Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বারাণসীতে জটলা কোর্ট চত্বরে। আইনজীবী এবং সাধারণ মহিলারা আছেন সেখানে। মিষ্টি খাওয়াচ্ছেন একে অপরকে।
চুঁচুড়ায় পুলিসকর্মীদের হাতে রাখী পরাচ্ছেন যুবতীরা।
মুম্বইতে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন মহিলারা। একজন সামনে দাঁড়িয়ে নাগাড়ে ড্রাম বাজিয়ে যাচ্ছেন। চলছে স্লোগান... এতদিনে পুলিস একটা কাজের কাজ করল।
এই সব ছবি শুক্রবারের। সকাল ৮টা নাগাদ শোনা গিয়েছিল খবরটা। আর দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল আগুনের মতো। হায়দরাবাদের ২৫ বছরের পশু চিকিৎসককে গণধর্ষণে যারা অভিযুক্ত ছিল, সেই চারজনকে এনকাউন্টারে নিকেশ করেছে তেলেঙ্গানার পুলিস। ব্রিজের উপর তখন সার বেঁধে মানুষ দাঁড়িয়ে। নীচ দিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে পুলিস যাচ্ছে, আর তাদের উপর হচ্ছে পুষ্পবৃষ্টি। গোটা দেশ একবাক্যে সমর্থন করেছে এই এনকাউন্টারকে। মতটা স্পষ্ট, এমনই হওয়া উচিত ছিল। নৃশংসতা সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। নির্ভয়া কাণ্ডের বিবরণ শুনে শিউরে উঠেছিল ভারত। প্রতিবাদে নেমে পড়েছিল রাস্তায়। নাঃ, কোনও রাজনৈতিক দলের আয়োজন ছিল না। সবটাই ছিল স্বতঃপ্রণোদিত। নির্ভয়াকে হয়তো বাঁচানো যায়নি। তাঁর লড়াই শেষ হয়ে গিয়েছিল হাসপাতালের বিছানায়। কিন্তু সেই প্রতিবাদের ঝড় ধর্ষণের মতো অপরাধ সংক্রান্ত আইনে বদল আনতে বাধ্য করেছিল। নাবালক যদি এই নৃশংসতা দেখাতে পারে, তাহলে তার বিচারও জুভেনাইল আদালতে হতে পারে না। সংশোধিত আইনে এমন ঘটনায় নাবালককেও আজ সাবালক হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু প্রশ্ন হল, সেটাও কি যথেষ্ট?
না, যথেষ্ট নয়। তাই আজ ফের হায়দরাবাদের মতো ঘটনায় দেশ কেঁপে ওঠে। এরপর মালদহে উদ্ধার হয় যুবতীর দগ্ধ দেহ। উন্নাওয়ে জামিনে ছাড়া পাওয়া অভিযুক্ত প্রকাশ্যে গায়ে আগুন দেয় ধর্ষিতাকে। ত্রিপুরাতেও ধর্ষণের পর জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। মুজফ্‌ফরনগরে ধর্ষণের মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করায় অভিযোগকারিণীর মুখে অ্যাসিড ছোঁড়ে দুষ্কৃতীরা। একের পর এক এমন ঘটনা কী প্রমাণ করে? উত্তর একটাই, পুরুষতান্ত্রিক সমাজে আজ হয়তো আমরা নারী স্বাধীনতা, সমান অধিকারের স্লোগানে আকাশ-বাতাস কাঁপাই, কিন্তু শিকড়টাই যে পচে গিয়েছে!
হয়তো কাকতালীয়...। মাস দুয়েক আগে একটি হিন্দি ছবির ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, রাজস্থানের কোটায় এক দুষ্কৃতী মেয়েদের তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে এবং তারপর তার গায়ে আগুন দিয়ে দেয়। আশ্চর্যজনকভাবে তারপরই এ ধরনের ঘটনা আরও বেড়ে গেল। ধর্ষণের পর খুনের ঘটনা আগেও ঘটেছে। সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়া শেষ রিপোর্ট ২০১৭ সালের। ওই বছর দেশের ৩২ হাজার ৫০০টি ধর্ষণের ঘটনার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। যাদের মধ্যে ৩০ শতাংশই নাবালিকা। ওই বছরের শেষ পর্যন্ত দেশের আদালতে মোট ১ লক্ষ ২৮ হাজার ধর্ষণের মামলা পড়ে রয়েছে, যার ফয়সালা হয়নি।
