Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভীরু এবং আধখেঁচড়া
ব্যবস্থা, তবু স্বাগত
পি চিদম্বরম

গত ১৯ মার্চ, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন যে ২২ মার্চ, রবিবার দেশজুড়ে ‘জনতা কার্ফু’ পালন করা হবে। আমি ভেবেছিলাম প্রধানমন্ত্রী জল মাপছেন, জনতা কার্ফুর শেষে তিনি নানা ধরনের লকডাউন ঘোষণা করবেন। কিন্তু রবিবার কোনও ঘোষণা শোনা গেল না।
ইতিমধ্যে ২০ থেকে ২৩ মার্চের ভিতরে কয়েকটি রাজ্য সরকার তাদের রাজ্যের বিভিন্ন অংশে আংশিক কিংবা সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করে দিয়েছিল। সোমবার (২৩ তারিখ) এবং মঙ্গলবার (২৪ তারিখ) উল্লেখযোগ্য কিছু মিলল না—কয়েকটি ভয়ানক সংখ্যা ছাড়া—কিছু টেস্টের রেজাল্ট পজিটিভ এবং ধীর গতিতে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি।
সম্ভবত, ইতালি, স্পেন, এবং ইরানে যা ঘটে চলেছে তাতে অশনিসঙ্কেত লক্ষ করেই প্রধানমন্ত্রী ২৪ তারিখ ফের টেলিভিশনের সামনে এলেন এবং দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করে দিলেন, সেইদিন মধ্যরাত্রি থেকে যা বলবৎ হল। বাংলা হিসেবে লকডাউন বলবৎ হল ২৪ মার্চ রাত্রি কাঁটায় কাঁটায় ১২টা (বা ২৫ মার্চ ০০.০০ ঘটিকা) থেকে। আপনি এই নিবন্ধ যখন পড়ছেন তখন লকডাউনের ষষ্ঠ দিন চলছে। দেশজুড়ে এই লকডাউনের ব্যাপারে শুধু দেশবাসীই অপ্রস্তুত ছিলেন না, এমনকী অপ্রস্তুত ছিল কেন্দ্রীয় সরকারও। প্রধানমন্ত্রী ১৯ মার্চ যে ইকনোমিক টাস্ক ফোর্সের কথা ঘোষণা করেছিলেন, সেটা এখনও গঠন করা হয়নি। সাধারণ মানুষের কাছে এর অন্য কী ব্যাখ্যা থাকতে পারে?
অপ্রস্তুত
পরিতাপের সঙ্গে লক্ষ করছি যে, গত ৩০ জানুয়ারি প্রথম টেস্ট রেজাল্ট পজিটিভ জানার পর থেকে প্রস্তুত না-হওয়াটাই মোদি সরকারের বৈশিষ্ট্য দাঁড়িয়ে গিয়েছে। এই প্রসঙ্গে নীচের বিষয়গুলি বিবেচনা করা যায়:
(১) সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হল পর্যাপ্ত সংখ্যায় টেস্ট করার ব্যবস্থা করতে না পারাটা। মহামারী এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা আরও বেশি টেস্ট বা পরীক্ষা করার ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রশ্নে সহমত পোষণ করেন। এই ব্যাপারে তাঁরা সরকারের কাছে সওয়ালও করেছেন। পরীক্ষা, আরও পরীক্ষা, পজিটিভ কেস খুঁজে বের করা, তাদের আইসোলেশনে রাখা এবং চিকিৎসা করা—এটাই এই সময়ের দাবি। সরকার, মনে হয়, এই জায়গায় ব্যর্থ হয়েছে। এই নিবন্ধ যখন লিখছি তখনকার হিসেবমতো, দৈনিক সর্বাধিক মাত্র ১২ হাজার পরীক্ষা হচ্ছে। তার ভিত্তিতে সংক্রামিত মানুষের যে সংখ্যাটি জানা যাচ্ছে, তা নিয়ে সংশয় রয়ে যাচ্ছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চের (আইসিএমআর) অবস্থান বদলের ঘটনা বিলম্ব এবং সংশয় বাড়িয়ে দিচ্ছে। আজও এটি স্পষ্ট হল না কোনওভাবে।
