বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
উত্তরবঙ্গ
 

তিনমাস পেনশন আটকে, মেলেনি গ্র্যাচুইটির টাকাও

নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: কোষাগারের হাল এতটাই খারাপ যে অবসরপ্রাপ্তদের প্রাপ্য মেটাতে পারছে না রায়গঞ্জ পুরসভা। বারবার আবেদন, নিবেদনে কাজ না হওয়ায় এবার রাস্তায় নামতে বাধ্য হলেন পুরসভার অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা।
তিন মাস ধরে বন্ধ পেনশন। মঙ্গলবার দুপুরে রায়গঞ্জ পুরসভার বাইরে অবস্থান বিক্ষোভে বসলেন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা। বারবার পুর প্রশাসক বোর্ডের কাছে আর্জি জানিয়েও কাজের কাজ কিছু হয়নি বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। অনিয়মিত পেনশন দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন পুরসভার প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস। 
রায়গঞ্জ মিউনিসিপ্যাল পেনশনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অসিতাভ  ঘোষ বলেন, আমরা গত তিন মাস প্রাপ্য পেনশন পাইনি। এমনকী ডিসেম্বরের ৫ তারিখ পেরিয়ে গেলেও আমাদের এমাসের পেনশন পাইনি। একই সঙ্গে প্রায় ৪৫ জন অবসরপ্তাপ্ত কর্মচারী গ্র্যাচুইটি পাননি। আমাদের রিভাইসড গ্র্যাচুইটিও দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া পড়ে আছে। বকেয়া দেওয়ার দাবিতেই আমরা অবস্থান কর্মসূচি নিতে বাধ্য হয়েছি। পুর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা বারবার দেখা করেছি। দুর্গাপুজোর আগে আমরা একবার দেখা করেছিলাম। তখন আমাদের পুজোর আগেই আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসের বকেয়া মেটানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। 
তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরবর্তীকালে আমাদের শুধুমাত্র আগস্টের বকেয়া মেটানো হয়। শারোদোৎসব পেরিয়ে গেলেও আমরা পুর কর্তৃপক্ষের কোনও সদর্থক ভূমিকা দেখতে পেলাম না। পুর কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিশ্রুতি খেলাপ করেছে। ২০২০ সাল থেকে এই অনিয়ম চলছে। এরপর আমরা জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেব এবং রাজ্য সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছেও বিষয়টি জানাব। 
রাগঞ্জের পুরসভার প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারম্যান সন্দীপ বিশ্বাস অবসরপ্রাপ্ত পুর কর্মচারীদের অনিয়মিত পেনশন দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, সত্যিই তাঁরা নিয়মিত পেনশন পাচ্ছেন না। আমার কাছেও এটি দুঃখের এবং পরিতাপের বিষয়। পুরসভার যা আর্থিক অবস্থা তাতে পেনশন দেওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেজন্য তাঁরা আন্দোলনের পথে গিয়েছেন। রাজ্যের পুরদপ্তর আমাদের পেনশনার্সদের মাত্র ৪৫ শতাংশ দেয়। বাকি ৫৫ শতাংশ পুরসভাকে তাদের নিজেদের কোষাগার থেকে দিতে হয়। পুর প্রশাসকের যুক্তি, ২০১৬ সালের ৩১ জুলাই আমাদের বোর্ড পরিবর্তন হয়েছিল। ওইদিন আমাদের পুরসভায় পেনশনভোগীর সংখ্যা ছিল ১০৫ জন। স্থায়ী কর্মচারী ছিলেন ১৭১ জন। ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বরে আমাদের স্থায়ী কর্মচারীর সংখ্যা মাত্র ৮৬ জন। পেনশনভোগীর সংখ্যা ১৬৭ জন। এখান থেকে সহজেই বোঝা যায় যে পেনশনার্সদের জন্য আমাদের ব্যয় কতটা বেড়ে গিয়েছে।  নিজস্ব চিত্র

6th     December,   2023
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