এই সব ঘটনাই খাতায়-কলমে নথিভুক্ত। অভিযোগ হয়নি, এমন বহু ঘটনা গ্রামে-গঞ্জের বাতাসে হারিয়ে যায়। আধপেটা খাওয়া পরিবারগুলোর বাড়ি থেকে মেয়েরা উধাও হয়ে যায়। কেউ ফিরে আসে। কেউ আসে না। পুলিস অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিযোগ নিতে চায় না। সেই সংখ্যাটা সরকারি হিসেব কখনও আসে না...। এক্ষেত্রে পুলিসকে আমরা ঠুঁটো, অপদার্থ, রাজনৈতিক দলের তাঁবেদার বলে গাল দিয়ে থাকি। কিন্তু পুলিস চাইলে পারে না, এমন কোনও কাজ নেই। সাইবারাবাদের ঘটনাই তার প্রমাণ। একদিকে উত্তরপ্রদেশে উন্নাওয়ের অভিযুক্ত ধর্ষিতার গায়ে আগুন দিচ্ছে, নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যাপারে পুলিস নির্বিকার। আবার অন্যদিকে তেলেঙ্গানায় এনকাউন্টারে খতম করে দেওয়া হচ্ছে বর্বরতার ধারক ও বাহক চার অমানুষকে। অর্থাৎ, পুলিস কাজ করছে। এখানেও আবার পাল্টা সমালোচনা, মানবিকতার হত্যা...। উভয় সঙ্কট পুলিসের। তারা কাজ না করলেও বিপদ, করলেও। মানুষ অবশ্য এই শ্রেণীর সরকারি কর্মীকে কখনওই সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখতে পারে না। কথায় আছে না, বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা, আর পুলিস ছুঁলে...। অনেক ক্ষেত্রেই শোনা যায়, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ। কাউকে মাদক মামলায়, কাউকে ধর্ষণের। বর্তমানের এক সাংবাদিক বহু বছর আগে এমনই এক ‘দুর্ঘটনা’র সম্মুখীন হয়েছিলেন। উত্তর ২৪ পরগনার একটি থানায় ঢুকে দেখেছিলেন, গোরু পাচারকারীদের ধরে তাদের থেকে টাকা আদায় চলছে। টাকা দিলে মুক্তি, না হলে জেল। হঠাৎ সেই অফিসারের খেয়াল হয়, অন্য একটি লোক সেখানে দাঁড়িয়ে। তাঁর প্রথম কাজ হয়, বর্তমানের সেই সাংবাদিকদে লক আপে পোরা। তারপর সরাসরি হুমকি, দেব নাকি ধর্ষণের মামলায় ফাঁসিয়ে? কালকেই কোর্টে তুলব। এই ঘটনা প্রকাশ্যে এসে যাওয়ায় তখন রাজ্যজুড়ে তোলপাড় হয়েছিল। বিষয়টি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। সে অন্য প্রসঙ্গ। এই ঘটনা উত্থাপনের কারণ একটা বিষয়ই স্পষ্ট করে দেওয়া, পুলিস চাইলে সব করতে পারে। তাই আজ সাইবারাবাদের এনকাউন্টারের পর মানবাধিকার সংগঠনগুলি মাথা তুলেছে... ওরা তো অভিযুক্ত! দোষী সাব্যস্ত নয়। তাহলে এই এনকাউন্টারের মানেটা কী? রাত তিনটের সময় ঘটনার পুনর্নির্মাণ মোটেই আইনসঙ্গত নয়। ওই সময়টাতেই কেন নিয়ে যাওয়া হল? ভিডিওগ্রাফি কোথায়? ওই অভিযুক্তরা যে পুলিসের অস্ত্র ছিনিয়ে হামলা করে, তার প্রমাণ কী? ওরা এগিয়ে এসে পুলিসের অস্ত্র কেড়ে নিল, আইন রক্ষকরা তখন কী করছিলেন? এমন বহু প্রশ্ন কিন্তু সমালোচকরা তুলতে শুরু করেছেন। এর অপর একটা কারণ হল, সন্দেহের নেপথ্যে অতীতের আরও কিছু এনকাউন্টার রয়েছে। যা হায়দরাবাদ পুলিস করেছিল। একই যুক্তি, একই প্লট। কাজেই প্রশ্ন উঠবেই।