(২) এমনকী টেস্ট রেজাল্ট ৭২৪-এ পৌঁছেছে, রোজই নতুন নতুন জায়গা থেকে সংক্রমণের দুঃসংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। তার পরেও দেখছি, আইসিএমআর এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রক এমন আচরণ করছে যে ভারত এখনও স্টেজ-২-তেই রয়ে গিয়েছে এবং ‘কমিউনিটি টান্সমিশন’-এর কোনও প্রমাণ নেই। সরকারের এই দাবি নিয়ে কিন্তু কিছু মহামারী বিশেষজ্ঞের সন্দেহ রয়েছে।
(৩) ভারতের প্রয়োজন ৭ লক্ষ পিপিই স্যুট, ৬০ লক্ষ এন-২৫ মাস্ক এবং ১ কোটি থ্রি-প্লাই মাস্ক। এই প্রয়োজনের কতটা এখনই মেটানো যাবে এবং বাকিটা কত দিনে পূরণ হবে তার- আঁচ পাওয়া যাচ্ছে না।
(৪) রপ্তানি বন্ধ করার দাবি থাকা সত্ত্বেও ভেন্টিলেটর, শ্বাসের সরঞ্জাম (রেসপিরেটরি ডিভাইস) এবং স্যানিটাজার রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি হল মাত্র গত ২৪ মার্চ।
(৫) পণ্য সরবরাহ শৃঙ্খল (সাপ্লাই চেন) ব্যাহত হয়ে রয়েছে। পণ্য সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক মুদি দোকান এবং পরিষেবা কেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়। অনেকগুলি ঘটনায় দোকান কর্মচারীদেরকে দোকানে যেতে দেওয়া হয়নি।
(৬) এমনও হৃদয়বিদারক ছবি দেখা গিয়েছে যে ছোট্ট ছেলেটি বলছে, তাদের ঘরে কোনও খাবার ছিল না বলে সে কিছুই খেতে পায়নি এবং পরিযায়ী শ্রমিকরা তাদের রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ অথবা বিহারের বাড়িতে ফিরবেন বলে রাজপথ ধরে হেঁটে চলেছেন! এতে করে এটাই পরিষ্কার হয় যে সরকারগুলিই এইসব নিরপরাধ মানুষকে তাদের ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।
(৭) পুলিস—রাজ্য সরকারগুলিরই নিয়ন্ত্রণে, তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। কিছু স্থানে তারা পণ্যের ডেলিভারি এজেন্টদের অথবা ক্রেতাদের বাধা দিল। এমন কিছু ভিডিয়ো ভাইরাল হল, যাতে দেখা গেল—লকডাউন লঙ্ঘনের ব্যাপারে অভিযুক্তদের পুলিস লাঠিপেটা করছে এবং এমন কিছু অস্বাভাবিক শাস্তি দিচ্ছে, যা পুলিস আইনত করতে পারে না। বলা বাহুল্য, তার ফলে এলাকায় এলাকায় প্রবল আতঙ্কের সৃষ্টি হল।
যে পরিকল্পনা মনে দাগ কাটল না
সবচেয়ে মর্মান্তিক ব্যর্থতা ছিল সুরাহা ঘোষণার ক্ষেত্রে—সার্বিক লকডাউনের সঙ্গেই যা করার দরকার ছিল—গরিব ও দুর্বলদের জীবনযাত্রার সুরক্ষার জন্য—ভাগচাষি, খেতমজুর, দিনমজুর, স্বনিযুক্ত ব্যক্তি, অতি ক্ষুদ্র ছোট ও মাঝারি (এমএসএমই) শিল্প-ব্যবসার মালিক, কাজ খোয়ানো শিল্প শ্রমিক, বঞ্চিত ও পথবাসী মানুষজন প্রভৃতির জন্যে। আরও এক শ্রেণীর মানুষ অসহায় হয়ে পড়লেন—তাঁদের মধ্যে আছেন সেই নিয়োগকর্তারা যাঁরা শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন দেন, কর প্রদান করেন এবং সেই সমস্ত ঋণগ্রহীতারা যাঁদের মাসিক কিস্তি (এএমআই) গুনতে হয়।
