Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

আজও তারা জ্বলে
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়
সন্দীপ রায়চৌধুরী

পর্ব * ২
খেলা না থাকলে চৌরঙ্গি পাড়ায় গিয়ে সিনেমা দেখতেন ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর টালিগঞ্জ স্টুডিওপাড়ায় পার্টের জন্য দরবার। এখানে ছিলেন ভানুর গুরু-স্থানীয় পরিচালক সুশীল মজুমদার ও নির্মল দে। ভানুকে ফিল্মে প্রথম সুযোগ করে দেন ঢাকার বিপ্লবী ও পরে কলকাতার চিত্র প্রযোজক জীবন দত্ত। পরিচালক সুশীল মজুমদার, বিভূতি চক্রবর্তীর সঙ্গে ভানুর আলাপ করিয়ে দেন তিনিই। বিভূতি চক্রবর্তীর ‘জাগরণ’ ভানুর প্রথম ছবি। ওপার বাংলা থেকে আসা ‘বাঙাল’ ভানুকে শুধু চেহারা দেখেই নাকি ‘জাগরণ’ ছবির জন্য নির্বাচন করেছিলেন বিভূতি চক্রবর্তী। কারণ হিসেবে বলেছিলেন, ‘আমার ছবিতে দুর্ভিক্ষপীড়িত চিমসে চেহারার একটা চরিত্র আছে, সেটা তুমি করবে।’ পরে সুশীল মজুমদারের ছবি ‘সর্বহারা’ ভানুকে প্রতিষ্ঠা এনে দেয়। ভানুর দাদা-স্থানীয় সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায় ছিলেন ‘সর্বহারা’র সুরকার। সিদ্ধেশ্বরবাবুর কাছে গান শিখতেন নীলিমাদেবী। এই ছবিতে নীলিমাদেবীকে দিয়ে তিনটে গান গাওয়ান তিনি। পরবর্তীকালে সিদ্ধেশ্বরবাবুর মধ্যস্থতা঩তেই ভানু-নীলিমার বিয়ে হয়।
কমেডিয়ান হিসেবে জগদ্বিখ্যাত হলেও ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিরিয়াস চরিত্রের প্রতি টান ছিল শুরু থেকেই। নির্মল দে’র কাছে ভানু একটা সিরিয়াস পার্ট চাইতে গিয়েছিলেন। ‘নতুন ইহুদি’ নাটকে ভানুর অভিনয় দেখে দারুণ খুশি হয়েছিলেন নির্মল দে। কিন্তু তিনি ভানুকে বললেন, ‘তোমাকে আমি কমেডি রোল দেব। ভালো মানাবে।’ ‘বসু পরিবার’ ছবিতে চান্স দিলেন। প্রায় ওই একই সময় ভানু পরিচালক সুধীর মুখোপাধ্যায়ের কাছেও একটা সিরিয়াস চরিত্রে কাস্ট করার অনুরোধ নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু উনিও কমেডি চরিত্রেই ‘পাশের বাড়ি’ ছবিতে ভানুকে নেন। এটাই ছিল ভানুর সত্যিকারের বড় ব্রেক। রাহুলদেব বর্মন একবার বম্বের কমেডিয়ান মেহমুদকে ভানুর সঙ্গে দেখা করাতে নিয়ে আসেন। মেহমুদ ভানুকে বলেন, ‘আমি পাশের বাড়ি ১০ বার দেখেছি। অসামান্য। এই ছবিটি আমি হিন্দিতে করছি এবং আপনার পার্টটা করব আমি। আশীর্বাদ করুন যাতে ভালো করতে পারি।’ মেহমুদের ‘পড়োশন’ ছবিটি ‘পাশের বাড়ি’ থেকেই তৈরি হয়েছিল।
এরপর নির্মল দে’র ছবি ‘সাড়ে ৭৪’। ম্যাসিভ হিট। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় রাতারাতি স্টার বনে গেলেন। যেটা সবচেয়ে গর্বের বিষয়, ছবিতে অতগুলো বাঘা বাঘা কমেডিয়ানের মধ্যে থেকে তিনিই সে বছর ওই ছবির জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনয়ের জন্য ‘উল্টোরথ’ পুরস্কার পেলেন। দর্শকদের ভোটে এই পুরস্কার দেওয়া হতো। তাই এটা শিল্পীদের জন্য ছিল বিরাট সম্মানের। পরে যখন বম্বেতে তিনি ‘সাগিনা মাহাতো’র শ্যুটিং করতে গিয়েছিলেন তখন একদিন আড্ডায় কেষ্ট মুখার্জি তাঁকে বলেছিলেন, ‘দাদা সাড়ে ৭৪’ আপনার বেস্ট অ্যাক্টিং। এই ছবির একটা সিন যেখানে তাড়াতাড়ি আপনি পা থেকে চটি খোলার চেষ্টা করছেন কিন্তু খুলছেন না। এই আইডিয়াটা আমি একটা হিন্দি ছবিতে মেরে দিয়েছি।’
