Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন। তাঁরা প্রত্যেকেই ক্ষেত্রনির্দিষ্ট নিয়ম, চুক্তি ও কর বিষয়ক সাধারণ আইন, ব্যবসার রীতিনীতি এবং ক্রেতা-বিক্রেতার সম্পর্কের দিকটি অবশ্য করে মেনে চলেন। এগুলি আমাদের জানা; বস্তুত সবরকমে জানা (ইংরেজিতে যাকে বলে ‘known knowns’)। তাহলে বলব যে, বেস্ট নোন নোনজ হল মানি বা টাকা। আমাদের এই কাহিনীতে প্রধান চরিত্র যিনি নোন নোনজের ভিত্তিতে তিনিই উপযুক্ত সিদ্ধান্তটি নেবেন।
প্রধান চরিত্রটি ভ্রান্ত প্রমাণিত হতে পারেন, অজানাগুলির জন্য। দায়ী দু’রকম অজানা—যেটা আমরা জানি যে আমাদের জানা নেই (ইংরেজিতে যাকে বলে known unknowns) এবং যেটা আগাম অনুমান করা সম্ভব নয় এমন সমস্ত অজানাগুলি (ইংরেজিতে যাকে বলে unknown unknowns)। অনেক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রধান চরিত্ররা অজানা বিষয়গুলি (unknowns) সামলানোর ব্যাপারেও ওস্তাদ হয়ে উঠতে পারেন।   
প্রধান চরিত্রটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত হতে পারেন এবং রাজ্যবাসীর মন জয় করার মতো সুশাসনও দিতে পারেন। তিনি যতদিন সবরকমে জ্ঞাত জিনিসটি, মানে টাকাকড়ির দিকটি সামলে দিতে পারবেন, ততদিন বাকি সমস্ত জানা এবং অজানা দিকগুলিও ‘ম্যানেজ’ হয়ে যাবে। সমস্যা শুধুমাত্র তখনই হয় যখন প্রধান চরিত্রকে জ্ঞাত এবং অজ্ঞাত ক্ষেত্রের বাইরে বেরিয়ে কিছু সামলাতে হয়। এই সমস্যাটিকেই মার্কেট বা বাজার বলে। বাজারটি যখন একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কশূন্য অসংখ্য ব্যক্তি-মানুষের, যেখানে ভয়-ভীতি ও অনিশ্চয়তার পরিবেশে এমন ব্যক্তিদের নিজ নিজ সিদ্ধান্ত নিতে হয় এবং তারা নানা উদ্দেশ্যে চালিত হয়, তখন বাজার আর, একটি সামান্য সমস্যা থাকে না, বাজার হয়ে ওঠে এক মস্ত ঝঞ্ঝাট (big trouble)।
‌‌‌বাজার এমন একটি বিষয়, যত সতর্ক পদক্ষেপই করা হোক না কেন সেখানে কিছু গড়বড় ঘটে যেতেই পারে। ব্যাপারটি বাজারের আকার আয়তনের উপরেও নির্ভর করে। একটি ব্যালান্সড বা স্বাভাবিক বাজেট নিয়ে পরীক্ষার ফলের সঙ্গে একটি সরকারের বাজেটের কোনও তুলনা হবে না, কারণ সরকারকে বাজেট তৈরি করার সময় অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কথা মাথায় রাখতে হয়। আবার একটি রাজ্য পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি দেশ পরিচালনার মতো বিপুল চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করার প্রয়োজন হয় না। 
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন ছিলেন ১২ বছর। তাঁর অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ। তাঁরা ভাবলেন, একত্রে তাঁরা পারবেন না কেন? —তাঁরা ভারতের অর্থনীতি সালটে দেওয়ার উপযুক্ত অর্থনীতিবিদ। 
হায়, তাঁরা এমন একটি অবাঞ্ছিত পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছেন যে ভারতের পড়ন্ত এবং বিধ্বস্তপ্রায় অর্থনীতির নেতৃত্বে তাঁরাই। বিগত ছয়টি কোয়ার্টার বা ত্রৈমাসিকের সরকারি তথ্য হাতে নিয়ে বলতে পারি যে, ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হারটি (শতাংশ)) যথাক্রমে ছিল এইরকম: ৮.০, ৭.০, ৬.৬, ৫.৮, ৫.০ ও ৪.৫। সমস্ত সূত্রে জানতে পারছি যে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী দু’জনেই উদ্বিগ্ন, কিন্তু তাঁরা মচকাবেন না—অন্তত এখনও পর্যন্ত সেটাই তো দেখছি। প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর কাজের মধ্যে আপাত একটি বিভাজন রয়েছে: সিদ্ধান্তগুলি নেয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর (পিএমও) এবং অর্থমন্ত্রকের মাধ্যমে সেগুলি রূপায়িত হয়। কিন্তু তাদের ভিতর একটি পারস্পরিক অবিশ্বাস কাজ করে এবং এই দুই গুরুত্বপূর্ণ অফিসের বিশেষ কিছু কর্মীর মধ্যে দোষারোপের পালা (ব্লেম গেম) চলে। 