কিছু পরামর্শ পেশ করা হয়েছিল, কিন্তু সরকার তা নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল ২৬ মার্চ পর্যন্ত। অর্থমন্ত্রী ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন প্ল্যান (এফএপি বা ফ্যাপ) ঘোষণা করলেন—যা ভীরু এবং আধখেঁচড়া ব্যবস্থা। এটা নিশ্চিতরূপেই কম্প্রিহেনসিভ বা ব্যাপক নয়। ফ্যাপ সমস্ত শ্রেণীর গরিব মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যের জোগান দেবে, কিন্তু এই পরিকল্পনা তাদের পকেটে যথেষ্ট টাকা ভরে দেবে না। সবচেয়ে খারাপ এই যে গরিব এবং দুর্বলদের ভিতরেও কিছু শ্রেণী নজরের পুরো বাইরে রয়ে গিয়েছে—ভাগচাষি, ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে যাদের কাজ জোটেনি, পথবাসী মানুষ, বঞ্চিত মানুষ, জনধন যোজনার পুরুষ গ্রাহকরা, কর্মচ্যুত শ্রমিক—এরা অবহেলিত হলেন। কর প্রদানের সময়সীমা বৃদ্ধির আইনসংগত দাবির পাশাপাশি ঋণের কিস্তি (ইএমআই) স্থগিত, জিএসটির হার কমানো প্রভৃতির দাবি মানা হয়নি। তাই ফ্যাপ মানুষের মনে দাগ কাটল না। আমি হুঁশিয়ারভাবেই এই পরিকল্পনাটিকে স্বাগত জানাচ্ছি।
নেতৃত্বের প্রয়োজন
যদিও অর্থমন্ত্রী দাবি করছেন যে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন প্ল্যান (করোনা পরিস্থতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের যে আর্থিক প্যাকেজ) বাবদ সরকারের ব্যয় হবে ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকা। আমার হিসেবে, যে অতিরিক্ত নগদ অর্থ বেনিফিসিয়ারিদের (উপকৃত ব্যক্তিদের) হস্তান্তর করা হবে তার পরিমাণ ৬০ হাজার কোটি টাকা এবং খাদ্যশস্য ও ডাল বাবদ যা খরচা হবে তার পরিমাণ দাঁড়াবে ৪০ হাজার কোটি টাকা। এটি প্রয়োজনীয়, কিন্তু মোটেই পর্যাপ্ত নয়। ফ্যাপ দ্বিতীয় দফায় প্রয়োজন হবে পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় কিংবা দিন কয়েকের ভিতরেই।
বেশিরভাগ মানুষের মনে ভুল ধারণা জন্মেছে যে চীন, ইতালি ও স্পেনের মতো ওইরকম ব্যাপক হারে ভারত আক্রান্ত হবে না। আমার ভয় হচ্ছে যে ভারত কোনও ব্যতিক্রম নয়। অন্য প্রতিটি দেশের মতোই ভারতকে বড়সড় বিপর্যয়ের দুর্ভোগ পোহাতে হবে। তার উপর আমরা আপাতত শুধুমাত্র মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য ও জীবন-জীবিকার সুরাহার বিষয়েই ব্যস্ত আছি। এর পর তো আসবে অর্থনীতি, দেশবাসীর চাকরিবাকরি এবং আয়পত্তর সংক্রান্ত আরও গুরুতর প্রশ্নগুলি। পতনমুখী অর্থনীতির আরও পতন ঘটবে এবং তা জড়িয়ে নেবে মানুষের বিপর্যয় ও দুর্ভাগ্যকে। সরকার অবশ্যই তার দ্বিধাগুলি কাটিয়ে উঠবে এবং ব্যতিক্রমীভাবে দৃঢ় ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেবে।
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী
30th  March, 2020
তাল কেটে দিল দিল্লি একাই
হারাধন চৌধুরী