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে নিয়ে অসম্ভব ঠাট্টা করতে পারতেন, যেটা বড় অভিনেতার অন্যতম বড় লক্ষণ। তবে তাঁর আত্মসম্মানবোধও ছিল প্রবল। নির্মল দে প্রায় সব ছবিতেই ভানুকে নিতেন। ওঁর শেষ ছবি ‘বিয়ের খাতা’র অরিজিনাল কাস্ট লিস্টে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ছিল। কিন্তু বাগড়া দিলেন তখনকার বিখ্যাত প্রোডাকশন ম্যানেজার বিমল ঘোষ। উনি নির্মল দে’কে বলেন, ‘কী ব্যাপার ভানু ছাড়া ছবিই করছেন না। আপনি কি ভানু-ম্যানিয়ায় ভুগছেন?’ ব্যস, ভানুকে আর নির্মলবাবু ছবিতে নিলেন না এবং কেন নিলেন না সে গল্পও বললেন। এর কিছুদিন বাদে বিমল ঘোষ ভানুর কাছে এলেন নতুন প্রজেক্ট নিয়ে। উনি একটি ছবি করছেন ‘বধূ’। তার একটি মুখ্য চরিত্রে ভানুকে নিতে চান। ভানু যেন মুখিয়েই ছিলেন এমন একটি সুযোগের জন্য। বিমল ঘোষকে বললেন, ‘সে কী কথা। আপনেই না নির্মল দারে ভানু ম্যানিয়া হইসে বইল্যা আমার রোলটা ক্যাঁচাইয়া দিসিলেন? আর অখন আমারে দিয়াই কাজ করাইতে আইসেন, আপনারও কি ভানু ম্যানিয়া হইল?’ বিমল ঘোষও চালাক লোক। বললেন, ‘না, না, সেকি। তোমার-আমার সম্পর্ক খারাপ করার জন্য শত্রুরা ইন্ডাস্ট্রিতে মিছে কথা কইছে।’
ভানুর একটা বড় গুণ ছিল কোনও দিন উপকারীর উপকার ভুলতেন না। বিকাশ রায় একবার ১৯৫০-’৫১ সালে রেশন তোলার জন্য ভানুকে ৪০ টাকা ধার দিয়েছিলেন। এই কথা তাঁর পরিচিতদের সবসময় বলতেন ভানু। এরপর বিকাশ রায় ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গেলে, ভানু সবসময় তাঁর পায়ের কাছে মাটিতে বসতেন। কোনও দিনও বিকাশ রায়ের পাশের চেয়ারে বসেননি। এই ঘটনায় বিকাশ রায় খুবই অস্বস্তিতে পড়তেন, কিন্তু ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়কে টলাতে পারেননি।
পরিচালক সুশীল মজুমদার ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথম জীবনে অনেক ছবিতে চান্স দিয়েছেন। ভানুর তৃতীয় ছবি (প্রথম রিলিজ) ‘অভিযোগ’-এ সুযোগ দিয়েছিলেন। যদিও টাইটেলে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ছিল না (প্রভৃতির মধ্যে ছিল)। পরেও ‘সর্বহারা’, ‘দিগভ্রান্ত’, ‘রাত্রির তপস্যা’ প্রভৃতি ছবিতে বেশ বড় চরিত্র দিয়েছিলেন। ১৯৭৩-’৭৪ সালে এহেন সুশীল মজুমদারের ফিল্মে যখন আর কাজটাজ নেই, ভানু তৎকালীন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে ধরে সুশীল মজুমদারের জন্য দুটি সরকারি ডকুমেন্টারি জোগাড় করে দিয়েছিলেন। রবি ঘোষ যখন ‘নিধিরাম সর্দার’ ছবি করার কথা ভাবছেন, তখন তিনি প্রায়ই প঩রিচালনা, আর্টিস্ট সিলেকশন প্রভৃতি নিয়ে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করতেন। একদিন রবি ঘোষ বললেন, ‘আমার ছবিতে বয়স্ক ভিলেনের জন্য একজন আননোন ফেস, ভালো অভিনেতা দরকার।’ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে সঙ্গে সুশীল মজুমদারের নাম প্রস্তাব করলেন। প্রথম দিকে রবি ঘোষ একটু দোনামোনা করছিলেন। কারণ এতদিন উনি অভিনয় করেননি। প্রথম দিন সুশীল মজুমদারের শ্যুটিংয়ের পর ভানু বন্দ্যোপাধ্যাকে ফোন করেন রবি ঘোষ। উচ্ছ্বসিতভাবে বলেন, ‘ভানুদা কী আর্টিস্ট দিয়েছেন। কী গলার মডিউলেশন, কী দারুণ বেস।’ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ও খুব খুশি হয়ে বলেন, ‘এই জানবি! আমি বেস্ট লোক ছাড়া কখনও কাউকে রেফার করি না।’
নিজে যেমন অসাধারণ কমেডি অভিনয় করতেন, তেমনই ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেন্স অব হিউমারও ছিল অতুলনীয়। বিশ্বররেণ্য পরিচালক হয়ে ওঠার আগেও সত্যজিৎ রায়কে বিলক্ষণ চিনতেন তিনি। আত্মকথা ‘ভানুসমগ্র’তে নিজেই লিখছেন, ‘ওঁকে সুকুমার রায়ের পুত্র ‘লম্বা মানিক’ হিসেবে চিনতাম।’ ‘পথের পাঁচালী’ দেখে অভিভূত ভানু একদিন বসুশ্রী সিনেমার অফিসঘরে ঢুকে দেখেন কর্ণধার মন্টু বসু ও আরও কয়েকজনের সঙ্গে বসে আছেন সত্যজিৎ। ঘরে ঢুকেই ভানু চেঁচিয়ে বললেন, ‘আরে মানিকবাবু এই সত্যজিৎ রায়টি কে? এ তো সাংঘাতিক ছবি বানিয়েছে।’ তৎক্ষণাৎ মন্টুবাবু বলে ওঠেন, ‘আরে মানিকবাবুই তো সত্যজিৎ রায়।’ সঙ্গে সঙ্গে ভানুর কণ্ঠ থেকে অমোঘ ভবিষ্যৎবাণী বেরোয়, ‘আরে মশাই, কী ছবি বানিয়েছেন। আপনি তো কাননবালার চেয়ে বেশি পপুলার হয়ে যাবেন।’
(ক্রমশ) অলংকরণ: চন্দন পাল
08th  December, 2019
মানুষ গড়ার কারিগর
সৌমিত্র চৌধুরী

