Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ঘরে থাকতে অক্ষম যে ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত

রণবীর সিং। বয়স ৩৮ বছর। ডেলিভারি এজেন্টের কাজ করতেন দিল্লিতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণার পর হাঁটতে শুরু করেছিলেন তিনি। জাতীয় সড়ক ধরে। যেভাবে হোক গ্রামে পৌঁছতে হবে। গ্রাম মানে মধ্যপ্রদেশের কোথাও একটা... দিল্লি থেকে বহুদূর। ৩২৬ কিমি। হাইওয়ের ধারে পড়ে গেলেন। তখনও বাকি ৮০ কিমি। ছুটে এসেছিলেন পাশের চাওয়ালা... জল, বিস্কুট তুলে দিয়েছিলেন মুখে। কিন্তু তুলে দাঁড় করাতে পারেননি মানুষটাকে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সেখানে থেমে যায় নিঃশ্বাস। গ্রামের বাড়ি আর পৌঁছনো হয়নি রণবীরের...।
লকডাউনের প্রথম ছ’টা দিন... করোনা ভাইরাস এক অন্য ভারতের চিত্র প্রকাশ্যে এনে দিল। বলা ভালো, দেশটাকে দু’ভাগে ভাগ করে দিয়েছে এই সঙ্কট। একটা ভারত... যার বাড়ি-ঘর আছে, যে নিজেকে বাড়িতে বন্ধ রেখে এই মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই চালাতে। দ্বিতীয় ভারত... যার না আছে নির্দিষ্ট মাথা গোঁজার ঠাঁই, না পেট ভরার উপায়। তাঁদের জন্য এই সরকারি ‘বন্‌঩ধে’র নির্দেশ মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো। কেরল, মহারাষ্ট্র, দিল্লি... কত পরিযায়ী শ্রমিক যে এই রাজ্যগুলিতে কাজ করতে যান, তার হিসেব মেলা ভার।
বিশেষত দিল্লি। রাজধানীর টুকরো টুকরো কিছু ছবি এই ছ’দিনে সামনে এসেছে। কখনও আনন্দ বিহারের মতো এলাকায় ফুট ওভারব্রিজের উপর দাঁড়িয়ে দু’পাশে রাস্তার দিকে তাকালে শুধু নজরে এসেছে কাতারে কাতারে মানুষ। যারা সবাই পরিযায়ী শ্রমিক... বাড়ি ফিরতে মরিয়া। কেউ যাবেন উত্তরপ্রদেশ, কেউ মধ্যপ্রদেশে। দিল্লি সরকার ২০০টি বাসের ব্যবস্থা করেছিল। উত্তরপ্রদেশ সরকার তাদের এলাকা থেকে হাজারটি। তাও যথেষ্ট হয়নি। হাজারে হাজারে মানুষ, যাদের কাছে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাটা বিলাসিতা। মাথায় ছাদ নেই, পেটে খাবার নেই। আছে শুধু বিশ্বাস... গ্রামের বাড়িতে একবার পৌঁছে গেলে না খেয়ে অন্তত মরতে হবে না। আর যাঁরা বাসে চড়তে পারছেন? সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পরিযায়ী শ্রমিক ফিরছেন উত্তরপ্রদেশে। বাস থেকে নামা মাত্র তাঁদের বসানো হচ্ছে জাতীয় সড়কের উপর। তারপর স্প্রে করা হচ্ছে জীবাণুনাশক। জলকামানের মতো...।
সুযোগ বুঝে চূড়ান্ত হারে বেড়েছে ‘পাচার’ও। অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের গাড়িতে লুকিয়ে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মানুষ। বাড়ি ফিরতে মরিয়া তাঁরা। তাই সর্বস্ব দিতেও রাজি। কলকাতা থেকে ভাইজাগ যাওয়ার জন্য মাথা পিছু আড়াই হাজার টাকার দর উঠছে বলে অভিযোগ। লোকে তা দিচ্ছেনও।