পুলিস অবশ্য এসবে গা করছে না। করবেও না। কারণ, গোটা দেশ আজ তাদের পাশে। জয়া বচ্চন সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, এ ধরনের অপরাধীদের রাস্তায় পিটিয়ে, মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া উচিত। সেই বক্তব্যেই হয়তো সিলমোহর দিল তেলেঙ্গানার পুলিস।
আমরাও কি সম্পূর্ণ দায়মুক্ত হতে পারি? কোন মেয়ে কী জামাকাপড় পরে রাস্তায় বেরবে, কেন বেশি রাতে বাড়ি ফিরবে, এসবের উপর খবরদারি না করে বাড়ির পুত্রসন্তানের শিক্ষায় বেশি জোর দেওয়াটা বেশি দরকারি। এই সমাজকে বাসযোগ্য করে তোলার একটাই শিক্ষা, নারীসমাজকে সম্মান। সুরক্ষাটা সর্বতোভাবে সামাজিক। এবং এই সমাজের মধ্যে নারী-পুরুষ উভয়েই রয়েছে। জীবন, সম্মান... এই সবই সাংবিধানিক অধিকার। সমাজে ‘না’ শব্দটির অর্থ সর্বতোভাবেই ‘না’। এর বিরুদ্ধে কোনও জোর চলে না। চলতে পারে না। সমাজকে সচেতন করতে পারি আমরাই।
ওই চার দুষ্কৃতী কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকার করেছিল, ধর্ষণ ও খুন তারাই করেছে। এরপর তৈরি হতো চার্জশিট, তারপর বিচার। চার্জশিট তৈরি হতেই মাসের পর মাস চলে যায়। তার মধ্যে কখনও কখনও চলে আসে প্রভাবশালী তত্ত্ব। টাকার প্রলোভন। কেস হাল্কা করার চেষ্টা। এরপর নিম্ন আদালত, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট। মৃত্যুদণ্ডের আদেশ জারি হলেও বছরের পর বছর জেলে বসিয়ে করদাতাদের টাকায় ভরণ-পোষণ চলে ওই বজ্জাতদের। শেষ অস্ত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা। কামদুনির মামলা এখনও হাইকোর্টে পড়ে রয়েছে। সরকারি এই দীর্ঘসূত্রতা ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রাচীর হয়ে দাঁড়ায়। মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে। মনে হয়, এদের গুলি করে মেরে ফেললেই ভালো হতো। আর সেটাই হয়েছে। আইন হাতে তুলে নেওয়া ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে মোটেও কাম্য নয়। পুলিসেরও না। কিন্তু সমাজটাকে পশুর খোঁয়াড়ে পরিণত করাটাও তো মেনে নেওয়া যায় না! আজ তেলেঙ্গানা..., কাল যদি উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গে এই ‘সাজা’ কার্যকর হয়, তাহলে অন্তত দুষ্কৃতীদের মনে ভয়টা ঢুকবে। বিকৃত মনগুলো একবার হলেও ভাববে, পরিণতিটা কী হতে পারে। এনকাউন্টার সমর্থনযোগ্য নয়। কিন্তু আমাদের আইনও তো এই ধরনের মামলায় নাবালকত্বের পর্যায়ে রয়ে গিয়েছে! চার্জশিট হয় না। মামলার ফয়সালা হয় না। হতাশা জন্ম দেয় বিরক্তির, রাগের। কিন্তু আমরা সমাজবদ্ধ জীব। হতাশায় কাঁদতে পারি। কিন্তু তারপরও উল্টোদিকের লোকটাকে বলি, কোর্টে দেখে নেব। কারণ, আমরা এখনও আইনে ভরসা রাখি। বিশ্বাস করি, আইনই পারে মানুষকে ন্যায়বিচার দিতে। দীর্ঘসূত্রতার গেরো কাটিয়ে আইন যদি আরও কঠোর হয়, এই ধরনের দুষ্কৃতীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়, তবেই মানুষের আস্থা বজায় থাকবে। গণতন্ত্রে সেটাই কাম্য। না হলে যেভাবে হোক, ন্যায়বিচার দাবি করবে জনগণ। মোরাদাবাদের ছাত্রীদের হাতের প্ল্যাকার্ড কিন্তু নিঃশব্দে সেই কথাই বলছে। বিচার চাই। যে কোনও পথে। 
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বিজেপির অহঙ্কারের পতন
হিমাংশু সিংহ

