বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
কলকাতা
 

পরপর দু’বার ধস নদীবাঁধে, আতঙ্ক

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: প্রথমে রবিবার বিকেলে, তারপরে ফের রাতে। পরপর দু’বারের ধসে তলিয়ে গেল কাকদ্বীপের রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হরেন্দ্রনগর গ্রামে প্রায় ১৩০ মিটার নদী বাঁধ। প্রথমে রবিবার বিকেলে গাছপালা ও ইলেকট্রিক পোস্ট সহ প্রায় ৫০ মিটার বাঁধ নদীতে তলিয়ে যায়। আরও ২০০ মিটার বাঁধ বিপজ্জনক অবস্থায় ছিল। তখন থেকেই আতঙ্কে ছিলেন এলাকাবাসীরা। কারণ রাতে জোয়ারের জল বাড়লে, আরও এলাকা জুড়ে ধস নামার সম্ভাবনা। সোমবার সকালে দেখা গেল, এলাকাবাসীদের সেই আশঙ্কাই সত্যি। 
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১৩০ মিটার এলাকা জুড়ে গোবদিয়া নদী বাঁধে ধস নেমেছে। এখনও বাঁধের বিস্তীর্ণ এলাকা বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। নোনা জল ঢুকে দু’টি পুকুরের সব মাছের মৃত্যু হয়েছে। তবে সোমবার সকাল থেকেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু করা হয়েছে নদী বাঁধ মেরামতির কাজ। বস্তায় মাটি ভরে রিং বাঁধ তৈরি করা হচ্ছে। দু’টি জেসিবি দিয়ে নদী বাঁধের উপরের অংশের মাটি আলগা করে দেওয়া হয়েছে। 
এবিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা চিত্তরঞ্জন পাল বলেন, সোমবার রাতেও নদীর জল বাড়বে। রাতে কী পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। জোয়ারের জল নেমে গেলেই, ভাটার সময় বাঁধের চাঁই চাঁই মাটি নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে। ধীরে ধীরে নদী বাঁধের ভাঙনের এলাকাও বাড়ছে।
কাকদ্বীপ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সত্যব্রত মাইতি বলেন, পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য আপাতত ৩০০ মিটারের রিং বাঁধ তৈরি করা হচ্ছে। তবে এই নদীতে জলের স্রোত থাকার কারণে বাঁধের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে এখন ফাটল দেখা দিয়েছে। হরেন্দ্রনগর গ্রামের মন্দিরের ঘাটের পূর্ব দিক থেকে দক্ষিণ কাশিয়াবাদের বাতাকাটা ও পশ্চিম দিকে গুড়িয়াপাড়া পর্যন্ত নদী বাঁধে ফাটল রয়েছে। এখন ভরা কোটাল চলছে। মরা কোটাল থেকে ওখানে নদী বাঁধে মেরামতির কাজ করা হবে। রাতে নদীর জল বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ভেঙে যাওয়া নদীবাঁধের কাছাকাছি থাকা আটটি পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

13th     February,   2024
 
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