আবার যমুনার ধারে গেলে দেখা যাবে আশ্রয়হীন মানুষের লাইন... আইটিও ব্রিজ থেকে সেলিমগড় ফোর্ট। অনেকেই কাজ করতেন হোটেলে। কেউ মোগলাই খানা এক্সপার্ট, কেউ চাইনিজ। থাকতেন হোটেলে। খেতেন সেখানেই। হোটেল বন্ধ, থাকা খাওয়ার পাঠও চুকেছে... ‘মোদিজি বলছেন বাইরে বেরলে করোনায় মরে যাব। তাহলে যাব কোথায়? এই রাস্তার উপর বসে থাকলে দিনে একবার অন্তত খেতে পাওয়া যায়... চলে গেলে তাও জুটবে না। করোনা পরে... না খেতে পেয়ে আগে মরব।’
এটা একটা ভারত... দ্বিতীয় ভারত। আর প্রথম? যারা বাড়িতে থাকতে পারেন, কিন্তু থাকেন না। তাঁদের কৌতূহল বড্ড বেশি। তাই দিনে একবার বেরতেই হবে... বাজারের নামে, ওষুধের অজুহাতে। ডিগ্রিধারী অশিক্ষিতের এদেশে অভাব নেই। যাঁরা বিদেশ থেকে ফেরেন, গৃহবন্দি থাকার ডাক্তারি পরামর্শ অগ্রাহ্য করে মলে-হলে ঘোরেন, তারপর বেলেঘাটা আইডিতে গিয়ে ভর্তি হন। পিছনে ছেড়ে যান একরাশ আতঙ্ক আর কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের আশঙ্কা। এই ধরনের বুদ্ধির জাহাজরা নিয়ম পালনের ধার ধারবেন না, অথচ টিভি দেখে অভুক্ত, বেঘর ভারতের মুণ্ডপাত করবেন। হয়তো ওই পরিযায়ী শ্রমিকদের কেউ কেউ বহন করছেন এই মারণ রোগ, তাঁদের কারও থেকে কাল অন্য কেউ সংক্রামিত হবেন... তাও বিবেচক মনন তাঁদের দায়ী করতে পারবে না। আমরা কী করছি তাঁদের জন্য? সরকার কী করছে? অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলছেন, যে যেখানে আছেন থেকে যান। বাড়ি ভাড়া দিল্লি সরকার দেবে। কিন্তু যাদের ভাড়া করার বা পাওয়ার মতো বাড়ি নেই? তাঁরা কী করবেন?
লকডাউন প্ল্যান কিন্তু সত্যি দরকার ছিল। ১৩০ কোটি ভারতীয়র জন্য। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন তাঁর হ্যান্ডসাম ডেপুটি অনুরাগ ঠাকুরকে পাশে বসিয়ে ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। কিন্তু সঠিক হাতে সেই টাকাটা কি যাচ্ছে? এটা নিশ্চিত করতে না পারলে প্যাকেজ ঘোষণার মূল্য নেই। ধরা যাক ১০০ দিনের কাজের প্রসঙ্গ। ভাতা বাড়ানো হয়েছে ঠিক কথা, কিন্তু দিশা কি স্থির হয়েছে? কোন কোন ক্ষেত্রে আমরা ১০০ দিনের কাজ প্রকল্প ব্যবহার করব, কী ধরনের সরকারি অ্যাসেট বানানোর চেষ্টা করব এবং সর্বোপরি যাতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ এর আওতায় আসেন, তা নিশ্চিত করব। এর কোনওটাই এই মুহূর্তে সিলমোহর দেওয়ার জায়গায় আসেনি। আর লকডাউনের সময়ে কাজটাই বা হবে কী করে? শহরে থাকা খাওয়ার সংস্থান হারিয়ে লাখো মানুষ গ্রামে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করলেন, বা ফিরেও গেলেন। তাতে কিন্তু সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ তাঁদের হাতে নগদ নেই। জরুরি পরিস্থিতির সুযোগে কালোবাজারি ইতিমধ্যে বেড়ে গিয়েছে। সাপ্লাই কম, যে