এখন এই কাহিনীর প্রধান দুই চরিত্র নিরীহ পেঁয়াজের দাম বাগে আনতে নাকানি-চোবানি খাচ্ছেন। বলা বাহুল্য, পেঁয়াজ এমন একটি জিনিস যেটি গরিব এবং মধ্যবিত্তের রোজকার পাতে অপরিহার্য। পেঁয়াজের বিকল্পও কিছু হয় না। 
পাশাপাশি, ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভে অর্গানাইজেশনের (এনএসএসও) মতে, পরিবারগুলি যত কেনাকাটা বা উপভোগ করত সেটি কমে  গিয়েছে। গ্রামীণ ভারতে শ্রমিকরা যে-হারে মজুরি পেতেন কমে গিয়েছে সেটিও। বিভিন্ন ক্ষেত্রের উৎপাদকরা তাঁদের পণ্যের যে-দাম  পেতেন, বিশেষত কৃষকরা, সেটিও হ্রাস পেয়েছে। দিনমজুররা মাসে ১৫ দিনের বেশি কাজ পাচ্ছেন না। ফলে, একশো দিনের (এমজিএনআরইজিএ) কাজের চাহিদা বাড়ছে। দীর্ঘকাল ব্যবহার্য এবং স্বল্পকাল ব্যবহার্য—দু’ধরনেরই ভোগ্যপণ্য এখন কম দামে বিকোচ্ছে। পাইকারি দামের স্ফীতি (হোলসেল প্রাইস ইনফ্লেশন) ঘটেছে ১.৯২ শতাংশ পর্যন্ত এবং উপভোক্তার দামের স্ফীতি (কনজ্যুমার প্রাইস ইনফ্লেশন) ৪.৬২ শতাংশে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সমস্ত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্ল্যান্ট লোড ফ্যাক্টর প্রায় ৪৯ শতাংশ। এর অর্থ হল, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির উৎপাদন ক্ষমতার অর্ধেকও কাজে লাগানো হচ্ছে না। শাট ডাউন করে রাখা হয়েছে। আর তার কারণ, বিদ্যুতের চাহিদার অভাব। 
সরকার ভাবে যে আসন্ন বিপর্যয়টি সে ইচ্ছে করবে আর গায়েব হয়ে যাবে। এই সরকারের সমস্যাটি হল, অতীতে গৃহীত অযৌক্তিক সিদ্ধান্তগুলিকে [যেমন ডিমনিটাইজেশন, ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি, ট্যাক্স  টেররিজম, ব্যাঙ্কিংক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের নামে বাড়াবাড়ি (রেগুলেটরি ওভারকিল), দেশীয় শিল্পক্ষেত্রের জন্য সংরক্ষণ নীতি (প্রটেকশনিজম), পিএমওটিকে সমস্ত সিদ্ধান্তগ্রহণের কেন্দ্র বানিয়ে ফেলা প্রভৃতি] আড়াল করতে একগুঁয়ে এবং খচ্চর গোছের ‘ডিফেন্স’ খাড়া করে।
২০১৬ সালে ৮ নভেম্বর তারিখের বিমুদ্রাকরণকে ধন্যবাদ দেব, এই কারণে যে, এটি মানুষের তৈরি করা একটি বিপর্যয়কে প্রকট করেছিল। হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও সরকার পরিণাম গণনা করে নিতে
একটু থামেওনি। ‘দি ইকনোমিস্ট’ সরকারকে অর্থনীতির অযোগ্য মাতব্বর (ইনকমপিটেন্ট ম্যানেজার) বলেছে। 
আর কিছু করার নেই, মন্ত্রীরা ফের ধাপ্পাবাজির লাইনেই (ব্লাফ অ্যান্ড ব্লাস্টার) ফিরেছেন। 
অর্থনীতি মন্থর গতিতে চলছে (স্লো ডাউন) বলে সরকার কবুল করেছে, কিন্তু কাঠামোগত (স্ট্রাকচারাল) কোনও সমস্যার কথা, যার সমাধানে মনোযোগ দরকার, এমনটা তারা মানতে চায়নি। সমস্যাগুলিকে সরকার আবর্তনকালীন বা ‘সাইক্লিকাল’ বলে বর্ণনা করেছে। ভাগ্যিস, কারণগুলিকে তারা ঋতুকালীন (সিজনাল) বলে শনাক্ত করে দেয়নি!
ভারতের অর্থনীতি চলছে যোগ্য অর্থনীতিবিদদের সাহায্য এবং পরামর্শ ছাড়াই। শেষ একজনই ছিলেন ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন। কল্পনা করুন সেইরকম একটি পরিস্থিতির কথা, যখন কোনও প্রফেসর ছাড়াই ডক্টরাল প্রোগামে শিক্ষাদান চালু রয়েছে কিংবা কোনও জায়গায় একটি জটিল সার্জারি করা হচ্ছে ডাক্তারকে বাদ দিয়ে! প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদদের তোয়াক্কা না-করে—এবং অযোগ্য  ম্যানেজারদের দিয়ে একটি অর্থনীতি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া—এই দুটির ভিতর কোনও প্রভেদ নেই। 
09th  December, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বিজেপির অহঙ্কারের পতন
হিমাংশু সিংহ