 চোখের জল মুছে বাবা বলল, ‘ঠিক আছে স্যার, আপনার কথা রাখলাম। তবে ঋণ বাড়াব না। ফেল করলে ওর কিন্তু পড়া বন্ধ।’ এত দূর বলে আমাদের পিসিএম থামল। আমার চোখে বিস্ময়। জম স্যার নিজে গেল হাটখোলায়? একটু অবাক হয়েছিলাম সেদিন। কিন্তু কয়েকমাস পরে ক্লাসের সবাইকে, এমনকী গোটা স্কুলকে অবাক করে দেবার মতো ঘটনা ঘটল। অঙ্কে আশি নম্বর পেয়ে বার্ষিক পরীক্ষায় চার নম্বর স্থানটা দখল করেছে প্রদীপ। বিশদ

08th  December, 2019
অথৈ সাগর

 আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

08th  December, 2019
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় পর্ব * ১
সন্দীপ রায়চৌধুরী

উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের দ্যুতিতে ভাস্বর। এই লাইনটা বললে হয়তো এক রকম অপমানই করা হয় তাঁদের। কারণ অন্যের আলোয় আলোকিত হওয়ার প্রয়োজন এঁদের কারও কখনও হয়নি। এঁরা নিজেরাই এক একজন কিংবদন্তি।   বিশদ