একটি মাত্র শব্দ। করোনা। সারা পৃথিবীর শিরোনাম দখল করেছে। খবরের কাগজের প্রথম পাতা। বিনোদনের পাতা। খেলার পাতা। টেলিভিশনের নিউজ চ্যানেল। সব রকম সোশ্যাল মিডিয়া। এমনকী সরকারি, বেসরকারি বিজ্ঞাপনগুলিও আজ করোনাময়! সকাল থেকে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত আমাদের কুশলাদি বিনিময়ের বিস্তৃত সংস্কৃতিতেও করোনা ভাগ বসিয়েছে পুরোমাত্রায়।  বিশদ

লকডাউনেই থামবে করোনার অশ্বমেধের ঘোড়া
সন্দীপন বিশ্বাস

 এ এক অন্য পৃথিবী। এই পৃথিবী দেখার জন্য আমরা কেউই প্রস্তুত ছিলাম না। কিন্তু হঠাৎই বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো অতি দ্রুত আমরা মুখোমুখি হলাম এই অন্য পৃথিবীর। যেখানে গাছের পাতা ঝরার মতোই ঝরে পড়ছে মানুষের প্রাণ। বিশদ

01st  April, 2020
ঘরে থাকতে অক্ষম যে ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 রণবীর সিং। বয়স ৩৮ বছর। ডেলিভারি এজেন্টের কাজ করতেন দিল্লিতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণার পর হাঁটতে শুরু করেছিলেন তিনি। জাতীয় সড়ক ধরে। যেভাবে হোক গ্রামে পৌঁছতে হবে। গ্রাম মানে মধ্যপ্রদেশের কোথাও একটা... দিল্লি থেকে বহুদূর।
বিশদ

31st  March, 2020
 করোনা যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক ডাক্তারবাবুরা,
দোহাই ওদের গায়ে আর কেউ হাত তুলবেন না
হিমাংশু সিংহ

পৃথিবীব্যাপী এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলছে। অদৃশ্য জৈবযুদ্ধ। এলওসিতে দাঁড়িয়ে মেশিনগান হাতে কোনও সেনা নয়, রাফাল নিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও নয়। হাসপাতালের আইসিইউতে নিরস্ত্র ডাক্তারবাবুরা বুক চিতিয়ে এই নির্ণায়ক যুদ্ধ লড়ছেন রাতের পর রাত ক্লান্তিহীন। বিশদ

29th  March, 2020
এ লড়াই বাঁচার লড়াই,
এ লড়াই জিততে হবে
তন্ময় মল্লিক

 এখন দোষারোপের সময় নয়। এখন আঙুল তোলার সময় নয়। এখন সমালোচনার সময় নয়। এখন লড়াইয়ের সময়। এ এক কঠিন লড়াই। এ লড়াই বাঁচার লড়াই। এ লড়াই জিততে হবে।
বিশদ

28th  March, 2020
মিসাইল বানানোর চেয়ে ডাক্তার
তৈরি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ
মৃণালকান্তি দাস

লিউয়েনহুক যখন সাড়ে তিনশো বছর আগে আতশ কাঁচের নীচে কিলবিল করা প্রাণগুলোকে দেখতে পেয়েছিলেন, তখনও তিনি জানতেন না যে তিনি এক নতুন দুনিয়ার সন্ধান পেয়ে গিয়েছেন। তিনিই প্রথম আণুবীক্ষণিক প্রাণের দুনিয়াকে মানুষের সামনে উন্মোচিত করেন। ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণগুলোর নাম দেন ‘অ্যানিম্যালকুলস’। বিশদ

27th  March, 2020
করোনা ছুটছে গণিতের অঙ্ক মেনে,
থামাতে হবে ‘হাতুড়ি’র ঘা দিয়েই
ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ

 জানেন কি, গণিতের নিয়ম মেনেই ভারত সহ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে নোভেল করোনা ভাইরাস? একজন আক্রান্ত থেকে গুণিতক হারে অন্যদের মধ্যে ছড়াচ্ছে এই মারণ ভাইরাস! আর অসতর্কতার কারণে মাত্র এক-দু’সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এক ঝটকায় অনেকটা বাড়ছে। ঠিক যেমন হয়েছে চীন, ইতালি, স্পেনের মতো দেশগুলিতে।
বিশদ

27th  March, 2020
পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। 
বিশদ

24th  March, 2020
মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
ভয় পাবেন না, গুজব ছড়াবেন না, জনতা কার্ফুতে ঘরে থাকুন, বিশ্বযুদ্ধে ভাইরাস পরাজিত হবেই
হিমাংশু সিংহ

