বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: ২০১৬-র প্যানেলের বৈধতা নিয়ে জবাব তলব হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০১৬ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত প্যানেল কি আদৌও নিয়ম মেনে প্রকাশ করা হয়েছে? এবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কাছে হলফনামা আকারে তার জবাব তলব করল হাইকোর্ট। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কয়েক হাজার প্রার্থী বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ২০১৭ সালে চাকরিরতদের জন্য ১৮ মাসের প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি একটি রায়ে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, যাঁরা ওই প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তাঁরা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন না। আর এই নির্দেশেই এরাজ্যে ওই কোর্স করা প্রার্থীদের নিয়েই তৈরি হয়েছে জটিলতা। তাঁদের ভবিষ্যত কী হবে, তা নিয়ে এদিন পর্ষদকে ৪ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। 
বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল  বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। শুনানি শেষে বিচারপতি সিনহা পর্ষদের কাছে জানতে চেয়েছেন, সংশ্লিষ্ট নিয়োগের জন্য পর্ষদের তরফে যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেটাকে কি আদৌ প্যানলে বলা যাবে? ওই তালিকা কি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত আইনের ৮ ধারা মেনে তৈরি? এই তথ্যই পর্ষদকে হলফনামা আকারে পেশ করতে হবে। পাশাপাশি, এর আগে যে ৯৪ জনের নিয়োগ বোর্ড বেআইনি বলেছিল, তাদের কি শূন্যপদের আসনের চেয়ে ‘অতিরিক্ত’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল? পর্ষদের কাছে এই তথ্যও তলব করেছেন বিচারপতি সিনহা। ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে পর্ষদকে হলফনামা দিতে হবে। 
এদিন চাকরি প্রার্থীদের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত ও ফিরদৌস শামিম আদালতে দাবি করেন, পর্ষদ কোনও প্যানেল প্রকাশ করেনি। পর্ষদের তরফে অবশ্য হলফনামা জমা দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। কিন্তু বিচারপতি সিনহা প্রশ্ন তোলেন, ‘অক্টোবর মাসে হলফনামা জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাও ফের সময় চাওয়া হচ্ছে! যাঁরা চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন, এজন্য তাঁদের একটি করে দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে!’ পরবর্তী শুনানি ১২ ডিসেম্বর। 
এদিকে, প্রশিক্ষণ না নিয়েই যাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন ২০১৭ সালে, সেই চাকরিরতদের জন্য ১৮ মাসের প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ওপেন স্কুল (এনআইওএস) থেকে যাঁরা ১৮ মাসের ওই ‘ওপেন অ্যান্ড ডিস্ট্যান্স লার্নিং’ কোর্স করেছিলেন তাঁরা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন না বলে ২৮ নভেম্বর উত্তরাখণ্ডের একটি মামলায় জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ফলে এনআইওএস থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এরাজ্যের যে চার হাজার প্রার্থী ২০২২ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদনকারী, তাঁদের ভবিষ্যৎ কী? পর্ষদকে তাঁদের ক্ষেত্রে আগামী ৪ জানুয়ারির মধ্যে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। 
অন্যদিকে, এদিন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিন সংক্রান্ত যে মামলার শুনানি ছিল তা পিছিয়ে গিয়েছে। শুনানির পরবর্তী তারিখ ধার্য হয়েছে ৪ জানুয়ারি।

1st     December,   2023
 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