01st  December, 2019
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

01st  December, 2019
ফেসবুকে বনলতা
শুচিস্মিতা দেব 

আমি তপেন বাগচি। পেশাহীন এবং নেশাহীন ছাপোষা মানুষ। পেশার অভাবে নেশা করার হিম্মত হয়নি কখনও। অভিজাত পাড়ায় ঠাকুরদার আমলের দোতলা বাড়িতে বিনা পয়সার বাসস্থান। বাবা ছিলেন ব্যারিস্টার ঠাকুরদার ল ফার্মের যোগ্য উত্তরাধিকারী।   বিশদ

01st  December, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
মহাকালীর কালীমঠ
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

পর্ব-৩৭

হিমালয়ের পবিত্র দেবস্থানগুলি বারে বারে পরিব্রজন করলেও গুপ্তকাশীর অদূরে কালীমঠে আর যাওয়াই হয় না। তাই সেবার গৌরীকুণ্ডের পথে ত্রিযুগীনায়ারণ হয়ে গুপ্তকাশীতে এসে রাত্রিবাস করলাম। 
বিশদ

24th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৭

ছিলেন বিজ্ঞানের ছাত্র, বিষয় ছিল রসায়ন। তিনি নিজের সম্পর্কে বলতেন, ‘আমি বিজ্ঞানের ছাত্র। আচারে-ব্যবহারে, ভ্রমণে-পর্যটনে, খাদ্যে-পানীয়ে কালাপাহাড় বলিয়া পরিচিত মহলে আমার অখ্যাতি আছে; তবু আজ অস্বীকার করিতে পারি না, অলৌকিক শ্রেণীর দুইটি ঘটনার আমি সাক্ষী হইয়া আছি। 
বিশদ

24th  November, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাদশাহের মর্জিতেই তাকে নামানো হয়েছে লড়াইতে, কিন্তু তাকে কিছুতেই বাগ মানাতে পারছে না তার পিলবান। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে প্রতিদ্বন্দ্বী হাতিকে ছেড়ে তাড়া করল এক জওয়ান লেড়কা দর্শককে, সেই লেড়কা দ্রুত পালিয়ে ঢুকে গেল আম-আদমির ভিড়ের মধ্যে। হাতিটা তখন দূর থেকে দেখছে বীরবরের লাল বেনিয়ান পরা চেহারাটা। বিশদ

17th  November, 2019
 বন্ধুত্ব
তপনকুমার দাস

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।
বিশদ

17th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
পুষ্করের সাবিত্রী মা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-৩৫

রাজস্থান ভ্রমণে এসে পুষ্কর তীর্থে স্নান করে ভারতের একমাত্র ব্রহ্মা মন্দিরে পুজো দিয়ে সাবিত্রী পাহাড়ে সাবিত্রী মাতাকে দর্শন করেন না এমন যাত্রী নেই বললেই চলে।
আজমির থেকে পুষ্করের দূরত্ব ১১ কিমি।  
বিশদ

10th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৫

ঔপন্যাসিক উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে ‘বিচিত্রা’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হল এক নতুন যুগের। জন্ম হল উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানের। সম্পর্কে তিনি ছিলেন কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মামা।   বিশদ

10th  November, 2019
সম্পর্ক
সম্পন্ন চৌধুরী 

রাত প্রায় বারোটা
মুষলধারে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। থামার কোনও লক্ষণই যেন নেই। কিন্তু গরমটা কিছুতেই যেন কমছে না। মানে বৃষ্টিটা আরও হবে। গোটা বাড়িটাই প্রায় জলে ভরে গেছে। ঘরের ভিতরেও জল ঢুকবে ঢুকবে করছে। 
বিশদ

10th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
দেশনোকের করণীমাতা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

পর্ব-৩৪

দেশনোকের করণীমাতার প্রসঙ্গে এবার আসা যাক। ইনি রাজস্থানের মরু অঞ্চলে রাজ পরিবারের আরাধ্যা দেবী। করণীমাতার মন্দির হচ্ছে পৃথিবীবিখ্যাত মন্দির, অসংখ্য ইঁদুরের জন্য এই মন্দির ‘চুহা মন্দির’ নামে প্রসিদ্ধ। সেবার রাজস্থান ভ্রমণের সময় মুলতানি ঘাঁটির কোলায়েতে গিয়েছিলাম কপিলমুনির মন্দির ও পবিত্র সরোবর দেখতে।  
বিশদ