 এক মারণ ভাইরাসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মহাযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের একদিকে করোনা আর অন্যদিকে গোটা মানবজাতির অস্তিত্ব। প্রবীণ মানুষরা বহু স্মৃতি ঘেঁটেও এমন নজির মনে করতে পারছেন না যেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটা রোগ ঘিরে এমন ত্রাস, আতঙ্ক দানা বেঁধেছে মানুষের মনে।
বিশদ

22nd  March, 2020
লড়াই
তন্ময় মল্লিক

 করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে।
বিশদ

21st  March, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি ও নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা, ১ এপ্রিল: করোনা সঙ্কট মোকাবিলায় যৌথভাবে ১ হাজার ১২৫ কোটি টাকা খরচ করার কথা জানাল তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা উইপ্রো লিমিটেড, উইপ্রো এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড এবং সংস্থার কর্ণধারের নামাঙ্কিত আজিম প্রেমজি ফাউন্ডেশন।   ...

লন্ডন, ১ এপ্রিল: কোভিড-১৯ থমকে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে খেলার দুনিয়াও। গৃহবন্দি দশায় হাঁপিয়ে উঠেছেন খেলোয়াড়রা। আর তার থেকে খানিক মুক্তি পেতে অভিনব ...

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: বড় বড় হাসপাতালগুলিকে করোনা যুদ্ধে শামিল হওয়ার আহ্বান করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অনুযায়ী এবার কলকাতার বড় বেসরকারি হাসপাতালগুলির তালিকা প্রস্তুত করছে রাজ্য।   ...

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বুধবার দিল্লি থেকে হরিরামপুরে ফিরলেন চারজন। তাঁরা প্রত্যেকেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুর ব্লকের হাড়িপুকর এলাকার বাসিন্দা। ভিনরাজ্যে কাজের জন্য গিয়েছিলেন।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ধৈর্য্য ধরতে হবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। নিকটস্থানীয় কারও প্রতি আকর্ষণ বাড়বে। পুরোনো কোনও বন্ধুর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০২: ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খানের জন্ম
১৯৩৩: ক্রিকেটার রনজিৎ সিংজির মৃত্যু
১৯৬৯: অভিনেতা অজয় দেবগনের জন্ম 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৬৪ টাকা ৭৬.৩৬ টাকা
পাউন্ড ৭৬.৩৬ টাকা ৯৪.৮৪ টাকা
ইউরো ৮১.৭৩ টাকা ৮৪.৭৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
01st  April, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৮ চৈত্র ১৪২৬, ১ এপ্রিল ২০২০, বুধবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) অষ্টমী ৫৫/১৯ রাত্রি ৩/৪১। আর্দ্রা ৩৪/৫০ রাত্রি ৭/২৯। সূ উ ৫/৩৩/১, অ ৫/৪৮/১১, অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৮ গতে ১১/১৬ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে ৪/২৯ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৫ গতে ৮/৫৬ মধ্যে ১০/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩৬ গতে ১০/৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪১ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩৬ গতে ৪/৪ মধ্যে।
১৮ চৈত্র ১৪২৬, ১ এপ্রিল ২০২০, বুধবার, অষ্টমী ৪১/১৫/৩৫ রাত্রি ১০/৪/৫৮। আর্দ্রা ২২/৩০/৫২ দিবা ২/৩৫/৫। সূ উ ৫/৩৪/৪৪, অ ৫/৪৮/৩১। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/৩৪ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩৮/১১ গতে ১০/৯/৫৪ মধ্যে।
 ৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষ ছাড়াল 

12:02:29 AM

বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াল 

09:45:51 PM

মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সোহিনীর এক লক্ষ 
করোনা মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর ...বিশদ

08:27:27 PM

দেশে করোনা আক্রান্ত ২৩৩১ জন, মৃত ৭৩: পিটিআই 

07:35:43 PM

রাজ্যে বর্তমানে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪ জন, নবান্নে জানালেন  মুখ্যসচিব
বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ করোনা মোকাবিলায় নবান্নে স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের ...বিশদ

06:34:00 PM

আজ কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমানে বৃষ্টির সম্ভাবনা 

06:32:00 PM