যেমন পারছে জিনিসপত্রের দাম হাঁকছে। মানুষ কিনতে বাধ্যও হচ্ছে। একটা শ্রেণীর পক্ষে এরপরও চালিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। কিন্তু ওই কপর্দকশূন্য মানুষগুলো উপায় না দেখে চড়া সুদে টাকা ধার করবে, আর তারপর সারা জীবনেও শোধ করতে পারবে কি না সন্দেহ। কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন কমবে। অর্থাৎ সরবরাহ ব্যাহত হবে। এই সবটাই একে অপরের সঙ্গে জড়িত। এটাও কিন্তু সরকারের কাছে একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ।
অর্থাৎ চ্যালেঞ্জ দুটো... করোনা সংক্রমণের চেনটা ভাঙা এবং দুই, অর্থনীতি ধসে যাওয়ার আগে ঠেকনা দেওয়া। কথায় বলে, আপনি বাঁচলে বাপের নাম। অর্থনীতি ডুবে গেলেও এই মুহূর্তে কিছু করার নেই। বাঁচতে হবে... সংক্রমণ প্রায় ১২০০, মৃত্যু ৩০-এর কোঠা ছুঁয়েছে। হয়তো এটাই ঠিক পরিসংখ্যান। আবার নাও হতে পারে। কারণ, কিটের অভাবে পরীক্ষা কম হওয়া, মানুষের লুকিয়ে রাখার প্রবণতা এই পরিসংখ্যানে প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কোনটা ঠিক, তা সময় বলবে। খুব বেশি নয়... আগামী সপ্তাহেই পরিষ্কার হয়ে যাবে যে ভারত ইতালি বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হতে চায় কি না। লকডাউন সফল করার জন্য চাই মানসিকতা, সচেতনতা। যা আম ভারতবাসীর মধ্যে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। তাহলে উপায় কী?
শোনা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকার নাকি ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনীকে তৈরি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়ে গিয়েছে সেনার মুভমেন্ট। এই তথ্য একটাই প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসে... তাহলে কি দেশে ফের জরুরি অবস্থা জারি হতে চলেছে? তার মানে কার্ফু, সেনা টহলদারি, বাস্তবিকই বাড়ি থেকে বেরনো সম্পূর্ণ বন্ধ। আমাদের দেশের ‘শিক্ষিত’ ‘অচেতন’ নাগরিকদের জন্য এটাই হয়তো শেষ অস্ত্র। নিজের ভালো না বুঝলে বেতের সাহায্য নিতেই হবে। না হলে দেশ বাঁচবে না। পরিস্থিতি হয়তো সেদিকেই যাচ্ছে। এর মধ্যে রাত ৮টায় প্রধানমন্ত্রী যদি আবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে বসেন, তাহলে সিট বেল্ট কষে বেঁধে নেওয়াই ভালো। কারণ ১৩০ কোটির দেশে ২১ দিনের লকডাউন সমাধান করতে পারবে না। সেটা অল্প-বিস্তর সবাই এখন আন্দাজ করতে পারছেন। হয় কার্ফু, না হলে দীর্ঘমেয়াদী গৃহবন্দিত্ব। কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তাও আতঙ্ক যায়নি। যাচ্ছে না।
কারণ, বেশ কিছু রাজ্যে অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবার জন্য পাস কিন্তু ৩০ জুন পর্যন্ত ইস্যু করা হয়েছে!
31st  March, 2020
তাল কেটে দিল দিল্লি একাই
হারাধন চৌধুরী