সবকিছুর একটা সীমা আছে। সেই সীমা অতিক্রম করলে অহঙ্কার আর দম্ভের পতন অনিবার্য। সভ্যতার ইতিহাস বারবার এই শিক্ষাই দিয়ে এসেছে। আজও দিচ্ছে। তবু ক্ষমতার চূড়ায় বসে অধিকাংশ শাসক ও তার সাঙ্গপাঙ্গ এই আপ্তবাক্যটা প্রায়শই ভুলে যায়।  বিশদ

01st  December, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে চাঁচলে। এই সপ্তাহেই চাঁচলের খরবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। কলকাতার একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় তাঁর।  ...

অর্পণ সেনগুপ্ত, কলকাতা: স্কুলের কাছে ‘প্রায়র পারমিশন’ (পিপি) এসে পৌঁছনোর আগেই শিক্ষক পদপ্রার্থীদের হাতে তা চলে আসছে। আর তার প্রতিলিপি নিয়েই স্কুলে যোগ দিতে চলে আসছেন শিক্ষকরা। রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে এই ঘটনা ঘটছে। বদলির আবেদন করা শিক্ষকদের হাতে এই পিপি ...

তিরুবনন্তপুরম, ৯ ডিসেম্বর: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বিরাট কোহলি নিজের ব্যাটিং পজিশন ছেড়ে দিয়েছিলেন শিবম দুবেকে। তিন নম্বরে ব্যাট করার সুযোগটা দারুণভাবে কাজে ...

জম্মু, ৯ ডিসেম্বর (পিটিআই): কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর ফের সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গুলি চালাল পাক সেনা। সোমবার ভোর পৌনে চারটে নাগাদ জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে ভারতীয় সেনার চৌকি লক্ষ্য করে তারা গুলি চালায়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-ভালোবাসায় মানসিক অস্থিরতা থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস,
১৮৭০- ঐতিহাসিক যদুনাথ সরকারের জন্ম,
১৮৮৮- শহিদ প্রফুল্ল চাকীর জন্ম,
২০০১- অভিনেতা অশোককুমারের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৪ টাকা ৭২.১৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.০৭ টাকা ৯৫.৩৭ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৪ টাকা ৮০.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১১/২৬ দিবা ১০/৪৪। কৃত্তিকা ৫৯/২৯ শেষ রাত্রি ৫/৫৭। সূ উ ৬/৯/৩১, অ ৪/৪৮/৪৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৫ গতে ১১/৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৯ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৯/১৬ গতে ১১/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৪৩ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৫/১৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/২৮ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৮ গতে ২/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৮ মধ্যে। 
২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১০/২/৪৮ দিবা ১০/১২/৫। কৃত্তিকা ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৬/১০/৫৮, অ ৪/৪৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ৭/৪৫ গতে ১১/৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ৯/২৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/৫২ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৫/২৭ গতে ৬/১২ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৯/৫৩ গতে ২/৯/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৯/২৬ গতে ৮/৯/৩৯ মধ্যে।
 
মোসলেম: ১২ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ঘুড়ির সুতোয় গলা কেটে মৃত স্কুলছাত্র 
চিনা মাঞ্জার বলি স্কুলছাত্র। সুতোর ধারে গলা কেটে মৃত্যু হল ...বিশদ

06:20:33 PM

২৪৮ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

04:02:02 PM

আইলিগ: ইস্ট বেঙ্গল ৪-১ গোলে হারাল নেরোকাকে 

04:01:36 PM

২৫০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:36:09 PM

গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রারকে হেনস্তার অভিযোগ 
গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরিকে হেনস্তার অভিযোগ উঠল। আজ, মঙ্গলবার ...বিশদ

03:30:27 PM

দক্ষিণদাঁড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ৩ দুষ্কৃতী

03:30:00 PM