03rd  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩৪

সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। জমে উঠল বন্দ্যোপাধ্যায় দম্পতির সুখের সংসার। আর সেই দৃশ্য দেখে বিধাতা বোধহয় একটু মুচকি হেসেছিলেন, হয়তো মনে মনে বলেছিলেন, বিভূতিভূষণ, সুখ নয় , তোমাকে আমি পৃথিবীতে পাঠিয়েছি সৃষ্টি করার জন্য, সুখভোগের অধিকারী তুমি নও!  
বিশদ

03rd  November, 2019
একনজরে
অমিত চৌধুরী, হরিপাল: হরিপাল থানার কৈকালা গ্রাম পঞ্চায়েতের বলদবাঁধ গ্রামে প্রতিবছর শীতের সময় ভিড় করে পরিযায়ী পাখি। বিদেশি পাখির আগমনকে ঘিরে একসময় এলাকায় পিকনিকের আসর বসলেও স্থানীয় মানুষ উদ্যোগ নিয়ে পাখিদের নিশ্চিন্তে অস্থায়ী ঠিকানায় বাস করতে বন্ধ করে দিয়েছেন পিকনিক। ...

ওয়েলিংটন, ৯ ডিসেম্বর (এএফপি): ছবির মতো সুন্দর হোয়াইট আইল্যান্ড। ভ্রমণের আনন্দে মশগুল পর্যটকের দল। ভরদুপুরে হঠাৎ করে জেগে উঠল আগ্নেয়গিরি। সোমবার নিউজিল্যান্ডের এই ঘটনায় মৃত্যু হল অন্তত পাঁচজনের। জখম ১৮ জন। সরকারি সূত্রে খবর, আটকে পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের উদ্ধারের ...

জম্মু, ৯ ডিসেম্বর (পিটিআই): কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর ফের সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গুলি চালাল পাক সেনা। সোমবার ভোর পৌনে চারটে নাগাদ জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে ভারতীয় সেনার চৌকি লক্ষ্য করে তারা গুলি চালায়। ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে চাঁচলে। এই সপ্তাহেই চাঁচলের খরবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। কলকাতার একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় তাঁর।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-ভালোবাসায় মানসিক অস্থিরতা থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস,
১৮৭০- ঐতিহাসিক যদুনাথ সরকারের জন্ম,
১৮৮৮- শহিদ প্রফুল্ল চাকীর জন্ম,
২০০১- অভিনেতা অশোককুমারের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৪ টাকা ৭২.১৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.০৭ টাকা ৯৫.৩৭ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৪ টাকা ৮০.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১১/২৬ দিবা ১০/৪৪। কৃত্তিকা ৫৯/২৯ শেষ রাত্রি ৫/৫৭। সূ উ ৬/৯/৩১, অ ৪/৪৮/৪৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৫ গতে ১১/৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৯ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৯/১৬ গতে ১১/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৪৩ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৫/১৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/২৮ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৮ গতে ২/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৮ মধ্যে। 
২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১০/২/৪৮ দিবা ১০/১২/৫। কৃত্তিকা ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৬/১০/৫৮, অ ৪/৪৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ৭/৪৫ গতে ১১/৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ৯/২৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/৫২ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৫/২৭ গতে ৬/১২ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৯/৫৩ গতে ২/৯/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৯/২৬ গতে ৮/৯/৩৯ মধ্যে।
 
মোসলেম: ১২ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ঘুড়ির সুতোয় গলা কেটে মৃত স্কুলছাত্র 
চিনা মাঞ্জার বলি স্কুলছাত্র। সুতোর ধারে গলা কেটে মৃত্যু হল ...বিশদ

06:20:33 PM

২৪৮ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

04:02:02 PM

আইলিগ: ইস্ট বেঙ্গল ৪-১ গোলে হারাল নেরোকাকে 

04:01:36 PM

২৫০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:36:09 PM

গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রারকে হেনস্তার অভিযোগ 
গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরিকে হেনস্তার অভিযোগ উঠল। আজ, মঙ্গলবার ...বিশদ

03:30:27 PM

দক্ষিণদাঁড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ৩ দুষ্কৃতী

03:30:00 PM