একটি মাত্র শব্দ। করোনা। সারা পৃথিবীর শিরোনাম দখল করেছে। খবরের কাগজের প্রথম পাতা। বিনোদনের পাতা। খেলার পাতা। টেলিভিশনের নিউজ চ্যানেল। সব রকম সোশ্যাল মিডিয়া। এমনকী সরকারি, বেসরকারি বিজ্ঞাপনগুলিও আজ করোনাময়! সকাল থেকে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত আমাদের কুশলাদি বিনিময়ের বিস্তৃত সংস্কৃতিতেও করোনা ভাগ বসিয়েছে পুরোমাত্রায়।  বিশদ

লকডাউনেই থামবে করোনার অশ্বমেধের ঘোড়া
সন্দীপন বিশ্বাস

 এ এক অন্য পৃথিবী। এই পৃথিবী দেখার জন্য আমরা কেউই প্রস্তুত ছিলাম না। কিন্তু হঠাৎই বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো অতি দ্রুত আমরা মুখোমুখি হলাম এই অন্য পৃথিবীর। যেখানে গাছের পাতা ঝরার মতোই ঝরে পড়ছে মানুষের প্রাণ। বিশদ

01st  April, 2020
ভীরু এবং আধখেঁচড়া
ব্যবস্থা, তবু স্বাগত
পি চিদম্বরম

গত ১৯ মার্চ, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন যে ২২ মার্চ, রবিবার দেশজুড়ে ‘জনতা কার্ফু’ পালন করা হবে। আমি ভেবেছিলাম প্রধানমন্ত্রী জল মাপছেন, জনতা কার্ফুর শেষে তিনি নানা ধরনের লকডাউন ঘোষণা করবেন। কিন্তু রবিবার কোনও ঘোষণা শোনা গেল না। বিশদ

30th  March, 2020
 করোনা যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক ডাক্তারবাবুরা,
দোহাই ওদের গায়ে আর কেউ হাত তুলবেন না
হিমাংশু সিংহ

পৃথিবীব্যাপী এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলছে। অদৃশ্য জৈবযুদ্ধ। এলওসিতে দাঁড়িয়ে মেশিনগান হাতে কোনও সেনা নয়, রাফাল নিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও নয়। হাসপাতালের আইসিইউতে নিরস্ত্র ডাক্তারবাবুরা বুক চিতিয়ে এই নির্ণায়ক যুদ্ধ লড়ছেন রাতের পর রাত ক্লান্তিহীন। বিশদ

29th  March, 2020
এ লড়াই বাঁচার লড়াই,
এ লড়াই জিততে হবে
তন্ময় মল্লিক

 এখন দোষারোপের সময় নয়। এখন আঙুল তোলার সময় নয়। এখন সমালোচনার সময় নয়। এখন লড়াইয়ের সময়। এ এক কঠিন লড়াই। এ লড়াই বাঁচার লড়াই। এ লড়াই জিততে হবে।
বিশদ

28th  March, 2020
মিসাইল বানানোর চেয়ে ডাক্তার
তৈরি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ
মৃণালকান্তি দাস

লিউয়েনহুক যখন সাড়ে তিনশো বছর আগে আতশ কাঁচের নীচে কিলবিল করা প্রাণগুলোকে দেখতে পেয়েছিলেন, তখনও তিনি জানতেন না যে তিনি এক নতুন দুনিয়ার সন্ধান পেয়ে গিয়েছেন। তিনিই প্রথম আণুবীক্ষণিক প্রাণের দুনিয়াকে মানুষের সামনে উন্মোচিত করেন। ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণগুলোর নাম দেন ‘অ্যানিম্যালকুলস’। বিশদ

27th  March, 2020
করোনা ছুটছে গণিতের অঙ্ক মেনে,
থামাতে হবে ‘হাতুড়ি’র ঘা দিয়েই
ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ

 জানেন কি, গণিতের নিয়ম মেনেই ভারত সহ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে নোভেল করোনা ভাইরাস? একজন আক্রান্ত থেকে গুণিতক হারে অন্যদের মধ্যে ছড়াচ্ছে এই মারণ ভাইরাস! আর অসতর্কতার কারণে মাত্র এক-দু’সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এক ঝটকায় অনেকটা বাড়ছে। ঠিক যেমন হয়েছে চীন, ইতালি, স্পেনের মতো দেশগুলিতে।
বিশদ

27th  March, 2020
পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। 
বিশদ

24th  March, 2020
মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
ভয় পাবেন না, গুজব ছড়াবেন না, জনতা কার্ফুতে ঘরে থাকুন, বিশ্বযুদ্ধে ভাইরাস পরাজিত হবেই
হিমাংশু সিংহ

