছাড়ার হিড়িক পড়ুয়াদের

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নরেন্দ্রপুরের সেই স্কুল ছাড়ার হিড়িক পড়েছে পড়ুয়াদের মধ্যে। অনেক অভিভাবকই বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দির থেকে সন্তানদের ছাড়িয়ে অন্য স্কুলে ভর্তি করানোর তোড়জোর শুরু করেছেন। তাঁরা মৌখিকভাবে শিক্ষকদের সেকথা জানিয়েও দিয়েছেন। একজন তো স্কুল কর্তৃপক্ষকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বলেছেন, এই স্কুলে তিনি তাঁর ছেলেকে আর পড়াতে চান না। তাই তাকে দ্রুত ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দেওয়া হোক। এই স্কুলে শিক্ষক নিগ্রহের ঘটনার পর থেকে বেপাত্তা প্রধান শিক্ষক। এমনকী, আদালতের নির্দেশের পরেও পুলিস তাঁকে ধরতে পারেনি। এ নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে। তাঁরা এতটাই বিরক্ত যে, এই স্কুলের সংস্রব ত্যাগ করতে চাইছেন। এই পরিস্থিতিতে অশনি সঙ্কেত দেখছেন স্কুলের শিক্ষকরা। তাঁরা বলছেন, যদি এভাবে পড়ুয়ারা স্কুল ছেড়ে দেয়, তাহলে কী বার্তা যাবে সমাজে?
মাধ্যমিক পরীক্ষার পর স্কুল চালু হলেও, হাজিরার ছবি বদলায়নি। এখনও কোনও ক্লাসে ১০ জন, কোনও ক্লাসে ১৫ জন পড়ুয়া আসছে। পঞ্চম এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে হাতেগোনা ছাত্রছাত্রী আসছে। আতঙ্ক সরিয়ে পড়ুয়াদের ফের স্কুলমুখী করার জন্য অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনায় বসার উদ্যোগ নিয়েছিলেন শিক্ষকরা। কিন্তু সেই বৈঠক হওয়ার আগেই অনেক অভিভাবক তাঁদের সন্তানদের অন্য স্কুলে পড়ানোর ব্যাপারে মনস্থির করে ফেলেছেন। চন্দন নাড়ু নামের এক অভিভাবক স্কুলে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, শিক্ষক নিগ্রহের ঘটনার পর থেকে তাঁর ছেলে ভীত এবং সন্ত্রস্ত হয়ে রয়েছে। বেশ কিছুদিন অসুস্থও ছিল। ছেলে আর স্কুলে যেতে চাইছে না। তাই অন্য স্কুলে ভর্তির চেষ্টা করছি। ওকে দ্রুত ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দেওয়ার আর্জি জানান তিনি। শুধু চন্দনবাবু নন, এমন জনা কুড়ি অভিভাবক শিক্ষকদের মৌখিকভাবে জানিয়ে এসেছেন, এই স্কুলে সন্তানদের আর পড়াবেন না।
তবে এখনই কাউকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দিতে রাজি নয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। অভিভাবকদের বোঝানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। কিন্তু অভিভাবকদের একাংশ তাঁদের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন। তাঁরা বলছেন, বুঝে দেখুন, পড়ুয়ারা কতটা আতঙ্কিত। নাহলে কেউ স্কুল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়! এ প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কমলেশ দাস বলেন, পড়ুয়াদের মধ্যে আতঙ্ক এখনও কাটেনি। অভিভাবকদের বোঝানো হচ্ছে। পড়ুয়ারা যাতে ফের স্কুলে ফিরে আসে, তারজন্য শিক্ষকরা সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কী হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। -নিজস্ব চিত্র

22nd     February,   2024
 
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