সবকিছুর একটা সীমা আছে। সেই সীমা অতিক্রম করলে অহঙ্কার আর দম্ভের পতন অনিবার্য। সভ্যতার ইতিহাস বারবার এই শিক্ষাই দিয়ে এসেছে। আজও দিচ্ছে। তবু ক্ষমতার চূড়ায় বসে অধিকাংশ শাসক ও তার সাঙ্গপাঙ্গ এই আপ্তবাক্যটা প্রায়শই ভুলে যায়।  বিশদ

01st  December, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, ১০ ডিসেম্বর থেকে নিজেদের মার্জিনাল কস্ট অব ফান্ডস বেসড লেন্ডিং রেট বা এমসিএলআর কমাল স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (এসবিআই)। এক প্রেস বিবৃতিতে তারা একথা জানিয়ে বলেছে, আগে তাদের বার্ষিক এমসিএলআর ছিল আট শতাংশ। ...

তিরুবনন্তপুরম, ৯ ডিসেম্বর: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বিরাট কোহলি নিজের ব্যাটিং পজিশন ছেড়ে দিয়েছিলেন শিবম দুবেকে। তিন নম্বরে ব্যাট করার সুযোগটা দারুণভাবে কাজে ...

অমিত চৌধুরী, হরিপাল: হরিপাল থানার কৈকালা গ্রাম পঞ্চায়েতের বলদবাঁধ গ্রামে প্রতিবছর শীতের সময় ভিড় করে পরিযায়ী পাখি। বিদেশি পাখির আগমনকে ঘিরে একসময় এলাকায় পিকনিকের আসর বসলেও স্থানীয় মানুষ উদ্যোগ নিয়ে পাখিদের নিশ্চিন্তে অস্থায়ী ঠিকানায় বাস করতে বন্ধ করে দিয়েছেন পিকনিক। ...

অর্পণ সেনগুপ্ত, কলকাতা: স্কুলের কাছে ‘প্রায়র পারমিশন’ (পিপি) এসে পৌঁছনোর আগেই শিক্ষক পদপ্রার্থীদের হাতে তা চলে আসছে। আর তার প্রতিলিপি নিয়েই স্কুলে যোগ দিতে চলে আসছেন শিক্ষকরা। রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে এই ঘটনা ঘটছে। বদলির আবেদন করা শিক্ষকদের হাতে এই পিপি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-ভালোবাসায় মানসিক অস্থিরতা থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস,
১৮৭০- ঐতিহাসিক যদুনাথ সরকারের জন্ম,
১৮৮৮- শহিদ প্রফুল্ল চাকীর জন্ম,
২০০১- অভিনেতা অশোককুমারের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৪ টাকা ৭২.১৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.০৭ টাকা ৯৫.৩৭ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৪ টাকা ৮০.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১১/২৬ দিবা ১০/৪৪। কৃত্তিকা ৫৯/২৯ শেষ রাত্রি ৫/৫৭। সূ উ ৬/৯/৩১, অ ৪/৪৮/৪৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৫ গতে ১১/৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৯ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৯/১৬ গতে ১১/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৪৩ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৫/১৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/২৮ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৮ গতে ২/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৮ মধ্যে। 
২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১০/২/৪৮ দিবা ১০/১২/৫। কৃত্তিকা ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৬/১০/৫৮, অ ৪/৪৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ৭/৪৫ গতে ১১/৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ৯/২৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/৫২ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৫/২৭ গতে ৬/১২ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৯/৫৩ গতে ২/৯/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৯/২৬ গতে ৮/৯/৩৯ মধ্যে।
 
মোসলেম: ১২ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ঘুড়ির সুতোয় গলা কেটে মৃত স্কুলছাত্র 
চিনা মাঞ্জার বলি স্কুলছাত্র। সুতোর ধারে গলা কেটে মৃত্যু হল ...বিশদ

06:20:33 PM

২৪৮ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

04:02:02 PM

আইলিগ: ইস্ট বেঙ্গল ৪-১ গোলে হারাল নেরোকাকে 

04:01:36 PM

২৫০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:36:09 PM

গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রারকে হেনস্তার অভিযোগ 
গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরিকে হেনস্তার অভিযোগ উঠল। আজ, মঙ্গলবার ...বিশদ

03:30:27 PM

দক্ষিণদাঁড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ৩ দুষ্কৃতী

03:30:00 PM