বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
উত্তরবঙ্গ
 

আজও কালজানিতে সেতু হয়নি, বিজেপি সাংসদের কাছে কৈফিয়ত চাইছেন বাসিন্দারা

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: পররপার ও তপসিখাতা। আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের এই দুই পঞ্চায়েতের মাঝে কালজানি নদী। ঊনিশের লোকসভা ভোটের প্রচারে দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের মাঝে কালজানির তপসিখাতা-পাটকাপাড়া ঘাটে এসে জন বারলা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছিলেন, ভোটে জিতলে তিনি পাকা সেতু করে দেবেন এখানে। সেই ভোটে বারলা জিতলেও,  কালজানির তপসিখাতা-পাটকাপাড়া ঘাটে কিন্তু আজও পাকা সেতু হয়নি। স্থানীয়রা বলছেন, সেতু তো দূর অস্ত, ভোটে জেতার পর বারলা এই তল্লাটে পা বাড়াননি। কেন সেতু হয়নি চব্বিশের ভোটে সেই কৈফিয়ত চাইছেন ভুক্তভোগীরা।
আলিপুরদুয়ার জেলা শহরের কাছেই কালজানির এপারে পররপার গ্রাম পঞ্চায়েত। আর নদীর ওপারে তপসিখাতা। জেলা সদর থেকে তপসিখাতা পঞ্চায়েতের দূরত্ব মেরেকেটে ১৪ কিমি। বর্ষায় নদী পারাপারে ভরসা সেই মান্ধাতার আমলের বাঁশের সাঁকো। কিন্তু, ভরা বর্ষায় কালজানির জল বেড়ে গেলে ভেঙে যায় সাঁকো। 
নদীর ওপারে ঘাটের অদূরে বাড়ি তপসিখাতার বধূ গৌরী রায়ের কথায়, ভরা বর্ষায় পাশের বনচুকামারি পঞ্চায়েতের ঘাঘরা হয়ে ২৫ কিমি পথ ঘুরে সদরে যেতে হয়। অথচ কালজানিতে পাকা সেতু থাকলে তপসিখাতার বাসিন্দাদের জয় বাংলা হাট দিয়ে জেলা সদর আসার পথ মাত্র ১৪ কিমি। কালজানিতে সেতু না থাকায় তপসিখাতার মানুষ কৃষিজ ফসল বিক্রি করতে আলিপুরদুয়ার কৃষক বাজারেও আসতে পারেন না। 
নদীর এপারে পররপার পঞ্চায়েতের চৌপথির টোটোচালক নিমাই দাস বলেন, গত লোকসভা ভোটের প্রচারে এসে জন বারলা বলেছিলেন জিতলে তিনি এই ঘাটে সেতু বানিয়ে দেবেন। কিন্তু, তিনি ভোটে জিতলেও সেতু আর হয়নি। ওই এলাকারই বাসিন্দা সুধীর দাস বলেন, সেতু তো দূরের কথা, ভোটে জেতার পর এমপি তো এলাকাতেই আসেননি। প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেও কেন সেতু হয়নি আমরা জানতে চাইছি। এবার চব্বিশের ভোটে প্রচারে এলে সেই কৈফিয়ত চাইব সাংসদের কাছে। তপসিখাতা-পাটকাপাড়া কালজানি সেতু নির্মাণ দাবি কমিটির সম্পাদক যোগেশচন্দ্র রায় বলেন, ভোট আসে ভোট যায়। কিন্তু, কালজানিতে সেতু হয় না। এটাই ভবিতব্য আমাদের। তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক ভাস্কর মজুমদার বলেন, মানুষ বিজেপি সাংসদ জন বারলার ভাঁওতাবাজি ধরে ফেলেছে। ভোটে এবার জবাব দেবে। 
যদিও এ বিষয়ে জানতে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জন বারলাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। মেসেজেরও কোনও জবাব দেননি। তবে বিজেপির জেলা সহ সভাপতি সাধন সাহা বলেন, সাংসদ কাউকে সেতুর প্রতিশ্রুতি দেননি। তবে একুশের ভোটে আমরা বলেছিলাম রাজ্যে ডবল ইঞ্জিনের সরকার হলে কালজানিতে সবার আগে পাকা সেতু হবে।  নিজস্ব চিত্র

29th     February,   2024
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