 এক মারণ ভাইরাসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মহাযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের একদিকে করোনা আর অন্যদিকে গোটা মানবজাতির অস্তিত্ব। প্রবীণ মানুষরা বহু স্মৃতি ঘেঁটেও এমন নজির মনে করতে পারছেন না যেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটা রোগ ঘিরে এমন ত্রাস, আতঙ্ক দানা বেঁধেছে মানুষের মনে।
বিশদ

22nd  March, 2020
লড়াই
তন্ময় মল্লিক

 করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে।
বিশদ

21st  March, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বুধবার দিল্লি থেকে হরিরামপুরে ফিরলেন চারজন। তাঁরা প্রত্যেকেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুর ব্লকের হাড়িপুকর এলাকার বাসিন্দা। ভিনরাজ্যে কাজের জন্য গিয়েছিলেন।   ...

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: বড় বড় হাসপাতালগুলিকে করোনা যুদ্ধে শামিল হওয়ার আহ্বান করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অনুযায়ী এবার কলকাতার বড় বেসরকারি হাসপাতালগুলির তালিকা প্রস্তুত করছে রাজ্য।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এগিয়ে এল ওয়েস্ট বেঙ্গল স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড। এখনও পর্যন্ত তারা সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে ৮০ হাজার লিটার স্যানিটাইজার সরবরাহ করেছে।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এখনও দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে, তৃতীয় ধাপে পৌঁছয়নি। এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন একমাত্র পথ, তা কোনওভাবেই শিথিল করা যাবে না। মানুষের বাড়িতে থাকা প্রয়োজন।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ধৈর্য্য ধরতে হবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। নিকটস্থানীয় কারও প্রতি আকর্ষণ বাড়বে। পুরোনো কোনও বন্ধুর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০২: ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খানের জন্ম
১৯৩৩: ক্রিকেটার রনজিৎ সিংজির মৃত্যু
১৯৬৯: অভিনেতা অজয় দেবগনের জন্ম 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৬৪ টাকা ৭৬.৩৬ টাকা
পাউন্ড ৭৬.৩৬ টাকা ৯৪.৮৪ টাকা
ইউরো ৮১.৭৩ টাকা ৮৪.৭৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
01st  April, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৮ চৈত্র ১৪২৬, ১ এপ্রিল ২০২০, বুধবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) অষ্টমী ৫৫/১৯ রাত্রি ৩/৪১। আর্দ্রা ৩৪/৫০ রাত্রি ৭/২৯। সূ উ ৫/৩৩/১, অ ৫/৪৮/১১, অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৮ গতে ১১/১৬ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে ৪/২৯ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৫ গতে ৮/৫৬ মধ্যে ১০/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩৬ গতে ১০/৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪১ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩৬ গতে ৪/৪ মধ্যে।
১৮ চৈত্র ১৪২৬, ১ এপ্রিল ২০২০, বুধবার, অষ্টমী ৪১/১৫/৩৫ রাত্রি ১০/৪/৫৮। আর্দ্রা ২২/৩০/৫২ দিবা ২/৩৫/৫। সূ উ ৫/৩৪/৪৪, অ ৫/৪৮/৩১। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/৩৪ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩৮/১১ গতে ১০/৯/৫৪ মধ্যে।
 ৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৯০২: ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খানের জন্ম১৯৩৩: ক্রিকেটার রনজিৎ সিংজির ...বিশদ

07:03:20 PM

বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষ ছাড়াল 

12:02:29 AM

বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াল 

09:45:51 PM

মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সোহিনীর এক লক্ষ 
করোনা মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর ...বিশদ

08:27:27 PM

দেশে করোনা আক্রান্ত ২৩৩১ জন, মৃত ৭৩: পিটিআই 

07:35:43 PM

রাজ্যে বর্তমানে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪ জন, নবান্নে জানালেন  মুখ্যসচিব
বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ করোনা মোকাবিলায় নবান্নে স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের ...বিশদ

06:34:00 PM