বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

১ মে আবাসের প্রথম ধাপের টাকা, বাকি ২২ লক্ষের পাশেও নবান্ন

প্রীতেশ বসু ও সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ১১ লক্ষ জবকার্ড হোল্ডারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আগামী ১ মার্চ ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা পাঠাবে রাজ্য। কেন্দ্র কোনও টাকা না দেওয়ায় রাজ্য সরকারই ওই বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মানবিক এই পদক্ষেপের বার্তা রাজ্যের একেবারে তৃণমূল স্তর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে শাসক দল তথা সরকারের তরফে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের কোষাগার থেকেই যে এই অর্থ দেওয়া হল, তা ফলাও করে জানাতে প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাপকদের নিয়ে ১ এবং ২ মার্চ বৈঠকে বসবেন সরকারি আধিকারিকরা। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, পঞ্চায়েত ভিত্তিক এই বৈঠকে জবকার্ড হোল্ডারদের পাশাপাশি ডাকা হবে আবাস যোজনার ৩৩ লক্ষ ২৪ হাজার বঞ্চিতকেও। 
টাকা তো পাবেন ১০০ দিনের কাজের বঞ্চিতরা। তাহলে আবাস প্রকল্পের বঞ্চিতদের এই বৈঠকে ডাকার কারণ কী? নবান্ন সূত্রে খবর, তালিকায় থাকা ১১ লক্ষ উপভোক্তার বাড়ি তৈরির প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু তার ১৪ মাস পরেও টাকা দেয়নি কেন্দ্র। এপ্রিলের মধ্যে কেন্দ্র তা না দিলে ১ মে রাজ্যই এঁদের টাকা দেবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই ১১ লক্ষ ছাড়াও ‘পার্মানেন্ট ওয়েটিং লিস্ট’ বা পিডব্লুএল-এ রয়েছে আরও ২২ লক্ষের নাম। সেই হিসেবে পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বিধানসভায় জানিয়েছেন, বাংলায় আবাস প্রকল্পের মোট বঞ্চিতের সংখ্যা ৩৩ লক্ষ ২৪ হাজার। এই পরিস্থিতিতে প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে আবাস প্রকল্পের বঞ্চিতদের নিয়ে সরকারি আধিকারিকদের বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল। পঞ্চায়েত জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি এই বৈঠকে বঞ্চিতদের সঙ্গে কথা বলবেন জেলা প্রশাসনের ঠিক করে দেওয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এবং ব্লকের আধিকারিকরা। রাজ্য প্রশাসনের কর্তারা জানাচ্ছেন, এই বৈঠকের মাধ্যমে আবাস প্রকল্পের বঞ্চিতদের ভরসা জোগাতে চাইছে রাজ্য সরকার। অনুমোদিত ১১ লক্ষের পাশাপাশি বাকি ২২ লক্ষ বঞ্চিতের বিষয়টিও যে তাদের নজরে রয়েছে, সেটাই স্পষ্ট করতে চাইছে রাজ্য। 
নবান্নের হিসেব অনুযায়ী, ১১ লক্ষকে বাড়ি তৈরির জন্য সম্পূর্ণ ১ লক্ষ ২০ হাজার করে টাকা দিতে হলে রাজ্যের কোষাগার থেকে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন পড়বে। তারপরেও যদি কেন্দ্র টাকা না দেয় এবং রাজ্য সরকার যদি পরবর্তী ধাপে বাকি ২২ লক্ষকে নিজের কোষাগার থেকেই টাকা দেয়, সেক্ষেত্রে আরও প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন পড়বে। এই বিপুল অঙ্কের টাকার জোগান কথা থেকে হবে? এক আধিকারিক জানান, ধাপে ধাপে ৩৩ লক্ষকে টাকা দেওয়া হলে অসম্ভবের কিছু নেই।

17th     February,   2024
 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